অনুপমের পিতার পেশা কী ছিল?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কলি' কী?
- 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের বর্ণনায় কল্যাণীকে কীভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে
- নাট্যকার হেনরিক ইবসেন তাঁর 'নোরা' নাটকে পুরুষশাসিত সমাজের সাথে নারী ব্যক্তিত্বের সংঘর্ষ তুলে ধরেছেন সুচারুরূপে। এ নাটকে তিনি দেখিয়েছেন ক্ষুদ্র গৃহকোণে অবস্থান করে সংসার করাই নারীর একমাত্র কর্ম নয়। অন্তত তাঁর নায়িকা নোরা চায় বৃহত্তর সমাজজীবনের মধ্যে বিকাশ ও প্রতিষ্ঠা।উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে-
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা কোনটি?
- 'বিনুদার ভাষাটা অত্যন্ত ―।' শূন্যস্থানে কী বসবে?
- 'শুনিয়া আমার মন পুলকের আবেশে ভরিয়া গেল'- কী প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
- কোনটি সঙ্গতিপূর্ণ জোড় নয়?
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছু দিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গিয়াছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনও তাহার চেয়ে কিঞ্চিৎ উপরে আছে, সেই জন্য তাড়া।"উদ্দীপকের ঘটনাচিত্রে 'অপরিচিতা' গল্পের খন্ডাংশ প্রতিফলিত হয়েছে"- উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- এম.এ. পাস রফিক বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথাবার্তা বলার সময় বলে নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে বিয়ে নয়। কিন্তু পিতৃহীন রফিক চাচার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে না। পর সম্পদ লোভী চাচার আদেশে তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। নিজের মতামত প্রকাশের মানসিক দৃঢ়তা না থাকার কারণে বিয়ে বাড়ীতে যৌতুকের মালামাল নিয়ে লোভী চাচার প্রশ্নের কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। রফিকও চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিয়ে বাড়ী থেকে অসহায়ের মত চলে আসে।দৃঢ়তার অভাবে রফিক নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে চাচার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে- 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে এ সিদ্ধান্তের সাথে তুমি কি একমত?
- আমাদের অন্যতম ব্যবসায় পাশ বিক্রয়। এই পাশ বিক্রেতার নাম 'বর' এবং ক্রেতাকে শ্বশুর বলে। এক একটি পাশের মূল্য কত জানো?, 'অর্ধেক রাজত্ব ও এক রাজকুমারী' এম এ পাশ অমূল্যরত্ন, ইহা যে সে ক্রেতার ক্রেয় নয়। নিতান্ত সস্তা দরে বিক্রয় হইলে, মূল্য-এক রাজকুমারী এবং সমুদয় রাজত্ব। আমরা অলস, তরলমতি, শ্রমকাতর, কোমলাঙ্গ বাঙালি কি না তা-ই ভাবিয়া দেখিয়াছি। সশরীর পরিশ্রম করিয়া মুদ্রালাভ করা অপেক্ষা শ্বশুরের যথা সর্বস্ব লুণ্ঠন করা সহজ।উদ্দীপকটি 'অপরিচিতা' গল্পের আংশিক প্রতিফলন মাত্র।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- আমাদের সমাজে ছেলে সন্তানের জন্ম হলে সবাই খুশি হয়। এর নেপথ্যে কারণ কন্যাসন্তানের বিয়ে দিতে দতে অনেক অনেক অর্থ সংকুলন করতে হয়। সামাজিক, ধর্মীয় এবং আইনগত কুপ্রথার কারণে প্রতিনিয়ত অনেক নারী স্ত্রী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মানুষ যত দিন ভোগবাদী চিন্তার চূড়ান্ত স্তর থেকে বেরিয়ে আসতে না পারবে, ততদিন এ ব্যাধি থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। মানুষের চিন্তার চিকিৎসা করাতে পারলে মানবতার জয়গান প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।উদ্দীপকের মানবতার জয়গানের বিষয়টি 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- ’সমাস’ শব্দের অর্থ কী?
- 'কন্যার পিতা রামসুন্দর আমাদের রায় বাহাদুরের হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলেন, "শুভ কার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয়ই টাকাটা শোধ করিয়া দিব।" রায় বাহাদুর বললেন, "টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।" এই দুর্ঘটনায় অন্তঃপুরে একটা কান্না পড়িয়া গেল। ইতঃমধ্যে একটি সুবিধা হইল। বর সহসা তার পিতৃদেবের অবাধ্য হইয়া উঠিল। সে বাবাকে বলিয়া বসিল, "কেনাবেচা দরদামের কথা আমি বুঝি না; বিবাহ করিতে আসিয়াছি, বিবাহ করিয়া যাইব।""উদ্দীপকের ঘটনাটি 'অপরিচিতা' গল্পে বর্ণিত সামাজিক অসঙ্গতির দিকটি তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- “সমাজে প্রচলিত বিধিনিষেধ মেনে চলা বাঞ্চনীয়।” এ বাক্যে “বিধিনিষেধ” কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণী বিয়ে না করার কারণ কী ছিল?
- মুক্তিযুদ্ধের বিষয় আছে যে কবিতায়-
- 'একে তো বরের হাট মহার্ঘ, তাহার পরে ধনুক-ভাঙা পণ'- এই কথার অর্থ বুঝিয়ে দাও।
- শাওনের বিয়ে চূড়ান্ত হয় অন্যার সাথে। যৌতুকের দাবি পূরণনা হওয়ায় মোতালেব সাহেব ছেলের বিয়ে ভেঙে দিতে চান।বাবার অন্যায় আবদার শাওন ???ানতে নারাজ। সে যুক্তি দিয়েবাবাকে বুঝিয়ে যৌতুক না নিয়েই অন্যাকে বিয়ে করে ।শাওনের কোন কোন বৈশিষ্ট্য অনুপমের মধ্যে থাকলেঅনুপমের বিয়েটা হতো?সাহসিকতা ব্যক্তিত্ব গভীর ভালোবাসানিচের কোনটি সঠিক?
- মামার মন ভারী হলো কেন?
- ’অতিকায় হন্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে। কার উক্তি?
- রবীন্দ্রনাথের 'মুক্তধারা':
- শ, ষ, স এ তিনটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি কী?
- লিটন শীল আর চন্দনা একে অপরের ভালো বন্ধু। ছাত্রজীবন থেকে তাদের মাঝে বেশ সখ্য আর জানা-শোনা। উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। চন্দনা এম.এ পাশ করে স্বল্প বেতনের একটা চাকরি করে। স্বল্প বেতনের জন্য মা-বাবাকে সাথে নিয়ে শরহতলিতে একটা পুরোনো ভাড়া বাসায় বাস করে। তার যাপিত জীবন আভিজাত্যের নয় নিম্নমধ্যবিত্তের। লিটন শীল সরকারি চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাবা বিক্রম ??ীলের কাছে চন্দনকে বিয়ে করার কথা জানালে বাবা বিক্রম শীল মেয়েকে এবং মেয়ের 'পরিবারকে দেখতে চান। মেয়ের পারিবারিক অবস্থা দেখে ফিরে এসে বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলেন, "মেয়ে দেখতে সুন্দর তবে এ বিয়ে হবে না।" বাবার এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনি লিটন শীল। কারণ বাল্যকাল থেকেই সে তার বাবার কথার অবাধ্য হয়নি কখনো।ওপরের উদ্দীপকে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? বিচার করো।