'তোমার দাড়ি কই মিঞা' কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
A.
মজিদ
B.
আক্কাস
C.
মোদাব্বের মিঞা
D.
ধলা মিঞা
সঠিক উত্তরঃ
B.
আক্কাস
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- আব্দুল্লাহ যখন শাহ পাড়ার গোলদার বাড়ি আসিয়া পৌছিল তখন বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। সংবাদ পাইয়া গৃহস্বামী গোলদার ব্যস্ত সমস্ত হইয়া ছুটিয়া আসিল এবং তাহার দীর্ঘ শুভ্র শশ্মাশ্রুরাজি ভূলুণ্ঠিত করিয়া আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিতে উদ্যত হইল। এ ধরনের অভিনন্দনের জন্য আব্দুল্লাহ একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। পথে হঠাৎ সাপ দেখিলে মানুষ যেমন এক লম্ফে হটিয়া দাঁড়ায়, সেও তেমনি হটিয়া গিয়া বলিয়া উঠিল 'আহা, করেন কি, করেন কি, গোলদার সাহেব। কাসেম গোলদার বড়োই সরলপ্রাণ, ধর্মপরায়ণ, পিরভক্ত লোক। আব্দুল্লাহর পিতা তাহার পির ছিলেন, এক্ষণে তাহার মৃত্যুতে আব্দুল্লাহ তাঁহার স্থলাভিষিক্ত বলিয়া মনে করিয়া লইয়া সে আব্দুল্লাহর কদমবুসি করিবার জন্য নত মস্তকে হাত বাড়াইয়াছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ পা টানিয়া লওয়ায় সে উহা স্পর্শ করিতে পাইল না; তাহার মনে হইল বেহেশতের দুয়ারের চাবি তাহার হাতের কাছ দিয়া সরিয়া শেল।উদ্দীপকের আব্দুল্লাহর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের চারিত্রিক পার্থক্য দেখাও।
- রহিম উদ্দীন মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অনেক টাকা উপার্জন করেন। এলাকায় তাঁর দানে রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু তাঁর মনে সুখ নেই। তিনি নিঃসন্তান। অনেকেই তাঁকে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি।উদ্দীপকে প্রতিফলিত ইতিবাচক জীব-চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- মজিদ কাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল?
- ‘জয়গুন’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- 'দৃষ্টি প্রদীপ' কী ধরনের রচনা?
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়া জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।"উদ্দীপকের তোতা মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারী দুজনেরই পরিণতি বেদনাবহ।"- বিচার কর।
- এনায়েত রসুলপুর মসজিদের ইমাম। সর্বদা এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকে সে। মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ায় সবাই তাকে মান্য করে। সুন্দর নূরানী চেহারা হওয়ায় এলাকার সবাই তাকে পীর সাহেব হিসাবে গণ্য করে। সে হঠাৎ ফতোয়া জারি করে সকল দান খয়রাত এলাকার মানুষ যেন মসজিদ মাদ্রাসায় দেয়। একথা শুনে এলাকার আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু এলাকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ মেহেরার কথায় সায় দেয় না বরং বিরোধিতা করে। তাদের ধারণা বাংলা, ইংরেজি পড়া স্কুল কলেজে পড়লে মানুষ শয়তানের দোসর হয়। পরকাল শেষ হয়ে যায়। তাই সকল দান খয়রাত, পড়াশুনা মসজিদ মাদ্রাসাভিত্তিক হওয়া দরকার।উদ্দীপকে বর্ণিত মসজিদের ইমাম এনায়েতের ফতোয়ার বিরোধিতা করে আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে- আলোচনা কর।
- 'রোগা মানুষ সমস্ত রাত খেতে পারবে না' এখানেকোন খাবারের কথা বলা হয়েছে?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপসহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষক, স্বৈচরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০, সর্বোপরি ১৯৭১ সালে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর যথার্থ নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশে স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধুর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি আলোচনা করো।
- নাগর ফকিরের মৃত্যুর পর অনুসারীর সংখ্যা রাতারাতি বাড়তে লাগল। তার মৃত্যুর খবরে আশেপাশের অনেকেই হাজির না হলেও তার গায়েবি মাজার ওঠার খবরে বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ এসে ভিড় জমাতে লাগল। সবার নজরানায় নাগর ফকিরের ছেলে সাগরের সুনাম ও সম্পদ বৃদ্ধি পেতে থাকল। গায়েবি মাজার ওঠার প্রচারণা অনেকেই বিশ্বাস করল না। তবে তারা, এ বেদাতি কাজে বাধাও দিল না। এতে মাজার-বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে সাগরের প্রভাব ও পয়সা দুটোই বাড়তে লাগল। উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনাকে মনে করিয়ে দেয়? বর্ণনা করো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'র শেষ কর্মস্থল ছিল-
- বাহে মুলুক কোথায়?
- আশেকনগর গ্রামের এনায়েতউল্লাহ উত্তরাধিকারসূত্রে একজন পির। অঢেল তার ধনসম্পদ। কিন্তু ঘরে তার কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় মনে তার শূন্যতা। তাই বার্ষিক জলসা শেষ হওয়ার পরপরই এনায়েত দ্বিতীয় বিবাহ সেরে ফেলে। নতুন বউ অল্পবয়সী, দেখতে অতি নিরীহ গোছের-একেবারে এনায়েতের মনের মতো। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই সে বেরিয়ে আসে ঘোমটা থেকে, কথা বলে অনবরত এবং হাসতে থাকে খলখল শব্দে। পীর স্বামী তাকে মাজারের ভয় দেখায়, শরিয়ত-মারফত শেখায় এবং পাক মাজারের সঙ্গে ঠিকভাবে আচরণের জন্য শাসায়। কিন্তু নতুন বউ সারার মনে প্রবল বিদ্রোহ। সে তার বাবার বয়সী স্বামীকে কোনোমতেই সহ্য করতে পারে না। এনায়েত বিচলিত হয়।উদ্দীপকের সারার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদ হরনাথ বসু মানুষের অতীত, বর্তমান ওভবিষ্যৎ দ্রষ্টা বলেই সোনাপুর গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করে।বিপদে-আপদে রোগে-শোকে সোনাপুর গ্রামবাসী অনেকটাকা খরচ করে ভাগ্য গণনা করিয়ে হরনাথ বসুর নিকটহতে রত্ন পাথর গ্রহণ করে। গ্রামের রাজীব কিন্তুহরনাথের এই অলৌকিকতায় বিশ্বাস করে না। উদ্দীপকের রাজীবের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসেরসাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র—
- করিম মুন্সীর স্ত্রী মোমেনা বেশ সহজ-সরল। স্বামীর প্রতিতার বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতা প্রবল। সাধারণ মানুষেরসারল্য ও খোদাভীতিকে পুঁজি করে তার স্বাম?? তাবিজ বিক্রিকরে এবং পানি পড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে।উদ্দীপকের করিম মুন্সী ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়েরই ব্যাবসার উৎস হলো— প্রতারণা মানুষের সরলতাধর্মভীতিনিচের কোনটি সঠিক?
- কে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত?
- 'ওনারে কন, আমার মওতের জন্য জানি দোয়া করে' উক্তিটি কার?
- দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা। সময়ে অসময়ে মিথ্যা কথা না বললে নয়- এ কথার মধ্যে মজিদ চরিত্রের যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে তা হলো-অনুশোচনাবোধঅস্তিত্ব রক্ষার প্রয়াসআত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টানিচের কোনটি সঠিক?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ফরাসি অনুবাদক কে?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজী অনুবাদ-
- ‘লালসালু’ উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?
- 'যেন বিশাল সূর্যোদয় হয়েছে, আর সে আলোয় প্রদীপের আলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।'ーবিষয়টি বুঝিয়ে দাও।
- মজিদ বুড়াকে মাজারে কয় পয়সার সিন্নি দিতে বলেছেন?
- উদয়পুর গ্রামের মোড়ল সাহেবের ভৃত্য গফুর মিয়ার সন্তান সাফল্যের সঙ্গে পিএসসি পাশ করে। দূরবর্তী গ্রামে সন্তানকে পাঠিয়ে হাই স্কুলে পড়ানোর সামর্থ্য নেই বিধায় গফুর মোড়লের আর্থিক সাহায্য ও পরামর্শ চায়। কিন্তু মোড়ল তার সন্তানকে লেখাপড়ায় নিরুৎসাহিত করে এবং বলে গরিবের লেখাপড়া করে কী হবে? বরং আর্থিক সচ্ছলতার জন্য গফুরের সন্তানকে ঋণের মাধ্যমে অটোরিকশা কিনে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। ভৃত্য গফুর মোড়লের এই পরামর্শ মেনে নিতে বাধ্য হয়। ফলে সন্তানের লেখাপড়ার ইতি ঘটে।প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের সমাজবাস্তবতাই যেন 'লালসালু' উপন্যাসে প্রতিফলিত হয়েছে? মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।