বিভার বাবা আলম সাহেব অল্প বেতনে চাকরি করলেও মেয়েকে তিনি শিক্ষিত করেছেন। বিয়ের কথা পাকা হওয়ার দিন পাত্রপক্ষ বিপুল অঙ্কের যৌতুক দাবি করায় তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। সেইসাথে অবাক হন পাত্র কৌশিকের মৌনরূপ দেখে। বিভা তাই তার বাবাকে জানিয়ে দেয়, যে ছেলে মেয়ের বাবার কাছে হাত পেতে অর্থ নেয়, সে ছেলের কাছে আমি কখনোই সম্মান পাব না।
উদ্দীপকের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- দারিদ্রতা ও দুর্নীতিমুক্ত সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ চাই।
- ডাক্তার অপূর্ব রংপুর বাসস্টপেজে দাঁড়িয়ে দেখতে পেলেন একটি স্কুল বাসে একজন শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের ছড়া গান শেখাতে শেখাতে নিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষিকাকে তার চেনা চেনা মনে হলো। তার সঙ্গেই কি অপূর্বের বিয়ে হবার কথা ছিল? অপূর্বের কৌতূহল আর কোলাহলের মধ্যেই বাসটি চলে গেল। শিক্ষিকাকে দেখে মনে হলো স্বাধীনচেতা ও ব্যক্তিত্বময়ী। ডাক্তার অপূর্বের মনে পড়ল সেই বিখ্যাত গানের কলি: আমার বলার কিছু ছিল না...........।উদ্দীপকের শিক্ষিকার মধ্যে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চারিত্রিক প্রবণতাসমূহ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে তুমি মনে করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি নাটক?
- বিবাহ ভাঙার পর হতে কল্যাণী কোন ব্রত গ্রহণ করে?
- সাহিত্য রচনার ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরী দৃষ্টিভঙ্গি কী রকম ?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ছন্দের নাম কী?
- 'মন্দ নয় হে। খাঁটি সোনা বটে।' কার উক্তি?
- 'দিবারাত্রির কাব্য' কী জাতীয় রচনা?
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় শামসুর রাহমানের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- 'এটা আপনাদের জিনিস, আপনাদের কাছেই থাক।'-এরূপ মন্তব্যের কারণ কী?
- ইসলামে নবি কী বলেছেন?
- শ্বশুরের সামনে অনুপমের মাথা হেঁট করে রাখারকারণ কী?
- 'নীললোহিত' - কার ছদ্মনাম?
- "ধলেশ্বরী নদীর তীরে পিসিদের গ্রামতাঁর দেওরের মেয়ে অভাগার সাথে তার বিবাহ ছিল ঠিকঠাকলগ্ন শুভ, নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গেল-সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে।মেয়েটা তো রক্ষা পেলআমি তথৈবচঘরেতে এলো না সে তো, মনে তার নিত্য আসা যাওয়াপরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।অনুপমের কল্পনায় অপরিচিতার সাথে উদ্দীপকের মেয়েটির তুলনা করো।
- ‘চিরকুমার সভা’ নাটকটির লেখক কে?
- কোন শব্দটি ইতিবাচক?
- 'মানব-কল্যাণ কথাটা স্রেফ মানব অপমানে পরিণত হয়েছে।'- ব্যাখ্যা করো।
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিয়েহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে মেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহূদয়ের মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন যেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ, মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।উদ্দীপকের বিষয়টিই অনুপম চরিত্রের একমাত্র দিক নয়, আনন্দও তার আছে। 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে তোমার মতামতসহ মন্তব্যটি যাচাই কর।
- পড়াশোনা শেষ করে সবিতা এখন গ্রামের একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। বছর কয়েক আগে শহরের এক ধনী ব্যবসায়ীর ছেলের সঙ্গে তার বিবাহ স্থির হয়। পাত্রপক্ষ বিয়েতে মোটা অঙ্কের যৌতুক দাবি করলে তার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। সবিতা নিজেই যৌতুককে প্রত্যাখ্যান করে বিয়ে না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। পিতা-মাতা ও সহকর্মীদের অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি তার চিন্তা-চেতনায় কোনো পরিবর্তন আনেননি। তিনি, ছাত্র-ছাত্রীর প্রাণ। মায়ের মতো ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখেন সবাইকে। তিনি বলেন, 'দেশকে মাতৃজ্ঞানে সেবা করা, দেশকে ভালোবাসা প্রত্যেকের কর্তব্য।' পরহিতে জীবন উৎসর্গ করাই তার ধর্ম।উদ্দীপকের 'সবিতা' ও 'অপরিচিতা' গল্পের 'কল্যাণী' উভয়েই যৌতুকের শিকার।"- মন্তব্যটি -বিশ্লেষণ করো।
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ। সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায় বাহাদুরের হাতে-পায়ে ধরিয়া বলিলেন, 'শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক। আমি নিশ্চয় টাকাটা শোধ করিয়া দেবো।' রায় বাহাদুর বলিলেন, 'টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।'উদ্দীপকের 'রামসুন্দর' চরিত্রটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা করো।
- 'সেজন্য কিছু ভাবিবেন না- এখন উঠুন।'- উক্তিটিতে বস্তার মনোভাব ব্যাখ্যা করো।
- কোন বইটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নয়?
- ‘জীবনস্মৃতি’ কার রচনা?
- 'জীবনস্মৃতি' কার আত্মজীবনী?