ট্রান্সজেনিক প্রাণীর কোন অংশ থেকে ঔষধ আহরণ করা হয় না?
RUUnit-CSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবপ্রযুক্তিরিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজির প্রয়োগ (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
মূত্র
Explanation:

Another Explanation (5):
ট্রান্সজেনিক প্রাণী থেকে ঔষধ আহরণের উৎস 🧪
ট্রান্সজেনিক প্রাণী ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ তৈরি করা হয়। এক্ষেত্রে, প্রাণীর শরীর থেকে বিভিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে তা থেকে ঔষধ নিষ্কাশন করা হয়। নিচে ট্রান্সজেনিক প্রাণীর বিভিন্ন অংশ এবং ঔষধ আহরণের উৎস নিয়ে আলোচনা করা হলো:
💊 ঔষধ আহরণের উৎস:
- দুধ 🥛: অনেক ট্রান্সজেনিক প্রাণীর দুধে কাঙ্ক্ষিত ঔষধীয় প্রোটিন তৈরি হয়। উদাহরণস্বরূপ, মানুষের রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন তৈরি করা যেতে পারে।
- রক্ত 🩸: রক্তের প্লাজমা থেকেও ঔষ?? তৈরির উপাদান পাওয়া যায়। ট্রান্সজেনিক প্রাণীর রক্তে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি বা অন্যান্য থেরাপিউটিক প্রোটিন তৈরি করা সম্ভব।
- লালা 唾液: কিছু ক্ষেত্রে লালা থেকেও ঔষধীয় উপাদান আহরণ করা হয়, যদিও এটি দুধ বা রক্তের মতো বহুল ব্যবহৃত নয়।
- শুক্রাণু 精子: প্রজনন কাজে ব্যবহারের পাশাপাশি শুক্রাণু থেকেও কিছু ঔষধীয় উপাদান পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
- অর্গান/টিস্যু 🧬: ট্রান্সজেনিক প্রাণীর নির্দিষ্ট কিছু অর্গান বা টিস্যু থেকে কোষ নিয়ে তা থেকে ঔষধ তৈরি করা যেতে পারে।
⚠️ যে অংশ থেকে সাধারণত ঔষধ আহরণ করা হয় না:
সাধারণত, মূত্র urine 尿 থেকে ঔষধ আহরণ করা হয় না। এর কারণগুলো হলো:
- মূত্রে ঔষধীয় প্রোটিনের পরিমাণ খুবই কম থাকে।
- মূত্রে অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ মিশ্রিত থাকে, যা ঔষধ নিষ্কাশনকে জটিল করে তোলে।
- মূত্র থেকে ঔষধ আহরণ করা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক নয়।
সারণী: ট্রান্সজেনিক প্রাণীর অংশ থেকে ঔষধ আহরণ
| অঙ্গ/তরল | ঔষধীয় উপাদান | ব্যবহারের সম্ভাবনা | সাধারণ ব্যবহার |
|---|---|---|---|
| দুধ 🥛 | প্রোটিন, অ্যান্টিবডি | উচ্চ | সাধারণ |
| রক্ত 🩸 | অ্যান্টিবডি, থেরাপিউটিক প্রোটিন | মাঝারি | সাধারণ |
| লালা 唾液 | এনজাইম, প্রোটিন | কম | সীমিত |
| শুক্রাণু 精子 | কিছু প্রোটিন | কম | গবেষণামূলক |
| অর্গান/টিস্যু 🧬 | কোষ, প্রোটিন | মাঝারি | কিছু ক্ষেত্রে |
| মূত্র 尿 | বর্জ্য পদার্থ | খুবই কম | নেই বললেই চলে |
সুতরাং, ট্রান্সজেনিক প্রাণীর মূত্র থেকে ঔষধ আহরণের সম্ভাবনা খুবই কম, তাই এটি ঔষধ তৈরির উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। 🚫
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে। 😊
Option A Explanation:
- উৎস: দুধ
- ল্যাক্টোপারঅক্সিডেজের উপস্থিতি: দুধে ল্যাক্টোপারঅক্সিডেজ একটি প্রাকৃতিক এন্টি-অক্সিডেন্ট এঞ্জাইম।
- মূল কাজ: দুধে থাকা ল্যাক্টোজকে গ্লুকোজ ও গ্যালাক্টোজে রূপান্তর করে, যা পেটের অস্বস্তি কমাতে সহায়ক।
- উপকারিতা: দুধের ল্যাক্টোপারঅক্সিডেজ ল্যাক্টোজ ইনটোলারেন্সের ক্ষেত্রে উপকারী, কারণ এটি দুধের ল্যাক্টোজকে সহজে হজমে সাহায্য করে।
Option B Explanation:
- রক্ত: মানব দেহে রক্ত প্রথম প্রতিরক্ষা স্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শরীরের বিভিন্ন অংশে থাকা জীবাণু ও বিষাক্ত পদার্থের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- রক্তের মধ্যে উপস্থিত শ্বেত রক্ত কণিকা (White Blood Cells) ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, এবং অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- এছাড়াও, রক্তের মাধ্যমে অ্যান্টিবডি পৌঁছে যায় যেখানে প্রয়োজন, যা অণুজীবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
Option C Explanation:
- মূত্র: ট্রান্সজেনিক প্রাণীর মধ্যে ঔষধ বা ঔষধি উপাদান সাধারণত মূত্র থেকে সংগ্রহ করা হয় না। কারণ, মূত্রের মাধ্যমে প্রাকৃতিক বা ট্রান্সজেনিক উপাদান সরাসরি সংগ্রহের জন্য উপযুক্ত নয়।
Option D Explanation:
- মাংস: ট্রান্সজেনিক প্রাণীদের মাংস থেকে সাধারণত ঔষধ বা এর উপাদান আহরণ করা হয় না। কারণ, এই ধরনের জিন পরিবর্তিত প্রাণীর মাংসের মাধ্যমে ঔষধের উপাদান সরাসরি সংগ্রহের প্রক্রিয়া সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। তদ্ব্যতীত, এই ধরনের প্রাণীর মাংসের মাধ্যমে ঔষধ সংগ্রহের বিষয়টি বৈজ্ঞানিক ও নিরাপত্তামূলক কারণে সীমিত বা অপ্রচলিত।