’একটি তুলসী গাছের কাহনী’ গল্পে কল্পনাপ্রবণ ও সংবেদনশীল চরিত্র কোনটি?
A. মোদাব্বের
B. মতিন
C. ইউনুস
D. মকসুদ
সঠিক উত্তরঃ
B.
মতিন
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' কার রচনা?
- "সেই অমোঘ অস্ত্র_______পৃথিবীতে ব্যাপ্ত করো। "- শূন্যস্থানে কী হবে?
- 'আমার পূর্ব বাংলা' কবিতায় নিকুঞ্জ এর তমাল কী দিয়ে ঘেরা?
- 'মানবের মহা-বেদনার ডাক' বলতে কী বোঝায়?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসে ‘মাঝি’ বলতে বোঝায়-
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোনটিকে মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
- বঙ্গভাষা' কবিতার কোন অংশ শেক্সপিয়রীয় সনেটের রীতিতে রচিত?
- “খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালোবর্গি এল দেশেবুলবুলিতে ধান খেয়েছেখাজনা দিব কিসে।"উদ্দীপকের বর্গির সঙ্গে 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি'কবিতার যে বিষয়টি তুলনীয়-
- 'একটি ফটোগ্রাফ' কবিতাটি কোন ছন্দে র??িত?
- নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের প্রবল আকাঙ্ক্ষায় ভয়ভীতি দেখিয়ে, অত্যাচারনির্যাতন করেও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এলাকাবাসীরসমর্থন পায়নি মির্জা সাহেব; অথচ তারই ছেলে দুঃখে সুখে জনগণেরপাশে থেকে, গ্রামে বিদ্যালয় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে এখন সকলেরইপ্রিয় ব্যক্তি।উদ্দীপকে মির্জা সাহেবের চেয়ারম্যান হবার আকাঙ্ক্ষা 'সেইঅস্ত্র' কবিতার কোন অনুষঙ্গের সাথে তুলনীয়?
- চন্ডিগড় শহরের উপকণ্ঠে বাড়ি ভাড়া নেয় সুরেশ ও কল্যাণী ব্যানার্জী। তাদের এক সন্তান শান্ত। স্বামী-স্ত্রী চাকুরিজীবী হওয়ায় শান্তাকে দেখাশোনার জন্য গ্রাম থেকে আনা হয় আট বছর বয়সী দরিদ্র অনিতাকে। সারাদিনের খাটুনিতে অনিতার শ্রান্ত শরীরে ঘুম চলে আসে সন্ধ্যারাতে। কল্যাণীর ধারণা অনিতার খাবারের পরিমাণ আরও কমালে ওর ঘুম আসবে না। তাই অনিতার খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেয় কল্যাণী। কম খেতে খেতে অনিতা শীর্ণকায় হয়ে পড়ে। শান্তর উচ্ছিষ্ট সে চুরি করে খায়। এটা জানতে পেরে কল্যাণী অনিতার উপর নির্যাতন চালায়, তওবা করায় এবং উপদেশ দেয় যে চুরি করে খাওয়া পাপ। ফ্রিজে ভর্তি করা খাবার, শান্ত খাওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়ায় আর অনিতা শান্তর উচ্ছিষ্টের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।উদ্দীপকের অনিতা 'বিড়াল' প্রবন্ধের কোন শ্রেণিকে স্মরণ করিয়ে দেয়-ব্যাখ্যা করো।
- 'বৃক্ষ যে কেবল বৃদ্ধির ইশারা তা নয়', এটি -
- 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের উপজীব্য বিষয়-
- কবি দিলওয়ারের জন্মস্থান কোন জেলায়?
- লোকায়ত বিশ্বাস এই- শুকদেবপুর গ্রামে দূর অতীতে এক মহাপুরুষের জন্ম হয়েছিল। সকল ধর্মের অনুসারীরাই তাঁর কাছ থেকে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক মঙ্গল লাভের দিক নির্দেশনা পেতো। মানুষই সকল জ্ঞান আর প্রজ্ঞার আধার; প্রয়োজন কেবল সেই মানবাত্মার জাগরণ- এই ছিল মানবপ্রেমিক মহাপুরুষের সাধনার মূলকথা। তাঁর শিক্ষা ধারণ করে শুকদেবপুর গ্রাম সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির চরম শিখরে পৌঁছেছে। এখানে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা ধর্মভীরু হলেও তাদের মধ্যে নেই ধর্মীয় উন্মাদনা; ধর্ম তাদের কাছে শোষণহীন ন্যায় বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অবলম্বন।উদ্দীপকের 'মানবাত্মার জাগরণ' 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন বক্তব্যের প্রতিফলন? যুক্তিসহ লেখ।
- আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় আলপথ দিয়ে হাজার বছর চলি।চলি পলিমাটি কোমলে, আমার চলার চিহ্ন ফেলে।তেরোশত নদী শুধায় আমাকে, 'কোথা থেকে তুমি এলে?'উদ্দীপকে প্রতিফলিত চেতনা ব্যক্ত হয়েছে নিচেরকোন চরণে?
- নদী, মাঠ, কৃষক, লতা, পাখি, গনি মিয়া ও আসমানিকেনিয়ে কল্পনা ও স্বপ্নের মাধুরী দিয়ে চিত্ররূপময় কবিতাউপহার দিয়েছেন জসীমউদ্দীন। গনি মিয়া, আসমানি ওপ্রকৃতিকে নিয়েই জসীমউদ্দীন চিরকাল বেঁচে থাকতেচান। যা কবির কল্পলোকে সম্ভব হলেও বাস্তবে সম্ভব নয়।উদ্দীপকের প্রথম অংশের সঙ্গে 'লোক-লোকান্তর’কবিতার মিল—
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা একটি গদ্য গ্রন্থের নাম লেখো।
- ফরিদপুর জেলার ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে নকশিকাঁথা। কাঁথা সেলাই করে অনেকেই সচ্ছলতার মুখ দেখেছে। নারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্ব-উদ্যোগে নকশিকাঁথার দোকান পরিচালনা করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। শহরের অলিগলিতে আজ চোখে পড়ে অসংখ্য হস্তশিল্পের দোকান। দোকানের পণ্যগুলো দেশের বাজার ছাড়িয়ে বিদেশের বাজারেও স্থান করে নিচ্ছে। তাই এখন এ জেলার স্লোগান হচ্ছে। "ফরিদপুরের নকশিকাঁথা, বাংলাদেশের গর্বগাথা"।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের বিষয়বস্তুর বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- কমলাকান্ত কোন মামলার স্বাক্ষী?
- দিলওয়ার কোন জেলার কবি?
- বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ চিত্রকর্মের সংগ্রহ রয়েছে কোন জাদুঘরে?
- ‘পাছায় জোটে না ত্যানা' উদ্ধৃতিটি কোন রচনার?
- 'হৈমন্তী’ গল্পে অপু হৈমন্তীর জন্য কী কিনে এনেছিল?
- বরফ গলা নদী' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?