Another Explanation (5): প্রশ্ন: XX-XO পদ্ধতিতে লিঙ্গে নির্ধারণ করা হয় কোন প্রাণীতে?
উত্তর: ড্রসোফিল
উপযুক্ত ব্যাখ্যা
ড্রসোফিল (Drosophila), বা সাধারণত ডোরা ফিলি নামে পরিচিত এই ফলের পোকা, একটি প্রজননশীল মডেল অর্গানিজম যা জেনেটিক গবেষণায় ব্যাপক ব্যবহৃত হয়।
এই প্রাণীতে লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য XX-XO পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে:
- মহিলা ড্রসোফিলের জন্য: উদ্ভিদের জেনেটিক কনফিগারেশন হয় XX, অর্থাৎ দুইটি X ক্রোমোজোম।
- পুরুষ ড্রসোফিলের জন্য: উদ্ভিদের জেনেটিক কনফিগারেশন হয় XO, অর্থাৎ একটি X ক্রোমোজোম এবং একটি অপ্রকাশিত বা অনুপস্থিত ক্রোমোজোম।
অতএব, এই পদ্ধতিতে লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য ক্রোমোজোমের সংখ্যার পার্থক্য মূল কারণ।
Option A Explanation:
- অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: ঘাসফড়িংয়ে হিমোসিল নামে এক ধরনের রক্তসঞ্চালনকারী ঝিল্লি বা নল পাওয়া যায়।
- অস্তিত্ব: এটি মূলত তাদের শরীরের রক্তবাহী নালি বা রক্তনালী হিসেবে কাজ করে, যা তাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে রক্ত প্রবাহে সহায়ক।
- বৈশিষ্ট্য: হিমোসিলের মাধ্যমে ঘাসফড়িং রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন এবং পুষ্টি সরবরাহ করে, এবং এটি তাদের শারীরিক কার্যকলাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option B Explanation:
- প্রাণীর ধরন: বানর হলো স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা স্তন্যপান করে পোষ মানে।
- পৃষ্ঠের গঠন: এদের দেহে লোম থাকে, যা শরীরকে উষ্ণ রাখে।
- প্রজনন পদ্ধতি: বানর সাধারণত গর্ভধারী হয় এবং লালন-পালন করে শিশুদের।
- অঙ্গসংস্থান: এদের দেহে উভচর বা পাখির মতো নয়, বরং মারসুপিয়াল (মেরুদণ্ডবিশিষ্ট) রূপ।
- অন্য বৈশিষ্ট্য: বানর সাধারণত চার পায়ে চলে এবং কিছু প্রজাতি গাছে চলে বেড়ায়।
Option C Explanation:
ড্রসোফিল (Drosophila)
- ড্রসোফিল মূলত এক ধরনের ক্ষুদ্র পতঙ্গ, যা সাধারণত ফলের উপর পাওয়া যায়।
- এটি জেনেটিক গবেষণায় ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয় কারণ এর জেনেটিক গঠন সহজে পরিবর্তন করা যায়।
- ড্রসোফিলের লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য XX-XO পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- এই পদ্ধতিতে, নারী ড্রসোফিলের জেনেটিক সংগ্রহে দুটি X ক্রোমোসোম থাকে, যেখানে পুরুষের একটিই X ক্রোমোসোম থাকে এবং অন্যটি থাকে Y ক্রোমোসোম, যা লিঙ্গ নির্ধারণে সহায়তা করে।
- অতএব, এই পদ্ধতিতে লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয় মূলত ক্রোমোসোমের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করে।
Option D Explanation:
বাদুরের লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য XX-XO পদ্ধতি
- প্রাণীর ধরণ: বাদুর এক ধরনের স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা সাধারণত স্তন্যপায়ী শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
- জেনেটিক ভিত্তি: এই পদ্ধতিতে প্রাণীর জেনেটিক উপাদান বা ক্রোমোজোমের ভিত্তিতে লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয়।
- XX-XO পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে, স্ত্রী প্রাণীর জেনেটিক কনফিগারেশন হয় XX, যা নারী লিঙ্গ নির্দেশ করে, আর পুরুষের জন্য হয় XO, যেখানে X ক্রোমোজোমের পাশাপাশি একটি অনুপস্থিত ক্রোমোজোম।
- প্রয়োগ: এই পদ্ধতিতে বাদুরের লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয় যখন তার জেনেটিক উপাদান বিশ্লেষণ করা হয়।
- উপকারিতা: জেনেটিক পর্যবেক্ষণে এটি ব্যবহৃত হয় লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য, বিশেষ করে গবেষণায় বা প্রজননের ক্ষেত্রে।