A. সহপ্রকটতা
B. পরিপূরক জিন
C. এপিস্ট্যাসিস
D. অসম্পূর্ণ প্রকটতা
সঠিক উত্তরঃ A. সহপ্রকটতা
Explanation: দুটি নন-অ্যালিলিক জিনের একত্রে কাজ করে একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করাকে 'সহপ্রকটতা' বলে। সঠিক উত্তর Option A। অপশন বিশ্লেষণ: Option B: পরিপূরক জিন - এটি দুটি জিন পরস্পর নির্ভরশীল থাকলে প্রযোজ্য; Option C: এপিস্ট্যাসিস - এটি একটি জিন অন্যটির ওপর প্রভাব ফেলে; Option D: অসম্পূর্ণ প্রকটতা - এটি জিনের আংশিক প্রকাশ নির্দেশ করে। নোট: সহপ্রকটতার ফলে উভয় জিন নিজ নিজ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
Another Explanation (5):
সহপ্রকটতা (Epistasis) হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ বংশগতি প্রক্রিয়া। এখানে, একটি জিনের (এপিস্ট্যাটিক জিন) উপস্থিতি অন্য একটি নন-অ্যালিলিক জিনের (হাইপোস্ট্যাটিক জিন) প্রকাশকে প্রভাবিত করে বা সম্পূর্ণরূপে মাস্ক করে দেয়। অর্থাৎ, দুটি ভিন্ন স্থানে অবস্থিত জিন একে অপরের উপর প্রভাব ফেলে কোনো একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশে। মেন্ডেলের বংশগতির সূত্র অনুযায়ী, জিনগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করার কথা থাকলেও এপিস্ট্যাসিসের ক্ষেত্রে তা হয় না।
সহপ্রকটতার বেশ কিছু বাস্তব উদাহরণ রয়েছে। নিচে কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হলো:
| এপিস্ট্যাটিক জিন | হাইপোস্ট্যাটিক জিন | ফেনোটাইপিক প্রভাব | উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| প্রকট এপিস্ট্যাসিস | মাস্কড জিন | একটি প্রকট অ্যালিল অন্য জিনের প্রকাশকে মাস্ক করে | কুমড়োর ফলের রঙ |
| প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস | মাস্কড জিন | একটি প্রচ্ছন্ন অ্যালিল অন্য জিনের প্রকাশকে মাস্ক করে | বোম্বাই ব্লাড গ্রুপ |
এপিস্ট্যাসিস বংশগতি এবং বিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এটি বুঝতে পারলে কোনো জীবের বৈশিষ্ট্য কিভাবে প্রকাশ পায়, তা আরও ভালোভাবে জানা যায়। এছাড়াও, এটি জেনেটিক কাউন্সেলিং এবং রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। 🧬🔬
আরও জানতে এবং গভীর অনুসন্ধানের জন্য, জীববিজ্ঞান এবং জেনেটিক্স সম্পর্কিত বই ও জার্নাল পড়ুন। 📚💻