Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এই প্রশ্নে এমন প্রাণী সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছে, যেখানে পুরুষের চেয়ে স্ত্রীতে একটি ক্রোমোজোম বেশি থাকে। ঘাসফড়িংয়ে এই ধরনের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। অপশন বিশ্লেষণ: A. ঘাসফড়িং: সঠিক, এখানে পুরুষের চেয়ে স্ত্রীতে একটি ক্রোমোজোম বেশি থাকে। B. মানুষ: ভুল, মানুষের ক্ষেত্রে পুরুষ এবং স্ত্রীর মধ্যে X এবং Y ক্রোমোজোমের পার্থক্য রয়েছে, তবে এই ধরনের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য নেই। C. মুরগী: ভুল, মুরগীর মধ্যে পুরুষ ও স্ত্রীর মধ্যে X ও Z ক্রোমোজোম থাকে। D. কবুতর: ভুল, কবুতরের ক্ষেত্রেও পুরুষের চেয়ে স্ত্রীর ক্রোমোজোম সংখ্যা সমান থাকে। নোট: ঘাসফড়িংয়ের মধ্যে পুরুষের তুলনায় স্ত্রীর একটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোম থাকে, যা জেনেটিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
Another Explanation (5):
প্রশ্নের উত্তর: ঘাসফড়িং 🦗
অ্যাকাডেমিকভাবে বোঝা যায় যে, কিছু জীবের ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় স্ত্রীদের মধ্যে একটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোম থাকতে পারে।
প্রাণীর ক্রোমোজোমের ধরন ও সংখ্যা
নিম্নে কিছু প্রাণীর ক্রোমোজোমের সংখ্যা ও ধরন দেওয়া হলো:
| প্রাণী |
পুরুষের ক্রোমোজোম |
স্ত্রীর ক্রোমোজোম |
| মানুষ |
XY |
XX |
| ঘাসফড়িং 🦗 |
1X |
2X |
বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা 📝
- ঘাসফড়িংয়ের ক্ষেত্রে, স্ত্রীদের মধ্যে দুটি X ক্রোমোজোম থাকে, যা তাদের লিঙ্গ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- অন্যদিকে, পুরুষের মধ্যে শুধুমাত্র একটি X ক্রোমোজোম থাকে এবং একটি Y ক্রোমোজোম।
- অতএব, এই প্রাণীর ক্ষেত্রে, স্ত্রীর মধ্যে পুরুষের তুলনায় একটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোম (X) থাকে।
উপসংহার 🏁
অতএব, ঘাসফড়িং প্রাণীর ক্ষেত্রে স্ত্রীর মধ্যে পুরুষের তুলনায় একটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোম (X) থাকে। এই বৈচিত্র্য লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option A Explanation:
ঘাসফড়িং এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- প্রজাতি: ঘাসফড়িং (Crickets)
- প্রজনন: প্রজনন জন্য পুঞ্জাক্ষি বা অণ্ডকোষ ব্যবহার করে
- অঙ্গ: পুঞ্জাক্ষি একটি বিশেষ অঙ্গ যা পাখির বা অন্যান্য কিছু প্রাণীর মধ্যে দেখা যায় না
- বৈশিষ্ট্য: পুঞ্জাক্ষি মূলত প্রজননের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর মাধ্যমে ডিমের সঞ্চয় ও মুক্তি ঘটে
- অন্য নাম: এটি সাধারণত "অণ্ডকোষ" বা "অণ্ডপ্রজনন অঙ্গ" হিসেবেও পরিচিত
Option B Explanation:
- প্রজনন: মানুষ ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাসের প্রধান পোষকদেহ, যেখানে এই ভাইরাসের প্রজনন ও সংক্রমণ ঘটে।
- সংক্রমণ: মানুষ এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে, যা সাধারণত শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
- উপসর্গ: সংক্রমণের ফলে সাধারণত শ্বাসকষ্ট, জ্বর, ক্লান্তি ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
- প্রতিরোধ: উপযুক্ত ভ্যাকসিন ও সতর্কতা অবলম্বন করে এই ভাইরাসের সংক্রমণ কমানো যায়।
Option C Explanation:
- মুরগী: পুরুষ মুরগীর ক্ষেত্রে (চিকেনের ক্ষেত্রে) সাধারণত একটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোম থাকে, যা হলো Z ক্রোমোজোম।
- মুরগীর লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য Z ও W ক্রোমোজোম ব্যবহৃত হয়।
- পুরুষ মুরগী (টিকা) এর ক্ষেত্রে দুইটি Z ক্রোমোজোম থাকে (ZZ), যার ফলে তার ক্রোমোজোমের সংখ্যা স্ত্রী (ZW) এর চেয়ে বেশি।
- অর্থাৎ, এই প্রজাতিতে পুরুষের ক্ষেত্রে ক্রোমোজোমের সংখ্যা স্ত্রীদের তুলনায় বেশি হয়।
Option D Explanation:
- প্রজনন: কবুতর সাধারণত উড়ন্ত পাখি যা ডিম পাড়ে এবং উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের জন্য উষ্ণ পরিবেশে থাকেন।
- শরীরের তাপমাত্রা: তাদের শরীরের তাপমাত্রা সাধারণত স্থিতিশীল থাকে এবং পরিবেশের উপর নির্ভর করে না, যা এক্টোথার্মিকের বৈশিষ্ট্য।
- উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণ: কবুতর তাদের শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক পদ্ধতি ব্যবহার করে, যেমন পাখা ঝাড়া, পালকের ব্যবস্থা ইত্যাদি।
- অন্য বৈশিষ্ট্য: তারা সামাজিক পাখি, দলে বাস করে, এবং তাদের উড়া ও বসবাসের জন্য বিভিন্ন পরিবেশে দেখা যায়।