A. ১ঃ১
B. ৯ঃ৩ঃ১
C. ৩ঃ১
D. ১ঃ২ঃ১
সঠিক উত্তরঃ D. ১ঃ২ঃ১
Explanation:
সংকর জীবে বিপরীত বৈশিষ্টের ফ্যাক্টরগুলো (জিনগুলো) মিশ্রিত বা পরিবর্তিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং জননকোষ (গ্যামেট) সৃষ্টির সময় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে ভিন্ন ভিন্ন জননকোষে প্রবেশ করে। এ সূত্রকে মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র (Law of Monohybrid cross) বা জননকোষ শুদ্ধতার সূত্র (Law of Purity of gametes) বা পৃথকীকরণ সূত্র (Law of Segregation)-ও বলা হয়। অসম্পূর্ণ প্রকটতার কারণে মেন্ডেলের মনোহাইব্রিড ক্রসের অনুপাত ৩ : ১ এর পরিবর্তে ১: ২ : ১ হয়।
Another Explanation (5):
মেন্ডেলের বংশগতির প্রথম সূত্র (পৃথকীকরণ সূত্র) অনুযায়ী, মনোহাইব্রিড ক্রসে প্রথম অপত্য বংশে (F1) সংকর জীব তৈরি হয়। এই সংকর জীব থেকে দ্বিতীয় অপত্য বংশে (F2) জিনোটাইপের যে অনুপাত পাওয়া যায়, সেটি হলো ১:২:১। চলো, বিষয়টি বিস্তারিত জেনে নেই:
একটি বৈশিষ্ট্যের (যেমন: মটরশুঁটির রং) ভিন্নরূপের (যেমন: হলুদ ও সবুজ) মধ্যে ক্রস করানো হলে তাকে মনোহাইব্রিড ক্রস বলে।
F1 বংশের সংকর জীবগুলোতে উভয় অ্যালিলের (dominant & recessive) উপস্থিতি থাকে। যখন এই সংকর জীবগুলো নিজেদের মধ্যে নিষিক্ত হয়, তখন সম্ভাব্য জিনোটাইপগুলো হলো:
এই কারণে মেন্ডেলের মনোহাইব্রিড ক্রসের জিনোটাইপিক অনুপাত সবসময় ১:২:১ হয়।
| জিনোটাইপ | ফেনোটাইপ (উদাহরণ: মটরশুঁটির রং) | অনুপাত |
|---|---|---|
| AA ( বিশুদ্ধ হলুদ) 💛💛 | হলুদ | ১ |
| Aa (সংকর হলুদ) 💛💚 | হলুদ | ২ |
| aa (বিশুদ্ধ সবুজ) 💚💚 | সবুজ | ১ |
মনে করি, 'A' হলো ডমিন্যান্ট অ্যালিল (হলুদ রং) এবং 'a' হলো রিসেসিভ অ্যালিল (সবুজ রং)।
| A | a | |
|---|---|---|
| A | AA 💛 | Aa 💛 |
| a | Aa 💛 | aa 💚 |
Punnett Square থেকে দেখা যাচ্ছে, AA:Aa:aa = ১:২:১
আশা করি, মনোহাইব্রিড ক্রসের জিনোটাইপিক অনুপাত ১:২:১ কেন, তা তোমরা বুঝতে পেরেছ! 👍
Happy learning! 📚✨