A. ৯ : ৩ : ৩ : ১
B. ১৩ : ৩
C. ১৫ : ১
D. ২ : ১
সঠিক উত্তরঃ B. ১৩ : ৩
Explanation:

Another Explanation (5):
প্রকট এপিস্ট্যাসিস হলো একটি বিশেষ ধরনের জিনগত মিথস্ক্রিয়া 🤝, যেখানে একটি অ্যালিলের (জিন রূপ) উপস্থিতি অন্য একটি অ্যালিলের প্রকাশকে মাস্ক করে দেয় 🎭, এক্ষেত্রে একটি প্রকট অ্যালিল অন্য একটি জিনের প্রকাশকে সম্পূর্ণরূপে দমন করে। এর ফলে মেন্ডেলের বংশগতির সাধারণ অনুপাত পরিবর্তিত হয়ে যায়। দ্বিসংকর জননের (Dihybrid cross) ক্ষেত্রে যেখানে F2 বংশধরের স্বাভাবিক অনুপাত ৯:৩:৩:১ হওয়ার কথা, সেখানে প্রকট এপিস্ট্যাসিসের কারণে অনুপাতটি ১৩:৩ হয়ে যায়।
ধরা যাক, দুটি জিন 'A' এবং 'B' কোনো একটি বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণ করে। জিন 'A' এর প্রকট অ্যালিল 'A' অন্য জিন 'B' এর প্রকাশকে দমন করতে পারে। এর মানে হলো, যদি কোনো জীবের মধ্যে কমপক্ষে একটি 'A' অ্যালিল থাকে (AA অথবা Aa), তাহলে 'B' জিনের প্রকাশ ঘটবে না। শুধুমাত্র যখন 'A' জিনের প্রচ্ছন্ন অ্যালিল (aa) হোমোজাইগাস অবস্থায় থাকবে, তখনই 'B' জিন তার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করতে পারবে।
নিচের টেবিলটি F2 বংশধরের সম্ভাব্য জিনোটাইপ এবং ফেনোটাইপগুলো দেখাচ্ছে:
| জিনোটাইপ 🧬 | ফেনোটাইপ 👁️🗨️ | ফেনোটাইপিক অনুপাত 🔢 |
|---|---|---|
| AABB, AABb, AAbb, AaBB, AaBb, Aabb, aaBB, aaBb | 'A' অ্যালিলের প্রভাবের কারণে B জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হবে না। ১৩ টি ক্ষেত্রে এমন হবে। | ১৩ |
| aabb | 'B' জিন তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করবে। ৩ টি ক্ষেত্রে এমন হবে। | ৩ |
গম গাছের শীষের রঙের বংশগতি প্রকট এপিস্ট্যাসিসের একটি ভালো উদাহরণ। এখানে, একটি প্রকট অ্যালিল (R) লাল রঙের জন্য দায়ী জিনকে মাস্ক করে দেয়, যার ফলে সাদা শীষ দেখা যায়। শুধুমাত্র rr জিনোটাইপের উদ্ভিদেই লাল শীষ দেখা যায়, যদি অন্য একটি এপিস্ট্যাটিক জিন উপস্থিত না থাকে।
এভাবে, প্রকট এপিস্ট্যাসিসের কারণে F2 বংশধরে ফেনোটাইপের অনুপাত ১৩:৩ হয়। মেন্ডেলের বংশগতির সাধারণ অনুপাত থেকে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিচ্যুতি।
আরও জানতে এবং ভালোভাবে বুঝতে নিচের বিষয়গুলো দেখতে পারেন:
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি প্রকট এপিস্ট্যাসিসের ধারণাটি বুঝতে সাহায্য করবে! 👍