A. ৯:৭
B. ৯:৬:১
C. ৩:১
D. ৯:৩:৩:১
E. ১২:৩:১
সঠিক উত্তরঃ D. ৯:৩:৩:১
Explanation:

Another Explanation (5):
মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র, যা স্বাধীনভাবে বিন্যাস বিধি নামেও পরিচিত, বংশগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এই সূত্রটি দুটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের জন্য সংকর জীবের (dihybrid) মধ্যে ক্রস ঘটালে F2 জনুতে বৈশিষ্ট্যগুলো কীভাবে বিন্যস্ত হয় তা ব্যাখ্যা করে।
একাধিক বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী জিনগুলো জননকোষ (gamete) তৈরির সময় একে অপরের থেকে স্বতন্ত্রভাবে আলাদা হয়ে যায়, অর্থাৎ একটি বৈশিষ্ট্যের জিন অন্য বৈশিষ্ট্যের জিনের উপর কোনো প্রভাব ফেলে না। এর ফলে নতুন সমন্বয়ে বৈশিষ্ট্যগুলো F2 জনুতে প্রকাশ পায়।
ডাইহাইব্রিড ক্রসের F2 জনুতে সাধারণত যে ফিনোটাইপিক অনুপাত দেখা যায় তা হলো ৯:৩:৩:১। এই অনুপাতটি নিম্নলিখিত ফিনোটাইপগুলোর আপেক্ষিক সংখ্যা নির্দেশ করে:
ধরা যাক, মটরশুঁটির বীজের রং (হলুদ/সবুজ) এবং আকার (গোল/কুঞ্চিত) এই দুটি বৈশিষ্ট্য নিয়ে একটি ক্রস করানো হলো। এখানে হলুদ (Y) ও গোল (R) বৈশিষ্ট্য দুটি প্রকট এবং সবুজ (y) ও কুঞ্চিত (r) বৈশিষ্ট্য দুটি প্রচ্ছন্ন।
যদি YYRR (হলুদ ও গোল) এবং yyrr (সবুজ ও কুঞ্চিত) উদ্ভিদের মধ্যে ক্রস ঘটানো হয়, তবে F1 জনুতে YyRr (হলুদ ও গোল) সংকর উদ্ভিদ পাওয়া যাবে।
এখন, F1 জনুর দুটি উদ্ভিদের মধ্যে ক্রস করা হলে F2 জনুতে নিম্নলিখিত ফিনোটাইপিক অনুপাত পাওয়া যাবে:
| ফিনোটাইপ | জিনোটাইপ (সম্ভাব্য) | অনুপাত |
|---|---|---|
| হলুদ ও গোল | YYRR, YyRR, YYRr, YyRr | ৯ |
| হলুদ ও কুঞ্চিত | YYrr, Yyrr | ৩ |
| সবুজ ও গোল | yyRR, yyRr | ৩ |
| সবুজ ও কুঞ্চিত | yyrr | ১ |
মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র বংশগতি এবং জীবের বৈশিষ্ট্যগুলো কীভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে সঞ্চারিত হয়, তা বুঝতে সাহায্য করে। এটি জিনতত্ত্ব এবং উদ্ভিদ প্রজননবিদ্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই সূত্রটি শুধুমাত্র তখনই প্রযোজ্য যখন জিনগুলো ভিন্ন ভিন্ন ক্রোমোজোমে অথবা একই ক্রোমোজোমের অনেক দূরে অবস্থিত থাকে (যাতে ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে তারা আলাদা হতে পারে)। যদি জিনগুলো খুব কাছাকাছি অবস্থিত থাকে, তবে তারা একত্রে বংশগত হতে পারে (লিংকেজ), এবং সেক্ষেত্রে এই অনুপাত ভিন্ন হতে পারে।
আশা করি, এই আলোচনা থেকে মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র এবং এর অনুপাত সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 👍