কুইজ রিভিউ: অনুজীব Agri Practice Exam

অনুজীব Agri Practice Exam

কুইজটিতে অংশ নিন

| ব্যবহারকারী: Akash Das

পরীক্ষার সময়
শুরু
14 Aug 11:50 AM
শেষ
14 Aug 11:55 AM
AD
7%
11
সঠিক
8
ভুল
139
স্কিপ
9
মোট মার্কস
1
\"জার্ম থিওরি অব ডিজিজ\' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
skipped
ব্যাখ্যা:
জার্ম থিওরি অব ডিজিজ\' অনুসারে অণুজীবকে প্যাথোজেন বা জীবাণু বলা হয় যা নানান ধরনের রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
2
কোন সংক্রমন ব্যাধি পৃথিবী হতে নির্মূল হয়েছে?
skipped
ব্যাখ্যা:
গুটিবসন্ত মানবদেহে একটি ছোঁয়াচে রোগের নাম। এটি শুধু মানুষেরই হয়ে থাকে। ভ্যারিওলা মেজর বা ভ্যারিওলা মাইনর নামের দুই প্রজাতির ভাইরাসের যেকোনো একটি সংক্রমণে এই রোগ হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৮০ সালে গুটিবসন্ত নির্মূল করার সার্টিফিকেট দেয়।
3
কোনটি ভাইরাস ঘটিত রোগ?
skipped
ব্যাখ্যা:
ডেঙ্গু গ্রীষ্ম প্রধান অঞ্চলের একটি সংক্রমণ রোগ যা ভাইরাস দ্বারা ঘটে থাকে। • Flavivirus গণভুক্ত একটি RNA ভাইরাস ডেঙ্গু রোগের কারণ। • Aedes aegypti প্রজাতিভুক্ত মশকী দ্বারা ডেঙ্গু রোগের ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে।
4
মাইক্রো সেফারির জন্য দায়ী ভাইরাস
incorrect
ব্যাখ্যা:
ভাইরাস গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইবোলা ভাইরাস ইবোলা ভাইরাস একসূত্রক RNA দ্বারা গঠিত। Ebola ভাইরাসের আক্রমণে দেহের কোষ ফেটে যায়। জিকা ভাইরাস জিকা একটি ফ্ল্যাভিভাইরাস যা Flaviviridae গোত্রের RNA ভাইরাস। বর্তমানে Aedes aegypti, A. albopictus মশকীর মাধ্যমে ছড়ায়। গর্ভবতী নারীদের দেহে জিকার সংক্রমণ হলে নবজাতক শিশু অপেক্ষাকৃত ছোট আর অপরিণত মস্তিষ্ক নিয়ে জন্মায়। চিকিৎসকের ভাষায় এ ত্রুটিকে মাইক্রোসেফালি বলা হয়। নিপা ভাইরাস নিপা ভাইরাস Paramyxoviridae পরিবারভুক্ত একটি RNA ভাইরাস যার গণ নাম Henipavirus। শ্বসন জটিলতায় মানুষ ও গৃহপালিত পশুপাখির মৃত্যু ঘটে। SARS COVID-19 চিকুনগুনিয়া এটি এক প্রকার RNA ভাইরাসজনিত জ্বর। এ ভাইরাস a গোত্রভুক্ত। Aedes aegypti, A. albopictus মশকী দ্বারা ভারতীয় উপমহাদেশে এ রোগ ছড়ায়।
5
কোনটির নিউক্লিক এসিড ডিয় প্রকৃতির
skipped
ব্যাখ্যা:
ধরণ উদাহরণ DNA ○ অণুবীক্ষণ প্রয়োজন ভাইরাস (হেপাটাইটিস, পোলিও, র‍্যাবিস, HIV ব্যাকটেরিওফেজ) সানারোপণ ও ব্যাকটেরিওফেজের DNA থাকে। উদাহরণ: TIV, পোলিও, T2, অ্যান্টিবায়োটিক, হার্পিস, পোকাভাইরাস, বি, ফুলজাইড মাইক্রোপ্লাজমা, এনিও। ○ Parvoviridae গোত্রের (ΦX174 ও M13 ব্যাকটেরিওফেজ) উদাহরণ: DNA এককভাবে। RNA ○ অধিকাংশ উদ্ভিদ ভাইরাসে RNA থাকে (ফুলজাইড মোজাইক ভাইরাস)। ○ RNA ভাইরাস: TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাপলস, রেবিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হলের ভাইরাস। ○ Reoviridae গোত্রের (রিওভাইরাস, ধানের বাবল মোজাইক ভাইরাস) ভাইরাসের RNA নিউক্লিয়াস।
6
হেপাটাইটিস-৪ ভাইরাসের সুপ্তিকাল কতদিন?
skipped
ব্যাখ্যা:
Ans B Why হেপাটাইটিস ভাইরাসের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য: বৈশিষ্ট্য HAV HBV HCB HDV HEV ভাইরাস এটোরা হেপাডিনেভ ফ্ল্যাভি অপপূর্ণ ক্যালিসি প্রকার ভাইরাস ভাইরাস ভাইরাস ভাইরাস ভাইরাস নিউক্লিক RNA DNA RNA RNA RNA অ্যাসিড সংক্রমণ 14-28 দিন 45-180 দিন 14-180 দিন 21-49 দিন 21-56 দিন
7
ভাইরাস হতে কোনটি প্রস্তুত করা হয়?
correct
ব্যাখ্যা:
Ans A Why ভাইরাসের উপকারিতা: টিকা হিসেবে বসন্ত, পোলিও, জলাতঙ্ক, প্লেগ, হেপাটাইটিস বা ভিন্ন রোগের টিকা উৎপন্ন হয়। ওষুধ হিসেবে কলেরা, টাইফয়েড, আমাশা, প্লেগ ইত্যাদি রোগের ওষুধ তৈরিতে। সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ভাইরাসের আক্রমণে লাল টিউলিপ ফুলে সাদা দাগ পড়ে। একে ব্লেকেন টিউলিপ বলে। পতঙ্গনাশক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে NPV (Nuclear Polyhydrosis Virus) কে পতঙ্গনাশক হিসেবে প্রয়োগ করা হয়। স্বকল্পিত নিয়ন্ত্রণে অণুজীবজাতীয় Myxovirus ব্যবহার হয়। জীন প্রকল্পনে বাইরে থেকে ভাইরাস ব্যবহার হয়। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ব্যাকটেরিওফাজ ভাইরাস ব্যবহার হয়।
8
সংক্রমন ক্ষমতা সম্পন্ন ভাইরাস কণাকে কি বলে?
skipped
ব্যাখ্যা:
নিউক্লিক এসিড ও একে ঘিরে অবস্থিত ক্যাপসিড সমন্বয়ে গঠিত এক একটি সংক্রমণ ক্ষমতা সম্পন্ন সম্পূর্ন ভাইরাস কনাকে ভিরিয়ন বলে
9
উদ্ভিদ ভাইরাস-
skipped
ব্যাখ্যা:
Tobacco Mosaic Virus (TMV) শুধু তামাক গাছকে আক্রমণ করায় এটি উদ্ভিদ ভাইরাস
10
ম্যালেরিয়া জীবাণুর কোন দশায় মানবদেহে প্রবেশ করে?
skipped
ব্যাখ্যা:
অ্যানোফিলিস মশকীর লালাগ্রন্থিতে অবস্থিত Plasmodium-এর স্পোরোজয়েট দশায় পরিণত জীবাণু মশকীর দংশনের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে। অন্যান্য অপশন সম্পর্কিত তথ্য: সঠিক উত্তর ব্যতীত বাকি অপশনগুলোর পোস্টমর্টেম: ক্রিপ্টোজয়েট: যকৃত কোষে প্রবেশের পর স্পোরোজয়েটগুলো গোলাকার ক্রিপ্টোজয়েটে পরিণত হয়। • ট্রোফোজয়েট: মাইক্রোমেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট লোহিত রক্ত কণিকার অভ্যন্তরে হিমোগ্লোবিন ভক্ষণ করে আকারে বড়ো ও গোলাকার হয়। • মেরোজয়েট: সাইজন্ট দশার প্রতিটি নিউক্লিয়াস প্রায় ৪৫ ঘন্টা পর সাইটোপ্লাজম ও প্লাজমামেমব্রেনসহ বিভক্ত হয়ে ১২-১৮টি গোলাকার কোষে পরিণত হয়। এদেরকে মেরোজয়েট বলে। মেরোজয়েটগুলো গোলাপের পাপড়ির ন্যায় দুই স্তরে সজ্জিত হয়। পরজীবীর এ অবস্থাকে রোজেট বলে।
11
মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়ার জীবাণুর প্রথম দশাটির নাম কী?
correct
ব্যাখ্যা:
স্পোরোজয়েট দশায় জীবাণু মানবদেহে প্রবেশ করে; যকৃতে এসে স্পোরোজয়েটগুলো ক্রিপ্টোজয়েটে পরিণত হয়। যকৃতে কোষে সংখ্যাবৃদ্ধির পর তারা ক্রিপ্টোমেরোজয়েটে পরিণত হয়। লোহিত রক্তকণিকায় প্রবেশ করলে ম্যালেরিয়া জীবাণু ট্রফোজয়েট দশাপ্রাপ্ত হয়। [Ref: হাসান]
12
ভাইরাসজনিত রোগ নয় কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:
ম্যালোরয়া একটি পরজীবী। ম্যালেরিয়া পরজীবীর নাম প্লাজমোডিয়াম। অন্যান্য অপশন সম্পর্কিত তথ্য: সঠিক উত্তর ব্যতীত বাকি অপশনগুলোর পোস্টমর্টেম: ভাইরাস ঘটিত রোগসমূহ AIDS (রোগ নয়, লক্ষ্মণ সমষ্টি), ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক, গুটি বসন্ত, হাম, পোলিওমাইলাইটিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস, ভাইরাল হেপাটাইটিস, চিকুনগুনিয়া, Swine flue, SARS, জলবসন্ত (Chicken Pox), ভাইরাল নিউমোনিয়া, কোষের লাইসিস (Lysis), সাধারণ সর্দি, জন্ডিস বা লিভার ক্যান্সার, পীত জ্বর, গো-বসন্ত, পা ও মুখের ক্ষত (ফুট অ্যান্ড মাউথ), ইঁদুরের টিউমার, ক্যাপোসি সার্কোমা, এনোজেনিটাল ক্যান্সার, বার্ড ফ্লু, পোলিও ইত্যাদি।
13
অ্যালকোহল শিল্পে ব্যবহৃত ঈস্টকে নিচের কোন ভাইরাসটি ধ্বংস করে?
skipped
ব্যাখ্যা:
Xymophage (জাইমোফায) Virus ঈস্টকে ধ্বংস করে। Ebola ভাইরাস দেহের কোষ ফাটিয়ে দেয়। ৯ (ল্যামডা) ফায, P₁ ফায, M13 ফায E. coli কোষে লাইসোজেনিক চক্র সম্পন্ন করে। [Ref: বিলকিস বানু]
14
ডেঙ্গু ভাইরাস-
correct
ব্যাখ্যা:
RNA ভাইরাস ও DNA ভাইরাস এর মধ্যে পার্থক্য পার্থক্যের বিষয় RNA ভাইরাস DNA ভাইরাস ১ আকৃতি এরা সাধারণত দন্ডাকার বা সুকাকার এরা সাধারণত গোলাকার, ব্যাচাতি আকৃতি ও পাউন্ডল আকৃতি। ২ নিউক্লিক অ্যাসিড এদের নিউক্লিক অ্যাসিড কোর RNA এদের নিউক্লিক অ্যাসিড কোর DNA। ৩ আক্রান্ত জীবন অধিকাংশ উদ্ভিদ ভাইরাস ও সায়ানোফেজগুলো অধিকাংশ প্রাণী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিওফাজের DNA ভাইরাস। RNA ভাইরাস। ৪ সুকক্ষ অধিকাংশ ভাইরাসের RNA এককক্ষ, ধানের অধিকাংশ ভাইরাসের DNA এককক্ষ; ΦX174 ও বাবম রোগ ও রিব ভাইরাসের RNA নিউক্লিয়াস। M13 কলিফাস ভাইরাস DNA এককক্ষ। ৫ রোগ সৃষ্টি অধিকাংশ RNA ভাইরাস উদ্ভিদের রোগ সৃষ্টি করে। অধিকাংশ DNA ভাইরাস অদিগেদের রোগ সৃষ্টি করে। ৬ এনজাইম সাধারণত এনজাইম থাকে না। সারণিজারবের বাইর??? সাধারণত এনজাইম থাকে। ৭ উদাহরণ টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV), পটেটো X ভাইরাস, T2 ভাইরাস, ব্যাকসিলাস, ভ্যারিসেলা, TIV শ্যামাকেন মোজাইক, টমেটো ম্যানোক্লোরোসিস, (Tipula Iridescent Virus), অ্যাডেনোফেজ মাপলের, পোলিও, ডেঙ্গু, পীচ যুগ্ম ও মিশরীয় ইত্যাদি ভাইরাস DNA ভাইরাস। চিনচুজার, যুক্লে-B, এনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি ভাইরাস RNA ভাইরাস।
15
ভাইরাসের উপকারিতা -
incorrect
ব্যাখ্যা:
S (A) Why বর্তমানে সময়ে খাবার সংরক্ষণের ভাইরাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্যাথোজেন বস্ততে ব্যাকটেরিওফাজ ভাইরাস অনুপ্রবেশ করার মাধ্যমে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দমন করা হচ্ছে। এমন ব্যাকটেরিওফাজ ভাইরাস মূল্যে মানবদেহের বিরুদ্ধে প্রভাব রাখে না। ভাইরাসের উপকারিতা: টিকা হিসেবে বসন্ত, পোলিও, জলাতঙ্ক, প্লেগ, হেপাটাইটিস বা ভিন্ন রোগের টিকা উৎপন্ন হয়। অস্ত্র হিসেবে কলেরা, টাইফয়েড, আমাশা, প্লেগ ইত্যাদি রোগের অস্ত্র তৈরিতে। সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ভাইরাসের আক্রমণে পাতা ডিটিপ্লে হলে পাতা কালো পড়ে। একে ব্লেকেন টিপ্লিং বলে। পতঙ্গনাশক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে NPV (Nuclear Polyhydrosis Virus) কে পতঙ্গনাশক হিসেবে প্রয়োগ করা হয়। স্বকল্পিত নিয়ন্ত্রণে অণুজীবজাতীয় Myxovirus ব্যবহার হয়। জীন প্রকল্পনে বাইরে থেকে ভাইরাস ব্যবহার হয়। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ব্যাকটেরিওফাজ ভাইরাস ব্যবহার হয়।
16
ভিরয়েডস হলো
incorrect
ব্যাখ্যা:
ভাইরাস, ভাইরয়েড ও প্রিয়ন এর মধ্যে পার্থক্য তুলনা: ভাইরাস (ভাইরন) ভাইরয়েড প্রিয়ন RNA অথবা DNA RNA থাকে, DNA নিউক্লিক এসিড থাকে না থাকে থাকে না প্রোটিন থাকে প্রোটিন থাকে না শুধু প্রোটিন থাকে উদ্ভিদ ও প্রাণীর রোগ শুধু উদ্ভিদের রোগ সৃষ্টি শুধু প্রাণীর রোগ সৃষ্টি সৃষ্টি করে করে করে
17
চিকুনগুনিয়া জ্বরের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়-
incorrect
ব্যাখ্যা:
• চিকুনগুনিয়া জ্বর Chikungunya virus (a-RNA virus) দ্বারা সংক্রমিত হয়। • Aedes aegypti ও Aedes albopictus প্রজাতির মশকী দ্বারা এ ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। • এ জ্বরের প্রধান লক্ষণসমূহ হলো: উচ্চজ্বর, জয়েন্টে ব্যাথা এবং মাথা ব্যাথা।
18
Germ Theory of Disease প্রতিষ্ঠিত করেন কে?
skipped
ব্যাখ্যা:
Germ Theory of Disease প্রতিষ্ঠিত করেন Louis pasteur. • রবার্ট কচ (Robert Koch) কে ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়। • সর্বপ্রথম ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন A. V. Leeuwenhoek (1675)। [Ref: আলীম]
19
কোন বিজ্ঞানী প্রথম প্লাজমিডের সন্ধান পান?
correct
ব্যাখ্যা:
প্লাসমিড: ব্যাক্টেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে মূল ক্রোমোসোম ছাড়াও যে বৃত্তাকার দ্বিসূত্রক DNA অণু থাকে তাকে প্লাসমিড বলে। Laderberg (1952) E. coli ব্যাকটেরিয়া কোষে সর্বপ্রথম প্লাসমিডের সন্ধান পান। প্লাসমিডের DNA অণু স্বাধীনভাবে অনুলিপন (replicate) করতে পারে। AL
20
\"ভাইরাস জীবও নয়, জড়বস্তুও নিয়; ভাইরাস ভাইরাসই” কে বলেছেন?
skipped
ব্যাখ্যা:
বিজ্ঞানীর নাম অবদান এডলফ মায়ার সর্বপ্রথম ভাইরাস সৃষ্ট মোজাইক রোগ বর্ণনা করেন। দিমিত্রি মোজাইক রোগের জীবাণু ব্যাকটেরিয়া হতে ক্ষুদ্র, ইহা প্রমাণ করেন। ভাইরাসের আবিষ্কারক। আইভানোস্কি রোগাক্রান্ত পাতা থেকে মোজাইক ভাইরাস পৃথক ও কেলাসিত করেন এবং এই কারণে 1946 সালে নোবেল প্রাইজ পান। স্ট্যানলি (ভাইরোলজির জনক)* শেফারম্যান ও মরিচ* সায়ানোফাযের আবিষ্কারক। A. Lowff A Virus is a virus বলেন। গ্যালো* এইডস রোগের ভাইরাস অবিষ্কারক। Hervey J. Alter* নীরব ঘাতক হেপাটাইটটিস-সি। Salle ভাইরাস রাসায়নিক অণু ও সজীব কোষের মধ্যবর্তী পর্যায়ের এক প্রকার বস্তু-মতবাদের প্রবক্তা।
21
কোন ব্যাকটেরিয়া প্লাস্টিক ও পিইটি খেতে পারে?
skipped
ব্যাখ্যা:
ইডেওনেলা সাকায়েনসিস\' (Ideonella sakaiensis) নামের ব্যাকটেরিয়া দুটি এনজাইম ব্যবহার করে পলিইথিলিন টেরেপথালেটকে (PTE) ভেঙে ফেলে। পরিবেশের জন্য সত্যিই এটা একটা ভালো খবর হতে পারে মন্তব্য করে CNN বলছে, ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের (WIF) তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বে যে সব প্লাস্টিক ব্যবহৃত হয় তার এক তৃতীয়াংশই সংগ্রহের বাইরে গিয়ে পরিবেশে ছড়িয়ে যায়।
22
IEDCR এর পূর্ণরূপ-
incorrect
ব্যাখ্যা:
The Institute of Epidemiology, Disease Control And Research is a Bangladesh government research institute, under the Ministry of Health, responsible for researching epidemiological and communicable disease in Bangladesh as well as disease control. Tahmina Shirin is the head of the organization.
23
ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের প্রধান উপাদান কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়ামের কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান হলো মিউকোপ্রোটিন জাতীয় মিউরিন বা পেপটিডোগ্লাইকন। এর সাথে মুরামিক এসিড ও টিকোয়িক এসিড থাকে।
24
কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
correct
ব্যাখ্যা:
কমাকৃতি বা ভিব্রিও (Comma or Vibrio): যেসব ব্যাকটেরিয়া সাধারণত কমা চিহ্নের ন্যায় তাদের কমা ব্যাকটেরিয়া বলা হয়; উদাহরণ- Vibrio cholerae.
25
কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া-
correct
ব্যাখ্যা:
• গোলকৃতি ব্যাকটেরিয়া - Sarcina • দণ্ডাকার ব্যাকটেরিয়া- Pseudomonas • সর্পিলাকার ব্যাটেরিয়া- Spirillium
26
নিচের কোনটি সংক্রামক ব্যাধি?
correct
ব্যাখ্যা:
স্পর্শ, যৌন স্পর্শ, খাদ্য ও পানীয়, বায়ু বাহিত, ভেক্টর বাহিত হয়ে যে সব রোগ ছড়িয়ে পড়ে তাকে সংক্রামক রোগ বলে। উদাহরণ: স্কেবিস, যক্ষ্মা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, মাম্পস, \'রুবেলা, বসন্ত, হাম, করোনা ভাইরাস ইত্যাদি।
27
লাইপেজের কাজ -
incorrect
ব্যাখ্যা:
লাইপেজ: চর্বিকে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে। ◆ ব্যবহার: ১. দই ও পনির শিল্পে লাইপেজ এনজাইম ব্যবহার করা হয়। ২. বেকারি শিল্পে, ডিটারজেন্ট শিল্পে ও জৈব অণুঘটক হিসেবে এ এনজাইমক ব্যবহৃত হয়। ৩. অগ্ন্যাশয়ের বিভিন্ন রোগ নির্ণয় রক্তের লাইপেজ পরীক্ষা করা হয়।
28
ধানের ব্লাইট রোগ ব্যাকটেরিয়ার জন্য হয়, এটি সর্বপ্রথম প্রমাণ হয়?
skipped
ব্যাখ্যা:
ধান গাছের ব্লাইট রোগ: ধানের মারাত্মক রোগগুলোর মধ্যে ব্যাকটেরিয়াল ব্লাইট অন্যতম। প্রায় পৃথিবীব্যাপীই এর বিস্তৃতি। গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলের প্রকরণটি শীতপ্রধান অঞ্চলের প্রকরণ অপেক্ষা অধিক ক্ষতিকারক। জাপানের কৃষকেরা সর্বপ্রথম এ রোগের সন্ধান পান বলে ধারণা করা হয়। Takaeshi ১৯০৮ সালে সর্বপ্রথম প্রমাণ করেন যে, ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এর রোগটি হয়।
29
জেনেটিক উপাদানকে সুরক্ষাকারী ভাইরাস এর প্রোটিন আবরণকে কি বলে?
skipped
ব্যাখ্যা:
• জেনেটিক উপাদানকে সুরক্ষাকারী ভাইরাসের প্রোটিন আবরণকে বলা হয় ক্যাপসিড। • ভাইরাসের ক্যাপসিড আবরণী অ্যান্টিজেনিক বৈশিষ্ট্যের।
30
Spontaneous Generation মতবাদ ভুল প্রমাণ করেন কে?
skipped
ব্যাখ্যা:
বিজ্ঞানী অ্যারিস্টটল Spontaneous Generation মতবাদের প্রবক্তা এ মতবাদে তিনি বলেন, সকল জীবের উদ্ভব হয়েছে নন-লিভিং বস্তু থেকে। পরবর্তীতে বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর ও জন টিনডল এই মতবাদকে ভুল প্রমাণ করেন এবং বলেন জীবের উৎপত্তি জীবন্ত বস্তু থেকে।
31
অ্যাথলেট\'স ফুট (Athlete\'s foot) এর কারন কি?
incorrect
ব্যাখ্যা:
হাতের তালুর ভাঁজে, আঙ্গুলের পাশে এবং পায়ের আঙ্গুলের মাঝে ও সংক্রমণ বেশি দেখা যায়। এক্ষেত্রে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে ত্বক শুষ্ক, লালচে ও খসখসে হয় এবং খোসপাঁচড়ার মতো চুলকায়। মাঝে মাঝে ত্বকে ফুসকুড়িও দেখা যায়।
32
ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
skipped
ব্যাখ্যা:
প্রতিটি ব্যাকটেরিয়াম কোষ কমপক্ষে একটি রেস্ট্রিকশন এনজাইম উৎপন্ন করে থাকে। অন্যান্য অপশন সম্পর্কিত তথ্য: সঠিক উত্তর ব্যতীত বাকি অপশনগুলোর পোস্টমর্টেম: ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য: > ব্যাকেটরিয়া অত্যন্ত ছোট আকারের জীব, সাধারণত ০.২-৫০ মাইক্রোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে, অর্থাৎ এরা আণুবীক্ষণিক (microscopic)। > এরা এককোষী জীব, তবে একসাথে অনেকগুলো কলোনি করে বা দল বেঁধে থাকতে পারে। > ব্যাকটেরিয়া আদিকেন্দ্রিক (প্রাককেন্দ্রিক = Prokaryotic)। রাইবোসেম ছাড়া অন্য কোনো ঝিল্লিবদ্ধ অঙ্গাণু থাকে না। > ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান পেপটিডোগ্লাইকান (মিউকোপেপটাইড) সাথে মুরামিক অ্যাসিড (Muramic acid) এবং টিকোয়িক অ্যাসিড (Teichoic acid) থাকে। > এদের বংশগতীয় উপাদান (genetic matrial) হলো একটি দ্বি-সূত্রক, কার্যত বৃত্তাকার DNA অণু যা ব্যাকটেরিয়‍্যাল ক্রোমোসোম হিসেবে পরিচিত। এটি সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত, এতে ক্রেমোসোমাল হিস্টোন-প্রোটিন থাকে না। DNA অবস্থানের অঞ্চলকে নিউক্লিঅয়েড বলা হয়। > এদের বংশবৃদ্ধির প্রধান প্রক্রিয়া দ্বিভাজন (binary fission)। এতে সাধারণত ৩০ মিনিট সময় লাগে। > এরা সাধারণত বেসিক রং ধারণ করতে পারে (গ্রাম পজিটিভ বা গ্রাম নেগেটিভ)। ব্যাকটেরিয়ার জনন: • ব্যাক্টেরিয়া জনন তিন প্রকার: ১. অঙ্গজ, ২. অযৌন, ৩. যৌন। • অস্ত্রের E. coli ব্যাক্টেরিয়া প্রতি বিশ মিনিটে সংখ্যা দ্বিগুণ করতে পারে। ব্যাক্টেরিয়ার প্রধান জনন পদ্ধতি দ্বিবিভাজন।
33
T2 ফাজ ভাইরাসের মাথায় কতটি জিন থাকে?
skipped
ব্যাখ্যা:
t₂ ব্যাকটেরিওফাজের মাথয় ১৫০ টি জিন থাকে। Ref-Hasan Sir,P-145
34
যক্ষ্মা রোগের জীবাণু কোনটি?
correct
ব্যাখ্যা:
ব্যাকটেরিয়াজনিত কিছু রোগ: • মানুষের যক্ষ্মা - Mycobacterium tuberculosis. • নিউমোনিয়া - Diplococcus pneumoniae. • টাইফয়েড - Salmonella typhosa. • কলেরা - Vibrio cholerae • ডিফথেরিয়া - Corynebacterium diptheriae. • আমাশয় - Bacillus dysenteri. • ধনুষ্টংকার - Clostridium tetani হুপিংকাশি - Bordetalla pertussis. স্বাম
35
কোন ব্যাকটেরিয়ার একটি মাত্র ফ্লাজেলাম থাকে?
skipped
ব্যাখ্যা:
মনোট্রিকাস-যেসব ব্যাকটেরিয়া কোষের এক প্রান্তে একটি মাত্র ফ্ল্যাজেলাম থাকে। উদা-Vibrio cholerae
36
কোনটি গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া?
skipped
ব্যাখ্যা:
Vibrio cholerae এক ধরনের গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া। এছাড়াও সায়ানোব্যাক্টেরিয়া, শিগেলা, সালমোনেলা,ই কোলাই গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার উদাহরণ।
37
ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন কোন বিজ্ঞানী?
skipped
ব্যাখ্যা:
অ্যান্টনি ভ্যান লীউয়েনহুক ৬৬৭৫ সালে তার নিজের আবিষ্কৃত সরল অনুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাক্টেরিয়া উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। Edward jenner 1796 সালে সর্বপ্রথম ভাইরাসগঠিত গুটি বসন্তের কথা উল্লেখ করেন।
38
কোনটি সিমবায়োটিক অ্যাসোসিয়েশন?
incorrect
ব্যাখ্যা:
(b); Bean (লেগুমিনাস প্লান্ট) ও ব্যাকটেরিয়া Symbiotic-ভাবে বসবাস করে। যেমন: শিমজাতীয় উদ্ভিদের গোড়ায় Rhizobium ব্যাকটেরিয়া বসবাস করে N₂ সংবন্ধ করে। বিনিময়ে ব্যাকটেরিয়া গাছ হতে শর্করা পায়।
39
কোনটি প্লাজমিডের বৈশিষ্ট্য?
skipped
ব্যাখ্যা:
প্লাজমিড অনুলিপনক্ষম এবং কনজুগেশনের মাধ্যমে সহজেই অন্য ব্যাকটেরিয়া সঞ্চালিত হতে পারে।
40
ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের উপাদান কোনটি?
correct
ব্যাখ্যা:
ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের উপাদান পেপটিডোগ্লাইকেন। • লাইসোজাইম এনজাইম দ্বারা ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর বিগলিত হয়।
41
Pseudomonas flurescens কি ধরনের?
skipped
ব্যাখ্যা:
ফ্লাজেলা ভিত্তিক ব্যাকটেরিয়ার শ্রেণীবিভাগ: শ্রেণীবিভাগ উদাহরণ অ্যাট্রিকাস (কোন ফ্লাজেলা নাই) Corynebacterium diptheriae মনোট্রিকাস (এক প্রান্তে একটি ফ্লাজেলা থাকে) Vibrio cholerae অ্যাম্ফিট্রিকাস (দুই প্রান্তে একটি করে ফ্লাজেলা থাকে) Spirillum minus সেফালোট্রিকাস (একগুচ্ছ ফ্লাজেলা থাকে) Pseudomonas fluorescens লফোট্রিকাস (দুই গুচ্ছ ফ্লাজেলা থাকে) Spirillum volutans পেরিট্রিকাস (সব দিকেই ফ্লাজেলা থাকে) Salmonella typhi
42
বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্রথম কোভিড ভ্যাকসিন কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তাকে এক ডোজ ভ্যাকসিন দেয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে শুরু করেছে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা দেয়ার কর্মসূচি।
43
সবচেয়ে ছোট ভাইরাস কোন রোগ সৃষ্টি করে?
skipped
ব্যাখ্যা:
 
44
ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রের কোন দশা মানুষের সংক্রামিত হয়?
skipped
ব্যাখ্যা:
 
45
মাটিতে ফ্রি লিভিং নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
correct
ব্যাখ্যা:
46
ভাইরাস এর গাঠনিক উপাদান কি কি?
correct
ব্যাখ্যা:
 
47
ইলেটারের কাজ কি?
skipped
ব্যাখ্যা:
ইলেটারের কাজ হলো স্পোর নির্গমন সাহায্য করা।  
48
ব্যাকটেরিওফাজ এক ধরনের-
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ব্যাকটেরিওফাজ এক ধরনের-\" এই প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানের মূল বিষয়বস্তুর মধ্যে পড়ে, বিশেষ করে মাইক্রোবায়োলজির ধারণাগুলি নিয়ে আলোচনা করে। ব্যাকটেরিওফাজ এমন এক ধরনের ভাইরাস, যা ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করে। এই ভাইরাসটি ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে প্রবেশ করে এবং সেটিকে ধ্বংস করে। প্রশ্নটির উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কে তাদের জ্ঞান যাচাই করা, পাশাপাশি ভাইরাসের বিশেষ প্রকারের সাথে পরিচিত করানো।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. \"ব্যাকটেরিয়া\": ভুল অপশন: ব্যাকটেরিওফাজ নামের মধ্যে \"ফাজ\" (phage) শব্দটি এসেছে \"ফাজিন\" (phagein) থেকে, যার অর্থ \"খাওয়া।\" এটি ব্যাকটেরিয়াকে খাওয়া বা ধ্বংস করার জন্য পরিচিত একটি ভাইরাস। তাই, এটি কোনো ব্যাকটেরিয়া নয়। ব্যাকটেরিওফাজ একটি ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবেশ করে এবং তাদের ধ্বংস করে।
  2. \"ভাইরাস\": সঠিক অপশন: ব্যাকটেরিওফাজ হলো একটি ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করে এবং ধ্বংস করে। এটি এমন একটি ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়া কোষে তার জিনগত উপাদান প্রবেশ করায় এবং ব্যাকটেরিয়ার কোষযন্ত্রকে ব্যবহার করে নতুন ভাইরাস তৈরি করে। এটি মূলত ভাইরাসের একটি বিশেষ প্রকার।
  3. \"ছত্রাক\": ভুল অপশন: ব্যাকটেরিওফাজ কোনো ছত্রাক নয়। ছত্রাক একটি আলাদা রাজ্যের জীব, যা ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের থেকে ভিন্ন। ছত্রাক সাধারণত ডিকম্পোজার হিসেবে কাজ করে এবং এটি মাটি ও অন্যান্য বস্তুতে থাকে। ব্যাকটেরিওফাজ একটি ভাইরাস, যা ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে, তাই এটি ছত্রাক হতে পারে না।
  4. \"এককোষী উদ্ভিদ\": ভুল অপশন: এককোষী উদ্ভিদ বলতে সাধারণত অ্যালগি বা শৈবাল বোঝায়, যা পানিতে বসবাস করে এবং ফটোসিনথেসিস করে। ব্যাকটেরিওফাজ কোনো উদ্ভিদ নয়; এটি একটি ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়ার ওপর নির্ভরশীল। এককোষী উদ্ভিদ এবং ব্যাকটেরিওফাজের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।

নোট:

ব্যাকটেরিওফাজ নিয়ে প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সম্পর্কিত ধারণা সম্পর্কে সচেতন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাকটেরিওফাজ জীবাণুবিজ্ঞানের একটি বিশেষ ধরনের ভাইরাস যা শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করে এবং তাদের ধ্বংস করে। এই ধরনের ভাইরাস প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯১৭ সালে এবং এটি আজকের দিনেও বিভিন্ন গবেষণায় ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যাকটেরিওফাজের সঠিক পরিচয় বোঝা শিক্ষার্থীদের জীববিজ্ঞানে ভাইরাসের ভূমিকা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান প্রদান করবে। সঠিক উত্তর হলো \"ভাইরাস,\" কারণ ব্যাকটেরিওফাজ এক ধরনের ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করে এবং ধ্বংস করে।
49
ডেঙ্গু ভাইরাস-
skipped
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন বিশ্লেষণ: প্রশ্ন: \"ডেঙ্গু ভাইরাস-\" এই প্রশ্নটি ডেঙ্গু ভাইরাসের ধরন সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ডেঙ্গু ভাইরাস হলো এক ধরনের আরএনএ ভাইরাস যা মশার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয় এবং ডেঙ্গু রোগের কারণ হয়। এই ভাইরাসের ধারণাটি ভাইরোলজি এবং সংক্রামক রোগ সংক্রান্ত অধ্যয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অপশন বিশ্লেষণ:
  1. TIV:
    • ভুল অপশন: TIV সাধারণত ট্রাইভ্যালেন্ট ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিনকে বোঝায়, যা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়। এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের সাথে সম্পর্কিত নয়। সুতরাং, এটি ভুল অপশন।
  2. DNA ভাইরাস:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাস একটি আরএনএ ভাইরাস, ডিএনএ ভাইরাস নয়। ডিএনএ ভাইরাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস একটি উদাহরণ হতে পারে। ডেঙ্গু ভাইরাস আরএনএ জেনেটিক উপাদান নিয়ে গঠিত, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
  3. RNA ভাইরাস:
    • সঠিক অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাস একটি আরএনএ ভাইরাস, যার জেনেটিক উপাদান রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (RNA) দিয়ে তৈরি। এটি মূলত চারটি সেরোটাইপে (DENV-1, DENV-2, DENV-3, DENV-4) বিভক্ত। সুতরাং, এটি সঠিক উত্তর।
  4. T2 ভাইরাস:
    • ভুল অপশন: T2 ভাইরাস হলো ব্যাকটেরিওফাজের একটি ধরন, যা ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে। এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এটি সঠিক উত্তর নয়।
নোট: ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রকার সঠিকভাবে চিহ্নিত করা শিক্ষার্থীদের ভাইরাস এবং তাদের সংক্রমণ সম্পর্কে জ্ঞান বাড়াতে সহায়ক। ডেঙ্গু ভাইরাস আরএনএ ভাইরাস হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে \"RNA ভাইরাস।\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের সংক্রামক রোগ এবং ভাইরাসের ধরনের উপর জ্ঞান যাচাই করতে সহায়ক।
50
প্যাপিলোমা ভাইরাসের কারণে কোন রোগটি হয়?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"প্যাপিলোমা ভাইরাসের কারণে কোন রোগটি হয়?\" এই প্রশ্নটি ভাইরাসবিজ্ঞান ও রোগতত্ত্ব সম্পর্কিত জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) বিভিন্ন প্রকারের হয় এবং এটি শরীরে সংক্রমণ ঘটিয়ে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার এবং অন্যান্য রোগ সৃষ্টি করতে পারে। এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের HPV-এর প্রভাব এবং এর কারণে সৃষ্ট রোগ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. \"কোলন ক্যান্সার\": ভুল অপশন: কোলন ক্যান্সার সা??ারণত প্যাপিলোমা ভাইরাসের (HPV) কারণে হয় না। এটি মূলত খাদ্যাভ্যাস, জীবনধারা এবং বংশগত কারণের সঙ্গে সম্পর্কিত। যদিও কিছু ক্ষেত্রে HPV সংক্রমণ অন্যান্য ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, তবে কোলন ক্যান্সার সpecifically HPV-এর কারণে ঘটে না।
  2. \"ভূকের ক্যান্সার\": ভুল অপশন: প্যাপিলোমা ভাইরাস সাধারণত ভূকের ক্যান্সার সৃষ্টি করে না। এটি প্রধানত যকৃৎ এবং পাকস্থলির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, তবে HPV-এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। HPV মূলত ত্বক এবং মিউকাস মেমব্রেনের সংক্রমণ ঘটায়, যা জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্যান্সারের দিকে নিয়ে যেতে পারে, তবে ভূকের ক্যান্সার এর মধ্যে পড়ে না।
  3. \"জরায়ুর ক্যান্সার\": সঠিক অপশন: জরায়ুর ক্যান্সার (Cervical Cancer) প্রায়শই প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV)-এর সংক্রমণের ফলে হয়। HPV জরায়ুর কোষে সংক্রমণ ঘটায় এবং দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই সংক্রমণ জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে ক্যান্সারে রূপান্তরিত হতে পারে। এটি জরায়ুর ক্যান্সারের সবচেয়ে সাধারণ কারণ।
  4. \"খাদ্যনালি ক্যান্সার\": ভুল অপশন: খাদ্যনালির ক্যান্সার সাধারণত HPV-এর কারণে হয় না। এটি প্রধানত ধূমপান, মদ্যপান, এবং অন্যান্য জিনগত কারণের সঙ্গে সম্পর্কিত। যদিও কিছু ক্ষেত্রে খাদ্যনালির ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধিতে অন্যান্য ভাইরাসের ভূমিকা থাকতে পারে, HPV প্রধানত জরায়ুর ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্যাপিলোমা ভাইরাসের (HPV) প্রভাব এবং এর কারণে সৃষ্ট রোগ সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেওয়া হচ্ছে। HPV সাধারণত জরায়ুর ক্যান্সারের প্রধান কারণ হিসেবে পরিচিত। এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা HPV-এর গুরুত্ব এবং এর কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে পরিচিত হবে। সঠিক উত্তর হলো \"জরায়ুর ক্যান্সার,\" যা প্যাপিলোমা ভাইরাসের (HPV) সংক্রমণের একটি প্রধান ফলাফল।
51
HIV রক্তের কোনটিকে আক্রমণ করে?
skipped
ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন বিশ্লেষণ: প্রশ্ন: \"HIV রক্তের কোনটিকে আক্রমণ করে?\" এই প্রশ্নটি HIV (Human Immunodeficiency Virus) ভাইরাসের প্রভাব সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। HIV ভাইরাসটি মানব শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়, যা অ্যান্টিভাইরাল প্রতিরোধ ব্যবস্থা ধ্বংস করে। এই ভাইরাসটি শরীরের কিছু বিশেষ কোষকে আক্রমণ করে এবং তাদের ধ্বংস করে, যার ফলে শরীর ধীরে ধীরে সংক্রমণ এবং অন্যান্য রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা হারায়। অপশন বিশ্লেষণ:
  1. লোহিত রক্ত কণিকা (Red Blood Cells):
    • ভুল অপশন: লোহিত রক্ত কণিকা শরীরে অক্সিজেন বহন করে, তবে HIV ভাইরাস লোহিত রক্ত কণিকাকে আক্রমণ করে না। তাই, এটি সঠিক উত্তর নয়।
  2. শ্বেত রক্ত কণিকা (White Blood Cells):
    • সঠিক অপশন: HIV ভাইরাস মূলত শ্বেত রক্ত কণিকার একটি বিশেষ ধরনের কোষকে আক্রমণ করে, যাকে T-helper cell (CD4 cells) বলা হয়। এই কোষগুলি শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। HIV ভাইরাস এই কোষগুলিকে ধ্বংস করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে ফেলে। সুতরাং, এটি সঠিক উত্তর।
  3. অনুচক্রিকা (Platelets):
    • ভুল অপশন: অনুচক্রিকা রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কিন্তু HIV ভাইরাস অনুচক্রিকাকে আক্রমণ করে না। তাই, এটি সঠিক উত্তর নয়।
  4. রক্ত রস (Plasma):
    • ভুল অপশন: রক্ত রস হলো রক্তের তরল অংশ, যা পুষ্টি, হরমোন, এবং প্রোটিন বহন করে। HIV ভাইরাস সরাসরি রক্ত রস আক্রমণ করে না। তাই, এটি সঠিক উত্তর নয়।
নোট: এই প্রশ্নটি HIV ভাইরাসের প্রভাব এবং মানব শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার উপর তার আক্রমণের প্রকৃতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর হলো \"শ্বেত রক্ত কণিকা,\" কারণ HIV ভাইরাস শ্বেত রক্ত কণিকার T-helper cell (CD4 cells) কে আক্রমণ করে এবং ধ্বংস করে, যার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়।
52
মানুষের লোহিত কণিকায় ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অযৌন জননকে কী বলে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"মানুষের লোহিত কণিকায় ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অণুজননকে কী বলে?\" এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়া পরজীবী (Plasmodium) এর জীবচক্র সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। Plasmodium পরজীবী বিভিন্ন পর্যায়ে বিভাজন ও বৃদ্ধির মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে, এই প্রশ্নটি স্পোরোজোনি এবং এর প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্ররোচিত করছে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. \"এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি\": সঠিক অপশন: ম্যালেরিয়া পরজীবী মানুষের লোহিত রক্তকণিকায় প্রবেশ করে এবং সেখানে বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, যা সাইজোগোনি নামে পরিচিত। যখন এই প্রক্রিয়াটি লোহিত রক্তকণিকায় ঘটে, তখন এটিকে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায়, পরজীবী বিভাজিত হয়ে নতুন মেরোজোইট সৃষ্টি করে, যা আরও লোহিত কণিকায় সংক্রমণ ঘটায়।
  2. \"এক্সো- এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি\": ভ???ল অপশন: এক্সো- এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি সেই প্রক্রিয়া বোঝায় যা লোহিত কণিকার বাইরে ঘটে। এটি লিভারে ঘটে এবং এর ফলস্বরূপ পরজীবী লোহিত কণিকায় প্রবেশ করে। তাই এই প্রক্রিয়া লোহিত কণিকায় ঘটে না এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
  3. \"হেপাটিক সাইজোজোনি\": ভুল অপশন: হেপাটিক সাইজোজোনি সেই প্রক্রিয়া বোঝায় যা লিভারে ঘটে। এটি ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রের একটি প্রাথমিক পর্যায়ে ঘটে, যখন পরজীবী লিভার কোষে প্রবেশ করে এবং বিভাজন শুরু করে। তবে, প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে লোহিত কণিকা, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
  4. \"শ্রী- এরিট্রোসাইটিক সাইজোজোনি\": ভুল অপশন: এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এখানে \'শ্রী\' শব্দটি প্রশ্নের প্রসঙ্গে ভুলভাবে ব্যবহার হয়েছে। শ্রী- এরিট্রোসাইটিক সাইজোজোনি বলে কিছু নেই, এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর ??তে পারে না।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবচক্র এবং তার বিভিন্ন পর্যায় সম্পর্কে গভীর ধারণা দেওয়া হচ্ছে। এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি ম্যালেরিয়া রোগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়, যেখানে পরজীবী লোহিত কণিকায় বিভাজিত হয়ে ম্যালেরিয়া রোগের লক্ষণ সৃষ্টি করে। সঠিক উত্তর হলো \"এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি,\" যা লোহিত রক্তকণিকায় ম্যালেরিয়া পরজীবীর বিভাজন প্রক্রিয়া নির্দেশ করে।
53
কোন অণুজীবটি সাধারণত অ্যান্টিবায়ােটিক প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয় না?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোন অণুজীবটি সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয় না?\" এই প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা অ্যান্টিবায়োটিকের উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং এতে ব্যবহৃত অণুজীব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করতে চায়। অ্যান্টিবায়োটিক হল এমন একটি পদার্থ যা ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বা ধ্বংসের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি প্রধানত ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস দ্বারা উৎপাদিত হয়। প্রশ্নের লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের এই জ্ঞান যাচাই করা যে কোন অণুজীবটি সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় না, কারণ এটি অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Bacillus:
    • ভুল অপশন: Bacillus হল একটি রড-আকৃতির ব্যাকটেরিয়া যা থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি হয়, যেমন পলিমাইক্সিন, ব্যাসিট্রাসিন ইত্যাদি। Bacillus মূলত মাটিতে পাওয়া যায় এবং এটি বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং, এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ Bacillus অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
  2. Streptomyces:
    • ভুল অপশন: Streptomyces হল মাটিতে বসবাসকারী ব্যাকটেরিয়ার একটি প্রজাতি, যা থেকে স্ট্রেপ্টোমাইসিন, টেট্রাসাইক্লিন, এরিথ্রোমাইসিনসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি হয়। এটি অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অণুজীব। তাই, এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না কারণ এটি অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়।
  3. E.coli:
    • সঠিক অপশন: E.coli (Escherichia coli) হল মানুষের অন্ত্রে বসবাসকারী একটি ব্যাকটেরিয়া, যা সাধারণত জিনগত গবেষণা এবং প্রোটিন উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে, এটি অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় না। E.coli প্রধানত ল্যাবরেটরিতে গবেষণার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনের ক্ষেত্রে এর কোনও ভূমিকা নেই। সুতরাং, এটি সঠিক উত্তর।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনের প্রক্রিয়া এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট অণুজীব সম্পর্কে তাদের জ্ঞান পরীক্ষা করতে সহায়ক। Bacillus এবং Streptomyces হল দুটি সাধারণ অণুজীব যা থেকে অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি হয়। অন্যদিকে, E.coli সাধারণত গবেষণার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় এবং অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় না। এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো \"E.coli,\" এবং এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট অণুজীব সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাবে।
54
ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠিত-
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠন?\" এই প্রশ্নটি ব্যাকটেরিয়া কোষের গঠন এবং এর প্রাচীরের রাসায়নিক গঠনের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীর তাদের রক্ষা করে এবং আকৃতি প্রদান করে, যা তাদের পরিবেশের কঠোর অবস্থার বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠন সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা যাচাই করার জন্য এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. কাইটিন: ভুল অপশন: কাইটিন হলো এক ধরনের পলিস্যাকারাইড, যা প্রধানত ফাঙ্গি এবং কিছু আর্থ্রোপোডের এক্সোস্কেলিটন গঠনের উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীরে পাওয়া যায় না, তাই এই উত্তরটি ভুল।
  2. কাইটিন: প্রোটিন: ভুল অপশন: এই অপশনটিও ভুল কারণ ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরে কাইটিন নেই। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান হলো পেপটাইডোগ্লাইকান, যা পলিস্যাকারাইড এবং প্রোটিনের মিশ্রণ।
  3. প্রোটিন: ফসফোপ্রোটিন: ভুল অপশন: প্রোটিন এবং ফসফোপ্রোটিন ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীরের প্রধান গঠনমূলক উপাদান নয়। এটি একটি ভুল উত্তর।
  4. লিপিড: প্রোটিন: সঠিক অপশন: ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর প্রধানত পেপটাইডোগ্লাইকান দিয়ে গঠিত, কিন্তু কিছু ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে, যেমন গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া, প্রাচীরের বাইরের দিকে লিপিড এবং প্রোটিনের স্তর থাকে। এই লিপিড স্তর লিপোপলিস্যাকারাইড দ্বারা গঠিত, যা ব্যাকটেরিয়ার সুরক্ষা প্রদান করে এবং এর পরিবেশের সাথে ইন্টারেক্ট করে। তাই এই অপশনটি সঠিক।

নোট:

ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীরের গঠন এবং এর উপাদানগুলির জ্ঞান শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাদের ব্যাকটেরিয়ার শ্রেণীবিন্যাস এবং এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা বুঝতে সাহায্য করে। সঠিক উত্তর হলো \"লিপিড: প্রোটিন,\" যা কিছু ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
55
ম্যালেরিয়ার জীবাণু কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ম্যালেরিয়ার জীবাণু কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?\" এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়ার জীবাণুর শ্রেণিবিন্যাস বা ট্যাক্সোনমি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ম্যালেরিয়ার জীবাণু মূলত এককোষী প্রাণী বা প্রোটোজোয়া শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, যা রক্তে সংক্রমণ ঘটিয়ে রোগ সৃষ্টি করে। ম্যালেরিয়ার এই জীবাণুকে Plasmodium বলা হয়, এবং এটি সাধারণত মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়ার জীবাণুর শ্রেণি এবং এর জীববিজ্ঞান সম্পর্কিত জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Protozoa:
    • সঠিক অপশন: ম্যালেরিয়ার জীবাণু হল প্রোটোজোয়া শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। প্রোটোজোয়া এককোষী প্রাণী, যা মাইক্রোস্কোপিক এবং সাধারণত পানিতে বসবাস করে। ম্যালেরিয়া জীবাণু Plasmodium প্রজাতির অন্তর্গত, যা প্রোটোজোয়ার শ্রেণিতে পড়ে। সুতরাং, এটি সঠিক উত্তর।
  2. Hydrozoa:
    • ভুল অপশন: Hydrozoa হল একটি শ্রেণি যা সি অ্যানিমোন এবং জেলিফিশের মত জলজ প্রাণীদের অন্তর্ভুক্ত করে। এটি প্রোটোজোয়া নয় এবং ম্যালেরিয়ার জীবাণুর সাথে এর কোনও সম্পর্ক নেই। তাই, এটি ভুল উত্তর।
  3. Sporozoa:
    • ভুল অপশন: যদিও Sporozoa শ্রেণির সাথে ম্যালেরিয়া জীবাণুর কিছু সম্পর্ক রয়েছে, এই শ্রেণিটি বর্তমানে প্রোটোজোয়ার একটি উপশ্রেণি হিসেবে বিবেচিত হয়। মূল শ্রেণি হিসাবে প্রোটোজোয়া সঠিক উত্তর হবে।
  4. Insecta:
    • ভুল অপশন: Insecta হল একটি শ্রেণি যা মশা, মৌমাছি, এবং অন্যান্য পতঙ্গকে অন্তর্ভুক্ত করে। যদিও ম্যালেরিয়ার জীবাণু মশার মাধ্যমে ছড়ায়, এটি কোন পতঙ্গ নয় এবং Insecta শ্রেণির অন্তর্গত নয়। সুতরাং, এটি ভুল উত্তর।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ম্যালেরিয়ার জীবাণু এবং এর শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা পাবে। Plasmodium প্রজাতির জীবাণু, যা ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে, প্রোটোজোয়া শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। প্রোটোজোয়া হল এককোষী প্রাণী যা মাইক্রোস্কোপিক এবং সাধারণত রোগ সৃষ্টিকারী। এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হলো \"Protozoa,\" কারণ ম্যালেরিয়ার জীবাণু প্রোটোজোয়া শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
56
ভাইরাস
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ভাইরাস\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের প্রকারভেদ এবং বিভিন্ন উদাহরণ সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ভাইরাস হলো জীবাণু, যা প্রোটিন কোটে আবদ্ধ একটি নিউক্লিক অ্যাসিড দ্বারা গঠিত এবং শুধুমাত্র জীবিত কোষের মধ্যে প্রতিলিপি করতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. HIV: ভুল অপশন: HIV (Human Immunodeficiency Virus) হলো এক ধরনের ভাইরাস, যা মানবদেহের ইমিউন সিস্টেমকে আক্রমণ করে এবং AIDS রোগ সৃষ্টি করে। যদিও HIV একটি ভাইরাস, এই প্রশ্নে এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ প্রশ্নটি ভাইরাসের বিভিন্ন উদাহরণ যাচাই করছে এবং এখানে TMV (Tobacco Mosaic Virus) সঠিক উত্তর হিসেবে উল্লেখযোগ্য।
  2. Influenza: ভুল অপশন: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায় এবং ফ্লু রোগ সৃষ্টি করে। এটি একটি সাধারণ ভাইরাস যা প্রতি বছর প্রচুর মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এই অপশনটিও ভুল কারণ TMV এখানে সঠিক উত্তর।
  3. TMV: সঠিক অপশন: TMV (Tobacco Mosaic Virus) হলো প্রথম আবিষ্কৃত ভাইরাস, যা তামাক গাছের পাতায় মোজাইক রোগ সৃষ্টি করে। এটি উদ্ভিদের মধ্যে রোগ সৃষ্টি করার জন্য পরিচিত এবং ভাইরাসের বিষয়ে মৌলিক ধারণা পাওয়ার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই অপশনটি সঠিক।

নোট:

ভাইরাস সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের গভীর ধারণা প্রদান করা গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে বিভিন্ন ভাইরাসের উদাহরণ ও তাদের সংক্রমণের ধরন সম্পর্কে। TMV ভাইরাসের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ, কারণ এটি প্রথম আবিষ্কৃত ভাইরাস এবং এটি উদ্ভিদের মধ্যে রোগ সৃষ্টি করে। সঠিক উত্তর হলো \"TMV,\" যা ভাইরাসের প্রথম আবিষ্কৃত উদাহরণ নির্দেশ করে।
57
কোনটি হ্যাপ্লয়েড?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি হ্যাপ্লয়েড?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের হ্যাপ্লয়েড এবং ডিপ্লয়েড কোষের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয???েছে। হ্যাপ্লয়েড কোষে একগুণ ক্রোমোজোম থাকে, যা সাধারণত জনন কোষে দেখা যায়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. জাইগোট: ভুল অপশন: জাইগোট হলো ডিপ্লয়েড কোষ, যা দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট (স্পার্ম ও ডিম্বাণু) এর মিলনের ফলে তৈরি হয়। এতে দুটি ক্রোমোজোম সেট থাকে, তাই এটি হ্যাপ্লয়েড নয়।
  2. উকিনেট: ভুল অপশন: উকিনেট হলো পরজীবী জীবাণুর একটি বিশেষ দশা, যা হ্যাপ্লয়েড নয়। এটি ডিপ্লয়েড কোষ হতে পারে, তবে এটি হ্যাপ্লয়েড কোষ নয়।
  3. স্পোরাঞ্জিয়াম: সঠিক অপশন: স্পোরাঞ্জিয়াম হলো হ্যাপ্লয়েড কোষের উদাহরণ, যা মাইোসিসের মাধ্যমে তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে জনন কোষে পরিণত হয়। এটি সাধারণত উদ্ভিদ ও ফাঙ্গাসে দেখা যায়। তাই এই অপশনটি সঠিক।
  4. অফস্প্রিং: ভুল অপশন: অফস্প্রিং বা সন্তান হলো ডিপ্লয়েড কোষের একটি উদাহরণ, যা মাতৃ ও পিতৃ কোষের মিলনের ফলে তৈরি হয়। এটি হ্যাপ্লয়েড নয়।

নোট:

হ্যাপ্লয়েড এবং ডিপ্লয়েড কোষের পার্থক্য বোঝা জীববিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হ্যাপ্লয়েড কোষের মধ্যে একগুণ ক্রোমোজোম থাকে, যা প্রধানত জনন কোষ হিসেবে কাজ করে। স্পোরাঞ্জিয়াম একটি হ্যাপ্লয়েড কোষের উদাহরণ যা শিক্ষার্থীদের জন্য মাইোসিস এবং জনন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট করতে সহায়ক।
58
কোনটি RNA ভাইরাস নয়?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি RNA ভাইরাস নয়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের জিনগত উপাদান সম্পর্কিত জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ভাইরাসের জিনোম মূলত DNA বা RNA দ্বারা গঠিত হয়। RNA ভাইরাসগুলি তাদের জিনোমে RNA ধারণ করে, যা সংক্রমণের সময় হোস্ট কোষে প্রবেশ করে। এই প্রশ্নের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের RNA এবং DNA ভাইরাসগুলির মধ্যে পার্থক্য বোঝানো এবং কোন ভাইরাসটি RNA নয় তা চিহ্নিত করা।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. HIV:
    • ভুল অপশন: HIV (Human Immunodeficiency Virus) একটি RNA ভাইরাস। এটি রেট্রোভাইরাস হিসেবে পরিচিত, কারণ এটি RNA জিনোমকে DNA তে রূপান্তর করে এবং তারপর সেই DNA কে হোস্ট কোষের জিনোমে প্রবেশ করায়। এটি RNA ভাইরাস হওয়ার কারণে এটি ভুল উত্তর।
  2. TMV (Tobacco Mosaic Virus):
    • ভুল অপশন: TMV একটি RNA ভাইরাস। এটি প্রথম আবিষ্কৃত ভাইরাসগুলির মধ্যে একটি এবং এটি উদ্ভিদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটায়। এর জিনোম একক-স্ট্র্যান্ডেড RNA দ্বারা গঠিত, যা এটিকে RNA ভাইরাস করে তোলে। সুতরাং, এটি ভুল উত্তর।
  3. রেবিস:
    • ভুল অপশন: রেবিস ভাইরাস (Rabies virus) একটি RNA ভাইরাস। এটি লিসাভাইরাস পরিবারের সদস্য এবং একক-স্ট্র্যান্ডেড RNA দ্বারা গঠিত। এটি প্রাণীদের মাধ্যমে সংক্রমিত হয় এবং মস্তিষ্কে সংক্রমণ ঘটায়। তাই এটি ভুল উত্তর।
  4. TIV (Trivalent Influenza Vaccine):
    • সঠিক অপশন: TIV একটি ভ্যাকসিন, যা তিনটি ভিন্ন ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর। এটি কোনো RNA ভাইরাস নয়; এটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গঠনের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, এটি সঠিক উত্তর।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য RNA এবং DNA ভাইরাসগুলির মধ্যে পার্থক্য বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। RNA ভাইরাসগুলি তাদের জিনগত উপাদান হিসেবে RNA ধারণ করে এবং সংক্রমণের সময় হোস্ট কোষে RNA রূপান্তর করে। সঠিক উত্তর হলো \"TIV,\" কারণ এটি একটি RNA ভাইরাস নয়। এটি ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে একটি ভ্যাকসিন, যা ভাইরাস প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
আকৃতি অনুযায়ী ভাইরাস সাধারণত ৬ প্রকার। যথাঃ i. DNA ভাইরাস- T₂ ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ii. RNA ভাইরাস- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, পটেটো ভাইরাস, শ্যগারকেন মোজাইক, রেবিস, আলফা- আলফা মোজাইক, পীতজ্বর, মিজলস, ইনফ্লুয়েঞ্জা- B, এনসেফালারটিস। →বহিঃস্থ আবরণ অনুযায়ী ভাইরাস ২ প্রকার। যথাঃ i. বহিঃস্থ আবরণহীন ভাইরাস- TMV, T₂ ভাইরাস ii. বহিঃস্থ আবরণী ভাইরাস- ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস, HIV ভাইরাস → পোষকদেহ অনুযায়ী ভাইরাস ৪ প্রকার। যথাঃ i. উদ্ভিদ ভাইরাস- TMV, সিম (Bean) ভাইরাস ii. প্রাণী ভাইরাস- HIV, ভ্যাক্সিনিয়া ভাইরাস iii. ব্যাকটেরিওফায- T2, T4,T6 ব্যাকটেরিওফায iv. সায়ানোফায- LP.P1, LPP2 অধিকাংশ ভাইরাস RNA হচ্ছে এক সূত্রক (ব্যতিক্রম- ধানের বামন রোগ ও রিও ভাইরাসের RNA) → অধিকাংশ ভাইরাসের DNA দ্বিসূত্রক (ব্যতিক্রম $X174 ও M13 কলিফায ভাইরাসের DNA). → ইমার্জিং ভাইরাসের উদাহরণ- HIV, SARS, Nile Virus, Ebola.
59
ডেঙ্গু ভাইরাসের আকৃতি কেমন?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ডেঙ্গু ভাইরাসের আকৃতি কেমন?\" এই প্রশ্নটি মূলত ডেঙ্গু ভাইরাসের শারীরিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীর জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস, যা ফ্ল্যাভিভিরিডি (Flaviviridae) পরিবারের অন্তর্গত। এর আকার গোলাকার, এবং এই বৈশিষ্ট্যটি ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে নির্ধারণ করা হয়। প্রশ্নটি তৈরি করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থী ভাইরাসের আকার সম্পর্কে সঠিক ধারণা অর্জন করতে পারে এবং ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে গোলাকার আকৃতির সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. গোলাকার:
    • সঠিক উত্তর: ডেঙ্গু ভাইরাসের আকৃতি গোলাকার, যা ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক জ??ঞান সরবরাহ করার উদ্দেশ্যে এই অপশনটি রাখা হয়েছে। ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে গোলাকার আকৃতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
  2. দন্ডাকার:
    • ভুল অপশন: দন্ডাকার আকৃতি সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা কিছু নির্দিষ্ট ভাইরাসের ক্ষেত্রে দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, ব্যাকটেরিয়া ই-কোলাই দন্ডাকার আকৃতির হয়। কিন্তু ডেঙ্গু ভাইরাস দন্ডাকার নয়। এই অপশনটি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য রাখা হয়েছে, যা তাদের জানার গভীরতা পরিমাপ করতে সাহায্য করে।
  3. ডিস্কাকার:
    • ভুল অপশন: ডিস্কাকার আকৃতি সাধারণত লাল রক্তকণিকার ক্ষেত্রে দেখা যায়। কিছু ভাইরাসও ডিস্কাকার হতে পারে, কিন্তু ডেঙ্গু ভাইরাস এই আকৃতির নয়। এই অপশনটি শিক্ষার্থীদের সঠিক ধারণা পাওয়ার জন্য দেয়া হয়েছে, যাতে তারা সঠিকভাবে চিন্তা করতে পারে এবং গোলাকার আকৃতির সঠিক উত্তরে পৌঁছাতে পারে।
  4. ঘনক্ষেত্রাকার:
    • ভুল অপশন: ঘনক্ষেত্রাকার আকৃতি সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট ভাইরাস বা অন্যান্য মাইক্রোস্কোপিক অংশের ক্ষেত্রে দেখা যায়। কিন্তু ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে এই অপশনটি রাখা হয়েছে, যাতে তারা সঠিক উত্তরটি বেছে নিতে পারে।

নোট:

এই প্রশ্ন এবং এর অপশনগুলি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের আকার সম্পর্কে গভীর জ্ঞান এবং বোঝাপড়া গড়ে তুলতে সহায়ক। সঠিক উত্তর গোলাকার, যা ডেঙ্গু ভাইরাসের বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত আকার। ভুল অপশনগুলি শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিকভাবে সঠিক উত্তরের দিকে মনোনিবেশ করতে সহায়তা করে, এবং একই সঙ্গে তাদের চিন্তাশক্তি উন্নত করে। এভাবে শিক্ষার্থীরা তাদের উত্তরকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারে এবং বৈজ্ঞানিক ধারণাগুলি সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে শিখে।
60
যে ব্যাকটেরিয়ার এক প্রান্তে এক গুচ্ছ ফ্ল্যাজেলা থাকে-
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"যে ব্যাকটেরিয়ার এক প্রান্তে একটি গুচ্ছ ফ্ল্যাজেলা থাকে-\" এই প্রশ্নটি ব্যাকটেরিয়ার চলন পদ্ধতি ও তাদের গঠনগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত। ব্যাকটেরিয়ার ফ্ল্যাজেলা হলো এক ধরনের সঞ্চালন অঙ্গ যা ব্যাকটেরিয়ার চলাচলে সাহায্য করে। বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাজেলা থাকে, এবং এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার ফ্ল্যাজেলার ধরন সম্পর্কে জানতে এবং তা সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. মনোট্রিকাস:
    • ভুল অপশন: মনোট্রিকাস হলো এক ধরনের ফ্ল্যাজেলা গঠন যেখানে ব্যাকটেরিয়ার এক প্রান্তে একটি মাত্র ফ্ল্যাজেলা থাকে। তবে এখানে একাধিক ফ্ল্যাজেলার গুচ্ছ উল্লেখ করা হয়েছে, তাই এটি ভুল উত্তর।
  2. লফোট্রিকাস:
    • সঠিক অপশন: লফোট্রিকাস হলো এক ধরনের ফ্ল্যাজেলা গঠন যেখানে ব্যাকটেরিয়ার এক প্রান্তে একাধিক ফ্ল্যাজেলার গুচ্ছ থাকে। এই গুচ্ছ ফ্ল্যাজেলা ব্যাকটেরিয়াকে আরও দ্রুত এবং কার্যকরভাবে চলতে সাহায্য করে। তাই এটি সঠিক উত্তর।
  3. অ্যাম্ফিট্রিকাস:
    • ভুল অপশন: অ্যাম্ফিট্রিকাস হলো এক ধরনের ফ্ল্যাজেলা গঠন যেখানে ব্যাকটেরিয়ার উভয় প্রান্তে একটি করে ফ্ল্যাজেলা থাকে। প্রশ্নে উল্লেখিত শর্তের সাথে এটি মেলে না, তাই এটি ভুল উত্তর।
  4. পেরিট্রিকাস:
    • ভুল অপশন: পেরিট্রিকাস হলো এক ধরনের ফ্ল্যাজেলা গঠন যেখানে ব্যাকটেরিয়ার সমগ্র গায়ে ফ্ল্যাজেলা থাকে। কিন্তু প্রশ্নে এক প্রান্তে ফ্ল্যাজেলা গুচ্ছের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তাই এটি ভুল উত্তর।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার ফ্ল্যাজেলা গঠন এবং তার প্রকারভেদ সম্পর্কে ধারণা দিতে সহায়ক। ব্যাকটেরিয়ার সঠিক চলন পদ্ধতি বোঝা এবং বিভিন্ন ফ্ল্যাজেলার ধরন চিহ্নিত করা জীববিজ্ঞানের এই অংশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সঠিক উত্তর হলো \"লফোট্রিকাস,\" কারণ এটি এমন একটি ফ্ল্যাজেলা গঠন যেখানে ব্যাকটেরিয়ার এক প্রান্তে একাধিক ফ্ল্যাজেলার গুচ্ছ থাকে।
61
মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়ার জীবাণুর প্রথম দশাটির নাম কী? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়ার জীবাণুর প্রথম দশার নাম কী?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবনচক্র এবং মানবদেহে তার সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ম্যালেরিয়ার প্রোটোজোয়ান পরজীবী প্লাজমোডিয়াম মানুষের দেহে বেশ কিছু ধাপের মধ্য দিয়ে যায়, এবং প্রতিটি ধাপেই এটি ভিন্ন ভিন্ন আকার ধারণ করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ক্রিপ্টোজয়েট: ভুল অপশন: ক্রিপ্টোজয়েট হলো প্লাজমোডিয়ামের একটি মধ্যবর্তী দশা, কিন্তু এটি ম্যালেরিয়া সংক্রমণের প্রথম ধাপ নয়।
  2. মেরোজয়েট: ভুল অপশন: মেরোজয়েট হলো প্লাজমোডিয়ামের আরেকটি দশা, যা লিভার থেকে রক্তে মুক্তি পাওয়ার পরে থাকে। এটি সংক্রমণের প্রাথমিক ধাপ নয়।
  3. স্পোরোজয়েট: সঠিক অপশন: স্পোরোজয়েট হলো প্লাজমোডিয়ামের সেই দশা, যা মশার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে এবং সংক্রমণের প্রক্রিয়া শুরু করে। এটি ম্যালেরিয়া সংক্রমণের প্রথম ধাপ।
  4. ট্রোপোজয়েট: ভুল অপশন: ট্রোপোজয়েট হলো প্লাজমোডিয়ামের রক্তে উপস্থিত দশা, যা পরবর্তীতে থাকে এবং রেড ব্লাড সেলস এ আক্রান্ত হয়। এটি প্র???ম ধাপ নয়।

নোট:

ম্যালেরিয়া সংক্রমণের প্রথম ধাপ বোঝা শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি প্লাজমোডিয়ামের জীবনচক্র এবং সংক্রমণ প্রক্রিয়ার মূল বিষয়গুলি স্পষ্ট করে। স্পোরোজয়েট মানবদেহে সংক্রমণ শুরু করে, যা ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা হিসেবে বিবেচিত হয়। এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা পেতে সহায়ক।
62
ক্যাপসিডের একক কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ক্যাপসিডের একক কোনটি?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের কাঠামোগত উপাদান সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ভাইরাসের ক্যাপসিড হলো প্রোটিনের একটি স্তর, যা ভাইরাসের জিনোমকে রক্ষা করে। ক্যাপসিডের গঠনমূলক একক হলো ক্যাপসোমিয়ার, যা ছোট প্রোটিন সাবইউনিট দ্বারা তৈরি।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. কনিডিয়া:
    • ভুল অপশন: কনিডিয়া হলো ছত্রাকের অযৌন স্পোর। এটি ভাইরাসের ক্যাপসিডের সাথে কোনো সম্পর??ক রাখে না।
  2. গ্যাস্টোসাইট:
    • ভুল অপশন: গ্যাস্টোসাইট হলো পরিপাকতন্ত্রের কোষ, যা হজমে সহায়ক। এটি ভাইরাসের ক্যাপসিডের সাথে সম্পর্কিত নয়।
  3. স্পোরোজোয়েট:
    • ভুল অপশন: স্পোরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া পরজীবির একটি স্টেজ। এটি ভাইরাসের ক্যাপসিডের সাথে সম্পর্কিত নয়।
  4. ক্যাপসোমিয়ার:
    • সঠিক উত্তর: ক্যাপসোমিয়ার হলো ক্যাপসিডের গঠনমূলক একক। এটি ভাইরাসের প্রোটিন স্তর তৈরি করে, যা ভাইরাসের জিনোমকে রক্ষা করে।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাইরাসের গঠন সম্পর্কে আরও সঠিক ধারণা লাভ করবে। ক্যাপসোমিয়ার হলো ক্যাপসিডের মূল গঠনমূলক একক, যা ভাইরাসের জিনোমকে সুরক্ষা দেয়। এটি ভাইরাসের কাঠামো সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। সঠিক উত্তর হলো ক্যাপসোমিয়ার
63
নিচের কোনটি DNA ভাইরাস? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি DNA ভাইরাস?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের জিনগত উপাদান সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ করে, শিক্ষার্থীদের বুঝতে হবে কোন ভাইরাসটি DNA দ্বারা গঠিত এবং কোনগুলো RNA দ্বারা গঠিত। ভাইরাসের জিনোমিক গঠন তাদের শ্রেণীবিন্যাস এবং কার্যক্রমের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. হেপাটাইটিস বি:
    • সঠিক উত্তর: হেপাটাইটিস বি একটি DNA ভাইরাস। এটি হেপাডনাভাইরাস (Hepadnaviridae) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এর জিনোম দ্বি-স্ট্র্যান্ডেড DNA দ্বারা গঠিত।
  2. চিকুনগুনিয়া:
    • ভুল অপশন: চিকুনগুনিয়া একটি RNA ভাইরাস, যা টোগাভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত। এর জিনোম একক-স্ট্র্যান্ডেড RNA দ্বারা গঠিত।
  3. টোবাকো মোজাইক:
    • ভুল অপশন: টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV) একটি RNA ভাইরাস, যা উদ্ভিদ সংক্রমিত করে। এর জিনোম একক-স্ট্র্যান্ডেড RNA দ্বারা গঠিত।
  4. ডেঙ্গু:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাসও একটি RNA ভাইরাস, যা ফ্ল্যাভিভিরিডি (Flaviviridae) পরিবারের অন্তর্গত এবং এর জিনোমও একক-স্ট্র্যান্ডেড RNA দ্বারা গঠিত।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা DNA এবং RNA ভাইরাসের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা পাবে। সঠিক উত্তর হেপাটাইটিস বি, যা একটি DNA ভাইরাস। এটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের জিনোমিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে সহায়ক হবে।
64
বহুপ্রান্তীয় অমরাবিন্যাস কোন উদ্ভিদে পাওয়া যায়?
skipped
ব্যাখ্যা:
EXPLANATION:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"বহুপ্রাণী অমরাবিন্যাস কোন উদ্ভিদে পাওয়া যায়?\" এই প্রশ্নটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের একটি মূল ধারণার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। অমরাবিন্যাস (Polycarpy) হলো একটি বৈশিষ্ট্য, যেখানে একটি উদ্ভিদ বারবার ফল ধরে বা পুনরায় ফল উৎপাদন করে। সাধারণত, এটি এমন উদ্ভিদগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যারা বারবার ফলন দেয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে ফল ধরে রাখতে সক্ষম।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. শিম:
    • সঠিক অপশন: শিম একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ এবং এটি বারবার ফল ধরে বা উৎপাদন করে। ফলে এই উদ্ভিদে অমরাবিন্যাস লক্ষ করা যায়। শিমের গাছ একাধিকবার ফল ধরে এবং এটি বহুপ্রাণী অমরাবিন্যাসের একটি উদাহরণ।
  2. সরিষা:
    • ভুল অপশন: সরিষা একটি একবর্ষজীবী উদ্ভিদ, যার ফলে এটি একবার ফুল ও ফল উৎপাদন করে এবং পরে মারা যায়। অমরাবিন্যাস সরিষা উদ্ভিদের জন্য প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি একবার ফলন শেষে মরে যায়।
  3. জবা:
    • ভুল অপশন: জবা গাছ মূলত শোভা উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত এবং এটি একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ হলেও এর ফল বা বীজ উৎপাদনের ক্ষমতা সীমিত। সাধারণত জবা ফুলদানকারী উদ্ভিদ হলেও এটি শিমের মতো অমরাবিন্যাস প্রদর্শন করে না।
  4. বেগুন:
    • ভুল অপশন: বেগুন একটি সজীব উদ্ভিদ, তবে এটি একবার ফল উৎপাদনের পর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গাছটি আর ফল দেয় না। বেগুনের ক্ষেত্রে অমরাবিন্যাস দেখা যায় না।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের উদ্ভিদবিজ্ঞানের মূল ধারণা, বিশেষ করে অমরাবিন্যাস সম্পর্কে সচেতন করতে সহায়ক। অমরাবিন্যাস বলতে একটি উদ্ভিদের একাধিকবার ফল উৎপাদনের ক্ষমতাকে বোঝায়, যা শিমের মতো উদ্ভিদে দেখা যায়। সঠিক উত্তর হলো \"শিম,\" কারণ এটি বহুপ্রাণী অমরাবিন্যাস প্রদর্শন করে।
65
পােষক কোষের কোথায় ভাইরাসের প্রােটিন সংযুক্ত হয়?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"পোষক কোষের কোথায় ভাইরাসের প্রোটিন সংযুক্ত হয়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাস সংক্রমণ প্রক্রিয়া এবং পোষক কোষের সাথে ভাইরাসের ইন্টারঅ্যাকশনের প্রাথমিক ধাপ সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ করে, এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পোষক কোষের সেই নির্দিষ্ট অংশটি চিহ্নিত করতে পারবে, যেখানে ভাইরাসের প্রোটিন সংযুক্ত হয় এবং পরবর্তীতে কোষের ভিতরে প্রবেশের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. রিসেপ্টর সাইট:
    • সঠিক উত্তর: ভাইরাসের প্রোটিন পোষক কোষের রিসেপ্টর সাইটের সাথে সংযুক্ত হয়, যা ভাইরাসকে কোষের ভিতরে প্রবেশ করতে সহায়তা করে। এটি ভাইরাস সংক্রমণের প্রথম ধাপ এবং কোষের সাথে ভাইরাসের সংযুক্তি এই সাইটে ঘটে।
  2. নিউক্লিয়াস:
    • ভুল অপশন: নিউক্লিয়াস হলো কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে ডিএনএ এবং জিনোমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তবে ভাইরাসের প্রোটিন প্রথমে নিউক্লিয়াসে সংযুক্ত হয় না।
  3. সাইটোপ্লাজম:
    • ভুল অপশন: সাইটোপ্লাজম কোষের অভ্যন্তরীণ একটি অংশ, যেখানে কোষের অন্যান্য কার্যক্রম ঘটে। ভাইরাসের প্রোটিনের প্রথম সংযুক্তি এখানে হয় না।
  4. নিউক্লিয়ার মেমব্রেন:
    • ভুল অপশন: নিউক্লিয়ার মেমব্রেন হলো নিউক্লিয়াসের চারপাশে অবস্থিত একটি স্তর, যা নিউক্লিয়াসকে ঘিরে রাখে। ভাইরাসের প্রোটিন প্রথমে এই স্তরের সাথে সংযুক্ত হয় না।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য ভাইরাস সংক্রমণের প্রাথমিক প্রক্রিয়া বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ভাইরাস প্রথমে পোষক কোষের রিসেপ্টর সাইটের সাথে সংযুক্ত হয়, যা তাকে কোষের ভিতরে প্রবেশের সুযোগ দেয়। সঠিক উত্তর রিসেপ্টর সাইট, যা ভাইরাসের সংক্রমণের প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়।
66
ভাইরাসজনিত রোগ কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ভাইরাসজনিত রোগ কোনটি?\" এই প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানের মাইক্রোবায়োলজি শাখার অন্তর্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ভাইরাসজনিত রোগ বলতে সেইসব রোগকে বোঝানো হয়, যেগুলি ভাইরাস দ্বারা সংঘটিত হয়। ভাইরাস হল অতি ক্ষুদ্র জীবাণু, যা প্রাণীদেহের কোষে প্রবেশ করে সেগুলিকে সংক্রমিত করে এবং বিভিন্ন ধরনের রোগ সৃষ্টি করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. টমেটোর ব্লিস্টটন্ট:
    • সঠিক অপশন: টমেটোর ব্লিস্টটন্ট হল একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা টমেটো গাছে দেখা যায়। এই রোগটি টমেটো গাছের পাতা, ফল এবং ডালকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং এর ফলে ফলের উৎপাদন কমে যায়। এটি একটি পরিচিত ভাইরাসজনিত রোগ এবং উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা এই রোগটি সম্পর্কে সচেতন।
  2. লেবুর ক্যান্সার:
    • ভুল অপশন: লেবুর ক্যান্সার হল একটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংঘটিত রোগ, যা লেবুর গাছে দেখা যায়। এটি একটি ব্যাকটেরিয়াল রোগ এবং ভাইরাসজনিত নয়। সুতরাং, এটি সঠিক উত্তর নয়।
  3. আলুর স্ক্যাব:
    • ভুল অপশন: আলুর স্ক্যাব একটি ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক দ্বারা সংঘটিত রোগ, যা আলুর গাছে দেখা যায়। এটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
  4. তামাকের ব্লাইট:
    • ভুল অপশন: তামাকের ব্লাইট একটি ছত্রাকজনিত রোগ, যা তামাক গাছে দেখা যায়। এটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাস এবং এর দ্বারা সংঘটিত রোগ সম্পর্কে সচেতন করতে সহায়ক। ভাইরাসজনিত রোগ সম্পর্কে জ্ঞান থাকা শিক্ষার্থীদের জীববিজ্ঞানে ভাইরাসের ভূমিকা এবং এর প্রভাব সম্পর্কে গভীর জ্ঞান প্রদান করবে। সঠিক উত্তর হলো \"টমেটোর ব্লিস্টটন্ট,\" কারণ এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ।
67
যক্ষ্মা রোগের জীবাণু কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"যক্ষ্মা রোগের জীবাণু কোনটি?\" এই প্রশ্নটি যক্ষ্মা রোগের কারণ এবং এর জন্য দায়ী জীবাণু সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। যক্ষ্মা রোগটি একটি ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ, যা মূলত ফুসফুসকে আক্রমণ করে এবং এটি একটি গুরুতর সংক্রমণজনিত রোগ হিসেবে পরিচিত।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Mycobacterium tuberculosis: সঠিক অপশন: যক্ষ্মা রোগের প্রধান জীবাণু হলো Mycobacterium tuberculosis, যা যক্ষ্মা সংক্রমণের মূল কারণ। এটি একটি ব্যাকটেরিয়া, যা মানবদেহের ফুসফুস এবং অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে আক্রমণ করে।
  2. Escherichia tuberculosis: ভুল অপশন: Escherichia একটি ব্যাকটেরিয়ার জেনাস, তবে এটি যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী নয়। যক্ষ্মা রোগের কারণ Mycobacterium tuberculosis
  3. Clostridium tuberculosis: ভুল অপশন: Clostridium একটি ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতি, তবে এটি যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী নয়। যক্ষ্মা রোগের কারণ হলো Mycobacterium tuberculosis

নোট:

এই প্রশ্নটি যক্ষ্মা রোগের জীবাণু সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক। যক্ষ্মা রোগটি একটি মহামারী হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, তাই এর সঠিক জীবাণু চিহ্নিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Mycobacterium tuberculosis হলো যক্ষ্মা রোগের প্রধান কারণ, যা শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে বুঝতে হবে।
68
কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া-
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন আকার এবং তাদের শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন আকার রয়েছে, যেমন গোলাকার (কক্কাস), দন্ডাকার (ব্যাসিলাস), স্পাইরাল (স্পিরিলাম), এবং কমা আকৃতির (ভিব্রিও)। এই প্রশ্নটি বিশেষভাবে শিক্ষার্থীদের কাছে এই জ্ঞান যাচাই করতে চায় যে, কোন ব্যাকটেরিয়া কমা আকৃতির হয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Pseudomonas:
    • ভুল অপশন: Pseudomonas হলো একটি দন্ডাকার ব্যাকটেরিয়া, যা ব্যাসিলাস হিসেবে পরিচিত। এটি কমা আকৃতির নয়।
  2. Vibrio:
    • সঠিক উত্তর: Vibrio হলো কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকটেরিয়া প্রকার, যা বিশেষত ভিব্রিও কোলেরার জন্য পরিচিত, যা কলেরা রোগের কার??। কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়ার প্রধান উদাহরণ Vibrio।
  3. Spirillium:
    • ভুল অপশন: Spirillium হলো স্পাইরাল বা পেঁচানো আকারের ব্যাকটেরিয়া। এটি কমা আকৃতির নয়।
  4. Sarcina:
    • ভুল অপশন: Sarcina হলো একটি গোলাকার ব্যাকটেরিয়া, যা কোষের গুচ্ছ আকারে থাকে। এটি কমা আকৃতির নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন আকার এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর Vibrio, যা কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়ার একটি উদাহরণ। Vibrio ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে এবং এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ব্যাকটেরিয়ার শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারবে।
69
নিচের কোনটি সংক্রামক ব্যাধি ? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি সংক্রমক ব্যাধি?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের সংক্রমণযোগ্য এবং অসংক্রমণযোগ্য রোগ সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। সংক্রমক ব্যাধি হলো সেই সব রোগ যা জীবাণুর দ্বারা সৃষ্ট হয় এবং এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ছড়ায়। এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের সংক্রমণযোগ্য রোগ এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. যক্ষ্মা:
    • সঠিক উত্তর: যক্ষ্মা (টিবি) একটি সংক্রমক ব্যাধি, যা মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। এটি সাধারণত ফুসফুসকে আক্রমণ করে এবং এটি বাতাসের মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়াতে পারে।
  2. উচ্চ রক্তচাপ:
    • ভুল অপশন: উচ্চ রক্তচাপ একটি অসংক্রমণযোগ্য রোগ। এটি সাধারণত হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে এবং সংক্রমণের কারণে হয় না।
  3. ডায়াবেটিস:
    • ভুল অপশন: ডায়াবেটিসও একটি অসংক্রমণযোগ্য রোগ, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা সৃষ্টি করে। এটি কোনো সংক্রমণের কারণে হয় না।
  4. রেইন স্ট্রোক:
    • ভুল অপশন: রেইন স্ট্রোক একটি অসংক্রমণযোগ্য সমস্যা, যা মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের বাধার কারণে ঘটে। এটি সংক্রমণজনিত রোগ নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সংক্রমণযোগ্য এবং অসংক্রমণযোগ্য রোগের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে জানতে পারবে। সঠিক উত্তর যক্ষ্মা, যা একটি সংক্রমক ব্যাধি এবং ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট হয়। এটি এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়ায় এবং এটি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সঠিক চিকিৎসার প্রয়োজন।
70
নিচের কোন তথ্যটি ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে ভুল? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোন তথ্যটি ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে ভুল?\" এই প্রশ্নটি ডেঙ্গু ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য ভাইরাসের সাথে এর পার্থক্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস, যা মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. DNA ভাইরাস: ভুল অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস, DNA ভাইরাস নয়। তাই এই তথ্যটি ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং এটি ভুল তথ্য।
  2. RNA ভাইরাস: সঠিক অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস। এটি RNA হিসেবে জেনেটিক উপাদান বহন করে এবং এই তথ্যটি সঠিক।
  3. DENV ভাইরাস: সঠিক অপশন: DENV ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্ষিপ্ত নাম। এই তথ্য সঠিক এবং ডেঙ্গু ভাইরাসকে নির্দেশ করে।
  4. ফ্ল্যাভিভাইরাস গণের অন্তর্ভুক্ত ভাইরাস: সঠিক অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাস ফ্ল্যাভিভাইরাস গণের অন্তর্???ুক্ত, যা ফ্ল্যাভিরিডি পরিবারে পড়ে। এই তথ্যটিও সঠিক।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রকৃতি এবং এর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবে। বিশেষ করে, তারা RNA এবং DNA ভাইরাসের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে সক্ষম হবে, যা ভাইরোলজির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস হওয়ায়, DNA ভাইরাস হিসেবে এর উল্লেখ ভুল তথ্য প্রদান করে, যা শিক্ষার্থীদের ভুল ধারণা তৈরি করতে পারে।
ডেঙ্গু ভাইরাস বা ডেঙ্গি ভাইরাস(ইংরেজি: Dengue virus) (DENV) হলো ফ্ল্যাভিভাইরিডি পরিবার ও ফ্ল্যাভিভাইরাস গণের অন্তর্ভুক্ত মশা বাহিত এক সূত্রক আরএনএ(RNA) ভাইরাস। এটি ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী এই ভাইরাসের পাঁচটি সেরোটাইপ পাওয়া গিয়েছে। যাদের প্রত্যেকেই পূর্ণরূপে রোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম।
71
নিচের কোনটি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পা???ে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে?\" এই প্রশ্নটি ভাইরাসের কার্যকারিতা এবং এটি কিভাবে বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় করা যায়, সেই বিষয়ে জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ভাইরাস একটি জীবাণু যা জীবিত কোষে প্রবেশ করে এবং সেখানে নিজেকে প্রতিলিপি করতে সক্ষম হয়। কিছু রাসায়নিক পদার্থ এবং শারীরিক পদ্ধতি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. রাইবোযোম: ভুল অপশন: রাইবোযোম একটি কোষীয় অঙ্গাণু, যা প্রোটিন সংশ্লেষণের কাজ করে। এটি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে না। বরং, ভাইরাস প্রায়শই রাইবোযোম ব্যবহার করে তার প্রোটিন উৎপাদন করে। তাই, এই অপশনটি সঠিক নয়।
  2. ইন্টারফেরন: সঠিক অপশন: ইন্টারফেরন একটি প্রাকৃতিক প্রোটিন, যা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি থামিয়ে তাকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
  3. হরমোন: ভুল অপশন: হরমোন সাধারণত শরীরের বিভিন্ন কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু এটি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করার সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। তাই, এই অপশনটি সঠিক নয়।
  4. ব্যাকটেরিয়া: ভুল অপশন: ব্যাকটেরিয়া একটি পৃথক জীবাণু, যা ভাইরাসের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ব্যাকটেরিয়া নিজে ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে না। তাই, এই অপশনটিও সঠিক নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাস সংক্রমণ এবং এর প্রতিরোধের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন করে। ইন্টারফেরন শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। শিক্ষার্থীদের ভাইরাস এবং অন্যান্য জীবাণু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার জন্য এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।
72
কোনটি পানি বাহিত রোগ ?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি পানি বাহিত রোগ?\" এই প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানের স্বাস্থ্যবিজ্ঞান শাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। পানি বাহিত রোগ বলতে সেইসব রোগকে বোঝানো হয়, যেগুলি সংক্রামিত পানির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই ধরনের রোগের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট রোগ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ম্যালেরিয়া:
    • ভুল অপশন: ম্যালেরিয়া একটি মশাবাহিত রোগ, যা মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। এটি পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয় না, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
  2. লেপ্রসি:
    • ভুল অপশন: লেপ্রসি একটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংঘটিত রোগ, যা প্রধানত ত্বক এবং স্নায়ুকে আক্রমণ করে। এটি সাধারণত মানুষের সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় এবং পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয় না। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
  3. টাইফয়েড:
    • সঠিক অপশন: টাইফয়েড একটি পানি বাহিত রোগ, যা স্যালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংঘটিত হয়। এই রোগটি প্রধানত দূষিত পানি বা খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই এটি সঠিক উত্তর।
  4. ডেঙ্গু:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ, যা মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। এটি পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয় না, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের পানি বাহিত রোগ সম্পর্কে সচেতন করতে সহায়ক। পানি বাহিত রোগগুলি জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে থাকে, বিশেষত উন্নয়নশীল দেশে যেখানে সঠিক পানি ব্যবস্থাপনা এবং স্যানিটেশন সুবিধা কম। সঠিক উত্তর হলো \"টাইফয়েড,\" কারণ এটি একটি পানি বাহিত রোগ যা দূষিত পানির মাধ্যমে ছড়ায়।
73
ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী ভাইরাস কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী ভাইরাস কোনটি?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু জ্বর এবং এর কারণ সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। ডেঙ্গু জ্বর একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা বিশেষত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ডেঙ্গু ভাইরাসের সঠিক শ্রেণিবিন্যাস এবং এর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পারবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Rhino virus:
    • ভুল অপশন: Rhino virus সাধারণত সর্দি-কাশির জন্য দায়ী, যা সাধারণ ঠান্ডা বা ফ্লুর কারণ হতে পারে। এটি ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী নয়।
  2. Variola virus:
    • ভুল অপশন: Variola virus হলো গুটি বসন্তের (smallpox) জন্য দায়ী ভাইরাস। এটি ডেঙ্গু জ্বরের সাথে সম্পর্কিত নয়।
  3. Flavi virus:
    • সঠিক উত্তর: Flavi virus ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী ভাইরাস। এটি ফ্ল্যাভিভিরিডি (Flaviviridae) পরিবারের অন্তর্গত এবং ডেঙ্গু ভাইরাস ফ্ল্যাভি ভাইরাসের একটি প্রকার।
  4. H1N1:
    • ভুল অপশন: H1N1 হলো ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের একটি প্রকার, যা বিশেষত সোয়াইন ফ্লুর জন্য পরিচিত। এটি ডেঙ্গু জ্বরের কারণ নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসজনিত রোগের সঠিক শ্রেণিবিন্যাস এবং ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী ভাইরাস সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করবে। সঠিক উত্তর Flavi virus, যা ডেঙ্গু জ্বরের কারণ। এটি শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য এবং সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে সহায়ক হবে।
ডেংগু একটি ভাইরাস ঘটিত রোগ। এই ভাইরাসের জীবানুর নাম ফ্লাভিভাইরাস বা ডেংগী ভাইরাস।
74
T2 ফাজ ভাইরাসের মাথায় কতটি জিন থাকে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"T₂ ফাজ ভাইরাসের মাথায় কতটি জিন থাকে?\" এই প্রশ্নটি ব্যাকটেরিওফাজ, যা একটি ভাইরাস, তার জিনোম এবং জেনেটিক উপাদান সম্পর্কিত জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ফাজ ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার উপর আক্রমণ করে এবং তার মধ্যে নিজের জিন প্রবেশ করিয়ে দেয়। T₂ ফাজ একটি বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিওফাজ যা ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়াতে সংক্রমণ ঘটায়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ১৫০ টি: সঠিক অপশন: T₂ ফাজ ভাইরাসের মাথায় মোট ১৫০টি জিন থাকে। এটি সঠিক জিন সংখ্যা যা T₂ ফাজের জেনেটিক উপাদান হিসেবে কাজ করে। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
  2. ২৫০ টি: ভুল অপশন: ২৫০ টি জিন সংখ্যা সঠিক নয়। T₂ ফাজ ভাইরাসে এতগুলো জিন থাকে না। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  3. ১০০ টি: ভুল অপশন: T₂ ফাজ ভাইরাসের মাথায় ১০০ টি জিন থাকে না। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  4. ২০০ টি: ভুল অপশন: ২০০ টি জিন সংখ্যা সঠিক নয়। T₂ ফাজ ভাইরাসে এতগুলো জিন থাকে না। তাই, এই অপশনটি ভুল।

নোট:

T₂ ফাজ ভাইরাসের জিন সংখ্যা সম্পর্কে জ্ঞান বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভাইরাসের জিনোম তার সংক্রমণ প্রক্রিয়া এবং প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের গঠন এবং তার জেনেটিক উপাদান সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিতে এই প্রশ্নটি সহায়ক।
T2 ব্যাকটেরিওফাজের মাথয় ১৫০ টি জিন থাকে৷ Ref-Hasan Sir,P-145
75
ভাইরাসজনিত রোগ কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ভাইরাসজনিত রোগ কোনটি?\" এই প্রশ্নটি উদ্ভিদ রোগবিদ্যা এবং ভাইরাসের সাথে সম্পর্কিত। ভাইরাসজনিত রোগ হল সেইসব রোগ যা ভাইরাসের মাধ্যমে সংঘটিত হয়। উদ্ভিদে ভাইরাসজনিত রোগ ফসলের উৎপাদনশীলতা হ্রাস করতে পারে এবং বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. গমের টুন্ডু:
    • ভুল অপশন: গমের টুন্ডু রোগ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংঘটিত হয়, যা গমের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ফাংগাল এবং ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের ফলে সৃষ্টি হয়। এটি ভাইরাসজনিত নয়।
  2. ধানের পাতা ধসা:
    • ভুল অপশন: ধানের পাতা ধসা রোগ ফাঙ্গাস দ্বারা সংঘটিত হয়, যা ধানের ফসলকে ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে। এটি ভাইরাসজনিত নয়।
  3. কলার বান্ডি টপ:
    • সঠিক অপশন: কলার বান্ডি টপ ভাইরাস (BBTV) নামক ভাইরাস দ্বারা সংঘটিত হয়, যা কলার ফসলের মধ্যে পাতা সংকোচন, পাতার ফোলাভাব এবং বান্ডি টপ ধরণের রোগ সৃষ্টি করে। এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ।
  4. গমের মরিচা:
    • ভুল অপশন: গমের মরিচা রোগ ফাঙ্গাস দ্বারা সংঘটিত হয় এবং এটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের উদ্ভিদ রোগ ও ভাইরাসের মধ্যে সম্পর্ক বুঝতে সহায়ক। ভাইরাসজনিত রোগগুলি উদ্ভিদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে এবং ফসলের উৎপাদনশীলতায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। সঠিক উত্তর হলো \"কলার বান্ডি টপ,\" কারণ ???টি ভাইরাসজনিত রোগ যা কলার ফসলকে আক্রমণ করে।
76
ভাইরাসজনিত রোগ কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:
EXPLANATION:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ভাইরাসজনিত রোগ কোনটি?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসজনিত এবং ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য কারণ দ্বারা সৃষ্ট রোগের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ভাইরাসজনিত রোগগুলো বিশেষভাবে ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয় এবং এগুলো সাধারণত সংক্রামক প্রকৃতির হয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ক্যাপসি সারকোমা:
    • সঠিক উত্তর: ক্যাপসি সারকোমা হলো একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা হিউম্যান হার্পেস ভাইরাস ৮ (HHV-8) দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি সাধারণত ইমিউন সিস্টেম দুর্বল ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা যায়, যেমন এইচআইভি/এইডস রোগীদের ক্ষেত্রে।
  2. ডিপথেরিয়া:
    • ভুল অপশন: ডিপথেরিয়া একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যা Corynebacterium diphtheriae নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়।
  3. টিটেনাস:
    • ভুল অপশন: টিটেনাসও একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যা Clostridium tetani ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি ভা??রাসজনিত রোগ নয়।
  4. ব্রঙ্কোমাইকোসিস:
    • ভুল অপশন: ব্রঙ্কোমাইকোসিস হলো ছত্রাকজনিত সংক্রমণ, যা ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাইরাসজনিত রোগ এবং অন্যান্য সংক্রমণজনিত রোগের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে ধারণা পাবে। সঠিক উত্তর ক্যাপসি সারকোমা, যা একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসজনিত রোগ এবং তাদের লক্ষণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক হবে।
77
ইলেটারের কাজ কি? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ইন্টারফেরনের কাজ কি?\" এই প্রশ্নটি ইন্টারফেরনের ভূমিকা এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে শিক্ষার্থীর জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ইন্টারফেরন হলো প্রোটিনের একটি পরিবার, যা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে এবং ইমিউন প্রতিক্রিয়া চালু করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি কোষের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ভাইরাসের বিস্তার রোধ করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. খাদ্য তৈরির কাজ: ভুল অপশন: ইন্টারফেরন খাদ্য তৈরির সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  2. খাদ্য সংরক্ষণ করা: ভুল অপশন: ইন্টারফেরন খাদ্য সংরক্ষণেও কোন ভূমিকা পালন করে না। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  3. বংশ বিস্তারে অংশগ্রহণ করা: ভুল অপশন: ইন্টারফেরন বংশ বিস্তারের প্রক্রিয়াতে সরাসরি অংশগ্রহণ করে না। এটি কোষের ইমিউন প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধির মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  4. স্প্লার নির্গমনে সহায়তা করা: সঠিক অপশন: ইন্টারফেরনের কাজ হলো ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা এবং ইমিউন প্রতিক্রিয়া চালু করা। এটি ভাইরাসের প্রজনন চক্রকে বাধা দিয়ে এবং প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ভাইরাসকে ধ্বংস করতে সহায়তা করে। তাই, এই অপশনটি সঠিক।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারফেরনের কাজ এবং এর কার্যকারিতা সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধি করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারফেরন প্রোটিন ভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং এটি ইমিউন সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ইন্টারফেরনের ভূমিকা সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেতে পারে।
ইলেটারের কাজ হলো স্পোর নির্গমন সাহায্য করা।
78
কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া কোনটি?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার আকার এবং তাদের শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন আকার রয়েছে, যেমন গোলাকার (কক্কাস), দন্ডাকার (ব্যাসিলাস), স্পাইরাল (স্পিরিলাম), এবং কমা আকৃতির (ভিব্রিও)। এই প্রশ্নটি বিশেষভাবে শিক্ষার্থীদের কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া সনাক্ত করতে সাহায্য করবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Spirillium:
    • ভুল অপশন: Spirillium হলো স্পাইরাল বা পেঁচানো আকারের ব্যাকটেরিয়া। এটি কমা আকৃতির নয়।
  2. Pseudomonas:
    • ভুল অপশন: Pseudomonas হলো একটি দন্ডাকার ব্যাকটেরিয়া, যা ব্যাসিলাস হিসেবে পরিচিত। এটি কমা আকৃতির নয়।
  3. Vibrio:
    • সঠিক উত্তর: Vibrio হলো কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকটেরিয়া প্রকার, যা বিশেষত Vibrio cholerae এর জন্য পরিচিত, যা কলেরা রোগের কারণ।
  4. Sarcina:
    • ভুল অপশন: Sarcina হলো একটি গোলাকার ব্যাকটেরিয়া, যা কোষের গুচ্ছ আকারে থাকে। এটি কমা আকৃতির নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন আকার এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর Vibrio, যা কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়ার একটি উদাহরণ। Vibrio ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে এবং এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ব্যাকটেরিয়ার শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারবে।
79
ধানের ব্লাইট রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীব-
skipped
ব্যাখ্যা:
EXPLANATION:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ধানের ব্লাস্ট রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীব কোনটি?\" এই প্রশ্নটি ধান গাছের রোগজীবাণু এবং সেই জীবাণু সৃষ্টিকারী অনুজীব সম্পর্কে শিক্ষার্থীর জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ধান চাষের সময় ব্লাস্ট রোগ একটি প্রচলিত সমস্যা, যা ধানের উৎপাদনে বিপুল ক্ষতি করতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Azotobacter sp.: ভুল অপশন: Azotobacter একটি বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেন সংশোধনকারী ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত মাটিতে পাওয়া যায় এবং গাছের জন্য সহায়ক, কিন্তু এটি ধানের ব্লাস্ট রোগ সৃষ্টি করে না। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  2. Clostridium sp.: ভুল অপশন: Clostridium হল একটি বায়ুবিহীন ব্যাকটেরিয়া যা বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে, কিন্তু এটি ধানের ব্লাস্ট রোগ সৃষ্টি করে না। এই অপশনটিও ভুল।
  3. Xanthomonas sp.: সঠিক অপশন: Xanthomonas হল একটি ব্যাকটেরিয়া যা বিভিন্ন উদ্ভিদের রোগের কারণ হয়ে থাকে, এবং এটি ধানের ব্লাস্ট রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীব হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
  4. Penicillium: ভুল অপশন: Penicillium হল একটি ছত্রাক যা সাধারণত খাবার ও অন্যান্য জৈব পদার্থে পচন ঘটায়, কিন্তু এটি ধানের ব্লাস্ট রোগের কারণ নয়। তাই, এই অপশনটিও ভুল।

নোট:

এই প্রশ্নটি ধান চাষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ ধানের ব্লাস্ট রোগ একটি মারাত্মক রোগ যা উৎপাদনের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। সঠিক উত্তর এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এই রোগ সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারে এবং এর প্রতিরোধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
80
বিনাইন টারশিয়ান ম্যালেরিতা পরজীবী কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"বিভাইনে টারশিয়ান ম্যালেরিয়া পরজীবী কোনটি?\" এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়া রোগের বিভিন্ন পরজীবী এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীর জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ম্যালেরিয়া হল একটি সংক্রামক রোগ যা Plasmodium পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট, এবং এটি প্রধানত মশার মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। ম্যালেরিয়ার বিভিন্ন ধরনের পরজীবী রয়েছে, যেগুলি বিভিন্ন ধরনের ম্যালেরিয়া সংক্রমণের কারণ হতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Plasmodium vivax: সঠিক অপশন: Plasmodium vivax হল টারশিয়ান ম্যালেরিয়া পরজীবী যা ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। এটি সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ম্যালেরিয়া সংক্রমণের জন্য দায়ী। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
  2. Plasmodium malariae: ভুল অপশন: Plasmodium malariae হল কোয়ার্টান ম্যালেরিয়ার কারণ, যা টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  3. Plasmodium ovale: ভুল অপশন: Plasmodium ovale একটি বিরল প্রজাতি যা মূলত আফ্রিকায় পাওয়া যায় এবং এটি টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  4. Plasmodium falciparum: ভুল অপশন: Plasmodium falciparum হল সবচেয়ে মারাত্মক ম্যালেরিয়া পরজীবী যা প্রাণঘাতী সংক্রমণের কারণ হতে পারে। এটি টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া রোগের বিভিন্ন পরজীবী এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক উত্তর এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ম্যালেরিয়ার বিভিন্ন ধরনের পরজীবী এবং তাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও গভীর জ্ঞান অর্জন করতে পারে।
81
কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া-
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া-\" এই প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানের ব্যাকটেরিয়া সংক্রান্ত বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার আকার এবং গঠন সম্পর্কে ধারণা যাচাই করা হচ্ছে। ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন আকৃতি থাকতে পারে, এবং এই ক্ষেত্রে, কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Pseudomonas:
    • ভুল অপশন: Pseudomonas হলো রড-আকৃতির ব্যাকটেরিয়া (rod-shaped bacteria)। এটি কমা আকৃতির নয়। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
  2. Vibrio:
    • সঠিক অপশন: Vibrio হলো কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া (comma-shaped bacteria)। Vibrio cholerae হল এক ধরনের Vibrio ব্যাকটেরিয়া, যা কলেরা রোগ সৃষ্টি করে। এটি সঠিক উত্তর।
  3. Spirillium:
    • ভুল অপশন: Spirillium হলো সর্পিল আকৃতির ব্যাকটেরিয়া (spiral-shaped bacteria)। এটি কমা আকৃতির নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
  4. Sarcina:
    • ভুল অপশন: Sarcina হলো কক্কি আকৃতির ব্যাকটেরিয়া (cocci-shaped bacteria)। এটি কমা আকৃতির নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার আক??তি এবং তাদের পার্থক্য নিয়ে জ্ঞান যাচাই করা হচ্ছে। কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া Vibrio নামে পরিচিত এবং এটি রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া হিসেবে পরিচিত, বিশেষ করে Vibrio cholerae যা কলেরা রোগ সৃষ্টি করে। সঠিক উত্তর হলো \"Vibrio,\" কারণ এটি কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া।
82
কোন ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়ার পাট থেকে আঁশকে পৃথক করা যায়?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোন ব্যাকটেরিয়ার ক্লিস্টার পাউ থেকে আংশকে পৃথক করা যায়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার গঠন এবং তাদের প্রজনন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ক্লিস্টার পাউ (Clostridium) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারে এবং প্রয়োজন হলে নতুন কোষ তৈরি করতে পারে। এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার ক্লিস্টার পাউ সম্পর্কিত ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Azotobacter:
    • ভুল অপশন: Azotobacter হলো একটি নাইট্রোজেন-ফিক্সিং ব্যাকটেরিয়া, যা মাটিতে উপস্থিত থাকে। এটি ক্লিস্টার পাউ প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় না।
  2. Pseudomonas:
    • ভুল অপশন: Pseudomonas হলো একটি দন্ডাকার ব্যাকটেরিয়া, যা মাটিতে এবং জলাশয়ে পাওয়া যায়। এটি ক্লিস্টার পাউ প্রক্রিয়ায় অংশ ???েয় না।
  3. Clostridium:
    • সঠিক উত্তর: Clostridium হলো সেই ব্যাকটেরিয়া, যা ক্লিস্টার পাউ থেকে আংশকে পৃথক করতে সক্ষম। এটি একটি স্পোর গঠনকারী ব্যাকটেরিয়া, যা প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারে এবং অনুকূল পরিবেশে নতুন কোষে রূপান্তরিত হতে পারে।
  4. Bacillus:
    • ভুল অপশন: Bacillus একটি স্পোর গঠনকারী ব্যাকটেরিয়া হলেও, এটি ক্লিস্টার পাউ প্রক্রিয়ায় Clostridium-এর মতো প্রভাবশালী নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার প্রজনন প্রক্রিয়া এবং ক্লিস্টার পাউ সম্পর্কিত ধারণা স্পষ্ট করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর Clostridium, যা স্পোর গঠনকারী ব্যাকটেরিয়া এবং প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য স্পোর তৈরি করতে পারে। এই ধরনের প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের মাইক্রোবায়োলজি সম্পর্কিত গভীর জ্ঞান প্রদান করতে সহায়ক।
83
টোবাকো মোজাইক ভাইরাস এ কতটি ক্যাপসোমিয়ার থাকে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"টোবাকো মোজাইক ভাইরাস এ কতটি ক্যাপসোমিয়ার থাকে?\" এই প্রশ্নটি ভাইরোলজি বিষয়ে শিক্ষার্থীর ধারণা যাচাই করার জন্য করা হয়েছে, বিশেষত টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV) এর কাঠামো সম্পর্কে। ক্যাপসোমিয়ার হল প্রোটিন সাবইউনিট যা ভাইরাসের জেনেটিক উপাদানকে ঘিরে রাখে এবং ভাইরাসের ক্যাপসিড গঠন করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ২৩০০ - ২৫৪০: ভুল অপশন: টোবাকো মোজাইক ভাইরাসের ক্যাপসোমিয়ার সংখ্যা সাধারণত ২১৩০-এর কাছাকাছি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
  2. ২১৩০ - ২২০০: সঠিক অপশন: এই অপশনটি সঠিক কারণ টোবাকো মোজাইক ভাইরাসে সাধারণত প্রায় ২১৩০টি ক্যাপসোমিয়ার থাকে।
  3. ২৩৬০ - ২৪৭০: ভুল অপশন: এই সংখ্যা টোবাকো মোজাইক ভাইরাসের ক্যাপসোমিয়ার সংখ্যা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
  4. ২৪১০ - ২৫৬০: ভুল অপশন: এই সংখ্যাও টোবাকো মোজাইক ভাইরাসের ক্যাপসোমিয়ার সংখ্যা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি টোবাকো মোজাইক ভাইরাসের কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তাদের জ্ঞান পরীক্ষা করে। ভাইরাসের ক্যাপসিড গঠন এবং ক্যাপসোমিয়ার সংখ্যা ভাইরোলজির একটি মৌলিক ধারণা, যা ভাইরাসের কার্যকলাপ এবং সংক্রমণের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।
84
কোন উদ্ভিদ ভাইরাসে ডিএনএ থাকে? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোন উদ্ভিদ ভাইরাসে ডিএনএ থাকে?\" এই প্রশ্নটি ভাইরাসের গঠন এবং প্রকার সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে, বিশেষ করে উদ্ভিদ ভাইরাসের ক্ষেত্রে। সাধারণত, বেশিরভাগ ভাইরাসের জিনোম RNA নিয়ে গঠিত হয়, তবে কিছু ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে ভাইরাসের জিনোম DNA দিয়ে গঠিত হতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. টোবাকো মোজাইক:
    • ভুল অপশন: টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV) হলো RNA ভাইরাস, যার জিনোম RNA নিয়ে গঠিত। এটি উদ্ভিদের মধ্যে অন্যতম প্রাচীন এবং বেশি গবেষণা করা ভাইরাসগুলির একটি।
  2. পোটেটো মোজাইক:
    • ভুল অপশন: পোটেটো মোজাইক ভাইরাসও একটি RNA ভাইরাস। এটি আলুর মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে থাকে এবং ফসলের ক্ষতি করে।
  3. সুগারকেন মোজাইক:
    • ভুল অপশন: সুগারকেন মোজাইক ভাইরাসও RNA ভাইরাস, যা চিনি গাছের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে থাকে এবং এটি ফসলের ক্ষতি করতে পারে।
  4. ফুলকপি মোজাইক:
    • সঠিক অপশন: ফুলকপি মোজাইক ভাইরাস (Cauliflower Mosaic Virus বা CaMV) হলো একটি DNA ভাইরাস। এটি উদ্ভিদের মধ্যে অন্যতম DNA ভাইরাস, যা ডাবল-স্ট্র্যান্ডেড ডিএনএ (dsDNA) দিয়ে গঠিত।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের জিনোম সম্পর্কিত ধারণা এবং উদ্ভিদ ভাইরাসের প্রকারভেদ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ উদ্ভিদ ভাইরাস RNA ভাইরাস হলেও, ফুলকপি মোজাইক ভাইরাস ব্যতিক্রমী একটি DNA ভাইরাস। সঠিক উত্তর হলো \"ফুলকপি মোজাইক,\" কারণ এই ভাইরাসে ডিএনএ থাকে।
85
দুধ থেকে দই হয় নিচের
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"দুধ থেকে দই হয় নিচের কোনটির দ্বারা?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের দুধ থেকে দই তৈরির প্রক্রিয়া এবং এর জন্য ব্যবহৃত অণুজীব সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। দুধ থেকে দই তৈরিতে ল্যাকটিক এসিড ব্যাকটেরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা দুধের ল্যাকটোজকে ল্যাকটিক এসিডে পরিণত করে এবং দইয়ের টক স্বাদ এবং ঘনত্ব প্রদান করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. প্রোটোজোয়া:
    • ভুল অপশন: প্রোটোজোয়া হলো এককোষী প্রাণী, যা সাধারণত পানিতে বাস করে এবং বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। এটি দুধ থেকে দই তৈরির প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় না।
  2. ভাইরাস:
    • ভুল অপশন: ভাইরাস হলো অণুজীব, যা জীবিত কোষের ভিতরে প্রবেশ করে এবং সংক্রমণ ঘটায়। ভাইরাস দুধ থেকে দই তৈরির প্রক্রিয়ায় কোনো ভূমিকা পালন করে না।
  3. ব্যাকটেরিয়া:
    • সঠিক উত্তর: ব্যাকটেরিয়া, বিশেষত ল্যাকটিক এসিড ব্যাকটেরিয়া, দুধ থেকে দই তৈরির জন্য দায়ী। এই ব্যাকটেরিয়া দুধের ল্যাকটোজকে ল্যাকটিক এসিডে পরিণত করে, যার ফলে দুধ ঘন হয়ে দইয়ে পরিণত হয়।
  4. ছত্রাক:
    • ভুল অপশন: ছত্রাক হলো একটি অণুজীব, যা খাদ্য এবং অন্যান্য জৈব পদার্থে বৃদ্ধির মাধ্যমে বিভিন্ন পদার্থ উৎপাদন করে। তবে ছত্রাক দুধ থেকে দই তৈরির প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য দুধ থেকে দই তৈরির প্রক্রিয়া এবং এর জন্য ব্যবহৃত অণুজীব সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করে। সঠিক উত্তর ব্যাকটেরিয়া, যা দুধ থেকে দই তৈরির জন্য দায়ী অণুজীব। এই প্রক্রিয়াটি ল্যাকটিক এসিড ব্যাকটেরিয়ার কার্যকলাপের উপর নির্ভর করে, যা দুধকে দইয়ে রূপান্তরিত করে।
86
নিচের কোন ব্যাকটেরিয়াটি দেখতে গোলাকার?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোন ব্যাকটেরিয়াটি দেখতে গোলাকার?\" এই প্রশ্নটি ব্যাকটেরিয়ার আকৃতি সম্পর্কিত জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন আকার হতে পারে, যেমন গোলাকার (কক্কাস), রড-আকৃতির (ব্যাসিলাস), সর্পিল (স্পিরিলাম), ইত্যাদি।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Micrococcus denitrificans: সঠিক অপশন: Micrococcus প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া সাধারণত গোলাকার হয়। এই ব্যাকটেরিয়াটি দেখতে কক্কাস-আকৃতির, তাই এটি সঠিক উত্তর।
  2. Bacillus albus: ভুল অপশন: Bacillus প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া রড-আকৃতির হয়, যা গোলাকার নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
  3. Vibrio cholerae: ভুল অপশন: Vibrio প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া সাধারণত কমা-আকৃতির (কমা-শেপড) হয়, যা গোলাকার নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
  4. Spirillum minus: ভুল অপশন: Spirillum প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া সর্পিল-আকৃতির (স্পিরিলাম) হয়, যা গোলাকার নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন আকৃতি সম্পর্কে সচেতন করতে সহায়ক। ব্যাকটেরিয়ার আকৃতি তাদের শ্রেণীবিভাগ এবং বৈশিষ্ট্য বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সঠিক উত্তরটি হচ্ছে Micrococcus denitrificans, কারণ এটি গোলাকার ব্যাকটেরিয়া।
87
ফ্লাজেলা ছাড়া ব্যাক্টেরিয়াকে কী বলা হয়? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ফ্ল্যাজেলা ছাড়া ব্যাকটেরিয়াকে কী বলা হয়?\" এই প্রশ্নটি ব্যাকট???রিয়ার গঠন এবং ফ্ল্যাজেলার প্রকারভেদ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ফ্ল্যাজেলা হলো একটি লম্বা, চাবুকের মতো অঙ্গ যা ব্যাকটেরিয়াকে চলাচলে সহায়তা করে। কিছু ব্যাকটেরিয়ায় ফ্ল্যাজেলা থাকে না, এবং তাদেরকে একটি বিশেষ নামে অভিহিত করা হয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Atrichous:
    • সঠিক অপশন: \"Atrichous\" হলো সেই ব্যাকটেরিয়াকে বোঝায় যার কোনো ফ্ল্যাজেলা নেই। এটি ব্যাকটেরিয়ার চলাচল করার ক্ষমতা নেই, তাই এটি ফ্ল্যাজেলা দ্বারা সৃষ্ট গতিশীলতার অভাব রয়েছে।
  2. Monotrichous:
    • ভুল অপশন: Monotrichous সেই ব্যাকটেরিয়াকে বোঝায় যার একমাত্র একটি ফ্ল্যাজেলা থাকে। এটি সাধারণত এক প্রান্তে অবস্থান করে এবং ব্যাকটেরিয়াকে চলাচল করতে সহায়তা করে।
  3. Petririchous:
    • ভুল অপশন: Petririchous হলো সেই ব্যাকটেরিয়া, যার শরীরের চারদিকে অনেকগুলো ফ্ল্যাজেলা থাকে। এটি ব্যাকটেরিয়াকে গতিশীলতা প্রদান করে।
  4. Lophotrichous:
    • ভুল অপশন: Lophotrichous হলো সেই ব্যাকটেরিয়া, যার একটি প্রান্তে একগুচ্ছ ফ্ল্যাজেলা থাকে। এটি ব্যাকটেরিয়াকে একদিকে বা একটি নির্দিষ্ট দিকে চলাচল করতে সাহায্য করে।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়ার চলাচল এবং ফ্ল্যাজেলার বিভিন্ন প্রকার সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করা হয়। \"Atrichous\" হলো সেই ব্যাকটেরিয়া যার কোনো ফ্ল্যাজেলা নেই এবং সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
88
নিচের কোনটি দ্বি-সুত্রক RNA ভাইরাস?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি দ্বি-সু্ত্রক RNA ভাইরাস?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের জিনোমিক গঠন সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। ভাইরাসের জিনোম সাধারণত DNA বা RNA দ্বারা গঠিত হয়, এবং RNA ভাইরাসের মধ্যে কিছু একক-সু্ত্রক (single-stranded) এবং কিছু দ্বি-সু্ত্রক (double-stranded) RNA নিয়ে গঠিত হয়। এই প্রশ্নটি বিশেষভাবে দ্বি-সু্ত্রক RNA ভাইরাস সনাক্ত করতে সাহায্য করবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. HIV:
    • ভুল অপশন: HIV (Human Immunodeficiency Virus) একটি একক-সু্ত্রক RNA ভাইরাস, যা রেট্রোভাইরাস হিসেবে পরিচিত। এটি দ্বি-সু্ত্রক RNA ভাইরাস নয়।
  2. TIV:
    • ভুল অপশন: TIV (Trivalent Influenza Vaccine) একটি ভ্যাকসিন, যা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি কোনো RNA ভাইরাস নয়।
  3. Reoviridae:
    • সঠিক উত্তর: Reoviridae হলো দ্বি-সু্ত্রক RNA ভাইরাসের একটি পরিবার। এই ভাইরাস পরিবারে বিভিন্ন ভাইরাস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেগুলো দ্বি-সু্ত্রক RNA দ্বারা গঠিত।
  4. Parvoviridae:
    • ভুল অপশন: Parvoviridae হলো একক-সু্ত্রক DNA ভাইরাসের একটি পরিবার। এটি RNA ভাইরাস নয়, এবং অবশ্যই দ্বি-সু্ত্রক RNA ভাইরাস নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের জিনোমিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আরও ভালোভাবে ধারণা প্রদান করবে। সঠিক উত্তর Reoviridae, যা দ্বি-সু্ত্রক RNA ভাইরাসের একটি উদাহরণ। এটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের বিভিন্ন ধরনের জিনোমিক গঠন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা প্রদান করবে।
89
ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ-
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ-\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগগুলি সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। বিভিন্ন রোগ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, প্রটোজোয়া, এবং অন্যান্য প্যাথোজেন দ্বারা সৃষ্ট হয়। এই প্রশ্নের লক্ষ্য হলো ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ চিহ্নিত করা।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. এইডস: ভুল অপশন: এইডস (AIDS) একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এইচআইভি (HIV) ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
  2. পোলিও: ভুল অপশন: পোলিও (Polio) একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা পোলিওভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট। তাই এই অপশনটিও সঠিক নয়।
  3. ধনুষ্টঙ্কার (Tetanus): সঠিক অপশন: ধনুষ্টঙ্কার একটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ, যা ক্লোস্ট্রিডিয়াম টেটানি (Clostridium tetani) নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট। তাই এই অপশনটি সঠিক।
  4. হেপাটাইটিস: ভুল অপশন: হেপাটাইটিস (Hepatitis) সাধারণত ভাইরাসজনিত একটি রোগ, যা হেপাটাইটিস ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের মধ্যে পার্থক্য এবং বিভিন্ন প্যাথোজেন দ্বারা সৃষ্ট রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়। ধনুষ্টঙ্কার ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ, এবং শিক্ষার্থীদের এটি চিহ্নিত করতে হবে। অন্যদিকে, এইডস, পোলিও এবং হেপাটাইটিস ভাইরাসজনিত রোগ, যা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট নয়।
90
চামড়া শিল্পে পশুর লোম উঠিয়ে ফেলার জন্য যে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়- 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"চামড়া শিল্পে পশুর লোম উঠিয়ে ফেলার জন্য যে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়-\" এই প্রশ্নটি মূলত চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। চামড়া প্রক্রিয়াকরণের সময় পশুর চামড়া থেকে লোম উঠিয়ে ফেলার জন্য কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ব্যাকটেরিয়া ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়াটি লোম অপসারণ এবং চামড়াকে প্রক্রিয়াজাত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Bacillus subtilis:
    • ভুল অপশন: Bacillus subtilis সাধারণত বায়োটেকনোলজি এবং জীবাণু প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়। এটি চামড়া প্রক্রিয়াকরণের কাজে ব্যবহার হয় না।
  2. Clostridium butyricum:
    • ভুল অপশন: Clostridium butyricum একটি ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত বায়োগ্যাস উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এটি চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয় না।
  3. Bacillus megatherium:
    • সঠিক অপশন: Bacillus megatherium একটি সাধারণত ব্যবহৃত ব্যাকটেরিয়া, যা চামড়া শিল্পে পশুর লোম উঠিয়ে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি লোম দূরীকরণের জন্য বিশেষভাবে কার্যকর।
  4. Acetobacter aceti:
    • ভুল অপশন: Acetobacter aceti সাধারণত ভিনেগার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এটি চামড়া প্রক্রিয়াকরণের কাজে ব্যবহৃত হয় না।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করবে। Bacillus megatherium হলো সেই ব্যাকটেরিয়া, যা লোম উঠিয়ে ফেলার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং এটি চামড়া শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। সঠিক উত্তর হলো \"Bacillus megatherium।\"
91
এইডস কি কারনে হয় ?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"এইডস কী কারণে হয়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের এইডস (AIDS) রোগের কারণ সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এইডস হলো একটি ক্রনিক সংক্রমণ, যা ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে এবং মানুষের শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণের প্রতি সংবেদনশীল করে তোলে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ভাইরাস:
    • সঠিক উত্তর: এইডস রোগের কারণ হলো HIV (Human Immunodeficiency Virus) নামক একটি ভাইরাস। এই ভাইরাসটি শরীরের ইমিউন সিস্টেমের প্রধান কোষগুলিকে আক্রমণ করে এবং ধীরে ধীরে ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে ফেলে, যার ফলে শরীর বিভিন্ন সংক্রমণের প্রতি অসহায় হয়ে পড়ে।
  2. বংশগত:
    • ভুল অপশন: এইডস কোনো বংশগত রোগ নয়। এটি একটি সংক্রামক রোগ, য??? সংক্রামিত রক্ত, যৌন সঙ্গম, বা অন্যান্য মাধ্যমের মাধ্যমে ছড়ায়।
  3. ব্যাকটেরিয়া:
    • ভুল অপশন: ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন সংক্রমণের কারণ হতে পারে, তবে এইডস রোগের কারণ নয়। এইডস একটি ভাইরাসজনিত রোগ।
  4. প্যারাসাইট:
    • ভুল অপশন: প্যারাসাইট হলো এক ধরনের অণুজীব, যা হোস্টের শরীরে বাস করে এবং সেখান থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে। তবে প্যারাসাইট দ্বারা এইডস হয় না।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের HIV ভাইরাস এবং এইডস রোগের মধ্যে সম্পর্ক সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করে। সঠিক উত্তর ভাইরাস, কারণ HIV ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে এইডস রোগ হয়। এটি শিক্ষার্থীদের এইডস সম্পর্কে আরও সচেতন করতে সাহায্য করবে এবং এর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাগুলি সম্পর্কে ধারণা দেবে।
92
নিচের কোনটির দ্বারা গনোরিয়া রোগ হয়? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটির দ্বারা গনোরিয়া রোগ হয়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের যৌনবাহিত রোগ সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। গনোরিয়া একটি যৌনবাহিত রোগ যা নিসেরিয়া গনোরিয়া নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয়। এই ধরনের প্রশ্ন যৌনবাহিত রোগের সংক্রমণ এবং এর কারণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ছত্রাক: ভুল অপশন: গনোরিয়া রোগ ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট হয় না। ছত্রাক দ্বারা কিছু সংক্রমণ হতে পারে, তবে গনোরিয়া এর মধ্যে পড়ে না। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
  2. ভাইরাস: ভুল অ??শন: গনোরিয়া একটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ। এটি কোনো ভাইরাসজনিত রোগ নয়। তাই এই অপশনটিও সঠিক নয়।
  3. ব্যাকটেরিয়া: সঠিক অপশন: গনোরিয়া রোগ নিসেরিয়া গনোরিয়া (Neisseria gonorrhoeae) নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট। তাই এই অপশনটি সঠিক।
  4. প্রটোজোয়া: ভুল অপশন: গনোরিয়া রোগ প্রটোজোয়া দ্বারা সৃষ্ট নয়। প্রটোজোয়া বিভিন্ন ধরনের রোগ সৃষ্টি করতে পারে, তবে গনোরিয়া এর মধ্যে পড়ে না।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যৌনবাহিত রোগ এবং তার কারণ সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানতে পারবে। গনোরিয়া রোগটি একটি সাধারণ যৌনবাহিত রোগ যা নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয়। এই ধরনের প্রশ্ন যৌন স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
93
ডেঙ্গু ভাইরাসের আকৃতি কেমন?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ডেঙ্গু ভাইরাসের আকৃতি কেমন?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের গঠন এবং তার আকৃতি সম্পর্কে জানাতে সাহায্য করবে। ডেঙ্গু ভাইরাস, যা ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী, তার বিশেষ আকৃতি এবং গঠন দ্বারা চিহ্নিত হয়। শিক্ষার্থীরা এ প্রশ্নের মাধ্যমে ভাইরাসের বিভিন্ন আকৃতির সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. গোলাকার:
    • সঠিক অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাসের আকৃতি গোলাকার (Spherical)। এটি একটি ইন্টারন্যাশনালি স্বীকৃত সত্য যে ডেঙ্গু ভাইরাস গোলাকার গঠনের। ভাইরাসটি প্রোটিন কোট এবং জেনেটিক ম্যাটেরিয়াল দ্বারা ঘেরা থাকে, যা এটিকে গোলাকার আকৃতি প্রদান করে।
  2. দন্ডাকার:
    • ভুল অপশন: দন্ডাকার (Rod-shaped) ভাইরাস হিসেবে ডেঙ্গু ভাইরাসকে চিহ্নিত করা ভুল হবে। দন্ডাকার আকৃতির ভাইরাসের উদাহরণ হিসেবে রেবিস ভাইরাস উল্লেখ করা যায়।
  3. ডিস্কের আকৃতির:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাসের আকৃতি ডিস্কের মতো নয়। ডিস্কের আকৃতির ভাইরাসের উদাহরণ হিসেবে হেপাটাইটিস বি ভাইরাসকে উল্লেখ করা যেতে পারে।
  4. ঘন্ট্রাকার:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাসের আকৃতি ঘন্ট্রাকার (Helical) নয়। কিছু ভাইরাসের গঠন ঘন্ট্রাকার হয়, যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, তবে ডেঙ্গু ভাইরাস এই ধরনের নয়।

নোট:

ডেঙ্গু ভাইরাসের গঠন ও আকৃতি সম্পর্কে এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের আকৃতির বিষয়ে সঠিক ধারণা পেতে সাহায্য করবে। সঠিক উত্তর হলো \"গোলাকার,\" কারণ ডেঙ্গু ভাইরাস গোলাকার আকৃতির হয়।
94
কোনটি RNA ভাইরাস নয়?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি RNA ভাইরাস নয়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের জিনোমিক গঠন সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। বিশেষত, এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদে??? RNA ভাইরাস এবং DNA ভাইরাসের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. HIV:
    • ভুল অপশন: HIV (Human Immunodeficiency Virus) হলো একটি RNA ভাইরাস। এটি রেট্রোভাইরাস পরিবারের সদস্য এবং এর জিনোম একক-সু্ত্রক RNA দ্বারা গঠিত।
  2. TMV (Tobacco Mosaic Virus):
    • ভুল অপশন: TMV (Tobacco Mosaic Virus) হলো একটি RNA ভাইরাস, যা উদ্ভিদ সংক্রমিত করে। এর জিনোম একক-সু্ত্রক RNA দ্বারা গঠিত।
  3. রেবিস:
    • ভুল অপশন: রেবিস ভাইরাস হলো একটি RNA ভাইরাস। এটি লিসাভাইরাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এর জিনোমও একক-সু্ত্রক RNA দ্বারা গঠিত।
  4. TIV (Trivalent Influenza Vaccine):
    • সঠিক উত্তর: TIV হলো একটি ভ্যাকসিন, যা তিনটি ভিন্ন ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর। এটি কোনো RNA ভাইরাস নয়; এটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গঠনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের RNA এবং DNA ভাইরাসের মধ্যে পার্থক্য বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক। সঠিক উত্তর TIV, যা একটি ভ্যাকসিন এবং RNA ভাইরাস নয়। অন্য তিনটি অপশন হলো RNA ভাইরাস, যা তাদের জিনোমিক গঠনের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়েছে
 
আকৃতি অনুযায়ী ভাইরাস সাধারণত ৬ প্রকার। যথাঃ i. DNA ভাইরাস- T₂ ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ii. RNA ভাইরাস- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, পটেটো ভাইরাস, শ্যগারকেন মোজাইক, রেবিস, আলফা- আলফা মোজাইক, পীতজ্বর, মিজলস, ইনফ্লুয়েঞ্জা- B, এনসেফালারটিস। →বহিঃস্থ আবরণ অনুযায়ী ভাইরাস ২ প্রকার। যথাঃ i. বহিঃস্থ আবরণহীন ভাইরাস- TMV, T₂ ভাইরাস ii. বহিঃস???থ আবরণী ভাইরাস- ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস, HIV ভাইরাস → পোষকদেহ অনুযায়ী ভাইরাস ৪ প্রকার। যথাঃ i. উদ্ভিদ ভাইরাস- TMV, সিম (Bean) ভাইরাস ii. প্রাণী ভাইরাস- HIV, ভ্যাক্সিনিয়া ভাইরাস iii. ব্যাকটেরিওফায- T2, T4,T6 ব্যাকটেরিওফায iv. সায়ানোফায- LP.P1, LPP2 অধিকাংশ ভাইরাস RNA হচ্ছে এক সূত্রক (ব্যতিক্রম- ধানের বামন রোগ ও রিও ভাইরাসের RNA) → অধিকাংশ ভাইরাসের DNA দ্বিসূত্রক (ব্যতিক্রম $X174 ও M13 কলিফায ভাইরাসের DNA). → ইমার্জিং ভাইরাসের উদাহরণ- HIV, SARS, Nile Virus, Ebola.
95
কোনটি হ্যাপ্লয়েড?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি হ্যাপ্লয়েড?\" এই প্রশ্নটি মাইটোসিস এবং মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন কোষের ক্রোমোসোমের সংখ্যা বোঝার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। হ্যাপ্লয়েড কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যা একগুণ থাকে, যা সাধারণত গ্যামেট বা যৌন কোষে পাওয়া যায়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. জাইগোট: ভুল অপশন: জাইগোট একটি ডিপ্লয়েড কোষ, যা দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যা???েটের মিশ্রণে গঠিত হয়। এটি হ্যাপ্লয়েড নয়, বরং ডিপ্লয়েড। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
  2. উকিনেট: ভুল অপশন: উকিনেট হল একটি প্রোটোজোয়া যা ম্যালেরিয়ার রোগজীবাণুর একটি ধাপ। এটি হ্যাপ্লয়েড নয়, বরং ম্যালেরিয়ার জীবাণুর জটিল জীবচক্রের একটি অংশ। তাই এই অপশনটিও সঠিক নয়।
  3. শুক্রাণু: সঠিক অপশন: শুক্রাণু একটি হ্যাপ্লয়েড কোষ যা পুরুষ গ্যামেট হিসেবে কাজ করে। এটি ২৩টি ক্রোমোসোম ধারণ করে, যা মায়োসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। তাই এই অপশনটি সঠিক।
  4. উসিস্ট: ভুল অপশন: উসিস্ট একটি প্রোটোজোয়ার অবস্থা, যা সিস্ট নামে পরিচিত। এটি হ্যাপ্লয়েড নয়। তাই এই অপশনটিও সঠিক নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি মাইটোসিস এবং মিয়োসিস প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে। শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু হল হ্যাপ্লয়েড কোষ, যা জনন কোষ হিসেবে পরিচিত এবং গ্যামেটোসিস প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়। শিক্ষার্থীরা এই ধরনের প্রশ্নের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড এবং ডিপ্লয়েড কোষের মধ্যে পার্থক্য আরও ভালোভাবে বুঝতে পারবে।
96
ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠিত-
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠন-\" এই প্রশ্নটি ব্যাকটেরিয়া কোষের গঠন এবং তার প্রাচীরের গঠনের উপাদান সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর তাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যা তাদের আকার বজায় রাখতে, রক্ষা করতে এবং তাদের পরিবেশের সাথে মিথস্ক্রিয়া করতে সাহায্য করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. কাইটিন:
    • ভুল অপশন: কাইটিন হল এক ধরনের পলিস্যাকারাইড, যা প্রধানত ফাঙ্গাসের কোষ প্রাচীরে পাওয়া যায়। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠনে এটি নেই।
  2. কাইটিন এবং প্রোটিন:
    • ভুল অপশন: যদিও কাইটিন এবং প্রোটিন ফাঙ্গাসের কোষ প্রাচীরের গঠনে থাকে, ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠন কাইটিন দ্বারা গঠিত নয়। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
  3. প্রোটিন এবং ফসফোপ্রোটিন:
    • ভুল অপশন: প্রোটিন এবং ফসফোপ্রোটিন ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠনের প্রধান উপাদান নয়। এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
  4. লিপিড এবং প্রোটিন:
    • সঠিক অপশন: ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর মূলত পেপটাইডোগ্লাইকান (যা কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিনের মিশ্রণ) দ্বারা গঠিত। কিছু ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরে লিপিডের উপস্থিতিও দেখা যায়, যা গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে সত্য। তাই, লিপিড এবং প্রোটিন মিলে সঠিক উত্তর।

নোট:

ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠন সম্পর্কে ???িক্ষার্থীদের জ্ঞান নিশ্চিত করার জন্য এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক উত্তর হলো \"লিপিড এবং প্রোটিন,\" কারণ এই দুটি উপাদান মিলে ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠিত হয়, যা তাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রদান করে।
97
ম্যালেরিয়ার জীবাণু কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ম্যালেরিয়ার জীবাণু কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া রোগের কারণ এবং তার জীবাণু সম্পর্কিত ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ম্যালেরিয়া একটি প্রোটোজোয়া পরজীবি দ্বারা সৃষ্ট, যা সাধারণত মশার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Protozoa:
    • সঠিক উত্তর: ম্যালেরিয়ার জীবাণু প্রোটোজোয়া শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। ম্যালেরিয়া পরজীবি প্লাজমোডিয়াম নামে পরিচিত, যা একটি এককোষী প্রোটোজোয়া এবং এটি মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
  2. Hydrozoa:
    • ভুল অপশন: Hydrozoa হলো একটি সি-নেটেল জন্তুদের শ্রেণি, যা সাধারণত সাগরে বাস করে। এটি ম্যালেরিয়ার জীবাণুর সাথে সম্পর্কিত নয়।
  3. Sporozoa:
    • ভুল অপশন: Sporozoa হলো প্রোটোজোয়ার একটি উপশ্রেণি, তবে এটি ম্যালেরিয়ার জীবাণুর সঠিক শ্রেণি নয়। ম্যালেরিয়া পরজীবি সরাসরি Protozoa শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
  4. Insecta:
    • ভুল অপশন: Insecta হলো পোকামাকড়ের শ্রেণি, যা ম্যালেরিয়া জীবাণু নয়, বরং মশা এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত যা ম্যালেরিয়া সংক্রমণ ঘটায়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া জীবাণু এবং তার শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর Protozoa, যা ম্যালেরিয়া জীবাণুর সঠিক শ্রেণি। ম্যালেরিয়া পরজীবি প্রোটোজোয়া শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, এবং এটি মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম।
98
অ্যালকোহল শিল্পে ব্যবহৃত ঈস্টকে নিচের কোন ভাইরাসটি ধ্বংস করে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"অ্যালকোহল শিল্পে ব্যবহৃত স্টুটকে নিচের কোন ভাইরাসটি ধ্বংস করে?\" এই প্রশ্নটি অ্যালকোহল শিল্প এবং এর সাথে সম্পর্কিত ভাইরাস ধ্বংসের প্রক্রিয়া সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি ভাইরাস ধ্বংসের ক্ষেত্রে অ্যালকোহলের ভূমিকা এবং সঠিক স্টুট নির্বাচন সম্পর্কে ধারণা দিতে সাহায্য করবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. সায়ানোফাগ: ভুল অপশন: সায়ানোফাগ একটি ফেজ ভাইরাস যা সায়ানোব্যাকটেরিয়া আক??রমণ করে। এটি অ্যালকোহল দ্বারা ধ্বংস হয় না এবং অ্যালকোহল শিল্পের স্টুটের সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
  2. জাইমোফাগ: সঠিক অপশন: জাইমোফাগ হলো একটি ফেজ ভাইরাস যা ইস্ট বা খামির কোষকে আক্রমণ করে। অ্যালকোহল শিল্পে জাইমোফাগকে ধ্বংস করা প্রয়োজন হয়, এবং স্টুট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি ধ্বংস করা সম্ভব। তাই এই অপশনটি সঠিক।
  3. ইবোলা: ভুল অপশন: ইবোলা একটি মানব ভাইরাস যা ফিলোভাইরাস গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এটি অ্যালকোহল শিল্পের সাথে সম্পর্কিত নয় এবং স্টুট প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করার বিষয়েও এটি প্রযোজ্য নয়। তাই এই অপশনটিও সঠিক নয়।
  4. পলিোহাইড্রোসিস: ভুল অপশন: পলিোহাইড্রোসিস একটি প্রোটিনসৃষ্ট রোগ যা কিছু পোকামাকড়ের মধ্যে দেখা যায়। এটি ভাইরাস নয় এবং অ্যালকোহল শিল্পে ব্যবহৃত স্টুটের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। তাই এই অপশনটিও সঠিক নয়।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অ্যালকোহল শিল্পে ভাইরাস ধ্বংসের ক্ষেত্রে স্টুটের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন হতে পারে। জাইমোফাগ ভাইরাস ধ্বংসের প্রক্রিয়াটি অ্যালকোহল শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এটি জেনে রাখা প্রয়োজন।
99
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রােগীর রক্তে কোনটির উপস্থিতি পাওয়া যায়?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর রক্তে কোনটি উপস্থিতি পাওয়া যায়?\" এই প্রশ্নটি মূলত ইমিউনোলজি এবং ডেঙ্গু জ্বরের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ডেঙ্গু জ্বর হলো একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা এডিস মশার কামড়ে সংক্রমিত হয়। ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণে শরীরে বিভিন্ন ধরনের প্রতিরক্ষামূলক অ্যান্টিবডি তৈরি হয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. IgA:
    • ভুল অপশন: IgA হলো একটি অ্যান্টিবডি যা সাধারণত শ্লেষ্মা ঝিল্লি এবং অন্যান্য শরীরের শারীরিক প্রতিবন্ধকে পাওয়া যায়। এটি ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণের ক্ষেত্রে প্রধান প্রতিরক্ষা ভূমিকা পালন করে না।
  2. IgK:
    • ভুল অপশন: IgK হলো একটি কল্পিত নাম। এর কোনও বাস্তব অস্তিত্ব নেই এবং এটি কোনও অ্যান্টিবডি নয়।
  3. IgM:
    • সঠিক অপশন: IgM হলো প্রাথমিক অ্যান্টিবডি যা শরীরে নতুন কোনো সংক্রমণের সময় প্রথম তৈরি হয়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর রক্তে IgM এর উপস্থিতি প্রমাণ করে যে সংক্রমণটি নতুন এবং শরীর এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করছে।
  4. IgE:
    • ভুল অপশন: IgE সাধারণত অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার সাথে যুক্ত এবং এটি ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে প্রধান অ্যান্টিবডি নয়।

নোট:

ডেঙ্গু জ্বরের প্রাথমিক শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে IgM এর উপস্থিতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। IgM এর উপস্থিতি নির্দেশ করে যে রোগী সম্প্রতি ডেঙ্গু ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়েছে এবং শরীর প্রাথমিকভাবে এর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা তৈরি করছে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো \"IgM।\"
100
ডেঙ্গু রোগের জন্য যে ভাইরাসটি দায়ী সেটি হলো-
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ডেঙ্গু রোগের জন্য যে ভাইরাসটি দায়ী সেটি হলো-\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু রোগ এবং এর কারণ সম্পর্কে ধা???ণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা বিশেষত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায় এবং মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ফ্ল্যাভি:
    • সঠিক উত্তর: ডেঙ্গু রোগের জন্য ফ্ল্যাভি (Flavivirus) ভাইরাস দায়ী। ফ্ল্যাভি ভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত ডেঙ্গু ভাইরাস হলো চারটি ভিন্ন ধরনের ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ। এই ভাইরাসের সংক্রমণে ডেঙ্গু জ্বর হয়।
  2. এইচ আই ভি:
    • ভুল অপশন: এইচ আই ভি (HIV) হলো মানবদেহের ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়ার জন্য পরিচিত ভাইরাস, যা এইডস রোগের কারণ। এটি ডেঙ্গু রোগের সাথে সম্পর্কিত নয়।
  3. নিপাহ:
    • ভুল অপশন: নিপাহ ভাইরাস হলো এনসেফালাইটিস এবং শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা সৃষ্টিকারী একটি ভাইরাস, যা নিপাহ ভাইরাস ইনফেকশন (NiV) নামক রোগের কারণ হয়। এটি ডেঙ্গু রোগের কারণ নয়।
  4. ইবোলা:
    • ভুল অপশন: ইবোলা ভাইরাস মারাত্মক হেমোর্যাজিক জ্বর সৃষ্টিকারী একটি ভাইরাস, যা ইবোলা ভাইরাস রোগের (EVD) জন্য দায়ী। এটি ডেঙ্গু রোগের সাথে সম্পর্কিত নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ডেঙ্গু ভাইরাস এবং এর কারণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবে। সঠিক উত্তর ফ্ল্যাভি ভাইরাস, যা ডেঙ্গু রোগের জন্য দায়ী। এটি শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু রোগের প্রকৃতি এবং এর প্রতিরোধ সম্পর্কে জানাতে সহায়ক হবে।
101
ডেঙ্গু রোগ নিচের কোনটির জন্য হয় ? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ডেঙ্গু রোগ নিচের কোনটির জন্য হয়?\" এই প্রশ্নটি ডেঙ্গু ??োগের কারণ এবং এর বাহক সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু রোগ এবং এর সংশ্লিষ্ট কারণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিতে সাহায্য করবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. তেলাপোকা: ভুল অপশন: তেলাপোকা কোনো ভাইরাস বা রোগের বাহক নয় এবং ডেঙ্গু রোগের জন্য দায়ী নয়। এটি রোগ সংক্রমণে ভূমিকা রাখে না, তাই এই অপশনটি ভুল।
  2. মশা: সঠিক অপশন: মশা, বিশেষ করে এডিস মশা, ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক এবং এই ভাইরাসটি মশার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়। তাই এই অপশনটি সঠিক।
  3. মাছি: ভুল অপশন: মাছি ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক নয় এবং ডেঙ্গু রোগের সাথে সম্পর্কিত নয়। মাছি বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য প্যাথোজেন ছড়াতে পারে, কিন্তু ডেঙ্গু রোগের জন্য এটি দায়ী নয়।
  4. মৌমাছি: ভুল অপশন: মৌমাছি ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক নয় এবং ডেঙ্গু রোগের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মৌমাছির সাথে ডেঙ্গু রোগের কোনো সংযোগ নেই, তাই এই অপশনটি ভুল।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু রোগের কারণ এবং এর বাহক সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে সাহায্য করবে। ডেঙ্গু একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা এবং এর সঠিক কারণ সম্পর্কে জানার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এই রোগের প্রতিরোধে সচেতন হতে পারে।
102
মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা কোনটি? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা কোনটি?\" এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়া রোগের সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জ্ঞা??? যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। ম্যালেরিয়া হলো একটি প্রোটোজোয়ান রোগ, যা প্লাজমোডিয়াম জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়। এই জীবাণু মশার মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন দশায় বিকাশ লাভ করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. মেরোজোয়েট (Merozoite):
    • ভুল অপশন: মেরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর একটি উন্নত দশা যা লিভারে স্পোরোজোয়েট থেকে বিভাজিত হয়ে রক্তে প্রবেশ করে এবং লোহিত রক্ত কণিকাকে সংক্রমিত করে। এটি ম্যালেরিয়ার প্রথম দশা নয়।
  2. ট্রেফোজোয়েট (Trophozoite):
    • ভুল অপশন: ট্রেফোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর আরেকটি দশা, যা মেরোজোয়েট থেকে উৎপন্ন হয় এবং লোহিত রক্ত কণিকাতে বৃদ্ধি পায়। এটি ম্যালেরিয়ার সংক্রমণের প্রথম দশা নয়।
  3. ক্রিপ্টোজোয়েট (Cryptozoite):
    • ভুল অপশন: ক্রিপ্টোজোয়েট একটি সম্ভাব্য বিকল্প কিন্তু ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা নয়। এটি প্লাজমোডিয়ামের লাইফ সাইকেলের একটি অগ্রগামী দশা নয়।
  4. স্পোরোজোয়েট (Sporozoite):
    • সঠিক অপশন: স্পোরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা যা মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। এটি প্রথমে লিভারে গিয়ে সংক্রমণ ঘটায় এবং পরবর্তীতে মেরোজোয়েটে পরিণত হয়।

নোট:

ম্যালেরিয়া জীবাণুর সংক্রমণ প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল এবং বিভিন্ন দশায় বিভক্ত। প্রথম দশায় স্পোরোজোয়েট আকারে জীবাণুটি মানুষের শরীরে প্রবেশ করে এবং এটি ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ প্রক্রিয়ার শুরু। এই সংক্রামক স্পোরোজোয়েটগুলি লিভারে গিয়ে পরিপক্ক হয় এবং মেরোজোয়েট আকারে রক্তে মুক্তি পায়। তাই, সঠিক উত্তর হলো \"স্পোরোজোয়েট।\"
103
নিউক্লিক এসিড এবং ক্যাপসিড নিয়ে গঠিত সংক্রমণক্ষম ভাইরাস কণাকে কী বলে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিউক্লিক এসিড এবং ক্যাপসিড নিয়ে গঠিত সংক্রামকক্ষম ভাইরাস কণাকে কী বলে?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের গঠন এবং তার সংক্রামক ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ভাইরাস মূলত নিউক্লিক এসিড (DNA বা RNA) এবং প্রোটিন ক্যাপসিড নিয়ে গঠিত একটি কণা, যা সংক্রমণ ঘটানোর ক্ষমতা রাখে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ভিরিয়ন:
    • সঠিক উত্তর: ভিরিয়ন হলো একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সংক্রামকক্ষম ভাইরাস কণা, যা নিউক্লিক এসিড এবং প্রোটিন ক্যাপসিড নিয়ে গঠিত। এটি ভাইরাসের সক্রিয় রূপ, যা সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম।
  2. ভিরয়েড:
    • ভুল অপশন: ভিরয়েড হলো ছোট এবং সংক্রামক RNA কণা, যা সাধারণত উদ্ভিদকে সংক্রমিত করে। এটি ভাইরাসের মতো প্রোটিন ক্যাপসিড দ্বারা আবৃত নয় এবং এটি পূর্ণাঙ্গ ভাইরাস নয়।
  3. প্রিয়ন:
    • ভুল অপশন: প্রিয়ন হলো সংক্রমক প্রোটিন কণা, যা সাধারণত স্নায়ুতন্ত্রে সমস্যা সৃষ্টি করে। এটি কোনো নিউক্লিক এসিড ধারণ করে না এবং এটি ভাইরাস নয়।
  4. নিউক্লিওক্যাপসিড:
    • ভুল অপশন: নিউক্লিওক্যাপসিড হলো ভাইরাসের নিউক্লিক এসিড এবং প্রোটিন ক্যাপসিডের যৌথ গঠন, তবে এটি পূর্ণাঙ্গ এবং সংক্রামকক্ষম ভিরিয়ন নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের গঠন এবং সংক্রামক ক্ষমতা সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর ভিরিয়ন, যা একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সংক্রামকক্ষম ভাইরাস কণা। এটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের কার্যক্রম এবং সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে সহায়তা করবে।
104
কোন ব্যাকটেরিয়া মানবদেহে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সরবরাহ করে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোন ব্যাকটেরিয়া মানবদেহে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সরবরাহ করে?\" এই প্রশ্নটি মানবদেহে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা উৎপাদিত হতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Bordetella pertussis: ভুল অপশন: Bordetella pertussis হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত পারটুসিস (হুপিং কাশি) রোগের জন্য দায়ী। এটি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সরবরাহ করে না।
  2. Bacillus subtilis: ভুল অপশন: Bacillus subtilis হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া যা প্রধানত মাটিতে পাওয়া যায় এবং এটি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সরবরাহের জন্য প???িচিত নয়।
  3. Escherichia coli: সঠিক অপশন: Escherichia coli বা E. coli হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া যা মানবদেহের অন্ত্রের মধ্যে থাকে এবং এটি ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ভিটামিন বি₂ (রাইবোফ্লাভিন) এবং বি₁₂ (কোবালামিন) উৎপাদনে সাহায্য করে।
  4. Bacillus lacticacidi: ভুল অপশন: Bacillus lacticacidi হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া যা ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপাদনের জন্য পরিচিত, কিন্তু এটি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সরবরাহের সাথে সম্পর্কিত নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের মানবদেহের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া এবং তাদের উৎপাদিত ভিটামিনসমূহ সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করে। Escherichia coli ব্যাকটেরিয়ার ভিটামিন বি কমপ্লেক্স উৎপাদনের ভূমিকা শিক্ষার্থীদের জানতে এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।
105
উদ্ভিদ ভাইরাস-
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"উদ্ভিদ ভাইরাস-\" এই প্রশ্নটি উদ্ভিদে সংক্রমিত ভাইরাসগুলির সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। উদ্ভিদ ভাইরাস হল ভাইরাসগুলির একটি বিশেষ ধরনের গ্রুপ যা শুধুমাত্র উদ্ভিদ কোষে সংক্রমিত হয় এবং তাদের বিকাশকে ব্যাহত করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. HIV:
    • ভুল অপশন: HIV হলো একটি RNA ভাইরাস যা মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটায় এবং ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়। এটি একটি মানব-সংক্রমিত ভাইরাস, উদ্ভিদ ভাইরাস নয়।
  2. Influenza:
    • ভুল অপশন: ইনফ্লুয়েঞ্জা একটি RNA ভাইরাস যা মানুষের শ্বাসযন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায় এবং ফ্লু বা সর্দি-কাশির কারণ হয়। এটি উদ্ভিদ ভাইরাস নয়।
  3. Polio:
    • ভুল অপশন: পোলিও ভাইরাস হলো একটি মানব-সংক্রমিত ভাইরাস যা নিউরন কোষে আক্রমণ করে এবং পোলিওমাইলাইটিস রোগের সৃষ্টি করে। এটি উদ্ভিদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটায় না।
  4. TMV (Tobacco Mosaic Virus):
    • সঠিক অপশন: টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV) হলো একটি উদ্ভিদ ভাইরাস যা তামাক এবং অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটায়। এটি উদ্ভিদ কোষে সংক্রমিত হয় এবং পাতা ও অন্যান্য অংশে মোজাইক মত দাগের সৃষ্টি করে।

নোট:

উদ্ভিদ ভাইরাসগুলি উদ্ভিদের কোষে সংক্রমণ ঘটায় এবং তাদের বৃদ্ধি ও বিকাশকে ব্যাহত করে। TMV বা টোবাকো মোজাইক ভাইরাস উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাইরাস যা উদ্ভিদ বিজ্ঞান এবং রোগবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই, সঠিক উত্তর হলো \"TMV,\" কারণ এটি একটি উদ্ভিদ ভাইরাস যা তামাক এবং অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটায়।
106
কোন অণুজীবটি সাধারণত অ্যান্টিবায়ােটিক প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয় না?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোন অণুজীবটি সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুতিতে ব্যবহারিত হয় না?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন এবং এতে ব্যবহৃত অণুজীব সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন অণুজীব, যেমন ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক, থেকে অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুত করা হয়। তবে সব অণুজীব অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনে ব্যবহার করা হয় না।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Bacillus:
    • ভুল অপশন: Bacillus হলো একটি ব্যাকটেরিয়া প্রজাতি, যা থেকে ব্যাসিট্রাসিন (Bacitracin) নামক অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা হয়। এটি অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
  2. Streptomyces:
    • ভুল অপশন: Streptomyces হলো একটি ছত্রাক, যা থেকে স্ট্রেপ্টোমাইসিন (Streptomycin) সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা হয়। এটি অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
  3. Penicillium:
    • ভুল অপশন: Penicillium হলো একটি ছত্রাক, যা থেকে পেনিসিলিন (Penicillin) নামক বিখ্যাত অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা হয়। এটি অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
  4. E.coli:
    • সঠিক উত্তর: E.coli (Escherichia coli) একটি ব্যাকটেরিয়া প্রজাতি, যা সাধারণত মানুষের অন্ত্রে পাওয়া যায়। এটি অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনে সাধারণত ব্যবহার করা হয় না। বরং এটি গবেষণা এবং জিন প্রকৌশল ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনের প্রক্রিয়া এবং এতে ব্যবহৃত অণুজীব সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করবে। সঠিক উত্তর E.coli, যা সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় না। এটি শিক্ষার্থীদের অ্যান্টিবায়োটিকের উৎপত্তি এবং এর প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত অণুজীব সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিতে সহায়ক হবে।
107
মানুষের লোহিত কণিকায় ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অযৌন জননকে কী বলে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"মানুষের লোহিত কণিকায় ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুগুণন প্রক্রিয়ায় অন্তিম জননকে কী বলে?\" এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুগুণন প্রক্রিয়া এবং এর অন্তিম ধাপ সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ম্যালেরিয়া রোগটি সাধারণত প্লাজমোডিয়াম পরজীবী দ্বারা সংক্রমিত হয় এবং এর বহুগুণন প্রক্রিয়া লোহিত রক্তকণিকায় ঘটে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. এরিৎত্রোসাইটিক সাইযোগনি: সঠিক অপশন: এরিৎত্রোসাইটিক সাইযোগনি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুগুণন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যেখানে পরজীবী মানুষের লোহিত রক্তকণিকায় ঢুকে সেখানে বহুগুণিত হয় এবং অবশেষে কোষটি ফেটে গিয়ে নতুন পরজীবী সৃষ্টি করে। এটি সঠিক উত্তর।
  2. এক্সো-এরিৎত্রোসাইটিক সাইযোগনি: ভুল অপশন: এক্সো-এরিৎত্রোসাইটিক সাইযোগনি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুগুণন প্রক্রিয়ার একটি প্রাথমিক ধাপ যা লিভারে ঘটে, লোহিত কণিকায় নয়। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
  3. হেপাটিক সাইযোগনি: ভুল অপশন: হেপাটিক সাইযোগনি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর লিভারে গুণন প্রক্রিয়া, যা বহুগুণনের শুরুর ধাপ এবং লোহিত কণিকায় ঘটে না।
  4. প্রি-এরিৎত্রোসাইটিক সাইযোগনি: ভুল অপশন: প্রি-এরিৎত্রোসাইটিক সাইযোগনি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুগুণন প্রক্রিয়ার শুরুর ধাপ যা লিভারে ঘটে এবং লোহিত রক্তকণিকায় গুণনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুগুণন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান প্রদান করে। ম্যালেরিয়া পরজীবী লোহিত রক্তকণিকায় ঢুকে বহুগুণিত হয় এবং এরিৎত্রোসাইটিক সাইযোগনি প্রক্রিয়ায় অন্তিম ধাপে নতুন পরজীবী সৃষ্টি করে। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষামূলক প্রশ্ন।
108
কোনটি পানি বাহিত রোগ ?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি পানি বাহিত রোগ?\" এই প্রশ্নটি মানুষের স্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত, বিশেষত কোন রোগগুলি পানির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তা নির্ধারণ করার জন্য। পানি বাহিত রোগগুলির মধ্যে অনেকগুলি রোগ রয়েছে, যা দূষিত পানি পান বা ব্যবহারের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে। প্রশ্নটির উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের পানির মাধ্যমে ছড়ানো রোগ সম্পর্কে সচেতন করা।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ম্যালেরিয়া:
    • ভুল অপশন: ম্যালেরিয়া হলো একটি মশাবাহিত রোগ, যা প্লাজমোডিয়াম নামক এককোষী জীবাণু দ্বারা হয় এবং এটি সাধারণত মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। এটি কোনো পানি বাহিত রোগ নয়।
  2. লেপ্রসি:
    • ভুল অপশন: লেপ্রসি বা কুষ্ঠরোগ একটি ব্যাকটেরিয়াল রোগ, যা হ্যানসেনের রোগ নামেও পরিচিত। এটি দীর্ঘমেয়াদে সংক্রমিত হয়, কিন্তু এটি কোনো পানি বাহিত রোগ নয়। এই রোগটি সাধারণত দীর্ঘ সময়ের জন্য সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে ছড়ায়।
  3. টাইফয়েড:
    • সঠিক অপশন: টাইফয়েড একটি পানি বাহিত রোগ, যা সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে হয়। দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায় এবং এতে ডায়রিয়া, জ্বর, ওষ্ঠপাকস্থলীর সমস্যা দেখা দেয়।
  4. ডেঙ্গু:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। এটি পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয় না, বরং এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়।

নোট:

পানি বাহিত রোগগুলি মানব স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, এবং টাইফয়েড হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পানি বাহিত রোগ। তাই, সঠিক উত্তর হলো \"টাইফয়েড,\" কারণ এটি দূষিত পানি বা খাদ্যের মাধ্যমে সংক্রমিত হয় এবং এর প্রাদুর্ভাব সাধারণত এমন অঞ্চলে ঘটে যেখানে পানি বিশুদ্ধকরণের অভাব রয়েছে।
109
সংক্রমণ ক্ষমতাহীন ভাইরাসকে কী বলে? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"সংক্রমণ ক্ষমতাহীন ভাইরাসকে কী বলে?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের গঠন এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ভাইরাসগু???োর সংক্রমণ ক্ষমতা থাকতে পারে বা নাও থাকতে পারে, এবং এদের মধ্যে কিছু ভাইরাস কণা সংক্রমণ ক্ষমতাহীন অবস্থায় থাকতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ভিরিয়ন:
    • ভুল অপশন: ভিরিয়ন হলো একটি পূর্ণাঙ্গ সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন ভাইরাস কণা, যা নিউক্লিক এসিড এবং প্রোটিন ক্যাপসিড নিয়ে গঠিত। এটি সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম।
  2. নিউক্লিওক্যাপসিড:
    • সঠিক উত্তর: নিউক্লিওক্যাপসিড হলো ভাইরাসের নিউক্লিক এসিড এবং প্রোটিন ক্যাপসিডের সমন্বয়, যা প্রয়োজনীয় সংক্রমণ ক্ষমতা অর্জন করেনি। এটি সাধারণত সংক্রমণ ক্ষমতাহীন অবস্থায় থাকে।
  3. প্রিয়নস:
    • ভুল অপশন: প্রিয়নস হলো সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রোটিন কণা, যা ভাইরাস নয় এবং সংক্রমণ ক্ষমতাহীনও নয়। এটি স্নায়ুতন্ত্রের রোগ সৃষ্টি করে।
  4. ভিরয়েড:
    • ভুল অপশন: ভিরয়েড হলো ছোট সংক্রামক RNA কণা, যা উদ্ভিদে সংক্রমণ ঘটায়। এটি সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন এবং ভাইরাস নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের গঠন এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর নিউক্লিওক্যাপসিড, যা সংক্রমণ ক্ষমতাহীন ভাইরাসের অংশ হিসেবে পরিচিত। এটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের গঠন এবং তাদের সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বুঝতে সহায়ক হবে।
110
নিচের কোন ব্যাকটেরিয়া মুক্ত অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোন ব্যাকটেরিয়া মুক্ত অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচে?\" এই প্রশ্নটি ব্যাকটেরিয়ার শ্বাসক্রিয়া সম্পর্কিত জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। কিছু ব্যাকটেরিয়া অ্যারোবিক অর্থাৎ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় শ্বাসক্রিয়ার জন্য, আবার কিছু ব্যাকটেরিয়া অ্যানঅ্যারোবিক যা অক্সিজেন ছাড়াই বেঁচে থাকতে সক্ষম।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Azotobacter: ভুল অপশন: Azotobacter হলো একটি অ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া যা মাটিতে বেঁচে থাকে এবং নাইট্রোজেন ফিক্সেশন প্রক্রিয়ায় জড়িত। এটি অক্সিজেনের উপস্থিতিতে বেঁচে থাকে। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
  2. Bacillus: ভুল অপশন: Bacillus সাধারণত অ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া হিসেবে পরিচিত, তবে কিছু Bacillus প্রজাতি ফ্যাকালটেটিভ অ্যানঅ্যারোবিক হতে পারে। তবুও এটি সঠিক উত্তর নয়।
  3. Clostridium: সঠিক অপশন: Clostridium একটি অ্যানঅ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া যা মুক্ত অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারে। এটি বিশেষ করে মাটিতে পাওয়া যায় এবং বিভিন্ন রকম শ্বাসক্রিয়া করতে সক্ষম। এটি সঠিক উত্তর।
  4. Staphylococcus: ভুল অপশন: Staphylococcus সাধারণত একটি ফ্যাকালটেটিভ অ্যানঅ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া, যা অক্সিজেনের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি উভয় অবস্থায় বেঁচে থাকতে পারে। তবে এটি সম্পূর্ণ অ্যানঅ্যারোবিক নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের অ্যানঅ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়ার ধরন এবং তাদের শ্বাসক্রিয়া সম্পর্কিত জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়ক। Clostridium একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যানঅ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া যা অক্সিজেন ছাড়াই বেঁচে থাকতে পারে, এবং এর মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতি রয়েছে যেগুলি বিভিন্ন রোগের কারণ হয়ে থাকে।
111
জিকা ভাইরাস মানুষের দেহে সংক্রমিত হয় কোন বাহকের মাধ্যমে? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"জিকা ভাইরাস মানুষের দেহে সংক্রমিত হয় কোন বাহকের মাধ্যমে?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। জিকা ভাইরাস মূলত মশার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়, এবং এটি অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. এডিস মশক:
    • ভুল অপশন: এই অপশনটি আংশিক ভুল। এডিস মশক জিকা ভাইরাসের বাহক হলেও এখানে আরও সুনির্দিষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
  2. এডিস মশকী:
    • সঠিক উত্তর: এডিস মশা, বিশেষত এডিস ইজিপ্টি এবং এডিস অ্যালবোপিকটাস মশা, জিকা ভাইরাসের প্রধান বাহক। এই মশাগুলি মানুষকে কামড়ানোর মাধ্যমে জিকা ভাইরাস সংক্রমণ ঘটায়। এটি সঠিক উত্তর।
  3. অ্যানোফিলিস মশক:
    • ভুল অপশন: অ্যানোফিলিস মশা হলো ম্যালেরিয়া রোগের বাহক। এটি জিকা ভাইরাস সংক্রমণের সঙ্গে জড়িত নয়।
  4. অ্যানোফিলিস মশকী:
    • ভুল অপশন: অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী, কিন্তু জিকা ভাইরাস সংক্রমণের সঙ্গে এটির কোনো সম্পর্ক নেই।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জিকা ভাইরাস সংক্রমণ এবং তার বাহক সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবে। সঠিক উত্তর হলো এডিস মশকী, কারণ এডিস মশা জিকা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য প্রধান বাহক হিসেবে কাজ করে। এটি শিক্ষার্থীদের রোগের সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে সহায়ক হবে।
112
কোনটি ব্যাকটিরয়া জনিত রোগ নয়?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ নয়?\" এই প্রশ্নটি বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া জনিত এবং অ-ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগের পার্থক্য যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। অনেক রোগ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হয়, তবে কিছু রোগের কারণ ব্যাকটেরিয়া নয়, বরং অন্যান্য জীবাণু।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. জলাতঙ্ক: সঠিক অপশন: জল??তঙ্ক হলো একটি ভাইরাস জনিত রোগ, যা সাধারণত প্রাণীর কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। এটি কোনো ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
  2. টাইফয়েড: ভুল অপশন: টাইফয়েড হলো একটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ, যা Salmonella typhi নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হয়। এটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ।
  3. নিউমোনিয়া: ভুল অপশন: ???িউমোনিয়া হলো একটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, বা ফাঙ্গাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। সাধারণত Streptococcus pneumoniae ব্যাকটেরিয়া নিউমোনিয়ার কারণ হয়, তাই এটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ হতে পারে।
  4. যক্ষ্মা: ভুল অপশন: যক্ষ্মা (টিবি) হলো Mycobacterium tuberculosis ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হয়। এটি একটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগের পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করা হয়। জলাতঙ্ক এ??টি ভাইরাস জনিত রোগ, তাই এটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ নয়। অন্যদিকে, টাইফয়েড, নিউমোনিয়া, এবং যক্ষ্মা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ।
113
ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরকে কি বলে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরকে কি বলে?\" এই প্রশ্নটি ব্যাকটেরিয়া সংক্রান্ত মাইক্রোবায়োলজির মৌলিক ধারণা সম্পর্কে। ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের অংশটি কী নামে পরিচিত, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এটি ব্যাকটেরিয়ার প্রতিরক্ষা ও পরিবেশের সাথে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার গঠন ও ফাংশন সম্পর্কে ধারণা যাচাই করা হয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Typical layer:
    • ভুল অপশন: এটি কোনো বৈজ্ঞানিক নাম নয় যা ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরকে বর্ণনা করে। \"Typical\" শব্দটি সাধারণ বা প্রাথমিক কিছু নির্দেশ করে, তবে ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরকে এই নামে ডাকা হয় না।
  2. Particular layer:
    • ভুল অপশন: \"Particular\" শব্দটি নির্দিষ্ট বা বিশেষ কিছু বোঝায়, তবে এটি ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরের সঠিক নাম নয়। এটি প্রশ্নটির সাথে সম্পর্কিত হলেও সঠিক উত্তর নয়।
  3. Slyme layer:
    • সঠিক অপশন: ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরকে সাধারণত \"Slyme layer\" বা \"Slime layer\" বলা হয়। এটি ব্যাকটেরিয়ার বাইরের পলিস্যাকারাইডের স্তর, যা ব্যাকটেরিয়াকে শুষ্ক পরিবেশে বেঁচে থাকতে এবং প্রতিকূল অবস্থায় রক্ষা করতে সাহায্য করে।
  4. Thin layer:
    • ভুল অপশন: যদিও ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরটি পাতলা হতে পারে, এটি কোনো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক নাম নয় যা এই স্তরকে সঠিকভাবে বর্ণনা করে। এটি সাধারণত কোষের আকার বা গঠনের সাথে সম্পর্কিত একটি শব্দ।

নোট:

ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তর বা স্লাইম লেয়ার তাদের প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা এবং পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষকে শুষ্ক পরিবেশ, আক্রমণকারী প্রোটিন, এবং অন্যান্য প্রতিকূল পরিবেশগত অবস্থার বিরুদ্ধে রক্ষা করে। সঠিক উত্তর হলো \"Slyme layer,\" যা ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তর হিসেবে পরিচিত।
ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরকে স্লাইমার স্থর বলে।
114
কোন রোগটি ব্যাকটে???িয়া সৃষ্ট? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোন রোগটি ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ এবং অন্যান্য প্যাথোজেন দ্বারা সৃষ্ট রোগগুলোর মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়া অনেক রোগের কারণ হতে পারে, এবং সঠিক রোগ চিহ্নিত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্যাথোজেন সম্পর্কিত জ্ঞান বাড়াতে পারবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ম্যালেরিয়া:
    • ভুল অপশন: ম্যালেরিয়া একটি প্রোটোজোয়া পরজীবি (প্লাজমোডিয়াম) দ্বারা সৃষ্ট রোগ, যা মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। এটি ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট রোগ নয়।
  2. ডেঙ্গু:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। এটি ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট নয়।
  3. কলেরা:
    • সঠিক উত্তর: কলেরা একটি ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট রোগ, যা Vibrio cholerae ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। এটি পানির মাধ্যমে এবং খারাপ স্যানিটেশনের কারণে ছড়ায়।
  4. হেপাটাইটিস:
    • ভুল অপশন: হেপাটাইটিস একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা প্রধানত লিভারকে প্রভাবিত করে। এটি ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য প্যাথোজেন দ্বারা সৃষ্ট রোগগুলোর মধ্যে পার্থক্য বুঝতে সহায়ক। সঠিক উত্তর হলো কলেরা, যা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি সাধারণ রোগ।
115
সোয়াইন ফ্লু রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস কোনটি? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"সোয়াইন ফ্লু রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস কোনটি?\" এই প্রশ্নটি সোয়াইন ফ্লু রোগের কারণভিত্তিক জ্ঞান যাচাইয়ের জন্য করা হয়েছে। সোয়াইন ফ্লু একটি ভাইরাস জনিত রোগ, যা সাধারণত শূকর এবং মানব উভয়ের মধ্যেই সংক্রমিত হতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. CMV: ভুল অপশন: CMV বা Cytomegalovirus একটি ভিন্ন ধরনের ভাইরাস যা হারপিস ভাইরাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এটি সোয়াইন ফ্লুর কারণ নয়।
  2. HIV: ভুল অপশন: HIV (Human Immunodeficiency Virus) হলো এআইডস এর জন্য দায়ী ভাইরাস। এটি সোয়াইন ফ্লুর কারণ নয়।
  3. H1N1: সঠিক অপশন: H1N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস টাইপ এ-এর একটি স্ট্রেইন, যা সোয়াইন ফ্লু রোগের জন্য দায়ী। এটি মূলত শূকর থেকে মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে এবং মহামারী সৃষ্টি করতে সক্ষম।
  4. রুবেলা: ভুল অপশন: রুবেলা ভাইরাস হলো জার্মান মিজলস নামে পরিচিত রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস। এটি সোয়াইন ফ্লুর জন্য দায়ী নয়।

নোট:

সোয়াইন ফ্লু একটি বিশেষ ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের কারণে ঘটে, বিশেষত H1N1 ভাইরাসের মাধ্যমে। সোয়াইন ফ্লু রোগ সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখতে এই ধরনের প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক।
116
ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর মূলত কি দিয়ে গঠিত? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর মূলত কি দিয়ে গঠিত?\" এই প্রশ্নটি ব্যাকটেরিয়া জীববিজ্ঞানের মৌলিক ধারণা নিয়ে তৈরি। ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীরের মূল উপাদান জানতে চাওয়া হয়েছে। এটি ব্যাকটেরিয়ার আকার বজায় রাখা এবং শারীরিক প্রভাব থেকে সুরক্ষা পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. মুরামিক এসিড:
    • ভুল অপশন: মুরামিক এসিড একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠনে ভূমিকা পালন করে, তবে এটি একা কোষ প্রাচীর গঠনের জন্য যথেষ্ট নয়। এটি পেপটাইডোগ্লাইকান গঠনের অংশ, কিন্তু প্রধান উপাদান নয়।
  2. কাইটিন:
    • ভুল অপশন: কাইটিন একটি পলিস্যাকারাইড যা মূলত ছত্রাক ও কিছু অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মধ্যে পাওয়া যায়। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠনে এটি কোনো ভূমিকা পালন করে না।
  3. সেলুলোজ:
    • ভুল অপশন: সেলুলোজ একটি পলিস্যাকারাইড যা উদ্ভিদ কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের অংশ নয়।
  4. মিউকোপেপটাইড (পেপটাইডোগ্লাইকান):
    • সঠিক অপশন: ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর প্রধানত পেপটাইডোগ্লাইকান (মিউকোপেপটাইড) দিয়ে গঠিত, যা পলিস্যাকারাইড এবং পেপটাইডের মিশ্রণ। এটি কোষ প্রাচীরকে শক্তিশালী করে এবং ব্যাকটেরিয়াকে পরিবেশগত চাপ থেকে রক্ষা করে।

নোট:

ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর পেপটাইডোগ্লাইকান দিয়ে গঠিত, যা ব্যাকটেরিয়াকে আকার বজায় রাখতে এবং প্রতিকূল পরিবেশ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এটি ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে শক্তিশালী রক্ষাকারী কাঠামো হিসেবে কাজ করে। সঠিক উত্তর হলো মিউকোপেপটাইড (পেপটাইডোগ্লাইকান)
117
কোনটি সচল দশা?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি সচল দন্ড?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের দন্ডাকার জীবাণু বা অন্যান্য অণুজীবের চলন ক্ষমতা সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। সচল দন্ড মানে এমন দন্ডাকার অণুজীব, যেগুলি নিজে নিজেই স্থানান্তর করতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ম্যাগনা ট্রুফোজোয়েট:
    • সঠিক উত্তর: ম্যাগনা ট্রুফোজোয়েট হলো এমন একটি প্রোটোজোয়া, যা দন্ডাকার এবং নিজে নিজেই স্থানান্তর করতে সক্ষম। এটি সচল দন্ডের একটি উদাহরণ।
  2. ফ্যাগোমেটাস:
    • ভুল অপশন: ফ্যাগোমেটাস হলো প্রোটোজোয়ার একটি অবস্থা, তবে এটি সচল দন্ড নয় এবং নিজে নিজে চলতে সক্ষম নয়।
  3. মাইক্রোট্রুফোজোয়েট:
    • ভুল অপশন: মাইক্রোট্রুফোজোয়েটও একটি অণুজীবের প্রকার, তবে এটি সচল দন্ড নয়।
  4. ক্রিপটোজোয়েট:
    • ভুল অপশন: ক্রিপটোজোয়েট সচল নয় এবং এটির সাথে চলন ক্ষমতা সম্পর্কিত নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের প্রোটোজোয়া এবং অন্যান্য অণুজীবের চলন ক্ষমতা সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর ম্যাগনা ট্রুফোজোয়েট, যা সচল দন্ড হিসেবে পরিচিত।

ট্রফোজয়েট:

ট্রোফোজয়েট সর্বাধিক প্রোটোজোয়ার সক্রিয়, খাওয়ানো, গুণক পর্যায়ে এবং প্রোটোজোয়েনের প্রভাবশালী পর্যায়। পরজীবী প্রজাতিগুলিতে, এই স্তরটি সাধারণত প্যাথোজেনেসিসের সাথে যুক্ত থাকে। ট্রফোজয়েটগুলি হয় নন-ফ্ল্যাগ্লেটেলেটে ফ্ল্যাগলেটেড এবং বিভিন্ন পরিভাষা ব্যবহার করে বলা যেতে পারে। বেশিরভাগ প্রোটোজোয়ানগুলির ট্রফোজয়েটগুলি দ্বিপক্ষীয় প্রতিসাম্যযুক্ত নাশপাতি আকার। ট্রফোজয়েট কেন্দ্রীয় ক্যারিয়োসোম এবং মিডিয়ান বডিগুলির সাথে নিউক্লিকেটেড হয়। ফাইব্রিলগুলি পরজীবীর পৃষ্ঠের দৈর্ঘ্যের সাথে চালিত হয় এবং এটিকে অ্যাকোনেমেস বলে। ট্রফোজয়েট দুধরনের; যথা- ম্যাগনা ট্রফোজয়েট এবং মাইন্যুটা ট্রফোজয়েট। ম্যাগনা ট্রফোজয়েট: এটি এন্টামিবার সক্রিয় ও সচল দশা। এগুলো জিভের মতো ক্ষণপদবিশিষ্ট, বড় (২০-৪০মাইক্রন) ও অনিয়ত আকারযুক্ত সদস্য। এরা খাদ্য হিসেবে রক্তকণিকা, ব্যাকটেরিয়া ও অন্ত্রের এপিথেলিয়াল কোষ গ্রহণ করে খাদ্যগহ্বরে জমা রাখে। মাইন্যুটা ট্রফোজয়েট: এটি এন্টামিবার নিষ্ক্রিয় দশা। এগুলো বৃহদান্ত্রের গহ্বরে বসবাসকারী ক্ষণপদবিহীন, ক্ষুদ্র (১০-২০মাইক্রন) ও গোলাকার সদস্য। এরা খাদ্য গ্রহণ করে না, তাই খাদ্যগহ্বরও থাকে না। এ ধরনের সদস্যরাই সিস্ট তৈরি করে।
118
পেনিসিলিন এর আবিষ্কারক হলো?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"পেনিসিলিন এর আবিষ্কারক হলো?\" এই প্রশ্নটি পেনিসিলিনের আবিষ্কারের ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। পেনিসিলিন ছিল প্রথম আবিষ্কৃত অ্যান্টিবায়োটিক, যা বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর। ১৯২৮ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এটি আবিষ্কার করেন এবং তা দ্রুত চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটায়। ফ্লেমিং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ রোধে একটি ছত্রাকের কার্যকারিতা লক্ষ্য করেন, যা পরবর্তীতে পেনিসিলিন নামে পরিচিত হয়। প্রশ্নটি বিশেষভাবে বিজ্ঞানী এবং তাদের আবিষ্কার সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করে, যা শিক্ষার্থীদের ইতিহাস ও বিজ্ঞান নিয়ে সুদূরপ্রসারী ধারণা তৈরি করতে সহায়ক।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. পাস্তুর: ভুল অপশন: লুই পাস্তুর একজন বিখ্যাত ফরাসি জীববিজ্ঞানী এবং রসায়নবিদ ছিলেন, যিনি পাস্তুরাইজেশন এবং জীবাণুবিজ্ঞানের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত। যদিও পাস্তুর ব্যাকটেরিয়ার জীববিজ্ঞান নিয়ে বহু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন, তিনি পেনিসিলিন আবিষ্কার করেননি। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  2. টাসলি: ভুল অপশন: টাসলি নামে কোনো প্রখ্যাত বিজ্ঞানীর নাম পেনিসিলিনের আবিষ্কারের সাথে যুক্ত নয়। এটি সম্পূর্ণ ভুল অপশন।
  3. বেন্ডা: ভুল অপশন: বেন্ডা নামক কোনো বিজ্ঞানীর আবিষ্কারের সাথে পেনিসিলিনের সম্পর্ক নেই। এটি একটি ভুল উত্তর।
  4. ফ্লেমিং: সঠিক অপশন: স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। তিনি দুর্ঘটনাক্রমে এটি আবিষ্কার করেন, যখন তিনি দেখেন যে পেনিসিলিয়াম ছত্রাক ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়। এই আবিষ্কারটি অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসার যুগের সূচনা করে এবং সংক্রমণ রোধে চিকিৎসার ক্ষেত্রকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে দেয়। সুতরাং, এই অপশনটি সঠিক।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থ??দের বিজ্ঞানের ইতিহাস এবং বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রভাব সম্পর্কে গভীর জ্ঞান দিতে সহায়ক। পেনিসিলিনের আবিষ্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিকের উদ্ভাবন মানব ইতিহাসে স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনরক্ষার ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য এনেছে। এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানের কার্যক্রম এবং এর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার সম্পর্কে ধারণা পেতে পারে, যা তাদের সাধারণ জ্ঞান বৃদ্ধি করবে। এভাবে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানী এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার সম্পর্কে সচেতন হতে পারে, যা তাদের ইতিহাস ও বিজ্ঞান দুইয়েরই প্রতি আগ্রহী করে তুলবে।
119
সমগোত্রীয় নয় কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"সমগোত্রীয় জ্বর কোনটি?\" এই প্রশ্নটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের সংক্রামক রোগ সম্পর্কিত। এখানে সমগোত্রীয় জ্বর অর্থ এমন একটি জ্বর যা সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য সংক্রামক কারণ দ্বারা সৃষ্ট এবং একই ধরণের জ্বরের উপসর্গ রয়েছে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Yellow Fever:
    • ভুল অপশন: ইয়েলো ফিভার একটি ভাইরাস-সৃষ্ট রোগ যা মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এটি সমগোত্রীয় জ্বর নয়, কারণ এর সংক্রমণ ও লক্ষণ অন্যান্য সাধারণ জ্বরের সাথে সম্পূর্ণ আলাদা।
  2. Typhoid Fever:
    • সঠিক অপশন: টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়া (Salmonella typhi) দ্বারা সৃষ্ট রোগ, যা সাধারণত খারাপ পানির মাধ্যমে ছড়ায়। এটি সমগোত্রীয় জ্বর কারণ টাইফয়েডের উপসর্গগুলি অনেক সাধারণ জ্বরের মতো এবং এর চিকিৎসাও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকরী।
  3. Influenza Fever:
    • ভুল অপশন: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ। যদিও এর উপসর্গ জ্বরের মতো, এটি সমগোত্রীয় জ্বর নয়, কারণ এর কারণ এবং সংক্রমণের ধরন টাইফয়েড থেকে ভিন্ন।
  4. Dengue Fever:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু একটি মশা-বাহিত ভাইরাস-জনিত রোগ। এটি সমগোত্রীয় জ্বর নয়, কারণ এর লক্ষণ ও সংক্রমণ পদ্ধতি টাইফয়েডের থেকে আলাদা।

নোট:

সমগোত্রীয় জ্বর মূলত এমন একটি জ্বরকে বোঝায়, যা সংক্রমণ বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণে ঘটে এবং এর উপসর্গগুলি এক ধরণের জ্বরের মতো হয়। টাইফয়েড ফিভার এমন একটি উদাহরণ, যা সাধারণ জ্বরের উপসর্গের সাথে মেলে এবং এটি ব্যাকটেরিয়া-সৃষ্ট। সঠিক উত্তর হলো Typhoid Fever
120
ডেঙ্গু ভাইরাসের নাম কি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ডেঙ্গু ভাইরাসের নাম কি?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাস শ্রেণীবিন্যাসের মৌলিক ধারণা এবং ডেঙ্গু ভাইরাসের সঠিক নাম এবং তার পরিবারের সাথে সম্পর্কিত জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ডেঙ্গু রোগ, যা সাধারণত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়, তার মূল কারণ ডেঙ্গু ভাইরাস। এই ভাইরাসটি একটি RNA ভাইরাস এবং Flaviviridae ভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত। এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা Flaviviridae পরিবারের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত হবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Flaviviridae:
    • সঠিক উত্তর: ডেঙ্গু ভাইরাস Flaviviridae পরিবারের অন্তর্গত। এটি একটি একক-সু্ত্রক RNA ভাইরাস, যা মানুষের শরীরে এডিস মশার মাধ্যমে প্রবেশ করে এবং জ্বর, মাথাব্যথা, পেশি ব্যথা এবং র‍্যাশের মতো উপসর্গ সৃষ্টি করে। Flaviviridae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য ভাইরাসগুলির মধ্যে জিকা, হলুদ জ্বর, এবং পশ্চিম নাইল ভাইরাস উল্লেখযোগ্য।
  2. Claviviridae:
    • ভুল অপশন: Claviviridae নামে কোনো ভাইরাস পরি???ারের অস্তিত্ব নেই। এটি একটি ভুল উত্তর, কারণ এটির সাথে ডেঙ্গু ভাইরাসের কোনো সম্পর্ক নেই।
  3. Revolaviridae:
    • ভুল অপশন: Revolaviridae নামেও কোনো ভাইরাস পরিবার নেই। এটি একটি কাল্পনিক নাম এবং ভাইরাস শ্রেণীবিন্যাসে এ ধরনের কোনো পরিবারের উল্লেখ নেই।
  4. Cyclolaviviridae:
    • ভুল অপশন: Cyclolaviviridae নামে কোনো ভাইরাস পরিবারের অস্তিত্ব নেই। এটি একটি ভু?? উত্তর, যা ডেঙ্গু ভাইরাসের সাথে সম্পর্কিত নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি ভাইরাস শ্রেণীবিন্যাস এবং নির্দিষ্ট রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা বৃদ্ধি করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ডেঙ্গু ভাইরাস Flaviviridae পরিবারের অন্তর্গত, এবং এই পরিবারের ভাইরাসগুলো সাধারণত মশার মাধ্যমে ছড়ায় এবং মানুষের জন্য মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করতে পারে। সঠিক উত্তর Flaviviridae
Dengue virus is the cause of dengue fever. It is a mosquito-borne, single positive-stranded RNA virus of the family Flaviviridae; genus Flavivirus. Four serotypes of the virus have been found, a reported fifth has yet to be confirmed, all of which can cause the full spectrum of disease. Wikipedia
121
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত জ্বর নয়? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত জ্বর নয়?\" এই প্রশ্নটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের রোগ সংক্রান্ত অংশের একটি বিষয়। এখানে ভাইরাসজনিত জ্বর এমন একটি জ্বর যা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়। তবে, এই প্রশ্নের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ভাইরাসজনিত ও ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য কারণে সৃষ্ট জ্বরের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে সাহায্য করা।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ডেঙ্গু জ্বর:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা মশার মাধ্যমে ছড়ায়। তাই এটি ভাইরাসজনিত জ্বর এবং সঠিক উত্তর নয়।
  2. চিকুনগুনিয়া জ্বর:
    • ভুল অপশন: চিকুনগুনিয়া একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এটি ভাইরাসজনিত জ্বরের অন্তর্ভুক্ত।
  3. টাইফয়েড জ্বর:
    • সঠিক অপশন: টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়া (Salmonella typhi) দ্বারা সৃষ্ট জ্বর। এটি ভাইরাসজনিত নয়, তাই সঠিক উত্তর হলো টাইফয়েড জ্বর।
  4. ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর:
    • ভুল অপশন: ইনফ্লুয়েঞ্জা একটি ভাইরাসজনিত জ্বর যা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি ভাইরাসজনিত জ্বরের একটি উদাহরণ।

নোট:

ভাইরাসজনিত ও ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বরের মধ্যে পার্থক্য বোঝা রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর, যা ভাইরাসজনিত নয়। সঠিক উত্তর হলো টাইফয়েড জ্বর
122
নিচের কোন তথ্যটি ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে ভুল? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোন তথ্যটি ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে ভুল?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু ভাইরাসের সঠিক বৈশিষ্ট্য এবং তার শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ডেঙ্গু ভাইরাসের জিনোম, শ্রেণী এবং সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি। এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ডেঙ্গু ভাইরাসের গঠন এবং তার সম্পর্কিত সঠিক তথ্যের মধ্যে পার্থক্য করতে শিখবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. DNA ভাইরাস:
    • সঠিক উত্তর: ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস, তাই এই তথ্যটি ভুল। ডেঙ্গু ভাইরাসের জিনোম একক-সু্ত্রক RNA নিয়ে গঠিত, তাই এটি DNA ভাইরাস নয়।
  2. RNA ভাইরাস:
    • ভুল অপশন: এটি সঠিক তথ্য। ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস, এবং এর জিনোম একক-সু্ত্রক RNA দ্বারা গঠিত। তাই এই তথ্যটি ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে সঠিক।
  3. DENV ভাইরাস:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাসকে DENV (Dengue Virus) নামে পরিচিত করা হয়। এটি ডেঙ্গু রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসের সঠিক নাম। তাই এই তথ্যও সঠিক।
  4. ফ্ল্যাভিভিরিডি গনের অন্তর্গত ভাইরাস:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাস Flaviviridae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এই পরিবারের অন্যান্য ভাইরাসগুলির মধ্যে হলুদ জ্বর, জিকা এবং পশ্চিম নাইল ভাইরাস উল্লেখযোগ্য। তাই এই তথ্যটিও সঠিক।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য ডেঙ্গু ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য এবং শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে ধারণা পরিষ্কার করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর DNA ভাইরাস, কারণ ডেঙ্গু ভাইরাস আসলে একটি RNA ভাইরাস। Flaviviridae পরিবারের অন্তর্??ত ডেঙ্গু ভাইরাসকে সঠিকভাবে সনাক্ত করা শিক্ষার্থীদের ভাইরাস শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে আরও গভীর জ্ঞান প্রদান করবে।
ডেঙ্গু ভাইরাস বা ডেঙ্গি ভাইরাস(ইংরেজি: Dengue virus) (DENV) হলো ফ্ল্যাভিভাইরিডি পরিবার ও ফ্ল্যাভিভাইরাস গণের অন্তর্ভুক্ত মশা বাহিত এক সূত্রক আরএনএ(RNA) ভাইরাস। এটি ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী এই ভাইরাসের পাঁচটি সেরোটাইপ পাওয়া গিয়েছে। যাদের প্রত্যেকেই পূর্ণরূপে রোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম।
123
নিচের কোনটি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে?\" এই প্রশ্নটি ভাইরাস সংক্রান্ত চিকিৎসা পদ্ধতি এবং প্রতিরোধের জন্য ব্যবহ???ত বিভিন্ন উপাদানের কার্যকারিতা যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এখানে শিক্ষার্থীদের জানা দরকার যে ভাইরাসের প্রতিরোধ বা নিষ্ক্রিয়করণের জন্য কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে কার্যকর। সাধারণভাবে, ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান এবং ওষুধ ব্যবহৃত হয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. রাইবোজোম: ভুল অপশন: রাইবোজোম কোষের প্রোটিন সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার অংশ, কিন্তু এটি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করার কোনো ক্ষমতা রাখে না। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  2. ইন্টারফেরন: সঠিক অপশন: ইন্টারফেরন ভাইরাস প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপ??র্ণ প্রোটিন। এটি সংক্রমিত কোষ থেকে নিঃসৃত হয় এবং ভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে অন্যান্য কোষগুলোকে সতর্ক করে, যার ফলে ভাইরাসের বৃদ্ধি বা প্রজনন বাধাগ্রস্ত হয়। এটি ভাইরাস নিষ্ক্রিয় করতে কার্যকর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
  3. হরমোন: ভুল অপশন: হরমোন বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে, কিন্তু ভাইরাস নিষ্ক্রিয় করার ক্ষমতা রাখে না। তাই এই অপশনটি ভুল।
  4. ব্যাকটেরিয়া: ভুল অপশন: ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের জীবাণু। যদিও কিছু ব্যাকটেরিয়াফেজ ব্যাকটেরিয়া আক্রান্ত করতে পারে, সাধারণ ব্যাকটেরিয়া ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে না। সুতরাং, এই অপশনটি ভুল।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা পদ্ধতি এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন, যেমন ইন্টারফেরন সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। ইন্টারফেরন ভাইরাস প্রতিরোধে অন্যতম কার্যকর এবং প্রাকৃতিক উপাদান যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। এই ধরনের প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের ভাইরাসবিরোধী প্রতিরোধ এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের বিজ্ঞান সম্পর্কে গভীর জ্ঞান দিতে সাহায্য করে।
124
ডেঙ্গু রোগ নিচের কোনটির জন্য হয় ? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ডেঙ্গু রোগ নিচের কোনটির জন্য হয়?\" এই প্রশ্নটি ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ ও এর বাহক সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। সুতরাং, শিক্ষার্থীদের এই রোগের বাহক সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. তেলাপোকা: ভুল অপশন: তেলাপোকা কোন রোগের বাহক নয় যা ডেঙ্গুর সাথে সম্পর্কিত। তেলাপোকা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা সংক্রমণের বাহক হতে পারে, কিন্তু ডেঙ্গু রোগের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। তাই এই অপশনটি ভুল।
  2. মশা: সঠিক অপশন: ডেঙ্গু রোগ এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়, যা ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রধান বাহক। ডেঙ্গু মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
  3. মাছি: ভুল অপশন: মাছি সাধারণত ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণুর বাহক হতে পারে, তবে এটি ডেঙ্গু রোগ ছড়ায় না। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  4. মৌমাছি: ভুল অপশন: মৌমাছি ফুলের রেণু সংগ্রহ করে এবং মধু তৈরি করে, তবে এটি কোন রোগের বাহক নয়, বিশেষ করে ডেঙ্গুর সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। তাই, এই অপশনটি ভুল।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু রোগের বাহক এবং এর সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেওয়া হয়। ডেঙ্গু রোগ ছড়ানোর প্রধান কারণ এডিস মশা, যা সকাল এবং সন্ধ্যায় বেশি সক্রিয় থাকে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়া এবং মশার প্রজনন স্থান ধ্বংস করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
125
দুধ থেকে দই হয় নিচের
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"দুধ থেকে দই হয় নিচের—\" এই প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রান্ত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। প্রশ্নটি দইয়ের উৎপত্তি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা যাচাই করতে সাহায্য করে। দুধ থেকে দই হওয়ার প্রক্রিয়াটি মূলত ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ঘটে, যা দুধের ল্যাকটোজকে ল্যাকটিক অ্যাসিডে রূপান্তর করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. প্রোটোজোয়া:
    • ভুল অপশন: প্রোটোজোয়া এককোষী প্রাণী যা সাধারণত বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, কিন্তু দুধ থেকে দই হওয়ার ক্ষেত্রে এর কোনো ভূমিকা নেই।
  2. ভাইরাস:
    • ভুল অপশন: ভাইরাস একধরনের অণুজীব যা প্রজননের জন্য একটি হোস্টের প্রয়োজন। ভাইরাসেরও দুধ থেকে দই বানানোর প্রক্রিয়ায় কোনো ভূমিকা নেই।
  3. ব্যাকটেরিয়া:
    • সঠিক অপশন: দুধ থেকে দই হওয়ার প্রক্রিয়া মূলত ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ঘটে। এটি দুধের ল্যাকটোজকে ল্যাকটিক অ্যাসিডে রূপান্তর করে, ফলে দুধ জমাট বেঁধে দইয়ে পরিণত হয়।
  4. ছত্রাক:
    • ভুল অপশন: ছত্রাক সাধারণত অন্যান্য জীববৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়, তবে দুধ থেকে দই বানানোর প্রক্রিয়ায় ছত্রাকের কোনো ভূমিকা নেই।

নোট:

দুধ থেকে দই বানানোর প্রক্রিয়ায় ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া মূল ভূমিকা পালন করে। তাই, সঠিক উত্তর হলো ব্যাকটেরিয়া।
126
কোনটি বহুরূপী ব্যাকটেরিয়া?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যাকটেরিয়া?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন ধরণের সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। কিছু ব্যাকটেরিয়া মানুষের জন্য ক্ষতিকারক, আবার কিছু ব্যাকটেরিয়া মানুষের জন্য উপকারী বা বন্ধুত্বপূর্ণ বলে পরিচিত, যেমন রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Vibrio cholerae:
    • ভুল অপশন: Vibrio cholerae হলো একটি ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া, যা কলেরা রোগের কারণ। এটি বন্ধুত্বপূর্ণ বা উপকারী ব্যাকটেরিয়া নয়।
  2. Bacillus albus:
    • ভুল অপশন: Bacillus albus ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য কম, তবে এটি উপকারী ব্যাকটেরিয়া হিসেবে পরিচিত নয়।
  3. Rhizobium:
    • সঠিক উত্তর: Rhizobium হলো একটি বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যাকটেরিয়া, যা মূলত মাটির মধ্যে উদ্ভিদের মূলের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে নাইট্রোজেন ফিক্সেশন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। এটি উদ্ভিদের জন্য উপকারী, কারণ এটি উদ্ভিদকে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে।
  4. Stella:
    • ভুল অপশন: Stella ব্যাকটেরিয়া সাধারণত ক্ষতিকারক নয়, তবে এটি বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যাকটেরিয়া হিসেবে পরিচিত নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা উপকারী বা বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যাকটেরিয়া এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পার্থক্য করতে শিখবে। সঠিক উত্তর হলো Rhizobium, যা উদ্ভিদের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে এবং কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
127
বিশ্বের প্রথম ম্যালেরিয়া প্রতিষেধক টিকা কোনটি? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"বিশ্বের প্রথম ম্যালেরিয়া প্রতিষেধক টিকা কোনটি?\" এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক টিকা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ম্যালেরিয়া একটি মারাত্মক রোগ, যা প্লাসমোডিয়াম পরজীবীর মাধ্যমে ছড়ায় এবং এটি এডিস মশার কামড়ে মানুষে সংক্রমিত হয়। ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে কার্যকর একটি টিকা হলো মশা-বাহিত এই রোগের বিরুদ্ধে প্রথম বৈজ্ঞানিক প্রতিষেধক।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Mosquifix: ভুল অপশন: Mosquifix নামে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধক কোনো টিকা নেই। এটি একটি ভুল অপশন। ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের প্রথম কার্যকর টিকার নাম Mosquirix।
  2. Mosquirix: সঠিক অপশন: Mosquirix হলো ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে প্রথম কার্যকর এবং বিশ্বে অনুমোদিত টিকা। এটি শিশুদের ম্যালেরিয়া থেকে রক্ষা করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
  3. Mosquitrix: ভুল অপশন: Mosquitrix নামে কোনো টিকা নেই। এটি একটি ভুল অপশন। Mosquirix হলো সঠিক টিকা।
  4. Mosquirelief: ভুল অপশন: Mosquirelief নামের কোনো টিকা নেই। এটি ম্যালেরিয়ার প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। তাই, এই অপশনটিও ভুল।

নোট:

Mosquirix হলো বিশ্বের প্রথম ম্যালেরিয়া প্রতিষেধক টিকা, যা দীর্ঘদিনের গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অনুমোদন পেয়েছে। এটি ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বিশেষত আফ্রিকার শিশুদের জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর। এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া প্রতিরোধক পদক্ষেপ সম্পর্কে শিক্ষিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
128
সায়ানো ব্যাকটেরিয়ার উদাহরণ কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"সায়ানো ব্যাকটেরিয়ার উদাহরণ কোনটি?\" এই প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানের সায়ানোব্যাকটেরিয়া সম্পর্কিত ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। সায়ানোব্যাকটেরিয়া বা নীলাভ-সবুজ শৈবাল হলো এক ধরনের ফটোসিনথেটিক ব্যাকটেরিয়া, যা প্রাচীনতম জীবন্ত কোষের মধ্যে একটি এবং প্রাথমিকভাবে জলীয় পরিবেশে পাওয়া যায়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Nostoc:
    • সঠিক অপশন: Nostoc হলো সায়ানোব্যাকটেরিয়ার একটি উদাহরণ, যা জলাশয় এবং স্যাঁতসেঁতে মাটিতে পাওয়া যায়। এটি ফটোসিনথেসিস করতে সক্ষম এবং সাধারণত নীলাভ-সবুজ রঙের হয়।
  2. Rhizobium:
    • ভুল অপশন: Rhizobium হলো এক ধরনের মাটিতে বসবাসকারী ব্যাকটেরিয়া যা উদ্ভিদের শিকড়ের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে নাইট্রোজেন ফিক্সেশন করে। এটি সায়ানোব্যাকটেরিয়া নয়।
  3. Azotobacter:
    • ভুল অপশন: Azotobacter হলো এক ধরনের মাটির ব্যাকটেরিয়া, যা নাইট্রোজেন ফিক্সেশনে সক্ষম, তবে এটি সায়ানোব্যাকটেরিয়ার উদাহরণ নয়।
  4. Lactobacillus:
    • ভুল অপশন: Lactobacillus হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া যা দুধকে ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে। এটি সায়ানোব্যাকটেরিয়া নয়।

নোট:

Nostoc হলো সায়ানোব্যাকটেরিয়ার একটি সঠিক উদাহরণ। এটি ফটোসিনথেটিক ব্যাকটেরিয়া এবং জলীয় পরিবেশে প্রায়ই পাওয়া যায়।
129
হেপাটাইটিস সি কে আবিষ্কার ???রেন?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"হেপাটাইটিস সি কে আবিষ্কার করেন?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য হেপাটাইটিস সি ভাইরাসের আবিষ্কার এবং এর ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। হেপাটাইটিস সি হলো একটি ভাইরাস যা প্রধানত লিভারকে সংক্রমিত করে, এবং এর আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Gallow:
    • ভুল অপশন: Gallow নামে কোনো ব্যক্তি হেপাটাইটিস সি ভাইরাস আবিষ্কারের সঙ্গে জড়িত নন। এটি ভুল উত্তর।
  2. Stanley:
    • ভুল অপশন: Stanley এর নামের সাথে হেপাটাইটিস সি আবিষ্কারের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি ভুল উত্তর।
  3. Hervey J. Alter:
    • সঠিক উত্তর: Hervey J. Alter একজন চিকিৎসক ও গবেষক, যিনি হেপাটাইটিস সি ভাইরাস আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি এবং তার সহকর্মীরা রক্ত সংক্রমণের মাধ্যমে হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্ত করেন। ২০২০ সালে তাকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
  4. Edward Jenner:
    • ভুল অপশন: Edward Jenner প্রথম সফল ভ্যাকসিন আবিষ্কারক হিসেবে পরিচিত, তবে তিনি হেপাটাইটিস সি আবিষ্কারের সঙ্গে জড়িত নন। তিনি স্মলপক্স ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য ভাইরাস আবিষ্কার এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের সম্পর্কে ধারণা দেয়। সঠিক উত্তর Hervey J. Alter, যিনি হেপাটাইটিস সি ভাইরাস আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
Hervey J.Alter হেপাটাইটিস -সি ভাইরাস আবিষ্কার করেন৷ Ref-Hasan Sir,P-140,2020 Edition
130
সংক্রামক ডায়রিয়ার সর্বাপেক্ষা দায়ী অনুজীব কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"সংক্রামক ডায়রিয়ার সর্বাধিক দায়ী অনুজীব কোনটি?\" এই প্রশ্নটি সংক্রামক ডায়রিয়ার প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী অনুজীব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করতে করা হয়েছে। ডায়রিয়া একটি সাধারণ লক্ষণ যা অনেক ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, এবং পরজীবী দ্বারা হতে পারে। তবে, সংক্রামক ডায়রিয়ার প্রধান কারণ নির্দিষ্ট কিছু অনুজীব।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Vibrio cholerae: ভুল অপশন: Vibrio cholerae হলো কলেরা রোগের কারণ, যা পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। যদিও এটি ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে, তবে এটি সংক্রামক ডায়রিয়ার সর্বাধিক দায়ী অনুজীব নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  2. Rota virus: সঠিক অপশন: Rota virus সংক্রামক ডায়রিয়ার প্রধান কারণ। বিশেষ করে শিশুরা এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়, এবং এটি বিশ্বব্যাপী শিশুদের ডায়রিয়াজনিত রোগের জন্য সর্বাধিক দায়ী। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
  3. Clostridium difficile: ভুল অপশন: Clostridium difficile হলো একটি ব্যাকটেরিয়া যা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে ডায়রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, তবে এটি সংক্রামক ডায়রিয়ার প্রধান কারণ নয়।
  4. Escherichia Coli: ভুল অপশন: Escherichia coli (E. coli) ডায়রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, তবে এটি সংক্রামক ডায়রিয়ার প্রধান কারণ নয়। তাই, এটি ভুল অপশন।

নোট:

Rota virus বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়ার প্রধান কারণ এবং এটি প্রায়ই জল ও খাদ্য দ্বারা ছড়ায়। এটি শিশুদের ডিহাইড্রেশনের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে একটি। এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ডায়রিয়া সংক্রান্ত প্রধান ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার পার্থক্য বোঝাতে সহায়ক।
Rota ভাইরাসের জন্য সাধারনত ডায়রিয়া হয়ে থাকে।এছাড়াও Salmonella,Shigella,E-coli ব্যাকটেরিয়া দ্বারাও হতে পারে।
131
TMV এর ক্যাপসোমিয়ারে কয়টি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"TMV এর ক্যাপসোমিয়ারে কতটি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে?\" এই প্রশ্নটি TMV (Tobacco Mosaic Virus) এর গঠন ও ক্যাপসোমিয়ারের বায়োকেমিক্যাল তথ্য সম্পর্কে। TMV এর কাঠামো এবং তার ক্যাপসোমিয়ার প্রোটিন কম্পোনেন্ট কীভাবে গঠিত হয়, তা বোঝা এই প্রশ্নের মূল উদ্দেশ্য।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ১৫৪টি:
    • সঠিক অপশন: TMV এর ক্যাপসোমিয়ার প্রোটিনে সাধারণত ১৫৪টি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে। এটি একক প্রোটিন ইউনিট যা ভাইরাসের প্রোটিন শেল তৈরি করে।
  2. ১৫৫টি:
    • ভুল অপশন: TMV এর ক্যাপসোমিয়ারে ১৫৫টি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে না, সঠিক সংখ্যা ১৫৪টি।
  3. ১৫৩টি:
    • ভুল অপশন: TMV এর ক্যাপসোমিয়ার গঠন ১৫৩টি অ্যামিনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত নয়, সঠিক সংখ্যা ১৫৪টি।
  4. ১৫৬টি:
    • ভুল অপশন: TMV এর ক্যাপসোমিয়ারে ১৫৬টি অ্যামিনো অ্যাসিড নেই, সঠিক সংখ্যা হলো ১৫৪টি।

নোট:

TMV (তামাক মোজাইক ভাইরাস) হলো এক প্রকার RNA ভাইরাস, যা উদ্ভিদের মধ্যে রোগ সৃষ্টি করে। এর ক্যাপসোমিয়ার প্রোটিন ১৫৪টি অ্যামিনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত।
TMV এর ক্যাপসোমিয়ারে  ১৫৮ টি এমাইনো এসিড থাকে৷ Ref-Hasan Sir,P-145,2020 Edition
132
মানবদেহে ম্যালেরিয়ার চক্রকে কি বলে? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"মানবদেহে ম্যালেরিয়ার চক্রকে কী বলে?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য ম্যালেরিয়া রোগের জীবনচক্র এবং এর সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ম্যালেরিয়া পরজীবী প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium) মশার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে এবং এর জীবনচক্রের একটি অংশ মানবদেহে সম্পন্ন হয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. সাইজোগিনি:
    • সঠিক উত্তর: সাইজোগিনি (Schizogony) হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর মানবদেহে সংঘটিত অসংখ্য কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়া, যা রক্তের লোহিত কণিকায় ঘটে। এটি ম্যালেরিয়ার জীবচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
  2. গ্যামিটোগিনি:
    • ভুল অপশন: গ্যামিটোগিনি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর প্রজনন চক্রের অংশ, যা মশার দেহে সংঘটিত হয়। এটি মানবদেহে সংঘটিত নয়, তাই এটি ভুল উত্তর।
  3. স্পোরোগনি:
    • ভুল অপশন: স্পোরোগনি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর সেই ধাপ, যা মশার শরীরে সংঘটিত হয়। এটি মশার দেহে স্পোরোজোয়েট উৎপন্ন করে। তাই এটি মানবদেহে সংঘটিত হয় না।
  4. স্পোরোজোয়েট:
    • ভুল অপশন: স্পোরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর সংক্রমক ধাপ, যা মশার কামড়ের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে। তবে এটি চক্রের কোনো প্রক্রিয়া নয়, বরং পরজীবীর একটি সংক্রামক ধাপ।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্র সম্পর্কে ধারণা প্রদান করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর সাইজোগিনি, কারণ এটি মানবদেহে সংঘটিত ম্যালেরিয়া পরজীবীর কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া।
133
নিচের কোনটি RNA ভাইরাসের উদাহরণ নয়? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি RNA ভাইরাসের উদাহরণ নয়?\" এই প্রশ্নটি ভাইরাসের প্রকারভেদ (RNA এবং DNA ভাইরাস) নিয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ভাইরাস দুই ধরনের হতে পারে: RNA ভাইরাস ও DNA ভাইরাস। RNA ভাইরাস তাদের জিনগত উপাদান হিসেবে RNA ব্যবহার করে, যেখানে DNA ভাইরাস DNA ব্যবহার করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Mumps virus: ভুল অপশন: Mumps virus একটি RNA ভাইরাস। এটি Paramyxoviridae পরিবারভুক্ত এবং পারোটাইটিস রোগের কারণ। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  2. Rabies virus: ভুল অপশন: Rabies virus হলো RNA ভাইরাস। এটি Lyssavirus গোত্রের অন্তর্গত এবং জলাতঙ্ক (Rabies) রোগের কারণ। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  3. Polio virus: ভুল অপশন: Polio virus একটি RNA ভাইরাস, যা Poliomyelitis র???গের কারণ। এটি Picornaviridae পরিবারভুক্ত। তাই, এই অপশনটিও ভুল।
  4. Variola virus: সঠিক অপশন: Variola virus একটি DNA ভাইরাস। এটি গুটিবসন্ত (Smallpox) রোগের কারণ। তাই, এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি RNA ভাইরাস নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের প্রকারভেদ এবং নির্দিষ্ট ভাইরাসগুলো সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জনের জন্য সহায়ক। RNA এবং DNA ভাইরাসের মধ্যে পার্থক্য বোঝা বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে ভাইরাসের গঠন, প্রজনন প্রক্রিয়া, এবং সংক্রমণ প্রক্রিয়ার পার্থক্য বোঝা যায়।
134
 নিচের কোন ভাইরাস ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে ?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোন ভাইরাস ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে?\" এই প্রশ্নটি বিভিন্ন ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট নিউমোনিয়া সম্পর্কে জ্ঞানের মূল্যায়ন করার জন্য। নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি প্রদাহজনিত রোগ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, বা ফাঙ্গাল সংক্রমণের কারণে হতে পারে। ভাইরাল নিউমোনিয়া হলো ভাইরাসজনিত নিউমোনিয়া, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Nipah Virus:
    • ভুল অপশন: নিপাহ ভাইরাস একটি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে যা এনসেফালাইটিস বা মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগ হিসেবে পরিচিত, কিন্তু এটি সাধারণত ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না।
  2. Polio Virus:
    • ভুল অপশন: পোলিও ভাইরাস সাধারণত নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না। এটি পোলিওমাইলাইটিস নামক স্নায়ুতন্ত্রের রোগের কারণ হয়।
  3. Adeno Virus:
    • সঠিক অপশন: এডেনো ভাইরাসের সংক্রমণ ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এটি শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত সংক্রমণের মাধ্যমে নিউমোনিয়ার কারণ হতে পারে।
  4. Rhino Virus:
    • ভুল অপশন: রাইনো ভাইরাস সাধারণত ঠান্ডাজনিত রোগের জন্য পরিচিত, তবে এটি নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না।

নোট:

ভাইরাল নিউমোনিয়া সাধারণত এডেনো ভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, এবং আরএসভি (রেসপিরেটরি সিন্সাইটিয়াল ভাইরাস) এর মাধ্যমে হতে পারে। তাই এডেনো ভাইরাস সঠিক উত্তর।

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোন ভাইরাস ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে?\" এই প্রশ্নটি বিভিন্ন ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট নিউমোনিয়া সম্পর্কে জ্ঞানের মূল্যায়ন করার জন্য। নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি প্রদাহজনিত রোগ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, বা ফাঙ্গাল সংক্রমণের কারণে হতে পারে। ভাইরাল নিউমোনিয়া হলো ভাইরাসজনিত নিউমোনিয়া, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Nipah Virus:
    • ভুল অপশন: নিপাহ ভাইরাস একটি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে যা এনসেফালাইটিস বা মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগ হিসেবে পরিচিত, কিন্তু এটি সাধারণত ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না।
  2. Polio Virus:
    • ভুল অপশন: পোলিও ভাইরাস সাধারণত নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না। এটি পোলিওমাইলাইটিস নামক স্নায়ুতন্ত্রের রোগের কারণ হয়।
  3. Adeno Virus:
    • সঠিক অপশন: এডেনো ভাইরাসের সংক্রমণ ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এটি শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত সংক্রমণের মাধ্যমে নিউমোনিয়ার কারণ হতে পারে।
  4. Rhino Virus:
    • ভুল অপশন: রাইনো ভাইরাস সাধারণত ঠান্ডাজনিত রোগের জন্য পরিচিত, তবে এটি নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না।

নোট:

ভাইরাল নিউমোনিয়া সাধারণত এডেনো ভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, এবং আরএসভি (রেসপিরেটরি সিন্সাইটিয়াল ভাইরাস) এর মাধ্যমে হতে পারে। তাই এডেনো ভ??ইরাস সঠিক উত্তর।

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোন ভাইরাস ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে?\" এই প্রশ্নটি বিভিন্ন ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট নিউমোনিয়া সম্পর্কে জ্ঞানের মূল্যায়ন করার জন্য। নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি প্রদাহজনিত রোগ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, বা ফাঙ্গাল সংক্রমণের কারণে হতে পারে। ভাইরাল নিউমোনিয়া হলো ভাইরাসজনিত নিউমোনিয়া, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Nipah Virus:
    • ভুল অপশন: নিপাহ ভাইরাস একটি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে যা এনসেফালাইটিস বা মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগ হিসেবে পরিচিত, কিন্তু এটি সাধারণত ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না।
  2. Polio Virus:
    • ভুল অপশন: পোলিও ভাইরাস সাধারণত নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না। এটি পোলিওমাইলাইটিস নামক স্নায়ুতন্ত্রের রোগের কারণ হয়।
  3. Adeno Virus:
    • সঠিক অপশন: এডেনো ভাইরাসের সংক্রমণ ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এটি শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত সংক্রমণের মাধ্যমে নিউমোনিয়ার কারণ হতে পারে।
  4. Rhino Virus:
    • ভুল অপশন: রাইনো ভাইরাস সাধারণত ঠান্ডাজনিত রোগের জন্য পরিচিত, তবে এটি নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না।

নোট:

ভাইরাল নিউমোনিয়া সাধারণত এডেনো ভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, এবং আরএসভি (রেসপিরেটরি সিন্সাইটিয়াল ভাইরাস) এর মাধ্যমে হতে পারে। তাই এডেনো ভাইরাস সঠিক উত্তর।

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোন ভাইরাস ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে?\" এই প্রশ্নটি বিভিন্ন ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট নিউমোনিয়া সম্পর্কে জ্ঞানের মূল্যায়ন করার জন্য। নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি প্রদাহজনিত রোগ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, বা ফাঙ্গাল সংক্রমণের কারণে হতে পারে। ভাইরাল নিউমোনিয়া হলো ভাইরাসজনিত নিউমোনিয়া, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Nipah Virus:
    • ভুল অপশন: নিপাহ ভাইরাস একটি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে যা এনসেফালাইটিস বা মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগ হিসেবে পরিচিত, কিন্তু এটি সাধারণত ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না।
  2. Polio Virus:
    • ভুল অপশন: পোলিও ভাইরাস সাধারণত নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না। এটি পোলিওমাইলাইটিস নামক স্নায়ুতন্ত্রের রোগের কারণ হয়।
  3. Adeno Virus:
    • সঠিক অপশন: এডেনো ভাইরাসের সংক্রমণ ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এটি শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত সংক্রমণের মাধ্যমে নিউমোনিয়ার কারণ হতে পারে।
  4. Rhino Virus:
    • ভুল অপশন: রাইনো ভাইরাস সাধারণত ঠান্ডাজনিত রোগের জন্য পরিচিত, তবে এটি নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না।

নোট:

ভাইরাল নিউমোনিয়া সাধারণত এডেনো ভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, এবং আরএসভি (রেসপিরেটরি সিন্সাইটিয়াল ভাইরাস) এর মাধ্যমে হতে পারে। তাই এডেনো ভাইরাস সঠিক উত্তর।

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোন ভাইরাস ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে?\" এই প্রশ্নটি বিভিন্ন ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট নিউমোনিয়া সম্পর্কে জ্ঞানের মূল্যায়ন করার জন্য। নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি প্রদাহজনিত রোগ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, বা ফাঙ্গাল সংক্রমণের কারণে হতে পারে। ভাইরাল নিউমোনিয়া হলো ভাইরাসজনিত নিউমোনিয়া, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Nipah Virus:
    • ভুল অপশন: নিপাহ ভাইরাস একটি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে যা এনসেফালাইটিস বা মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগ হিসেবে পরিচিত, কিন্তু এটি সাধারণত ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না।
  2. Polio Virus:
    • ভুল অপশন: পোলিও ভাইরাস সাধারণত নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না। এটি পোলিওমাইলাইটিস নামক স্নায়ুতন্ত্রের রোগের কারণ হয়।
  3. Adeno Virus:
    • সঠিক অপশন: এডেনো ভাইরাসের সংক্রমণ ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এটি শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত সংক্রমণের মাধ্যমে নিউমোনিয়ার কারণ হতে পারে।
  4. Rhino Virus:
    • ভুল অপশন: রাইনো ভাইরাস সাধারণত ঠান্ডাজনিত রোগের জন্য পরিচিত, তবে এটি নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে না।

নোট:

ভাইরাল নিউমোনিয়া সাধারণত এডেনো ভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, এবং আরএসভি (রেসপিরেটরি সিন্সাইটিয়াল ভাইরাস) এর মাধ্যমে হতে পারে। তাই এডেনো ভাইরাস সঠিক উত্তর।
135
লইটিক চক্রের মাধ্যমে ১ মিনিটে কয়টি নতুন ফায গঠিত হয়?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"লাইটিক চক্রের মাধ্যমে ১ মিনিটে কয়টি নতুন ফাজ সৃষ্টি হয়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের লাইটিক চক্রের প্রক্রিয়া এবং ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। লাইটিক চক্র হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যাকটেরিওফাজ ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবেশ করে এবং কোষকে ধ্বংস করে নতুন ফাজ তৈরি করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ১০টি:
    • সঠিক উত্তর: লাইটিক চক্রের মাধ্যমে প্রতি মিনিটে প্রায় ১০টি নতুন ফাজ তৈরি হতে পারে। এই সংখ্যা সাধারণত নির্ভর করে ব্যাকটেরিয়ার ধরন এবং সংক্রমণের গতি উপর, তবে ১০টি একটি গ্রহণযোগ্য উত্তর।
  2. ৩০টি:
    • ভুল অপশন: ৩০টি নতুন ফাজ ১ মিনিটে গঠিত হয় না। সাধারণত, লাইটিক চক্রের গতি এই সংখ্যায় পৌঁছায় না।
  3. ১০০টি:
    • ভুল অপশন: ১ মিনিটে লাইটিক চক্রের মাধ্যমে ১০০টি ফাজ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
  4. ৪০০টি:
    • ভুল অপশন: ৪০০টি ফাজ ১ মিনিটে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই, কারণ লাইটিক চক্রের মাধ্যমে সাধারণত এত বড় সংখ্যায় ফাজ তৈরি হয় না।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা লাইটিক চক্রের প্রক্রিয়া এবং ভাইরাস বংশবৃদ্ধি সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবে। সঠিক উত্তর হলো ১০টি, যা ১ মিনিটে লাইটিক চক্রের মাধ্যমে তৈরি হওয়া নতুন ফাজের সংখ্যা নির্দেশ করে।
লাইটিক চক্রের মাধ্যমে ৩০ মিনিটে ৩০০ টি নতুন ফাজ সৃষ্টি  হয়৷ ঐকিক নিয়মে ১ মিনিটে হয় ১০ টি৷ Ref-Hasan Sir,P-147,2020 Edition
136
নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে নিচের কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে নিচের কোনটি?\" এই প্রশ্নটি নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী জীবাণু সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। নাইট্রোজেন সংবন্ধন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যা নির্দিষ্ট জীবাণুদের দ্বারা বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেনকে উদ্ভিদের জন্য ব্যবহৃত অ্যামোনিয়া বা অন্যান্য যৌগে রূপান্তর করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Azotobacter: ভুল অপশন: Azotobacter হলো মাটি-বাস্তব জীবাণু যা নাইট্রোজেন সংবন্ধন করতে সক্ষম। এটি ফ্রি-লিভিং নাইট্রো??েন সংবন্ধনকারী ব্যাকটেরিয়া, তবে এটি এককভাবে নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য পরিচিত নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
  2. Pseudomonas: ভুল অপশন: Pseudomonas হলো একটি প্রকারের ব্যাকটেরিয়া যা বিভিন্ন পরিবেশে বাস করে, তবে এটি নাইট্রোজেন সংবন্ধনে বিশেষজ্ঞ নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  3. Clostridium: ভুল অপশন: Clostridium হলো একটি জীবাণু, কিন্তু এটি নাইট্রোজেন সংবন্ধনে অংশগ্রহণ করে না। এটি অন্যান্য কার্যকলাপের জন্য পরিচিত। তাই, এই অপশনটি ভুল।
  4. সবুজলো: সঠিক অপশন: সবুজলো হলো একটি অ্যানাবিনোসম্পন্ন ব্যাকটেরিয়া যা নাইট্রোজেন সংবন্ধন করতে পারে। এটি উদ্ভিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নাইট্রোজেন যোগান দেয়। তাই, এই অপশনটি সঠিক।

নোট:

এই প্রশ্নটি নাইট্রোজেন সংবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জৈবিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জীবাণুরা কীভাবে মাটিতে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, তা বোঝা যায়।
137
এইডস কি কারনে হয় ?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"এইডস কি কারণে হয়?\" এই প্রশ্নটি এইডস রোগের কারণ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। এইডস (অ্যাকোয়ার্ড ইমিউন ডিফিসিয়েন্সি সিনড্রোম) হলো একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে ফেলে এবং তা প্রধানত ভাইরাস সংক্রমণের মাধ্যমে ঘটে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ভাইরাস:
    • সঠিক অপশন: এইডস রোগের কারণ হলো এইচআইভি (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস), যা ভাইরাসের মাধ্যমে হয়। এই ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশ করার পর ধীরে ধীরে ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়।
  2. বংশগত:
    • ভুল অপশন: এইডস কোনো বংশগত রোগ নয়। এটি ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয় এবং রক্ত বা অন্যান্য শারীরিক তরল দ্বারা ছড়ায়।
  3. ব্যাকটেরিয়া:
    • ভুল অপশন: এইডস কোনো ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ নয়। এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ।
  4. প্যারাসাইট:
    • ভুল অপশন: প্যারাসাইট দ্বারা সৃষ্ট রোগের উদাহরণ হতে পারে ম্যালেরিয়া, তবে এইডস কোনো প্যারাসাইটের কারণে হয় না।

নোট:

এইডস রোগ এইচআইভি ভাইরাসের কারণে হয়। এটি রক্ত, যৌন সংক্রমণ, বা সংক্রামিত ব্যক্তির শরীরের তরল দ্বারা অন্য ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করে। তাই, \"ভাইরাস\" সঠিক উত্তর।
138
নিচের কোনটি DNA ভাইরাস? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি DNA ভাইরাস?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের জিনগত উপাদান (DNA বা RNA) সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ভাইরাসের দুটি প্রধান শ্রেণী রয়েছে: DNA ভাইরাস এবং RNA ভাইরাস। এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাইরাসের শ্রেণীবিভাগ বুঝতে শিখবে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. হেপাটাইটিস বি:
    • সঠিক উত্তর: হেপাটাইটিস বি হলো একটি DNA ভাইরাস, যা প্রধানত লিভার সংক???রমণ ঘটায়। এর জিনোম ডাবল-স্ট্র্যান্ডেড DNA দ্বারা গঠিত। তাই এটি সঠিক উত্তর।
  2. চিকুনগুনিয়া:
    • ভুল অপশন: চিকুনগুনিয়া একটি RNA ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ। এটি DNA ভাইরাস নয়, তাই এটি ভুল উত্তর।
  3. টোব্যাকো মোজাইক:
    • ভুল অপশন: টোব্যাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV) একটি RNA ভাইরাস। এটি উদ্ভিদকে সংক্রমিত করে এবং এটি DNA ভাইরাস নয়।
  4. ডেঙ্গু:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস, যা Flaviviridae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এটি DNA ভাইরাস নয়, তাই এটি ভুল উত্তর।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাইরাসের জিনোম এবং তার শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবে। সঠিক উত্তর হলো হেপাটাইটিস বি, যা একটি DNA ভাইরাস এবং লিভার সংক্রমণের জন্য দায়ী।
139
নিচের কোন রোগটি ভাইরাস দ্বারা হয়? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোন রোগটি ভাইরাস দ্বারা হয়?\" এই প্রশ্নটি ভাইরাসজনিত রোগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি। ভাইরাস হলো এক ধরনের সংক্রামক এজেন্ট যা জীবন্ত কোষের ভেতরে প্রবেশ করে এবং সেগুলিকে সংক্রমিত করে বিভিন্ন রোগের কারণ সৃষ্টি করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. পোলিও: সঠিক অপশন: পোলিও একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা পোলিও ভাইরাসের কারণে হয়। এই রোগটি স্নায়ুতন্ত্রের ওপর আক্রমণ করে এবং পঙ্গুত্বের কারণ হতে পারে। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
  2. ডিপথেরিয়া: ভুল অপশন: ডিপথেরিয়া একটি ব্যাকটেরিয়া-জনিত রোগ যা Corynebacterium diphtheriae নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। তাই, এটি ভুল অপশন।
  3. কলেরা: ভুল অপশন: কলেরা Vibrio cholerae নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংঘটিত হয়, যা একটি ব্যাকটেরিয়া-জনিত রোগ। তাই, এই অপশনটিও ভুল।
  4. টাইফয়েড: ভুল অপশন: টাইফয়েড রোগ স্যালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংঘটিত হয়, যা ভাইরাস নয়। তাই, এটি ভুল অপশন।

নোট:

ভাইরাসজনিত এবং ব্যাকটেরিয়া-জনিত রোগগুলির মধ্যে পার্থক্য বোঝা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই রোগগুলির চিকিৎসা এবং প্রতিরোধ পদ্ধতি ভিন্ন। পোলিওর মতো ভাইরাসজনিত রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন অত্যন্ত কার্যকর, যা শিক্ষার্থীদের এই বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে সহায়ক।
140
কোনটি পানি বাহিত রোগ ?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি পানি বাহিত রোগ?\" এই প্রশ্নটি বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। পানি বাহিত রোগগুলো এমন রোগ যা দূষিত পানি বা পানি থেকে সংক্রমণ ঘটায়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ম্যালেরিয়া:
    • ভুল অপশন: ম্যালেরিয়া মশার মাধ্যমে ছড়ায় এবং এটি একটি মশাবাহিত রোগ। তাই এটি পানি বাহিত নয়।
  2. লেপ্রসি:
    • ভুল অপশন: লেপ্রসি একটি ব্যাকটেরিয়া-সৃষ্ট রোগ এবং এটি এক ধরনের চর্মরোগ। এটি পানি বাহিত রোগ নয়।
  3. টাইফয়েড:
    • সঠিক অপশন: টাইফয়েড হলো একটি পানি বাহিত রোগ। এটি দূষিত পানি বা খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায় এবং এটি স্যালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়।
  4. ডেঙ্গু:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ এবং এটি মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। এটি পানি বাহিত রোগ নয়।

নোট:

পানি বাহিত রোগগুলোর মধ্যে টাইফয়েড এক??ি সাধারণ উদাহরণ, যা দূষিত পানি বা খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়। সঠিক উত্তর হলো \"টাইফয়েড\"।
141
কোন হেপাটাইটিস ভাইরাস দুষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটায়?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোন হেপাটাইটিস ভাইরাস দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটায়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য হেপাটাইটিস ভাইরাসের বিভিন্ন ধরন এবং তাদের সংক্রমণ পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। হেপাটাইটিস ভাইরাসের বিভিন্ন প্রকার আছে এবং এদের সংক্রমণ পদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Hepatitis HIV Virus:
    • ভুল অপশন: HIV ভাইরাস হেপাটাইটিসের একটি ধরন নয় এবং এটি পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয় না। এটি মূলত শরীরের তরল যেমন রক্ত এবং যৌন তরল দ্বারা সংক্রমিত হয়।
  2. Hepatitis D Virus:
    • সঠিক উত্তর: হেপাটাইটিস ডি ভাইরাস (Hepatitis D Virus) দূষিত পানি এবং খাদ্যের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে। এটি একটি কমন মাধ্যম যার মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়।
  3. Hepatitis C Virus:
    • ভুল অপশন: হেপাটাইটিস সি ভাইরাস মূলত রক্তের মাধ্যমে সংক্রমিত হয় এবং এটি দূষিত পানি বা খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায় না।
  4. Hepatitis B Virus:
    • ভুল অপশন: হেপাটাইটিস বি ভাইরাস রক্ত এবং অন্যান্য দেহের তরলের মাধ্যমে ছড়ায়, দূষিত পানি বা খাদ্য এর সংক্রমণের মাধ্যম নয়।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা হেপাটাইটিস ভাইরাসের বিভিন্ন ধরন এবং সংক্রমণ পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা পাবে। সঠিক উত্তর হলো Hepatitis D Virus, যা দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
142
কোনটি প্লাজমিডের বৈশিষ্ট্য?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি প্লাজমিডের বৈশিষ্ট্য?\" এই প্রশ্নটি প্লাজমিডের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি। প্লাজমিড হলো ছোট, বৃত্তাকার ডিএনএ অণু যা ব্যাকটেরিয়ায় স্বতন্ত্রভাবে উপস্থিত থাকে এবং প্রজনন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. এক ব্যাকটেরিয়া থেকে অন্য ব্যাকটেরিয়ায় স্থানান্তরে সক্ষম: সঠিক অপশন: প্লাজমিডের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি এক ব্যাকটেরিয়া থেকে অন্য ব্যাকটেরিয়ায় স্থানান্তরিত হতে পারে। এটি ব্যাকটেরিয়ার জিনগত বৈশিষ্ট্যকে পরিবর্তন করতে সহায়ক। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
  2. অ্যান্টিম??ইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের বিরুদ্ধে কোনো ভূমিকা নেই: ভুল অপশন: প্লাজমিড প্রায়শই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য দায়ী। এর মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধশীল হয়ে উঠতে পারে। তাই, এটি ভুল অপশন।
  3. 100 µm পর্যন্ত লম্বা হতে পারে: ভুল অপশন: প্লাজমিড খুবই ছোট আকারের হয় এবং কখনোই 100 µm পর্যন্ত লম্বা হয় না। এটি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে দেখা যায়। তাই, এটি ভুল অপশন।
  4. কোষের ক্রোমোসোমের মত: ভুল অপশন: প্লাজমিড কোষের ক্রোমোসোমের থেকে আলাদা, কারণ এটি স্বতন্ত্রভাবে প্রতিলিপি করতে সক্ষম এবং ক্রোমোসোমের তুলনায় ছোট আকারের হয়। তাই, এটি ভুল অপশন।

নোট:

প্লাজমিড ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ জিনগত উপাদান, যা ব্যাকটেরিয়ার অভিযোজন এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের প্লাজমিডের বৈশিষ্ট্যগুলো বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
143
কোনটি উদ্ভিদদেহের রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাস?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোনটি উদ্ভিদের রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাস?\" এই প্রশ্নটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের উদ্ভিদের রোগ এবং ভাইরাস সম্পর্কে ধারণা যাচাই করতে দেয়। উদ্ভিদের রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসগুলো উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশকে আক্রমণ করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ইমেলো ফিভার ভাইরাস:
    • ভুল অপশন: এটি উদ্ভিদের রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাস নয়; এটি সাধারণত প্রাণীদের মধ্যে সৃষ্ট ভাইরাস।
  2. টুনবো ভাইরাস:
    • সঠিক অপশন: এটি একটি উদ্ভিদের রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাস। উদ্ভিদে এটি বিভিন্ন ধরণের রোগ সৃষ্টি করে।
  3. ফুট অ্যান্ড মাউথ ভাইরাস:
    • ভুল অপশন: এই ভাইরাসটি প্রাণীদের মধ্যে রোগ সৃষ্টি করে এবং এটি উদ্ভিদের রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাস নয়।
  4. ফ্লু ভ্যাক্সিন ভাইরাস:
    • ভুল অপশন: এটি মানুষের মধ্যে ফ্লু প্রতিরোধের জন্য ব্যবহৃত একটি ভাইরাস। উদ্ভিদের সাথে এর কোনো সম্পর্ক ??েই।

নোট:

উদ্ভিদের রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাসগুলোর মধ্যে \"টুনবো ভাইরাস\" অন্যতম। এটি উদ্ভিদের মধ্যে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম। সঠিক উত্তর হলো \"টুনবো ভাইরাস।\"
144
মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা কোনটি?\" এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়া জীবাণুর (Plasmodium) জীবনচক্রের প্রথম ধাপ সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়ার পর ম্যালেরিয়া জীবাণু মানবদেহে বিভিন্ন ধাপে তার চক্র সম্পন্ন করে। এর মধ্যে প্রথম দশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা জীবাণুর সংক্রমণের সূচনা করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. মেরোজোয়েট:
    • ভুল অপশন: মেরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর একটি দশা, তবে এটি প্রথম ধাপ নয়। মেরোজোয়েট লোহিত রক্তকণিকায় প্রবেশ করে এবং কোষের ভেতরে বিভাজন করে।
  2. ক্রিসপোজোয়েট:
    • ভুল অপশন: ক্রিসপোজোয়েট নামের কোনো ধাপ ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবচক্রে নেই, তাই এটি ভুল অপশন।
  3. ট্রুফোজোয়েট:
    • ভুল অপশন: ট্রুফোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর একটি দশা, যা লোহিত রক্তকণিকায় বিভাজন শেষে গঠিত হয়। তবে এটি প্রথম ধাপ নয়।
  4. স্পোরোজোয়েট:
    • সঠিক উত্তর: স্পোরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা, যা মশার কামড়ের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে। এটি রক্তের মাধ্যমে লিভারে গিয়ে সংক্রমণ শুরু করে।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবনচক্র এবং এর সংক্রমণ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবে। স্পোরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা, যা মশার কামড়ের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
145
কোন সংক্রমন ব্যাধি পৃথিবী হতে নির্মূল হয়েছে?
skipped
ব্যাখ্যা:
EXPLANATION:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোন সংক্রমণ ব্যাধি পৃথিবী হতে নির্মূল হয়েছে?\" এই প্রশ্নটি সংক্রমণ ব্যাধি সম্পর্কিত জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। পৃথিবী থেকে কোন রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল করা হয়েছে, সেটি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা পরীক্ষা করা হয়েছে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. কলেরা: ভুল অপশন: কলেরা একটি সংক্রামক ব্যাধি, যা এখনও বিভিন্ন দেশে বিদ্যমান। এটি সম্পূর্ণ নির্মূল করা যায়নি। তাই, এটি ভুল অপশন।
  2. ম্যালেরিয়া: ভুল অপশন: ম্যালেরিয়া পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। এটি এখনও বহু দেশে প্রচলিত একটি রোগ। তাই, এটি ভুল অপশন।
  3. প্লেগ: ভুল অপশন: প্লেগ অতীতে মহামারীর আকার ধারণ করলেও এটি এখনও পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ নির্মূল করা যায়নি। তাই, এটি ভুল অপশন।
  4. গুটি বসন্ত: সঠিক অপশন: গুটি বসন্ত পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ নির্মূল হয়েছে। ১৯৮০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গুটি বসন্তের নির্মূল ঘোষণা করে। এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।

নোট:

গুটি বসন্ত পৃথিবীর প্রথম এবং একমাত্র সংক্রমণ ব্যাধি, যা টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। এই প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের সংক্রমণ রোগ এবং তাদের নির্মূল করার ইতিহাস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ায়।
146
রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবকে বলা হয়- 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবকে বলা হয়-\" এই প্রশ্নটি মূলত অণুজীববিজ্ঞান (Microbiology) বিষয়ের অন্তর্গত। প্রশ্নটির লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের অণুজীব এবং তাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করা, বিশেষ করে যেসব অণুজীব মানবদেহে বা অন্য প্রাণীর মধ্যে রোগ সৃষ্টি করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. প্যাথোজেন:
    • সঠিক অপশন: প্যাথোজেন হলো এমন অণুজীব, যা বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম। এটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং প্রোটোজোয়া হতে পারে। প্যাথোজেন মানবদেহে প্রবেশ করলে বিভিন্ন ধরনের রোগ সৃষ্টি করে।
  2. টক্সিন:
    • ভুল অপশন: টক্সিন হলো রাসায়নিক পদার্থ যা কোষের কার্যকারিতা নষ্ট করতে পারে, তবে এটি অণুজীব নয়। তাই এটি রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব নয়।
  3. অ্যান্টিবডি:
    • ভুল অপশন: অ্যান্টিবডি হলো একটি প্রোটিন যা দেহে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। এটি রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবকে ধ্বংস করতে সহায়তা করে, কিন্তু নিজে থেকে রোগ সৃষ্টি করে না।
  4. অ্যান্টিজেন:
    • ভুল অপশন: অ্যান্টিজেন হলো এমন কোনো পদার্থ যা অ্যান্টিবডি উৎপাদন করতে পারে। এটি একটি অণুজীব নয় এবং সরাসরি রোগ সৃষ্টি করে না।

নোট:

প্যাথোজেন হলো সেই অণুজীব যা বিভিন্ন জীবিত প্রাণীর মধ্যে রোগ সৃষ্টি করে। ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক এবং প্রোটোজোয়া প্রকারের প্যাথোজেন সাধারণত মানবদেহে রোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম। সঠিক উত্তর হলো \"প্যাথোজেন\"
147
নিচের কোনটি এডিস (Aedes) মশা বাহিত রোগ নয়?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি এডিস (Aedes) মশা বাহিত রোগ নয়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য এডিস মশা দ্বারা বহনকৃত রোগগুলি সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এডিস মশা কিছু নির্দিষ্ট রোগের বাহক হিসেবে পরিচিত, তবে কিছু রোগ এডিস মশা দ্বারা বহন করা হয় না।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. চিকুনগুনিয়া:
    • ভুল অপশন: চিকুনগুনিয়া একটি এডিস মশা দ্বারা বহনকৃত ভাইরাসজনিত রোগ। এটি এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। তাই এটি এডিস মশা বহিত রোগ।
  2. জিকা:
    • ভুল অপশন: জিকা ভাইরাসও এডিস মশা দ্বারা বহন করা হয়। এটি গর্ভবতী নারীদের মাধ্যমে নবজাতকের জন্মগত ত্রুটি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এটি এডিস মশা বহিত রোগ।
  3. ম্যালেরিয়া:
    • সঠিক উত্তর: ম্যালেরিয়া এডিস মশা দ্বারা বহন করা হয় না। এটি অ্যানোফিলিস মশা দ্বারা বহনকৃত রোগ। তাই এটি সঠিক উত্তর।
  4. ডেঙ্গু:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। এটি এডিস মশা বহিত একটি রোগ।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এডিস মশা দ্বারা বহনকৃত এবং অন্যান্য মশা দ্বারা বহনকৃত রোগের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারবে। সঠিক উত্তর হলো ম্যালেরিয়া, কারণ এটি এডিস মশা বহিত রোগ নয়, বরং অ্যানোফিলিস মশা এর বাহক।
148
বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্রথম কোভিড ভ্যাকসিন কোনটি?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্রথম কোভিড ভ্যাকসিন কোনটি?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশের কোভিড-১৯ মহামারি এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবহৃত প্রথম টিকা সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বিভিন্ন দেশ প্রথমে যেসব ভ্যাকসিন অনুমোদন ও ব্যবহার করেছে, তা জানা গুরুত্বপূর্ণ।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Astrazeneca Oxford:
    • সঠিক উত্তর: বাংলাদেশের প্রথম ব্যবহৃত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ছিল AstraZeneca-এর তৈরি \"Covishield,\" যা ভারতীয় সিরাম ইনস্টিটিউট দ্বারা উৎপাদিত হয়েছিল। এই ভ্যাকসিনটি বাংলাদেশের জন্য প্রথম অনুমোদিত এবং ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
  2. Mordana:
    • ভুল অপশন: \"Moderna\" নামে একটি ভ্যাকসিন আছে, যা যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হয়েছে, তবে এটি প্রথমে বাংলাদেশে ব্যবহৃত হয়নি। এছাড়া \'Mordana\' নামে কোনো ভ্যাকসিন নেই, তাই এটি ভুল উত্তর।
  3. Fizar:
    • ভুল অপশন: \"Pfizer\" একটি জনপ্রিয় কোভিড ভ্যাকসিন, তবে \'Fizar\' নামে কোনো ভ্যাকসিন নেই। এছাড়া Pfizer-এর ভ্যাকসিনটি বাংলাদেশে কিছুটা পরেই আসে, তাই এটি ভুল উত্তর।
  4. Cinofarm:
    • ভুল অপশন: \"Sinopharm\" একটি চীনা ভ্যাকসিন, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশে অনুমোদিত হয়েছিল, তবে এটি প্রথম ব্যবহৃত ভ্যাকসিন ছিল না।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রয়োগ এবং এর সময়সীমা সম্পর্কে ধারণা পাবে। সঠিক উত্তর হলো AstraZeneca Oxford, যা \"Covishield\" নামে বাংলাদেশে প্রথম ব্যবহৃত হয়েছিল।
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তাকে এক ডোজ ভ্যাকসিন দেয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে শুরু করেছে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা দেয়ার কর্মসূচি।
149
নিচের কোনটি ডিএনএ (DNA) ভাইরাস?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি ডিএনএ (DNA) ভাইরাস?\" এই প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানের ভাইরাসবিজ্ঞান বিভাগের মধ্যে পড়ে, যেখানে ভাইরাসের জিনগত উপাদান (DNA বা RNA) সম্পর্কিত জ্ঞান যাচাই করা হয়। কিছু ভাইরাসের জিনগত উপাদ???ন DNA-তে থাকে, অন্যদিকে কিছু ভাইরাসের RNA-তে থাকে। এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের DNA ভাইরাস চিহ্নিত করতে বলছে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. র্যাবিস (Rabies):
    • ভুল অপশন: র্যাবিস হলো একটি RNA ভাইরাস। এটি র্যাবডোভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত, যার জিনগত উপাদান RNA-তে থাকে। তাই এটি DNA ভাইরাস নয়।
  2. হেপাটাইটিস সি (Hepatitis-C):
    • ভুল অপশন: হেপাটাইটিস সি ভাইরাসও RNA ভাইরাস। এটি ফ্ল্যাভিভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত এবং এর জিনগত উপাদান RNA তে থাকে। তাই এটি DNA ভাইরাস নয়।
  3. পোলিও (Polio):
    • ভুল অপশন: পোলিও ভাইরাসও একটি RNA ভাইরাস। এটি পিকর্নাভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত এবং এর জিনগত উপাদান RNA তে থাকে। তাই এটি DNA ভাইরাস নয়।
  4. হারপেস (Herpes):
    • সঠিক অপশন: হারপেস হলো একটি DNA ভাইরাস। এটি হারপেসভিরিডি পরিবারের অন্তর্গত এবং এর জিনগত উপাদান DNA তে থাকে। হারপেস ভাইরাস বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে যেমন হারপেস সিম্প্লেক্স ভাইরাস (HSV) এবং ভ্যারিসেলা-জোস্টার ভাইরাস (VZV)।

নোট:

DNA ভাইরাস সেই ভাইরাসগুলো যা তাদের জিনগত উপাদান হিসেবে ডিএনএ ব্যবহার করে। হারপেস ভাইরাস এদের মধ্যে অন্যতম। সঠিক উত্তর হলো \"হারপেস (Herpes)\"
150
নিচের কোনটি সংক্রামক ব্যাধি ? 
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি সংক্রামক ব্যাধি?\" এই প্রশ্নটি সংক্রামক ব্যাধি সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জানা দরকার যে কোন রোগ সংক্রামক এবং কোন রোগ সংক্রামক নয়।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. যক্ষ্মা: সঠিক অপশন: যক্ষ্মা (টিবি) একটি সংক্রামক ব্যাধি যা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। এটি প্রধানত ফুসফুসকে প্রভাবিত করে এবং হাঁচি, কাশি বা কথা বলার মাধ্যমে ছড়াতে পারে। তাই, এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
  2. উচ্চ রক্তচাপ: ভুল অপশন: উচ্চ রক্তচাপ একটি ক্রনিক অবস্থা, যা সংক্রামক নয়। এটি মূলত শারীরিক অবস্থা এবং জীবনযাপনের কারণে সৃষ্টি হয়। তাই, এটি ভুল অপশন।
  3. ডায়াবেটিস: ভুল অপশন: ডায়াবেটিসও একটি ক্রনিক অসুস্থতা, তবে এটি সংক্রামক নয়। এটি ইনসুলিন উৎপাদন বা ব্যবহারের সমস্যার কারণে হয়। তাই, এটি ভুল অপশন।
  4. ব্রেইন স্ট্রোক: ভুল অপশন: ব্রেইন স্ট্রোক একটি শারীরিক অবস্থা যেখানে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহে বাধা সৃষ্টি হয়। এটি সংক্রামক নয়, তাই এটিও ভুল অপশন।

নোট:

যক্ষ্মা একটি মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি, যা বায়ুবাহিত রোগ হিসেবে মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে। এই প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের সংক্রামক ব্যাধি এবং অ-সংক্রামক ব্যাধির মধ্যে পার্থক্য করতে শেখাবে।
151
নিচের কোন ভাইরাসটির বহিঃস্থ আবরণ নেই?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোন ভাইরাসটির বাহ্যিক আবরন নেই?\" এই প্রশ্নটি ভাইরাসের গঠন ও আবরন (envelope) সম্পর্কিত জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন ভাইরাসের আবরন রয়েছে, আবার কিছু ভাইরাসে বাহ্যিক আবরন নেই।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Human Immunodeficiency Virus (HIV): ভুল অপশন: HIV একটি এনভেলপড (বাহ্যিক আবরনযুক্ত) ভাইরাস। এটি লিপিড মেমব্রেনের মাধ্যমে আবৃত থাকে, যা এটিকে সংক্রামক ও কার্যকরী করে তোলে।
  2. Influenza Virus: ভুল অপশন: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসও একটি এনভেলপড ভাইরাস। এর বাহ্যিক আবরন রয়েছে যা এটিকে শত্রু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।
  3. Tobacco Mosaic Virus (TMV): সঠিক অপশন: টোব্যাকো মোজাইক ভাইরাস একটি আবরনহীন ভাইরাস। এটি এনভেলপড নয় এবং শুধুমাত্র প্রোটিন কোটের মাধ্যমে সংরক্ষিত থাকে, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
  4. Herpes Virus: ভুল অপশন: হার্পেস ভাইরাসও একটি এনভেলপড ভাইরাস। এর বাহ্যিক আবরন রয়েছে, যা এটিকে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাইরাসের গঠন ও এনভেলপ সংক্রান্ত ধারণা অর্জন করতে পারবে। TMV উদ্ভিদ ভাইরাস, যা আবরনহীন এবং বাকি সব ভাইরাস এনভেলপযুক্ত।
152
IEDCR এর পূর্ণরুপ-
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"IEDCR এর পূর্ণরূপ কী?\" এই প্রশ্নটি জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত এবং বিশেষ করে রোগতত্ত্ব ও রোগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত জ্ঞান যাচাই করার জন্য প্রাসঙ্গিক। IEDCR (Institute of Epidemiology Disease Control and Research) হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যা রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং গবেষণা নিয়ে কাজ করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. Institute of Epidemiology Disease Control And Research:
    • সঠিক অপশন: এটি IEDCR-এর সঠিক পূর্ণরূপ। এটি বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান।
  2. Institution of Epidemiology Disease Control And Research:
    • ভুল অপশন: এখানে \"Institution\" শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যা ভুল। IEDCR-এর পূর্ণরূপে \"Institute\" শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
  3. Institute of Epidemiology Disease Control of Research:
    • ভুল অপশন: এখানে \"of Research\" শব্দগুচ্ছ ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। সঠিক শব্দগুচ্ছ হবে \"And Research\"।
  4. Institute of Epidemic Disease Control And Research:
    • ভুল অপশন: এখানে \"Epidemic Disease\" শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয়েছে, যা ভুল। সঠিক হবে \"Epidemiology Disease\"।

নোট:

IEDCR (Institute of Epidemiology Disease Control And Research) হলো বাংলাদেশ সরকারের রোগতত্ত্ব ও রোগ নিয়ন্ত্রণের মূল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। সঠিক উত্তর হলো \"Institute of Epidemiology Disease Control And Research\"
he Institute of Epidemiology, Disease Control And Research is a Bangladesh government research institute, under the Ministry of Health, responsible for researching epidemiological and communicable disease in Bangladesh as well as disease control. Tahmina Shirin is the head of the organization.
153
কোন ব্যাকটেরিয়া প্লাস্টিক ও পিইটি খেতে পারে?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"কোন ব্যাকটেরিয়া প্লাস্টিক ও পিইটি (PET) খেতে পারে?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাকটেরিয়ার বিশেষ ক্ষমতা এবং পরিবেশ দূষণ রোধে এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। কিছু ব্যাকটেরিয়া প্লাস্টিক এবং অন্যান্য কঠিন পদার্থ ভেঙে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, যা পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. রাইজোবিয়াম লিলিগ্নোমেসোরাম:
    • ভুল অপশন: রাইজোবিয়াম একটি নাইট্রোজেন-ফিক্সিং ব্যাকটেরিয়া, যা মূলত মাটিতে উদ্ভিদের সঙ্গে সহবাস করে এবং নাইট্রোজেন ফিক্সেশনের মাধ্যমে উদ্ভিদের পুষ্টি সরবরাহ করে। এটি প্লাস্টিক ভাঙতে বা পিইটি খেতে পারে না।
  2. ক্যালজিব্যাক্টেরিয়া:
    • ভুল অপশন: ক্যালজিব্যাক্টেরিয়া প্লাস্টিক ভাঙতে পারে না বা পিইটি খেতে পারে না। এটি অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল অপশন।
  3. ইডিওনেলা সাকারেনসিস:
    • সঠিক উত্তর: ইডিওনেলা সাকারেনসিস হলো একটি ব্যাকটেরিয়া যা পিইটি (PET) প্লাস্টিক খেতে সক্ষম। এটি প্লাস্টিক দূষণ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
  4. ইনডোসিনিক্রোবিয়া:
    • ভুল অপশন: এই ব্যাকটেরিয়াটি প্লাস্টিক বা পিইটি খেতে পারে না। এটি পরিবেশগত উপাদানগুলির জন্য ব্যবহৃত হয় না, তাই এটি ভুল অপশন।

নোট:

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের প্লাস্টিক দূষণ কমাতে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা সম্পর্কে ধারণা দেয়। সঠিক উত্তর হলো ইডিওনেলা সাকারেনসিস, যা পিইটি প্লাস্টিক খেতে সক্ষম এবং পরিবেশগত সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে।
ইডেওনেলা সাকায়েনসিস’(Ideonella sakaiensis) নামের ব্যাকটেরিয়া দুটি এনজাইম ব্যবহার করে পলিইথিলিন টেরেপথালেটকে (PTE) ভেঙে ফেলে।
পরিবেশের জন্য সত্যিই এটা একটা ভালো খবর হতে পারে মন্তব্য করে CNN বলছে, ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের (WIF) তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বে যে সব প্লাস্টিক ব্যবহৃত হয় তার এক তৃতীয়াংশই সংগ্রহের বাইরে গিয়ে পরিবেশে ছড়িয়ে যায়।
154
ব্যাকটেরিয়া আবিস্কার করেন কোন বিজ্ঞানী?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন কোন বিজ্ঞানী?\" এই প্রশ্নটি ইতিহাস এবং জীববিজ্ঞান বিষয়ক প্রশ্ন, যা শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার এবং তাদের অবদান সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. লুইসেন হুক (সঠিক উত্তর): সঠিক অপশন: লুইসেন হুক প্রথম ব্যক্তি যিনি মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন। তিনি ১৬৭৬ সালে এটি দেখতে সক্ষম হন এবং এর মাধ্যমে মাইক্রোবায়োলজির সূচনা হয়।
  2. রবার্ট কুক: ভুল অপশন: রবার্ট কুক ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেননি। তিনি কোষ আবিষ্কার করেন এবং কোষ তত্ত্বের প্রবর্তন করেন।
  3. রবার্ট হুক: ভুল অপশন: রবার্ট হুক কোষ আবিষ্কারের জন্য পরিচিত, তবে তিনি ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেননি।
  4. লুইসেন কুক: ভুল অপশন: এই নামে কোন বিজ্ঞানী উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার করেননি।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা লুইসেন হুকের অবদান সম্পর্কে জানতে পারে, যিনি মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে প্রথম ব্যাকটেরিয়া পর্যবেক্ষণ করেন।
অ্যান্টনি ভ্যান লীউয়েনহুক ১৬৭৫ সালে তার নিজের আবিষ্কৃত সরল অনুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাক্টেরিয়া উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। Edward jenner 1796 সালে সর্বপ্রথম ভাইরাসগঠিত গুটি বসন্তের কথা উল্লেখ করেন।
155
নিচের কোনটি অকোষীয় ?
skipped
ব্যাখ্যা:
EXPLANATION:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি আকণ্ঠীয়?\" এই প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে আকণ্ঠীয় (Acellular) জীবের কথা বলা হচ্ছে। আকণ্ঠীয় জীব মানে সেই জীব যা কোষীয় গঠন দ্বারা গঠিত নয়। এর মধ্যে প্রাণঘাতী ভাইরাসগুলো অন্তর্ভুক্ত।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. ব্যাকটেরিয়া:
    • ভুল অপশন: ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী জীব যা প্রোক্যারিয়টিক কোষ গঠন করে। ব্যাকটেরিয়া আকণ্ঠীয় নয়, কারণ এর কোষ রয়েছে।
  2. ফাঙ্গাস:
    • ভুল অপশন: ফাঙ্গাস বা ছত্রাক বহু-কোষী জীব হতে পারে এবং এগুলোর কোষ রয়েছে। তাই এটি আকণ্ঠীয় নয়।
  3. ভাইরাস:
    • সঠিক অপশন: ভাইরাস হলো আকণ্ঠীয়, কারণ এর কোনো কোষ নেই। এটি একটি প্রোটিন কোটের ভেতরে জিনোম নিয়ে গঠিত। ভাইরাস শুধুমাত্র অন্য জীবের কোষের ভেতরে প্রবেশ করে নিজেকে পুনরুৎপাদন করতে পারে।
  4. মস:
    • ভুল অপশন: মস হলো বহুকোষী উদ্ভিদ। এটি আকণ্ঠীয় জীব নয়, কারণ এর কোষ গঠন রয়েছে।

নোট:

ভাইরাস হলো আকণ্ঠীয় জীব, যা কোষের অভাব রয়েছে এবং এটি শুধুমাত্র কোষের মধ্যে প্রবেশ করেই কার্যকর হতে পারে। সঠিক উত্তর হলো \"ভাইরাস\"
ভাইরাস -  নিউক্লিক অ্যাসিড ও প্রোটিন (আরকা) দিয়ে গঠিত অকোষীয় অতি আণুবীক্ষণিক সত্তা । ব্যাক্টেরিয়া-  ব্যাক্টেরিয়া হল জড় কোষপ্রাচীর বিশিষ্ট, এককোষী, আণুবীক্ষণিক আদিকেন্দ্রিক অণুজীব। মস- হল খুবই ছোট সবুজ কিংবা হলুদ রঙের উদ্ভিদ যা ভেজা পরিবেশ কিংবা পাথরের উপর জন্মে। ফাংগাস- ছত্রাক শব্দটির ইংরেজি শব্দ হল ফাংগাস। আর ফাংগাস হল একধরনের ইউক্যারিওটিক পরজীবী বা মৃতজীবী জীব যা উদ্ভিদরাজ্য, প্রাণীরাজ্য, প্রোটাজোয়া এবং মোনেরার পাশাপাশি ছত্রাক রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত
156
শরীরে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে তাকে কি বলা হয়?
skipped
ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"শরীরে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে তাকে কি বলা হয়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি এবং এর ফলস্বরূপ যে রোগ সৃষ্টি হয়, তা বুঝার জন্য তৈরি করা হয়েছে। বিলিরুবিন এক ধরনের রঙিন উপাদান, যা রক্তে লোহিত রক্তকণিকার বিভাজন দ্বারা তৈরি হয় এবং এর মাত্রা বৃদ্ধি হলে তা বিশেষ লক্ষণ সৃষ্টি করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. অ্যামিনিয়া:
    • ভুল অপশন: অ্যামিনিয়া একটি রোগ নয়, এটি অ্যামোনিয়া নামে পরিচি?? একটি যৌগের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, তবে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি হলে এই নাম ব্যবহৃত হয় না। সুতরাং এটি ভুল উত্তর।
  2. জন্ডিস:
    • সঠিক উত্তর: জন্ডিস হলো সেই অবস্থা, যখন শরীরে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়। এই রোগটি লিভারের কার্যক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি বিলিরুবিন বৃদ্ধির সরাসরি ফলাফল।
  3. রিকেটস:
    • ভুল অপশন: রিকেটস হলো একটি হাড়ের রোগ, যা ভিটামিন ডি-এর অভাবে হয়। এটি বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
  4. ডায়াবেটিস:
    • ভুল অপশন: ডায়াবেটিস হলো রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির রোগ। এটি বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি সংক্রান্ত নয়।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি এবং এর কারণে সৃষ্ট রোগ সম্পর্কে ধারণা পাবে। সঠিক উত্তর হলো জন্ডিস, যা বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ত্বক ও চোখের হলুদ হওয়া দ্বারা চিহ্নিত হয়।
157
অ্যাথলেট\'স ফুট (Athlete\'s foot) এর কারন কি?
skipped
ব্যাখ্যা:
EXPLANATION:
158
লাইপেজের কাজ -
skipped
ব্যাখ্যা:
আজকের সকল Ranking আজকের সকল কুইজ Go to Home