'আমি গভর্নর ড্রেকের ধ্বংস দেখতে চাই।'—
উক্তিটি কে কাকে করেছে?
A.
মানিকচাঁদ ক্লেটনকে
B.
উমিচাঁদ ক্লেটনকে
C.
মানিকচাঁদ হলওয়েলকে
D.
উমিচাঁদকে হলওয়েলকে
সঠিক উত্তরঃ
D.
উমিচাঁদকে হলওয়েলকে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'শোনো, একদিন এই দেশটাতেদানবেরা দেয় হানাশকুনেরা মেলে ডানাপুড়ে ছারখার মাঠের শস্য'মানুষের আস্তানা।'উদ্দীপকের 'দানবেরা', 'শকুনেরা' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- অটোমান সম্রাজ্যের পথপ্রদর্শক সুলতানা কোসেম। যখনই রাজপরিবার বিপদগ্রস্ত হয়েছে, তখনই সুলতানা কোসেম মুখ্য, ভূমিকা পালন করেছেন। এক সৈনিক শত্রুর সাথে হাত মেলালে প্রমাণ সাপেক্ষে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এতে ওই সৈনিকের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সুলতানা ঐ পরিবারের দায়ভার ও তার ছেলে হাবিবের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেন। কিন্তু হাবিব পিতৃহত্যার কথা জানতে পেরে মনে মনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সুযোগ পেয়ে কোসেমকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করেন। এ যাত্রায় সুলতানা রক্ষা পেলে হাবিব নাবালক বলে তাকে ক্ষমা করেন এবং সংশোধনাগারে পাঠিয়ে দেন। দীর্ঘদিন সংশোধনাগারে রাখার পর হাবিবকে আবার সৈনিক হিসেবে নিয়োগ দেন। কিন্তু হাবিব সুযোগ পেয়ে সুলতানাকে হত্যা করেন।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মোহাম্মদী বেগ চরিত্রের সঙ্গে উদ্দীপকে বর্ণিত হাবিব চরিত্রটির সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- রতন ও রমন দুই বন্ধু বনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। তারা এই মর্মে প্রতিজ্ঞা করে যে, কোনো বিপদ এলে কেউ কাউকে ছেড়ে পালাবে না। কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর তারা দেখতে পায়, একটি ভালুক তাদের দিকে এগিয়ে আসছে। দুজনই ভীত হয়। রতন হঠাৎ লাফ দিয়ে গাছের উপরে ওঠে। রমন গাছে চড়তে জানে না। তাই মৃত মানুষের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ে। হিংস্র ভালুকটি দৌড়ে এসে মাটিতে শুয়ে থাকা রমনের দেহটিকে নিরীক্ষণ করে অবশেষে মৃতদেহ ভেবে চলে যায়। রতন গাছ থেকে নেমে রমনের কাছে গিয়ে ভালুক তার কানে কানে কী বলে গেল তা জানতে চায়। রমন গম্ভীর স্বরে উত্তর দিলো: ভালুকটি বলেছে "বিপদের সময় যারা প্রতিজ্ঞার কথা ভুলে যায়, অসহায় বন্ধুকে ত্যাগ করে, তারা কখনো ভালো মানুষ হয় না।" রতন লজ্জিত হয়। বিনম্র স্বরে বলে, " বন্ধু, বন্ধুত্ব নয়, বুদ্ধি দিয়ে তুমি জিতেছ।"উদ্দীপকের রমনের পরিণতি এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজের পরিণতি সম্পূর্ণ ভিন্ন"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের 'এক জীবন্ত মুসলিম চরিত্র তোরাপ। এই তোরাপ সোচ্চার হয়েছে সামাজিক নানা অসংগতির বিরুদ্ধে, সমাজপতিদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিপক্ষে। একজন গরিব কৃষক হয়েও সে সত্যবাদী, সাহসী ও পরোকারী মানুষ। নবীন মাধবের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে সে প্রস্তুত। তাই নবীন মাধবের সব ধরনের সাহসী কাজে সে তার সঙ্গী হয়। ধর্ম- বর্ণের ভেদাভেদ তার দৃষ্টিতে ছিল না বলেই তোরাপ শেষ পর্যন্ত নবীন মাধবের সাথে ছিল। এমনকি নিরীহ কৃষকদের পাশে থেকে অত্যাচারী শোষক ইংরেজ নীলকরদেরও মোকাবিলা করে গেছে সে।উদ্দীপকের তোরাপ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? কীভাবে?
- “ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন— এ বড়লজ্জার কথা।”— উমিচাঁদের এ উক্তিতে প্রকাশপেয়েছে—
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন'- কে, কেন বলেছে?
- " এখন থেকে কারও শান্তিতে আর কোনো রকম বিঘ্ন ঘটবে না।"- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে যিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত কর???ছেন -
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়'-উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
- ক্লাইভ সিরাজউদ্দৌলাকে দ্রুত হত্যা করতে চেয়েছিল কেন? ব্যাখ্যা করো।
- ক্লাইভের গাধা বলা হয় কাকে?
- "শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়" কে কী প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কেন মিরজাফর চক্রকে বন্দি করেননি?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশি-বিদেশি চক্রান্তে একদলবিপথগামী সেনাসদস্যের সহায়তায় জাতির জনকবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে ক্ষমতা দখলকরে খন্দকার মোশতাক। উদ্দীপকের খন্দকার মোশতাক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের মিরজাফরের উদ্দেশ্য কোন অর্থে অভিন্ন?
- 'He is a dead horse.' - কার সম্পর্কে উক্তিটি করা হয়েছে?
- "কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ মিরমর্দান।"- কার উক্তিটি, কেন করেছিল?
- 'তুমি কম সাপিনী নও' — ঘসেটি বেগমের এই উক্তিতেপ্রকাশ পেয়েছে-
- ১৯৭১ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ আর লাখো শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পথ চলায় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী ছাড়াও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এদেশীয় রাজাকার শ্রেণি। গণহত্যা, লুট, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ নানা ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডে শামিল হয় তারা। কিন্তু এদেশের স্বাধীনতার জয়যাত্রায় কোনোভাবেই তারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এদেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এদেশে স্বাধীন হয়েছে।উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজাকার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে? ব্যাখ্যা করো।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন'- কথাটি-বুঝিয়ে লেখ।
- বিত্তশালী আশিক চৌধুরী তার একমাত্র সন্তান জামিলচৌধুরী ও সম্পদের দেখাশোনার জন্য নাসির মিয়াকেপরিবারের একজনের মতোই স্থান দেন। কিন্তু চৌধুরীসাহেবের মৃত্যুর পরে নাসির মিয়া সম্পদের লোভে ঘুমন্তজামিল চৌধুরীকে হত্যা করে।উদ্দীপকের নাসির মিয়ার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে-
- মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার আজমত আলী শান্তি কমিটি গঠন করে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়ে এই দেশের প্রচুর ক্ষয়-ক্ষতি সাধন করে। পরবর্তীকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে তার নামে মামলা করা হয় এবং ফাঁসিও কার্যকর করা হয়। প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা জামিল উদ্দীন জানান ওই বিশ্বাসঘাতক আজমত 'আলীর সাহায্যেই হানাদার বাহিনী গ্রামের অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করে এবং তাঁদের পরিবারের ওপর চালায় সীমাহীন নির্যাতন।“প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল বিষয়কে তুলে ধরেছে।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'দওলত' আমার কাছে ভগবানের দাদা মশায়ের চেয়ে বড়ো'- উক্তিটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- উমিচাঁদ কোথাকার অধিবাসী ছিলেন?
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।উদ্দীপকের রাজাকার ও কমান্ডার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ- বিশ্লেষণ করো।
- মনা, লোভা, সুমিসহ মোট বারোজন নিজেদের আর্থিক উন্নতির জন্য একটি সমবায় সমিতি গঠন করে। সবাই প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে মনার কাছে জমা রাখে। কিছুদিন পর মনা সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।উদ্দীপকের মনা সিরাজউদ্দৌলা নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?