'শ্রাবণ গগন ঘিরে’ এর পরের চরণ কোনটি?
A. শূন্য নদীর তীরে
B. ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে
C. যত চাও তত নাও তরনী পারে
D. থরে বিথরে
সঠিক উত্তরঃ
B.
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- "যত চাও তত লও তরণী পরে"- 'সোনার তরী' কবিতায় পরের পঙক্তি?
- "সোনার তরী" কবিতাভুক্ত 'ভরা পালে চলে যায়’ - এই চরণের পরের চরণ কোনটি?
- ফসল উৎপাদনকারী কৃষক বলতে কবি কাকে কল্পনা করেছেন?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার প্রতি কবির তীরবিমুখতা?
- 'চারদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।'- ব্যাখ্যা করো।
- পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়ামসী-মাখা।' এখানে'মসী-মাখা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে -
- মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য ছিলেন বাঙালি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব। নিজের ঐকান্তিক চেষ্টায় বিপুল ধনসম্পদের অধিকারী হন। কিন্তু নিজে কৃচ্ছ সাধন করে জনহিতকর কাজে লিপ্ত হন। তিনি শিক্ষা বিস্তারের জন্য টোল, পাঠশালা, গ্রন্থাগার, হোস্টেল, নারীশিক্ষার জন্য বিদ্যানিকেতন, ছাত্রীনিবাস এবং দরিদ্রের জন্য আশ্রম, ধর্মশালা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আজও সকলের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন।উদ্দীপকের মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্যের ব্যক্তি জীবনের মধ্য দিয়ে 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- রবীন্দ্রনাথের লেখা গ্রন্থ কোনটি?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।"কাজী নজরুল ইসলামের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘সোনার তরী' কবিতায় মহাকালের প্রতীক কোনটি?
- কবি 'ছোটো খেত' বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?'
- ‘সোনার তরী' কবিতায় কবির আক্ষেপ নিচের কোনপঙক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে?
- 'ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোট সে সে তরীআমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।'- ব্যাখ্যা করো।
- “সকলি দিলাম তুলে ......... ।” এ কবিতাংশের শূন্যস্থান পূরনে কী বসবে?
- 'সোনার ধান' কীসের প্রতীক?
- “একখানি ছােটো খেত, আমি একেলা” এর পরের চরণ?
- জামিল' সাহেব তার সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে নিজগ্রামে দাতব্য। চিকিৎসালয়সহ নানা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। প্রায় দুই 'যুগ আগে তিনি মারা গেলেও মানুষ তাঁর কৃতকর্মের দ্বারা আজ উপকৃত হচ্ছে।উদ্দীপকের মূলভাব প্রকাশক চরণ-এখন আমারে লহো করুণা করেসকলি দিলাম তুলে থরে বিথরেআমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরিনিচের কোনটি সঠিক?
- 'একখানি ছোট খেত , আমি একেলা' - এর পরের লাইন ঃ
- 'আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।'- এখানে 'সোনার ধান' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
- 'চারি দিকে বাঁকা জল'-চরণটিতে কীসের ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'সোনার তরী' কবিতায় কবির যে জীবনদর্শনের ইঙ্গিত করা হয়েছে তা আলোচনা করো।
- মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি হোমের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মারা যান। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টি মাদার তেরেসার জীবনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ঠাই নাই, ঠাই নাই- ছোট সে তরী, আমরি সোনার ধানে গিয়াছে ভরি” . পরের লাইন