‘সোনার তরী' কবিতায় কবির আক্ষেপ নিচের কোন
পঙক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে?
A.
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি
B.
এখন আমারে লহো করুণা করে
C.
গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা
D.
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী
সঠিক উত্তরঃ
D.
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।উদ্দীপকের মালিহার সাথে 'সোনার তরী' কবিতার মাঝির সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- 'আমি একেলা'-এখানে 'আমি' কে?
- এখন আমারে লহো করুণা করে'- চরণটিতে কৃষকের কী অভিলাষ ব্যস্ত হয়েছে?
- "সোনার তরী" কবিতা নৌকা কিসের প্রতীক?
- ফসল উৎপাদনকারী কৃষক বলতে কবি কাকে কল্পনা করেছেন?
- "সোনার তরী" কবিতাভুক্ত 'ভরা পালে চলে যায়’ - এই চরণের পরের চরণ কোনটি?
- 'সোনার তরী' কবিতাটির নামকরণ নিষ্ঠুর মহাকাল রাখা যেত নিচের কোন যুক্তিতে?
- ওগো তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? এখানে 'বিদেশ' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- 'শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত ?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "সোনার তরী" কোথায় বসে লেখা?
- পার্থিব ও ক্ষণস্থায়ী জীবনের জন্য আমরা কত কিছুই না করি। ভালোমন্দ ভুলে দিয়ে নানান কাজে জড়িয়ে পড়ছি। এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনই ঠিক হবে, সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন, চলে যেতে হবে'। আমরা আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে এ ক্ষণস্থায়ী জীবনের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে যাই। টাকাকড়ি সুন্দর বাড়ি সবই পড়ে রবে, তোমার করা কৃতকর্মই তোমাকে স্মরণ নেবে যখন তুমি আর থাকবে না এই জনাকীর্ণ ভবে। উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- 'তরী তার এসেছে কি?' তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়'তরী' কীসের প্রতীক?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- চারিদিকে বাঁকা জল কী করছে?
- 'সোনার তরী' কবিতায় কবি ক্ষণিক হেসে কী নিয়ে যেতে বলেছেন?
- আধুনিক বাংলা কবিতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন কবি মাইকেল মধূসুদন দত্ত। অমিত্রাক্ষরের ছন্দ ব্যবহার করে তিনি বাংলা কবিতাকে মুক্তি দিয়েছেন। আজ তিনি নেই কিন্তু তাঁর সৃষ্টিকর্ম আছে ও থাকবে।উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার সাদৃশ্যসূত্র চিহ্নিত করো।।
- "সােনার তরী” কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথের লেখা কাব্যগ্রন্থ নয়?
- মানুষ মরণশীল এ সত্য 'চিরন্তন' কিন্তু মানুষের মানুষের কর্ম অমর। কর্ম দিয়ে কালে কালে মানুষ জগতের মধ্যে চিরন্তন হয়ে আছে। শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রে অসংখ্য শিল্পী-সাহিত্যিক, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অসংখ্য বিজ্ঞানী, চিন্তার ক্ষেত্রে অসংখ্য চিন্তক-দার্শনিক তাঁদের জ্ঞান- বুদ্ধি-শক্তি-শ্রম সর্বোপরি মহৎ কর্ম দিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর করে গেছেন। শারীরিকভাবে তাঁদের দেহাবসান হলেও কর্ম টিকে আছে। প্রতিনিয়ত তাঁদের কর্মের দানে সমৃদ্ধ হচ্ছেপৃথিবীর মানুষ। কালের গহ্বরে কেবল কর্মী হারায়, কর্ম হারায় না।'সোনার তরী' কবিতার মূলভাবের কোন অংশের সাথে উদ্দীপকের বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ?- ব্যাখ্যা করো।
- 'তরুছায়ামসীমাখা' কোন রঙের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'সোনার তরী' কবিতায় ফসলের রূপকে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতায় কবির যে জীবনদর্শনের ইঙ্গিত করা হয়েছে তা আলোচনা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।"কাজী নজরুল ইসলামের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।