একবার মরে ভুলে গেছে আজ
মৃত্যুর ভয় তারা।
শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী
অবাক তাকিয়ে রয়;
জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখার
তবু মাথা নোয়াবার নয়।
উদ্দীপকের শেষ চরণের বক্তব্য 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে বিশেষ দিকটিতে আলোকপাত করেছে তা আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'আমি তোমাকে দেখবার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম'উক্তিটি কার?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পুরিসিসে ভুগছিলেন কে?
- বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায়- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- বঙ্গবন্ধুর লেখা আত্মজীবনীতে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- “বাংলাদেশ যে আপনার কাছে থেকে অনেক কিছুপ্রত্যাশা করে”— উক্তিটি দ্বারা 'বায়ান্নর দিনগুলো”রচনায় কী বোঝানো হয়েছে?
- 'নিজের ছেলেও অনেক দিন না দেখলে ভুলে যায়।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- “আওয়ামী লীগের কোনো কর্মীই বোধ হয় আর বাইরেনাই।”— উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে আওয়ামী লীগ কর্মীদের-
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীতে কোন সময় পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু কী পুরস্কারে ভূষিত হন?
- বাংলা ভাষায় যতি চিহ্ন ব্যবহারের সুবিন্যাস কে সাধন করেছিলেন?
- রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই এই দাবিতে ধর্মঘটবরকত সালামের খুনে লাল ঢাকা রাজপথ।স্মৃতিসৌধ ভাঙিয়াছ জেগেছে পাষাণের প্রাণমোরা কি ভুলিতে পারি খুনে রাঙা জয় নিশান।উদ্দীপকের ঘটনার আলোকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী বৈষম্য যখন চরম আকার ধারণ করে, দেশটির কালো মানুষগুলোর অধিকার যখন ক্ষুণ্ণ হতে থাকে শ্বেতাঙ্গদের দ্বারা, ঠিক তখনই নেলসন ম্যান্ডেলা রুখে দাঁড়ান। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের তিনি ছিলেন প্রাণপুরুষ। শাসকদের দ্বারা তিনি বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। জীবনে বেশির ভাগ সময় তাঁকে কাটাতে হয়েছে কারাগারে। কিন্তু তিনি আন্দোলন করা থেকে পিছপা হননি। সংগ্রামের মাধ্যমেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন কালো মানুষের অধিকার।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার চারিত্রিক সাদৃশ্য রয়েছে? তুলনামূলক আলোচনা করো। নিজের মতামত বিশ্লেষণ করো।
- মুসলিম লীগ সরকারকে বঙ্গবন্ধু অপরিণামদর্শী বলার কারণ কী?
- ৭ মার্চ, দিনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে পরিচিতি লাভ করেছে এক রক্তস্নাত দিন হিসেবে। ১৯৬৫ সালের ৭ মার্চ ছিল রবিবার। বর্ণবাদের বিষবাষ্পে উত্তাল সারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর অহিংস আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ জনতা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে সেলমা থেকে এগিয়ে চলেছে প্রাদেশিক রাজধানী মন্টোগোমারির দিকে। এমনই সময় প্রতিপক্ষ শ্বেতাঙ্গ আর পুলিশ বর্বরোচিত হামলা চালায় ওই মিছিলের উপর। রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। আর ৭ মার্চ ১৯৬৫ দিনটি পরিচিতি পায় 'ব্ল্যাডি সানডে' বা রক্তস্নাত রবিবার হিসেবে। তিনি শ্বেতাজাদের বৈষম্যমূলক আচরণ আর কৃষ্ণাজাদের উপর নির্যাতন ও বঞ্চনার কথা বলতেন। তিনি বলতেন 'আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন এই জাতি' জাগ্রত হবে এবং মানুষের এই বিশ্বাসের মূল্যায়ন করবে, সকল মানুষ জন্মসূত্রে সমান।' উদ্দীপকের মাটিন লুথার কিং-এর সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ তা আলোচনা করো।
- "অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যদি মরতেপারি, সে মরাতেও শান্তি আছে। " "বায়ান্নর দিনগুলো'রচনার উক্তিটিতে শেখ মুজিবুর রহমানের যে মনোভাবপ্রকাশিত হয়েছে—দেশপ্রেমভাষাপ্রীতিআত্মসমর্পণনিচের কোনটি সঠিক?
- শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কত খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়?
- 'এসব হলো পাকিস্তানের ইনটার্নাল অ্যাফেয়ার।'- কে বলেছে?
- কোনটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী-
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ কার লেখা?
- শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব- এর ডাক নাম কী?
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান বিরচিত 'একুশের গল্প' রচনায় গল্প কথক, তপু ও রাহাত ছিল তিন বন্ধু। তারুণ্যের উদ্দামতা ও এক স্বপ্নিল আশা নিয়ে ভালোভাবেই কেটে যাচ্ছিল। তাদের ছাত্রজীবনের দিনগুলো। কিন্তু বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তাদের ছন্দময় জীবনে অকস্মাৎ ছেদ পড়ে। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে তপু ও তার বন্ধুবান্ধব যোগ দেয় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে। মিছিল এগিয়ে চলল মেডিকেল কলেজের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের দিকে। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌছাতেই মিলিটারিরা অতর্কিতে গুলি চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্ধুরা দেখতে পেল হাতে প্ল্যাকার্ডসহ গুলিবিদ্ধ তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।উদ্দীপকের ঘটনার সঙ্গে 'বায়ান্নার দিনগুলো' রচনার কোন ঘটনার মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- ’ভয় নাই হবে জয়।’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- "বায়ান্নর দিনগুলো" কী ধরনের রচনা?
- "আমলাতন্ত্র তাকে কোথায় নিয়ে গেল।" 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় এ উক্তিতে কার কথা বলা হয়েছে?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহিউদ্দিন কয়টায়, • ফরিদপুর পৌছেছিলেন?