আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্যাপিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের অসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।
উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ চরিত্রের করুণ পরিণতি আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা’ - সংলাপটি কার?
- 'দওলত' আমার কাছে ভগবানের দাদা মশায়ের চেয়ে বড়ো'- উক্তিটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে হানাদার বাহিনীর লোকেরা এদেশের ঘুমন্ত মানুষের উপর গুলি চালায় আর সেই রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ফলে এদেশের হাজার হাজার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশমাতাকে রক্ষা করতে। কিন্তু কিছু লোক ছিল যারা পাকিস্তানের দালালে পরিণত হয়ে রাজাকার, আলবদর নাম ধারণ করে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল। রমজাম এদের মধ্যে অন্যতম। রমজান ও তার সহযোগীরা ১৪ ডিসেম্বর দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের দেখিয়ে দিয়েছিল, আর পাকিস্তানিরা তাদের মূল্যবান জীবন কেড়ে নিয়েছিল। তবুও মুক্তিযোদ্ধারা সকল বাধা অতিক্রম করে ছিনিয়ে এনেছেন আমাদের স্বাধীনতা। প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে কখনো কুণ্ঠাবোধ করেন না।উদ্দীপকের রমজান 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রকে সমর্থন করে বলে তুমি মনে কর? ব্যাখ্যা কর।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের কারণ-তাঁর অদূরদর্শিতাআপনজনের বিশ্বাসঘাতকতাভাগ্যের বিপর্যয়নিচের কোনটি সঠিক?
- 'পলাশিতে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাশাসক, রাজনীতিবিদ ও কতিপয় বিপথগামী দোসররা জনসাধারণের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায় ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এ দেশের আপামর জনতা দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে । উদ্দীপকের প্রথম বাক্য 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনকোন চরিত্রের কর্মকাণ্ডকে ধারণ করে?
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।"উদ্দীপকের দ্বিতীয় লাইনটি যেন 'সিরাজউদ্দৌলা, নাটকের ঘসেটি বেগমকে ইঙ্গিত করছে।"- ব্যাখ্যা করো।
- 'খোদার কাছে শুকরিয়া, এ পীড়ন তুমি দেখলে না'- ব্যাখ্যা কর।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসায় জাতীয়- আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। যারা এ হীন কাজে জড়িত ছিল তাদের সবাই বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সেনাবাহিনীর বিপথগামী সদস্য। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতে পারেননি যে তাঁকে কেউ মারতে পারে। উদ্দীপকের বিপথগামী সেনাসদস্যদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?
- ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদের জোয়ার লাগে,পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য কতটুকু বিশ্লেষণ করো।
- প্রগতিশীল যুবক আকাশ শহর থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করে এক সময় নিজ গ্রাম শিবালয়ে ফিরে আসে। তার গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তাই গ্রামের মানুষকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে গ্রামে একটা স্কুল প্রতিষ্ঠা- করতে চায় আকাশ। এর জন্য গ্রামের লোকজনকে ডেকে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। সভায় গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি ছমির মিয়া নিজের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার ভয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে এবং তাকে কৌশলে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য করে।উদ্দীপকের আকাশের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি আলোচনা করো।
- সুদূর লাহোর হইতে আমি বাংলাদেশে আসিয়াছি অর্থ উপার্জনের জন্য।' “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকে উক্তিটি কে করেছেন?
- উমিচাঁদকে এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক বলা হয় কেন?
- জুলিয়াস সিজার যখন রোমের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন তখন তার সিনেটরদের অনেকেই তা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে তার স্বজনদের অনেকেই হাত মেলায় হীনস্বার্থ উদ্ধারের অভিপ্রায়ে। যার মধ্যে ছিল সিজায়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাস। উদ্ধত ব্রুটাস ছুরি হাতে সিজারকে হত্যা করতে এলে সিজার নিদারুণ বেদনায় শুধু বলেন, "ব্রুটাস তুমিও।""উদ্দীপকের ব্রুটাস যেন মিরজাফরেরই প্রতিচ্ছবি"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- বিত্তশালী আশিক চৌধুরী তার একমাত্র সন্তান জামিলচৌধুরী ও সম্পদের দেখাশোনার জন্য নাসির মিয়াকেপরিবারের একজনের মতোই স্থান দেন। কিন্তু চৌধুরীসাহেবের মৃত্যুর পরে নাসির মিয়া সম্পদের লোভে ঘুমন্তজামিল চৌধুরীকে হত্যা করে।উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পরিণতি —
- 'তুমিও আমাকে বিচার করতে বসলে?'- কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে? সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
- মিরমর্দান ছিলেন—
- ১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি মাত্র ১৭/১৮ জন সৈন্য নিয়ে নদীয়ার শাসক লক্ষ্মণ সেনের রাজ্য আক্রমণ করেন। বখতিয়ার খিলজির শৃঙ্খলিত ও বিশ্বস্ত সেনবাহিনীর কাছে অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষ্মণ সেনের সেনাবাহিনী যুদ্ধ না করে জীবন বাঁচাতে পলায়ন করে। সেই সাথে লক্ষ্মণ সেনও সেদিন পলায়ন করেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বখতিয়ার খিলজি বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন। আসলে সেদিন সেখানে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।উদ্দীপকের প্রতিফলিত দিকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা কর।
- ১৯৭১ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ আর লাখো শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পথ চলায় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী ছাড়াও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এদেশীয় রাজাকার শ্রেণি। গণহত্যা, লুট, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ নানা ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডে শামিল হয় তারা। কিন্তু এদেশের স্বাধীনতার জয়যাত্রায় কোনোভাবেই তারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এদেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এদেশে স্বাধীন হয়েছে।"বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ রাজাকারদের বিরুদ্ধে জেগে উঠলেও সিরাজউদ্দৌলার প্রজারা মীরজাফরদের বিরুদ্ধে জেগে ওঠেনি"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে দেশের জনমানুষ সুসংহত হতে থাকে। সকলে পরাশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার শপথ নেয়। এ সময় কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী ব্যক্তিবর্গ প্রতিপক্ষের সাথে শলাপরামর্শ করে স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য। অথচ দেশবিরোধীরা ধর্মগ্রন্থ নিয়ে শপথ করে যে তারা দেশের স্বার্থে ও নেতার পক্ষে কাজ করবে। তাদের মধ্যে আবার কেউ বলে, বাইবেলের কসম আমার জীবন দেশের কল্যাণে উৎসর্গকৃত।'দেশের স্বার্থ তারা জলাঞ্জলি দিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে চায়'- মন্তব্যটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- ‘আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে' বলতেনবাব বোঝাতে চেয়েছেন—
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটির 'বুড়িঘাট' যুদ্ধের শত্রুপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের কাছাকাছি চলে আসে। সহযোদ্ধাদের অপ্রস্তুতির বিষয়টি টের পেয়ে মুন্সি আবদুর রউফ মেশিনগানের গুলি চালিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে সহযোদ্ধারা প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাক্কালে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ। পরাস্ত হয় শত্রুপক্ষ।"উদ্দীপকে বিজয়ের বারতা থাকলেও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'পরাজয় ঘটেছে দেশপ্রেমিক শক্তির।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
- ক্লাইভ সিরাজউদ্দৌলাকে দ্রুত হত্যা করতে চেয়েছিল কেন? ব্যাখ্যা করো।
- মসনদে একটি মাত্র দিনের জন্য মাথা উঁচু করে বসার ইচ্ছা ছিল কার?