’কাঁটাতারে প্রজাপতি’ কে লিখেছেন-
A. নাসরীন জাহান
B. সেলিনা হোসেন
C. নূরজাহান বেগম
D. পূরবী বসু
সঠিক উত্তরঃ
B.
সেলিনা হোসেন
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কবিতার কবির ব্যক্তি জীবন কীভাবে ধরা পড়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'পুষ্পারতি' বলতে বোঝানো হয়েছে-ফুলের বন্দনাফুলের নিবেদনফুলের সৌরভনিচের কোনটি সঠিক?
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয় কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি নাটকীয় গুণসম্পন্ন।"- ব্যাখ্যা কর।
- মাঘের সন্ন্যাসী' দিগন্তের কেমন পথে চলে গেছে?
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় দু'ধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা- তোমার মন ভালো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই বন্ধু। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'উদ্দীপকের বাতেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? উভয়ের ভূমিকার তুলনা করো।
- 'নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছ নয়নে নয়নেহৃদয় তোমারে পায় না জানিতে রয়েছ হৃদয়ে গোপনে' উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার যে বৈশিষ্ট্য প্রকটিত তা হলো-
- 'নয়ন তোমার পায়না দেখিতে রয়েছো নয়নে নয়নে হৃদয় তোমায় পায় না জানিতে রয়েছো হৃদয় গোপনে 'নিচের কোন চরণটিতে উদ্দীপকের ভাবের প্রতিফলন লক্ষণীয়
- আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে আছে তাহার জন্য। উদ্দীপকের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ভাবের মিল পাওয়া যায়?রিক্ততার হাহাকারদুঃসহ বিষণ্ণতাউদাসীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির উদাসীনতার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- 'যে করে সেই কর্তা/কর্তা যাহা করে _____ বলে জানি তাহা কারকের বিচারে’ শূন্যস্থানে কী বসবে?
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।উদ্দীপকের রতনের সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির মিল কোথায়? যুক্তি দাও।
- সাধারণত ঈদের দিন প্রচণ্ড আনন্দে মেতে ওঠেনীলিমা। সালামি নেওয়া, ঘোরাঘুরি করা এসব নিয়েইদিন কাটে তার। কিন্তু আজ মাকে মনে পড়ায় সেসবের কোনোটিই করতে ইচ্ছা হলো না তার । উদ্দীপকের নীলিমা ও 'তাহারেই পড়ে মনে'কবিতার কবি দুজনই—
- ‘কুহেলী উত্তরী তলে-সন্ন্যাসী’ উদ্ধৃতির শূন্যস্থানে বসবে-
- বর্ষায় বাংলার প্রকৃতি যেন ভিন্ন এক রূপের পসরা সাজায়। বিলের বুকে কলমিলতা, শাপলার অনাবিল সৌন্দর্য, পানকৌড়ির লুকোচুরি- কার না ভালো লাগে। কিন্তু শিল্পী নাজমা বিলের ধারে বেড়াতে এসেও যেন কেন আনমনা হয়ে আছেন। এমনি এক বর্ষায় নৌকাডুবিতে চিরতরে হারিয়ে যায় তার স্নেহের দুটি ভাই-বোন। শাপলা-শালুকভরা শ??শ্বত বাংলার বর্ষা প্রকৃতি দেখেও আজ তাই কণ্ঠশিল্পী নাজমার কণ্ঠে ধ্বনিত হয় না কোনো গান। তার হৃদয় জুড়ে শুধুই বিষণ্ণতা।"উদ্দীপকের কণ্ঠশিল্পী নাজমার সাথে কবি বেগম সুফিয়া কামালের শিল্পী সত্তার তাৎপর্যপূর্ণ মিল রয়েছে"- উক্তিটির মূল্যায়ন কর।
- "শুনি-নাই, রাখিনি সন্ধান।" কবি কিসের সন্ধান রাখেন নি?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কে গন্ধে অধীরআকুল হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছে?
- নাহি জানি, কেহ নাহি জানেতব সুর বাজে মোর গানেকবির অন্তরে তুমি কবিনও ছবি নও ছবি, নও শুধু ছবিউদ্দীপকের 'তব সুর বাজে মোর গানে' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার যে দিকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিকে নাটকীয় গুণসম্পন্ন কবিতা বলা হয় কেন?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জ??, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকের সেঁজুতি জামানের মনোভাব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- দরিদ্র রিকশাচালক রাশেদুলের মেয়ে রেবেকা এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী। সে মেধাবী ছাত্রী। রাশেদুলের স্বপ্ন রেবেকা বড় ডাক্তার হবে। মেয়ের পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য সে দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করে। রেবেকাও স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দিনরাত এক করে নিজেকে প্রস্তুত করছে। কিন্তু হঠাৎ আসা কালবৈশাখী ঝড়ের মতো বাবার মৃত্যু রেবেকার জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। রেবেকা তার লক্ষ্য থেকে ছিটতে পড়ে। বাবার মৃত্যুশোক তাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। অতঃপর ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে নিয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে চলে ইট-পাথরের যান্ত্রিক জীবনের পথে।উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলভাব একই সূত্রে গাঁথা- বিশ্লেষণ কর।
- "চলে যায় মরি হায় বসন্তের দিন।দূর শাখে পিক ডাকে বিরাম বিহীন।অধীর সমীর- ভরে উচ্ছ্বসি বকুল ঝরে,গন্ধ সনে হল মন সুদূরে বিলীন।পুলকিত আম্রবীথি ফাল্গুনেরই তাপে,মধুকর গুঞ্জরণে ছায়াতল কাঁপে।কেন আজি অকারণে সারা বেলা আনমনেপরানে বাজায় বীণা কে গো উদাসীন।"উদ্দীপকের বসন্ত বর্ণনার সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বসন্ত বর্ণনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- বাঙালি নারীর আত্মজাগরণে যে নারীর অবদান বেশি, তিনি হলেন রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। বিবাহের পর উদার মানসিকতার অধিকারী স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের, পরম মমতায়। ও সহযোগিতায় এবং নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তিনি স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন। আত্মশুদ্ধি ও নিজের জানার জগৎকে পরিশুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে, তিনি সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর সাহিত্য সাধনায় বাঙালি মুসলিম নারী সমাজই মুখ্য হয়ে ওঠেন। সাহিত্য সাধনায় যখন তিনি নিয়োজিত তখন হঠাৎ করে • তাঁর প্রাণপ্রিয় স্বামী পরপারে যাত্রা করেন। এতে তিনি মর্মাহত হন। বিষাদপূর্ণ অন্তরে আপন কর্ম সম্পাদনের জন্য কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গালর্স স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে আজ বাঙালি নারী সমাজ মুক্ত-স্বাধীনভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করছেন।তুমি কি মনে করো যে উদ্দীপকের স্বামী বিয়োগের হাহাকার এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির অন্তরের হাহাকার একই সূত্রে গাঁথা? পক্ষে বা বিপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'উত্তরী' শব্দের অর্থ কী?