‘আমার পথ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক কীভাবে নিজেকে নিজের
কর্ণধার করে তুলেছেন?
A.
জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে
B.
স্পষ্ট মত প্রকাশের মাধ্যমে
C.
আত্মসত্য অর্জনের মাধ্যমে
D.
অবিনয় প্রকাশের মাধ্যমে
সঠিক উত্তরঃ
C.
আত্মসত্য অর্জনের মাধ্যমে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা উপন্যাস?
- যাকে অপদার্থ, অকর্মণ্য বলে উপহাস করা হচ্ছে, তাকে যদি কেউ সাহস দেয়, এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ এবং সহযোগিতার হাত বাড়ায়, তবে সেই মানুষটির মানসিক ও আত্মিক বিবর্তন ঘটবে। এতে অলস পরিশ্রমী হতে পারে, অপ্রতিভ সপ্রতিভ হবে, ভীরু সাহসী হবে, মূর্খ বিদ্বান হবে, দুর্বল বলবান হতে পারে। এর অন্যতম কারণ, সেই মানুষটির অন্তর্নিহিত সত্যের বিকাশ।"আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে" উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'সম্মার্জনা' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- আত্মবিশ্বাসী মানুষই সাফল্যের পথে এগিয়ে যান। তিনি অন্যের মত ও পথের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেও নিজের সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। অন্যের উপর নির্ভরতা তার লক্ষ্য নয়। নিজেকে চিনে এবং নিজের বিশ্বাসকে বড় মনে করার মধ্য দিয়েই তিনি কল্যাণকর কিছু করতে পারেন।'আত্মনির্ভরশীলতার মধ্য দিয়েই একজন ব্যক্তি বা একটি জাতি উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছতে পারে। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম কত তারিখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন?
- আমার পথ' প্রবন্ধ অনুযায়ী অতি বিনয় প্রকাশে কী হয়?
- নজরুলের মতে, নিজের সত্যকে বড়ো করার দম্ভ-মাথা উঁচু করেপুরুষ করেডোন্ট কেয়ার ভাব আনেনিচের কোনটি সঠিক?
- যৌবনের পুজারি কে?
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য হলো-
- "আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে"- বুঝিয়ে লেখো।
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কী ফুটে উঠেছে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম সবচেয়েবড় ধর্ম বলতে কোন ধর্মের উল্লেখ করেছেন?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়?
- জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে 'বিশ্বাস' অর্থাৎ 'আত্মবিশ্বাস' শব্দটি মানবমনের এম শক্তির প্রতীক, যার কোনো যৌক্তিক সীমানা নেই। তবুও আত্মবিশ্বাসের ভালো উদাহরণ হিসেবে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ নাট্যকার 'জর্জ বার্নার্ডশ' এর নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি মাত্র ৫ বছর স্কুলে লেখাপড়া করেছেন। দারিদ্র্যের কারণে মাত্র ১৫ (পনেরো) বছর বয়সে মাসে ৪০ টাকা বেতনে কেরানির কাজ নেন। কিন্তু তিনি লেখক হতে চেয়েছিলেন এবং বিশ্বাস করতেন একদিন বড়ো লেখক হবেন। তাই' তিনি নিয়মিত লেখা শুরু করেন। লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে তাঁর নয় বছর সময় লেগেছিল। লেখক জীবনের প্রথম নয় বছরে তাঁর লেখা থেকে আয় হয়েছিল মাত্র ৩০০ টাকা। কিন্তু তাঁর বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। লেখক হিসেবেই পরবর্তীতে উপার্জন করেছেন প্রচুর টাকা।উদ্দীপকের জর্জ বার্নার্ড শ-এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাথে 'আমার পথ' রচনার প্রাবন্ধিকের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাদৃশ্য বিচার করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে নজরুলের মতে পরাবলম্বনআমাদের কী করে তুলেছে?নিষ্ক্রিয়বিনাসীদাসনিচের কোনটি সঠিক?
- বুদ্ধদেব বলেন, ‘সত্য কখনো নিষ্ঠুর, তবে সর্বক্ষেত্রেজয়ী।' উদ্দীপকে তুলে ধরা হয়েছে 'আমার পথ' প্রবন্ধেপ্রকাশিত— ধারণা ।
- 'সবচেয়ে বড় দাসত্ব' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- "যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।"- ব্যাখ্যা কর।
- মামুন, মার্টিন এবং শম্ভু তিন সহপাঠী। ঈদ উপলক্ষেমার্টিন মামুনের বাড়িতে অসঙ্কোচে যেতে পারলেও শম্ভুযেতে পারে না। তার রয়েছে পারিবারিক বাধা।উদ্দীপকের শম্ভুর সাথে আমার পথ' প্রবন্ধের লেখকেরস্বাতন্ত্র্য কীসে?
- 'মানুষ ভজলে/সোনার মানুষ হবি'-উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে-
- ‘না বুঝে বোঝার ভন্ডামি করে পাঁচজনের শ্রদ্ধা আর প্রশংসা পাবার লোভ আমি কোনোদিনই করব না ।’ -উক্তিটি কার?
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'রাজবন্দীর জবানবন্দী’ হল-
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধে লেখকের মতে, মানুষ নিষ্ক্রিয়হয়ে পড়ে কেন?
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে'- কোন লেখকের উক্ত?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর রচনা—