"যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।"- ব্যাখ্যা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা কোনটি?
- স্বার্থ-সুখ চাহি না কো, আত্মনিষ্ঠ কেহ মোরা নয়;পরার্থে কবির বিশ্বে সর্ব বিসর্জনআমাদের আত্মত্যাগে প্রতিগৃহে নামিবে অভয়মর্ত্যের মাটিতে হবে স্বর্গের সৃজন।"উদ্দীপকের কবিতাংশের বক্তব্যে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাব ফুটে ওঠেনি।"- এ সম্পর্কে তোমার যুক্তি দাও।
- আমি জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অন্তরে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছি। কত রাত্রি অনুশোচনায় ঘুম হয় নাই। এখন ভুল বুঝতে পেরেছি। এখন সোজা এই বুঝেছি যে, আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব, বলে বেড়াব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোট হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মনির্যাতন ভোগ করব না।উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধটির আংশিক দিক প্রতিফলিত হয়েছে- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- ভুলের মধ্যে দিয়ে কীভাবে সত্যকে পাওয়া যায়?
- সময় গেলে সাধন হবে না' গানটির রচয়িতা কে?
- ‘আমার কর্ণধার আমি । আমায় পথ দেখাবে......’- কে পথ দেখাবে?
- শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে যা বললেন তা বুঝতে পারল পূর্বপ্রস্তুতি নেওয়াকয়েকজন শিক্ষার্থী। শিক্ষকতো আছেনই বোঝানোর জন্য, এইভরসায় যারা শ্রেণিকক্ষে গিয়েছিল তাদের অর্জন শূন্য। উদ্দীপকের 'শিক্ষক' 'আমার পথ' প্রবন্ধের কার সাথেসাদৃশ্যপূর্ণ?
- আত্মাকে চিনলে কী আসে?
- কোন লেখককে ভারত সরকার পদ্মভূষণ উপাধিতে ভূষিত করেন?
- স্বার্থ-সুখ চাহি না কো, আত্মনিষ্ঠ কেহ মোরা নয়;পরার্থে কবির বিশ্বে সর্ব বিসর্জনআমাদের আত্মত্যাগে প্রতিগৃহে নামিবে অভয়মর্ত্যের মাটিতে হবে স্বর্গের সৃজন।উদ্দীপকের সঙ্গে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- 'মানসিক উন্নতি করিতে হইলে হিন্দুকে হিন্দুত্ব বা খ্রিস্টানকে খ্রিস্টানি ছাড়িতে হইবে, এমন কোন কথা নাই। আপন আপন সম্প্রদায়ের পার্থক্য রক্ষা করিয়া ও মনটাকে স্বাধীনতা দেওয়া যায়।’ উক্তিটি কার?
- আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস্আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।উদ্দীপকের ভাবের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যেলাইনটির ভাবগত সাদৃশ্য প্রত্যক্ষ করা যায়-
- কে বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পায় না?
- নিজেকে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সক্রেটিস বলেছেন, 'নিজেকে জানো।' এ কথা সকলেই জানে যে, আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে নির্মিত হয় ব্যক্তিত্ববোধ। আর প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরাধীনতার জাল থেকে বের করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সুতরাং, ইচ্ছাশক্তি ও সত্য পথকে ধারণ করে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে।উদ্দীপকের 'নিজেকে জানো' এই কথাটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করে কি না তা নিজের ভাষায় তুলে ধরো।
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম আত্মাকে চিনতে বলেছেন কোন প্রয়োজনে?
- 'কুহেলিকা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
- একসাথে আছি একসাথে বাঁচিআরও একসাথে থাকবই।সব বিভেদের রেখা মুছে দিয়েসাম্যের ছবি আঁকবই।উদ্দীপকে ‘আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটেউঠেছে?
- মানুষ-ধর্মকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয় কেন?
- কোন গুচ্ছটি সঠিক?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে কীভাবে সত্যকে পাওয়াযায়?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস?
- "যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।"- ব্যাখ্যা কর।
- কাজী নজরুল ইলামের 'বিদ্রোহী' কবিতার ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্যটি ঠিক?
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।উদ্দীপকের প্রকাশিত 'সত্য' 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?