‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
A. গোলাম মোস্তফা
B. কামিনী রায়
C. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
D. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তরঃ
D.
কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation: ‘সর্বহারা’ কাজী নজরুল ইসলামের একটি জীবনীমূলক কাব্য। তাঁর রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্হ হচ্ছে-অগ্নি-বীণা, বিষের বাঁশি, সাম্যবাদী, দোলন-চাঁপা প্রভৃতি।
Related Questions (Any University/Year)
- অর্ফিয়াসের ভালোবাসার পাত্রীর নাম কী ছিল?
- নিচের কোন রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামকে কারাবরণ করতে হয়-
- আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস আমি আপনারা ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।এমন সাদৃশ্যে যে ভাবটি মূর্তমান-
- ইন্দ্রাণী-সুত এর হাতে ও কপালে কী থাকে?
- “নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ!মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ!নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বেত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।”পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহে ছিলেন হিমালয়ের মতো সুউচ্চ এবং জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মতো দহন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রেমের ক্ষেত্রে ছিলেন স্রোতঃস্বিনী নদীর জোয়ারের মতো। তাঁর প্রেমের ফেনায়িত তরঙ্গ কুল ছাপিয়ে একাকার হয়ে গেছে। বিদ্রোহের পিছনেও ছিল তাঁর খরস্রোতা নদীর মতো দেশপ্রেম।"উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতাটি একই সূত্রে গাঁথা।"- বিশ্লেষণ করো।
- একদল অভিযাত্রী পাহাড়ের চূড়ায় ওঠার তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যাত্রা শুরু করে। মাঝপথে শুরু হয় তীব্র ঝড়। সবাই সমস্বরে নিচে নামার জন্য চিৎকার করে। যাত্রীদের অধিনায়ক সবার সঙ্গে সুর না মিলিয়ে বলেন, 'ভয় পাই না এই ঝড়কে'। আরও বলেন, 'আমি নিজেই সাইক্লোন, এই মামুলি ঝড় আমার কী করবে?''আমি নিজেই সাইক্লোন মামুলি ঝড় আমার কী করবে?'- উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ পত্তি কোনটি?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় নিচের কোনটি সৃষ্টির ধ্বংসকালকে নির্দেশ করে?
- পিনাক-পাণি' বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
- লেনিন ভেঙেছে রুশে জনস্রোতে অন্যায়ের বাঁধ, অন্যায়ের মুখোমুখি লেনিন প্রথম প্রতিবাদ।' উদ্দীপকের চরণদ্বয় 'বিদ্রোহী' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- কোনটি নজরুলের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- তিথি অত্যন্ত রাগী প্রকৃতির মেয়ে। ক্রোধান্বিত হলেহিতাহিত জ্ঞান থাকে না। তিথির সাথে 'বিদ্রোহী'কবিতায় কার মিল রয়েছে?
- যার মনে মানবপ্রেম নেই, মসজিদে কিংবা মন্দিরে গিয়ে যতই ক্রন্দনরত অবস্থায় থাকুক, সৃষ্টিকর্তার প্রেম সে পাবে না, পেতে পারে না। সৃষ্টিকর্তা সবার প্রতি করুণা করেন কিন্তু প্রেম সবার ললাটে জোটে না। যে ব্যক্তির হৃদয় অভাবী, অসহায়, নিঃস্ব এতিম ও দূর্বলকে দেখে আপ্লুত হয় না, কষ্টে চিত্ত ব্যর্থিত হয় না; তার মনে প্রেম নেই, মায়া নেই, কোনো মমতা নেই। স্রষ্টার প্রিয়পাত্র সে হতে পারে না।'বিদ্রোহী' কবিতায় কোন দিকটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে? আলোচনা কর।
- 'দারিদ্র্য' কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যর অন্তর্ভুক্ত?
- কাজী নজরুল ইসলামের "বিদ্রোহী" কবিতা প্রকাশিত হয় কোন সালে?
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে' এ প্রার্থনা করেছে-
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য।' চরণটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় কোন সালে?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
- ১৯৭২ সালে কার উদ্যোগে বিদ্রোহী কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব ও জাতীয় কবির স্বীকৃতি দেওয়া হয় ?
- সঞ্চিতা’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন সনে প্রথম প্রকাশিত হয়?
- কবি কার কুঠার দিয়ে বিশ্বকে নিষ্ক্রিয় করবেন?
- কাজী নজরুল ইসলামের বাল্য স্মৃতি বিজরিত ময়মনসিংহের স্থানটির নাম কী?
- 'হয় ধান নয় প্রাণ' এ শব্দেসারাদেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয় জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকে প্রতিফলিত চেতনা 'বিদ্রাহী' কবিতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে কি?