‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন সনে প্রথম প্রকাশিত হয়?
A. ১৯২৩ সন
B. ১৯২১ সন
C. ১৯১৯ সন
D. ১৯১৮ সন
সঠিক উত্তরঃ
C.
১৯১৯ সন
Explanation: ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে কবি নজরুল ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি লেখেন। আর তা ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এ কবিতাটি তার প্রথম প্রকাশিত ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা। ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যে মোট বারোটি কবিতা স্থান পেয়েছে। এ কাব্যের আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কবিতা- প্রলয়োল্লাস (প্রথম কবিতা), রক্তাম্বরধারিণী মা, ধূমকেতু, খেয়াপারের তরণী, কামালপাশা।
Related Questions (Any University/Year)
- সঞ্চিতা’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকেআমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে,এতো বিদ্রোহ কখনো দেখেনি কেউ,দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ;স্বপ্ন-চূড়ার থেকে নেমে এলো সব-শুনেছ? শুনছ উদ্দাম কলরব?নয়া ইতিহাস লিখছে ধর্মঘট;রক্তে রক্তে আঁকা প্রচ্ছদপট।'প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত,দেখ আজ তারা সবেগে সমুদ্যত;উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সংগতিপূর্ণ?
- আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস আমি আপনারা ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।উদ্দীপকের ভাবের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে লাইনটির ভাবগত সাদৃশ্য প্রত্যক্ষ করা যায়-
- 'আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!'- ব্যাখ্যা করো।
- শিউলিমালা কাজী নজরুলের-
- ‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত?
- ইন্দ্রানী-সুতের হাতে কী ছিল?
- ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- এ কারবালার ময়দানে ইমাম হোসেন তাঁর বাহাত্তর জন সঙ্গীসহ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। শত অনুরোধ ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তিনি সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেছেন। মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি। সকলেই যখন অর্থলোভে, রাজ্যলোভে বা মৃত্যুভয়ে ইয়াজিদের বশ্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন, তখন তিনি একাই ইয়াজিদি শাসনের ভীত কাঁপিয়ে দিয়েছেন।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য কোন দিক থেকে?- ব্যাখ্যা করো।
- ‘বিদ্রোহী' কবিতায় কবি কাকে কুর্নিশ করেন ?
- 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ তূর্য'- পঙ্ক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম - এর 'বিদ্রোহী' কবিতা প্রকাশিত হয়-
- শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র।বজ্রের হুংকারে শৃঙ্খল ভাঙতে সংগ্রামী জনতা অতন্দ্র।আর-নয়।তিলে তিলে বাঙালির এই পরাজয়।আর করি না করি না ভয়।জয় বাংলা বাংলার জয়।"উদ্দীপকে বাঙালির জাগরণী চেতনা আর 'বিদ্রোহী' কবিতার জাগরণী চেতনা মূলত একসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটির যৌক্তিকতা 'বিচার করো।
- 'ভাঙাঘর, ফাঁকা, ভিটেতে জমেছে নির্জনতার কালো, হে মহা মানব, এখানে শুকনো পাতায় আগুন জ্বালো।' উদ্দীপকে বিদ্রোহী কবিতার কোন ভাবের প্রতিফলন হয়েছে?
- "শির নেহারি' আমারি, নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির।"- এখানে মূলত কী প্রকাশ পেয়েছে?
- একদল অভিযাত্রী পাহাড়ের চূড়ায় ওঠার তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যাত্রা শুরু করে। মাঝপথে শুরু হয় তীব্র ঝড়। সবাই সমস্বরে নিচে নামার জন্য চিৎকার করে। যাত্রীদের অধিনায়ক সবার সঙ্গে সুর না মিলিয়ে বলেন, 'ভয় পাই না এই ঝড়কে'। আরও বলেন, 'আমি নিজেই সাইক্লোন, এই মামুলি ঝড় আমার কী করবে?''আমি নিজেই সাইক্লোন মামুলি ঝড় আমার কী করবে?'- উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ পত্তি কোনটি?
- কবি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা কোনটি?
- কবি নিজেকে কার শিষ্য বলে ঘোষণা করেছেন?
- কবি নিজেকে 'অর্ফিয়াসের বাঁশরী' বলেছেন কেন?
- নিচের কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ?
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ- তূর্য;'- পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য।' চরণটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- “বিদ্রোহী” কবিতায় বিশিষ্ট মুনি দুর্বাসার মায়ের নাম কী?
- ভারতবর্ষের ইতিহাসে ক্ষুদিরাম, মাস্টার দা সূর্যসেন'ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বিখ্যাত নাম। বৃটিশদের অত্যাচার থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করার মানসে নিজেদের বিপ্লবী হিসেবে গড়ে তোলেন। তাঁরা বৃটিশ শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও বিপ্লবের ঝান্ডা উড়িয়ে তাদের ভিত্তি প্রকম্পিত করেন।'বিদ্রোহী' কবিতায় কাজী নজরুল ইসলামের যে আমি সত্তার পরিচয় পাওয়া যায় তা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। উক্তিটির যথার্থতা উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার আলোকে মূল্যায়ন কর।