'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ- তূর্য;'- পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
A.
ভালোবাসা ও ঘৃণার যুগপৎ অবস্থান
B.
প্রেম ও দ্রোহের যুগপৎ অবস্থান
C.
নতুন ও পুরাতনের যুগপৎ অবস্থান
D.
ভালো ও মন্দের যুগপৎ অবস্থান
সঠিক উত্তরঃ
B.
প্রেম ও দ্রোহের যুগপৎ অবস্থান
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাশরী আর হাতে রণ-তূর্য'- পঙক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'বিদ্রোহী' কবিতার কবি কার বুকের ক্রন্দনশ্বাস?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোন কবিতা রচনার জন্য কারাবরণ করেন?
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য।' চরণটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- ‘ফণি-মনসা’ কাব্যের রচয়িতা কে?
- “নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ!মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ!নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বেত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।”পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
- 'পাশরি' শব্দের অর্থ কী?
- “ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে” কে এই দামাল ছেলে?
- কবি নিজেকে মহাপ্রলয়ের নটরাজ বলেছেন কেন?
- মম এক হাতে বাঁকা বাশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- ‘চির উন্নত মম শির'— কথাটি কীসের পরিচায়ক?
- যার মনে মানবপ্রেম নেই, মসজিদে কিংবা মন্দিরে গিয়ে যতই ক্রন্দনরত অবস্থায় থাকুক, সৃষ্টিকর্তার প্রেম সে পাবে না, পেতে পারে না। সৃষ্টিকর্তা সবার প্রতি করুণা করেন কিন্তু প্রেম সবার ললাটে জোটে না। যে ব্যক্তির হৃদয় অভাবী, অসহায়, নিঃস্ব এতিম ও দূর্বলকে দেখে আপ্লুত হয় না, কষ্টে চিত্ত ব্যর্থিত হয় না; তার মনে প্রেম নেই, মায়া নেই, কোনো মমতা নেই। স্রষ্টার প্রিয়পাত্র সে হতে পারে না।'বিদ্রোহী' কবিতায় কোন দিকটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে? আলোচনা কর।
- ১৯৭২ সালে কার উদ্যোগে কাজী নজরুল ইসলামকেসপরিবার স্বাধীন বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব ওজাতীয় কবির স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
- 'আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!'- ব্যাখ্যা করো।
- ১৯৭২ সালে কার উদ্যোগে বিদ্রোহী কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব ও জাতীয় কবির স্বীকৃতি দেওয়া হয় ?
- 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- প্রিয় লাঞ্ছিত বুকে গতি ফের'- কাজী নজরুল ইসলামের এই গতির কারণ -লাঞ্ছিতের প্রতি মানবতাতাদের দঃখ অনুভবঅসহায়দের মুক্তির প্রেরণাশক্তি নিচের কোনটি সঠিক?
- কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ হলো- অগ্নিবীণাসঞ্চিতা গীতাঞ্জলিনিচের কোনটি সঠিক?
- 'ভাঙা ঘর, ফাঁকা ভিটেতে জমেছে নির্জনতার কালোহে মহামানব, এখানে শুকনো পাতার আগুন জ্বালো ।'উদ্দীপকে 'বিদ্রোহী' কবিতার কোন ভাবের প্রকাশ ঘটেছে? -
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তুর্য।'- কথাটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- কবি কার কুঠার দিয়ে বিশ্বকে নিঃক্ষত্রিয় করবেন?
- আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর,আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই বড়াই যে মোরে করেছে পর।যে মোরে করিল পথের বিবাগী-পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি,দীঘল রজনী তার তরে জাগি' ঘুম যে হরেছে মোর;আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তর ঘর।"উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রতিফলিত চেতনা 'বিদ্রোহী' কবিতার মর্মকথারই প্রতিরূপ।"- বিশ্লেষণ করো।
- কোন কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্য নিষিদ্ধ হয়?
- আমার কণ্ঠকে কেউ কোনদিন থামাতে পারেনি, যেমন পারেনি কেউ কোনকালে ঠেকাতে অরুণোদয়, চাও বা না চাও নৈঃশব্দ্যেও যদি কান পাতো শুনবে আমারই কণ্ঠস্বর।নিচে কোন পঙক্তির সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য আছে?
- শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র।বজ্রের হুংকারে শৃঙ্খল ভাঙতে সংগ্রামী জনতা অতন্দ্র।আর-নয়।তিলে তিলে বাঙালির এই পরাজয়।আর করি না করি না ভয়।জয় বাংলা বাংলার জয়।"উদ্দীপকে বাঙালির জাগরণী চেতনা আর 'বিদ্রোহী' কবিতার জাগরণী চেতনা মূলত একসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটির যৌক্তিকতা 'বিচার করো।