‘কাশবনের কন্যা’ গ্রন্থটির লেখক কে?
A. আবুল কালাম শামসুদ্দিন
B. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
C. আবুল ফজল
D. জসীমউদ্দীন
সঠিক উত্তরঃ
B.
শামসুদ্দীন আবুল কালাম
Explanation: গ্রামীণ জীবনের সুখ, দুঃখ, আশা, বিশ্বাস নিয়ে রচিত শামসুদ্দীন আবুল কালামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘কাশবনের কন্যা’। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো- আলমনগরের উপকথা, জায়জঙ্গল, সমুদ্র বাসর, কাঞ্চনমালা, কাঞ্চনগ্রাম। অনেক দিনের আশা, পুঁই ডালিমের কাব্য, শাহের বানু, পথ জানা নেই, ঢেউ, দুই হৃদয়ের ঢেউ তার বিখ্যাত গল্পগ্রন্হ।
Related Questions (Any University/Year)
- কে তুমি? পার্সি? জৈন? ইহুদি? সাঁওতাল, ___, গারো?
- ক) কাব্যাংশটির ভেতরের সংলাপে জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি' নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কেন?খ) মেঘনাদের সংলাপের মূলভাব অনধিক পাঁচ বাক্যে ব্যক্ত কর।গ) যে ভঙ্গি ও স্বরে বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ ঘৃণা ব্যক্ত করেছেন তা নিজের ভাষায় লেখ । ঘ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে কাব্যাংশটির সাদৃশ্য রয়েছে- কীভাবে?
- ‘শঙ্খমালা' নামের রূপসী কী রঙের শাড়ি পরে আছে?
- 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় সন্ধ্যারবাতাসে কী উড়ে যায়?
- ঐকতান শব্দের অর্থ কী?
- "সৌদামিনি মালো" গল্পে- 'মালো' শব্দের অর্থ-
- 'শ্বাপদ' শব্দের অর্থ হলো-
- হাসান সাহেব দীর্ঘ ১২ বছর পর গ্রামে ফিরে তাঁর গরিবআত্মীয়দের বাড়িতে গেলেন। তাঁর দামি গাড়ি, দামিপোশাক আর আচরণগত পরিবর্তন দেখে আত্মীয়রা সমাদরকরার সাহসই পেল না। তিনি হতাশ হয়ে শহরে ফিরলেন। হাসান সাহেবের মতো 'ঐকতান' কবিতার কবিরঅতৃপ্তির কারণ কী?
- প্রাচীনকালে কোনো এক রাজ্যে নাকি মানুষ গাছপালা কেটে উজাড় করে দিত। রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা মানুষের এ ধরনের অবিবেচনা-প্রসূত নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে উদবিগ্ন হয়ে পড়েন। সবুজ নিধনের এই ভয়ংকর বাজে অভ্যাস বন্ধে তখন দেশে এক কঠোর আইন প্রণীত হয়। এ আইনে ব্যক্তিগত গাছসহ যেকোনো ধরনের গাছপালা কাটার ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। বর্তমান সময়ে পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সবুজ বৃক্ষরাজি সংরক্ষণের আন্দোলন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু, মানুষের গাছপালা নিধনের প্রবণতা এখনো রয়েই গেছে।"উদ্দীপকে বর্ণিত 'কঠোর আইন'-এর উদ্দেশ্য ও 'সেই অস্ত্র' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষা অভিন্ন।" বিশ্লেষণ করো।
- ’দুর্ভাগা ওদের; সবে ভরা কলসী কাঁখে আর্দ্র বস্ত্রে নদীর ভাঙ্গুনতি ভেঙ্গে ওপরে উঠে বাড়ির পথ ধরেছে ঠিক সে সময়টাতেই পাঁচজন যমদূতের চোখে পড়ে ওরা - মা মেয়ে।’ এ যমদূত কারা?
- ‘হৈমন্তী’ তে ইহারা অন্য জাতের মানুষ বুঝানো হয়েছে-
- জাদুঘর গড়ে উঠেছিল-
- রবীন্দ্রনাথ ঐকতান বলতে বুঝিয়েছেন-
- 'ত্যজিল রাজ্য মানবের মহা বেদনার ডাক শুনি'- ব্যাখ্যা করো।
- কে মহাবেদনার ডাক শুনতেন?
- "পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল তার।" 'একুশের গল্প' এ কার অশ্রু কথা বলা হয়েছে?
- কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক..... দাঁত ভাল থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু।উদ্দীপকের মূলবক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- “মাসুদ রানা” সিরিজের লেখক কে?
- জীবনানন্দ দাশকে 'নির্জনতম কবি' বলে আখ্যায়িতকরেছেন—
- ‘সেই অস্ত্র’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে ভুলের মধ্য দিয়ে কীভাবে সত্যকে পাওয়া যায়?
- ‘শাহনামা’ কোন ভাষায় রচিত?
- 'জীবন-বন্দনা' কোন কাব্যগ্রন্থের কবিতা?
- 'ঘরটায় তেমন আলো নেই বটে কিন্তু দেখুন জানালার পাশেই সরকারি আলো।' কোন রচনার অংশ?
- লোকায়ত বিশ্বাস এই- শুকদেবপুর গ্রামে দূর অতীতে এক মহাপুরুষের জন্ম হয়েছিল। সকল ধর্মের অনুসারীরাই তাঁর কাছ থেকে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক মঙ্গল লাভের দিক নির্দেশনা পেতো। মানুষই সকল জ্ঞান আর প্রজ্ঞার আধার; প্রয়োজন কেবল সেই মানবাত্মার জাগরণ- ??ই ছিল মানবপ্রেমিক মহাপুরুষের সাধনার মূলকথা। তাঁর শিক্ষা ধারণ করে শুকদেবপুর গ্রাম সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির চরম শিখরে পৌঁছেছে। এখানে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা ধর্মভীরু হলেও তাদের মধ্যে নেই ধর্মীয় উন্মাদনা; ধর্ম তাদের কাছে শোষণহীন ন্যায় বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অবলম্বন।"উদ্দীপকের শুকদেবপুর গ্রামটি যেন 'সাম্যবাদী' সমাজেরই মূর্ত রূপ।"- মূল্যায়ন কর।