কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- অজ পাড়াগাঁয়ের মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল কালাম নিজের মুদি দোকানের সামান্য উপার্জনে কোনোভাবে সংসার খরচ নির্বাহ করেন। অজ্ঞ গ্রামবাসী অসুখ-বিসুখে প্রায়শই তার কাছে আসে টাকাপয়সার বিনিময়ে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজ নেওয়ার জন্য। কিন্তু মাওলানা সাহেব তা না করে রোগীদের শহরের ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন। তিনি গ্রামবাসীকে শিক্ষা দেন- ধর্ম ব্যাবসার বিষয় নয়, মানুষকে প্রতারণা বা নিপীড়নের জন্য নয়।উদ্দীপকের ইমাম সাহেবের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের আদর্শগত পার্থক্য নির্ণয় করো।
- 'বতোর দিন' কীসের সাথে সম্পর্কিত?
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'মন থেকে থেকে খাবি খায়' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- এনায়েত রসুলপুর মসজিদের ইমাম। সর্বদা এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকে সে। মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ায় সবাই তাকে মান্য করে। সুন্দর নূরানী চেহারা হওয়ায় এলাকার সবাই তাকে পীর সাহেব হিসাবে গণ্য করে। সে হঠাৎ ফতোয়া জারি করে সকল দান খয়রাত এলাকার মানুষ যেন মসজিদ মাদ্রাসায় দেয়। একথা শুনে এলাকার আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু এলাকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ মেহেরার কথায় সায় দেয় না বরং বিরোধিতা করে। তাদের ধারণা বাংলা, ইংরেজি পড়া স্কুল কলেজে পড়লে মানুষ শয়তানের দোসর হয়। পরকাল শেষ হয়ে যায়। তাই সকল দান খয়রাত, পড়াশুনা মসজিদ মাদ্রাসাভিত্তিক হওয়া দরকার।রসুলপুর গ্রামের এনায়েতের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য দেখাও।
- করিম মুন্সীর স্ত্রী মোমেনা বেশ সহজ-সরল। স্বামীর প্রতিতার বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতা প্রবল। সাধারণ মানুষেরসারল্য ও খোদাভীতিকে পুঁজি করে তার স্বাম?? তাবিজ বিক্রিকরে এবং পানি পড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে।উদ্দীপকের করিম মুন্সী ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়েরই ব্যাবসার উৎস হলো— প্রতারণা মানুষের সরলতাধর্মভীতিনিচের কোনটি সঠিক?
- তুহিন বন্ধুদের নিয়ে মধুখালী নদীর তীরে বেড়াতে গেল। তাদের খেয়া নৌকার মাঝি 'হানিফ' নদীর লঞ্চ টার্মিনালের পাশে আস্তানা গেড়েছে। গত তিনদিন আগেও যেখানে মানুষের নিশানা ছিল না; সেখানে লাল কাপড়ের সীমানা। ইতোমধ্যে সেখানে অনেক লোক জড়ো হয়েছে এবং 'হানিফ'কে ঘিরে জিকির করছে। হানিফের মহিমা বর্ণিত হচ্ছে। মাটিতে বিছানো লাল কাপড়ে টাকা-পয়সার স্তূপ।উদ্দীপকের বর্ণিত ঘটনার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনা অনুরূপ? ব্যাখ্যা করো।
- কাজীপুর গ্রাম থেকে শহর অনেকটা দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি উদার হাতে এ অঞ্চলের মানুষকে শস্যে ও সম্পদে সুখী রেখেছে। এ অঞ্চলের মানুষের দিন কাটে ফসলের ক্ষেতে, গৃহস্থালি কাজে, হাসি-উৎসবে ও প্রচলিত বিশ্বাসে। এ গ্রামের মাতব্বর ফরমান আলীর বাড়িতে এক পড়ন্ত বিকেলে মতলব মিয়া নামে অচেনা এক দরবেশের আগমন। দুর্গম পথ পার হয়ে আসা মতলব মিয়ার চোখে-মুখে-আশঙ্কা, উদ্বেগ ও স্বপ্নের বিচিত্র আভাস। সবার সামনে সে নিজেকে পীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে নানা রকম অলৌকিক কর্মকান্ডের গল্প বলতে শুরু করে।উদ্দীপকের মতলব মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ আত্মপরিচয়দানে ও আত্মপ্রকাশে কতটা অভিন্ন? মূল্যায়ন করো।
- লালসালু' উপন্যাসের জমিলা হয়ে উঠেছে-নারীধর্মের প্রতিনিধিহৃদয়ধর্মের প্রতিনিধিমানবধর্মের প্রতিনিধিনিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদ কার চোখে ভয় দেখেছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসটি প্রথম কত সালে প্রকাশিত হয়?
- কাজীপুর গ্রাম থেকে শহর অনেকটা দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি উদার হাতে এ অঞ্চলের মানুষকে শস্যে ও সম্পদে সুখী রেখেছে। এ অঞ্চলের মানুষের দিন কাটে ফসলের ক্ষেতে, গৃহস্থালি কাজে, হাসি-উৎসবে ও প্রচলিত বিশ্বাসে। এ গ্রামের মাতব্বর ফরমান আলীর বাড়িতে এক পড়ন্ত বিকেলে মতলব মিয়া নামে অচেনা এক দরবেশের আগমন। দুর্গম পথ পার হয়ে আসা মতলব মিয়ার চোখে-মুখে-আশঙ্কা, উদ্বেগ ও স্বপ্নের বিচিত্র আভাস। সবার সামনে সে নিজেকে পীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে নানা রকম অলৌকিক কর্মকান্ডের গল্প বলতে শুরু করে।উদ্দীপকের গ্রামজীবন যেন 'লালসালু' উপন্যাসের গ্রামজীবনের খণ্ডিতরূপ- এ মন্তব্য কতটা যৌক্তিক? বিশ্লেষণ করো।
- সাত ছেলের বাপের নাম কী?
- এমবিবিএস পাশ করে রাগিব গ্রামে ফিরে আসে-সেখানে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতেই গ্রাম্য কবিরাজ ফাহাদ খেপে ওঠে এবং ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে থাকে। গ্রামের মাতব্বর নওয়াজকে অর্থ দিয়ে হাত করে নেয় সে; রাগিবের প্রথম প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়। কিন্তু থেমে যায়নি রাগিব। শহরে গিয়ে ওপর মহলে তদবির করে সে সরকারি অনুমোদন ও অনুদান সংগ্রহ করে এবং গ্রামে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেই ছাড়ে।"উদ্দীপকের ফাহাদ-নওয়াজ আর 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ-খালেক ব্যাপারী-এরা সব একই সুতায় বাঁধা।"- উক্তিটি প্রমাণ করো।
- ‘জয়গুন’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- জলবসন্ত রোগে আক্রান্ত ছোট ছেলের চিকিৎসার জন্যসুমনবাবু মনোহারী বৈদ্যের কাছ থেকে পানিপড়া ??নিমপাতা নিয়ে আসেন। কলেজ পড়ুয়া বড় ছেলে রাজীবছোট ভাইকে হাসপাতালে নিতে চাইলে পিতার একগুঁয়েমিরকাছে সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে য??য়।উক্ত চরিত্রে যে বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে—
- জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদ হরনাথ বসু মানুষের অতীত, বর্তমান ওভবিষ্যৎ দ্রষ্টা বলেই সোনাপুর গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করে।বিপদে-আপদে রোগে-শোকে সোনাপুর গ্রামবাসী অনেকটাকা খরচ করে ভাগ্য গণনা করিয়ে হরনাথ বসুর নিকটহতে রত্ন পাথর গ্রহণ করে। গ্রামের রাজীব কিন্তুহরনাথের এই অলৌকিকতায় বিশ্বাস করে না।উদ্দীপকের সোনাপুর এবং 'লালসালু' উপন্যাসেরমহব্বতনগর গ্রামবাসীর প্রতারিত হওয়ার কারণ—অন্ধ ধর্মবিশ্বাসঅজ্ঞতা ও কুসংস্কারঅন্ধ ভাগ্যবিশ্বাসনিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদের সাংঘাতিক কাজ হলো— মিথ্যা কবরকে মাজার বানানোকোনোমতে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকাধর্মের নামে নিজের আখের গোছানোনিচের কোনটি সঠিক?
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ্' বলিত। সেই 'ফানাফিল্লাহ্'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন তাই জব্বার সময় একখণ্ড কালো মখমলের কাপড় দিয়া পীর সাহেবের চোখে মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে তা নির্ণয় কর।
- গ্রামের স্কুলশিক্ষক বাবা তমিজুদ্দীন তাঁর ছেলে রাসেলকে শহরের বড়ো প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষার জন্য পাঠায়। রাসেল ডাক্তার হয়ে বাবার মুখ উজ্জ্বল করে ফিরে আসে গ্রামে। তার ইচ্ছা গ্রামের অসহায়, দুস্থ রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তুলবে এবং তাবিজ কবজ, ঝাড় ফুঁক ও পানিপড়া প্রভৃতি অন্ধবিশ্বাস থেকে গ্রামবাসীেেদর মুক্ত করবে। কিন্তু ব্যাপারটা গ্রামের মোড়ল করিম খান মেনে নিতে পারে না। রাসেল যাতে গ্রামের মানুষদের সচেতন করতে না পারে সেই চেষ্টা করতে থাকে সে, কিন্তু রাসেল কোন দিকে কর্ণপাত না করে এগিয়ে যায় নিজের লক্ষ্যের দিকে।"উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস উভয়ই অন্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন জনজীবনের আলেখ্য।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- গ্রামের মানুষের চিকিৎসাহীনতার কথা বিবেচনা করে প্রবাসীবিত্তবান তরুণ স্বপন একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য সকলেরসাথে যোগাযোগ শুরু করলে গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তার আরকবিরাজ কটকৌশলে স্বপনকে নানাভাবে হেনস্থা করে।উদ্দীপকের স্বপন 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রকেস্মরণ করায়?
- সিকান্দার আবুজাফর কোন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদকছিলেন?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে'- ব্যাখ্যা কর।
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরর্তীকালে তিনি এই। এলাকায় বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।