‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটির রচয়িতা কে?
A. জহির রায়হান
B. শিশির ভাদুড়ী
C. শওকত ওসমান
D. মুনীর চৌধুরী
সঠিক উত্তরঃ
D.
মুনীর চৌধুরী
Explanation: ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী।
আবু নয়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী (২৭ নভেম্বর ১৯২৫ - ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১) ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী, বাগ্মী এবং বুদ্ধিজীবী।
তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী কর্তৃক বাংলাদেশী বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের অন্যতম একজন শিকার। তিনি তৎকালীন ঢাকা জেলার মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানাধীন গোপাইরবাগ গ্রামে।
রক্তাক্ত প্রান্তর (১৯৬২): পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনী এর মূল উপজীব্য। এতে তিনি যুদ্ধবিরোধী মনোভাব প্রকাশ করেন। নাটকটির জন্য তিনি ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘যে কবিতা শুনতে জানে না/ সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে’ কবিতাংশে ‘কবিতা’ শব্দটি কিসের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'ধন্যবাদ' কবিতায় ডলি কার নাম?
- কোন সম্পর্কটি ঠিক?
- “কতো ছবি কতো গান" গ্রন্থটির রচয়িতা কে ?
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।"উদ্দীপকে বিধৃত 'কীত্তনখোলা' নাটকে নাট্যকারের যে কীর্তি তা-ই অন্বিষ্ট ছিল 'ঐকতান' কবিতার কবির।"- আলোচনা করো।
- "দেশবন্ধু আসিয়াছে ক্ষুরধার পদ্মায় এবার,কালীদহে ক্লান্ত গাঙশালিখের ভিড়ে যেন।আসিয়াছে ঝড়,আসিয়াছে চণ্ডীদাস-রামপ্রসাদের শ্যামা সাথে সাথে তার;শঙ্খমালা, চন্দ্রমালা; মৃত শত কিশোরীরকঙ্কণের স্বর।"'রূপকথা ও চিত্রকল্পের' ব্যবহারে উদ্দীপকের সাথে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার সাদৃশ্য বিচার করো।
- পদ্মা নদীর মাঝি কে ?
- 'জীবন-বন্দনা' কোন কাব্যগ্রন্থের কবিতা?
- ‘শাশ্বত বঙ্গ’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- ‘পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসে হােসেন মিয়া গ্রামবাসীকে কোন্ দ্বীপে নিয়ে যেতে চায়?
- যৌবনের পূজারীদের দলে কোন ____________ নাই।
- ‘বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি’ কাব্যগ্রন্হটির রচয়িতা কে?
- ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত জাদুঘরেনানা ধরনের মূল্যবান ভাস্কর্য ও শিলালিপি দেখে সিমি খুববিস্মিত হলো। রাতে সে বাংলার প্রাচীন ও মধ্যযুগেরস্থাপত্য শিল্পের ওপর একটি নিবন্ধ লিখে ফেলল ।সিমি আসলে কোন জাদুঘর দর্শনে গিয়েছিল?
- রোহিনী কোন উপন্যাসের নায়িকা?
- হে সুন্দরী বসুন্ধরে, তোমা পানে চেয়েকতবার প্রাণ, মোর উঠিয়াছে গেয়েপ্রকান্ড উল্লাস ভরে, ইচ্ছা করিয়াছেসবলে আঁকড়ি ধরি এ বক্ষের কাছেসমুদ্র মেখলা পরা তব কটিদেশ;প্রভাত রৌদ্রের মতো অনন্ত অশেষব্যপ্ত হয়ে দিকে দিকে অরণ্যে ভূধরেকম্পমান পল্লবের হিল্লোলের পরেকরি নৃত্য সারাবেলা;উদ্দীপকের বর্ণনার সাথে 'ঐকতান' কবিতার যে দিকের মিল দেখা যায় তা বিশ্লেষণ করো।
- কোন জনগােষ্ঠি বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠি নয়?
- ‘নূররদীনের কথা মনে পড়ে যায়’ কাব্যনাট্যাংশে জ্যোৎস্নার সাথে কী ঝরে পড়ে?
- জেন্দাবেস্তা কী?
- মুমূর্ষু অবস্থা থেকে কৃষকদের মুক্তির জন্য রোকেয়া গ্রামে কী প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন?
- ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- বাবু মজুমদার এলাকার জনগণকে অনেক ভয়ভীতি দেখিয়েওজনসমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হয়েছেন; অথচ তার ছেলে স্বপনমজুমদার সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে, সম্পদে-বিপদেকাছাকাছি থেকে সকলের প্রিয় ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে।উদ্দীপকের স্বপন মজুমদারের কর্মকাণ্ড ‘সেই অস্ত্র’কবিতা অনুসারে—সভ্যতার প্রতিশ্রুতি ইতিবাচক কর্মনিষ্ঠাভালোবাসানিচের কোনটি সঠিক?
- “অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধে বেগম রোকেয়া কিসের বিরুদ্ধে লিখেছেন ?
- ক) কাব্যাংশটির ভেতরের সংলাপে জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি' নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কেন?খ) মেঘনাদের সংলাপের মূলভাব অনধিক পাঁচ বাক্যে ব্যক্ত কর।গ) যে ভঙ্গি ও স্বরে বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ ঘৃণা ব্যক্ত করেছেন তা নিজের ভাষায় লেখ । ঘ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে কাব্যাংশটির সাদৃশ্য রয়েছে- কীভাবে?
- কবর' নাটকটি কোথায় রচিত হয়?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' রচনায় স্বেচ্ছা ধ্বংসকারীপ্রাণী বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?