মানুষ মানুষের জন্য/ জীবন জীবনের জন্য
একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না/ ও বন্ধু
মানুষ মানুষকে পণ্য করে
মানুষ মানুষকে জীবিকা করে
পুরোনো ইতিহাস ফিরে এলে
লজ্জা কি তুমি পাবে না?
উদ্দীপকে 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন দিকটি তুলে ধরা হয়েছে? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- চিরকাল গলার স্বর আমার কাছে বড়ো সত্য। রূপ জিনিসটি বড়ো কম নয়, কিন্তু মানুষের মধ্যে যাহা অন্তরতম এবং অনির্বচনীয়, আমার মনে হয় কণ্ঠস্বর যেন তারই চেহারা। আমি তাড়াতাড়ি গাড়িতে জানালা খুলিয়া বাহিরে মুখ বাড়াইয়া দিলাম, কিছুই দেখিলাম না। প্লাটফর্মের অন্ধকারে দাঁড়াইয়া গার্ড তাহার একচক্ষু লণ্ঠন নাড়িয়া দিল, গাড়ি চলিল: আমি জানালার কাছে বসিয়া রহিলাম। আমার চোখের সামনে কোন মূর্তি ছিল না, কিন্তু হৃদয়ের মধ্যে আমি একটি হৃদয়ের রূপ দেখিতে লাগিলাম। সে যেন এই তারাময়ী রাত্রির মতো, আবৃত করিয়া ধরে কিন্তু তাহাকে ধরিতে পারা যায় না। গুগো সুর, অচেনা কন্ঠের সুর, এক নিমেষে তুমি যে আমার চিরপরিচয়ের আসনটির উপরে আসিয়া বসিয়াছ। কী আশ্চর্য পরিপূর্ণ তুমি- চঞ্চল কালোর ক্ষুদ্র হৃদয়ের উপরে ফুলটির মতো ফুটিয়াছ, অথচ তার ঢেউ লাগিয়া একটি পাপড়িও টলে নাই, অপরিমেয় কোমলতায় এতটুকু দাগ পড়ে নাই ।খ) 'একচক্ষু নন্ঠন' বলতে কী বোখানো হয়েছে? ঘ) কখন কাকে 'তুমি' সম্বোধন করেছে?
- ‘ঐকতান’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'পাঞ্জেরী' শব্দের প্রতিকী অর্থ কি ?
- 'ধান ভানিতে শিবের গান' এর উল্লেখ আছে কোন রচনায়?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।'বৃক্ষের মতো জাদুঘরও আমাদেরকে সার্থকতার গান শোনায়।'- তোমার মতামত ব্যাখ্যা কর।
- 'টাওয়ার অফ লন্ডনে' সকলে কী দেখতে ভিড় করে?
- গ্রন্থাগার জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডার। এটা জাতীয় ইতিহাস,ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক বলে মানুষের মনকেজাগিয়ে তুলতে সাহায্য করে।উদ্দীপক ও 'যাদুঘরে কেন যাব' রচনায় মিল রয়েছেকোনদিক থেকে?
- ‘পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসে হােসেন মিয়া গ্রামবাসীকে কোন্ দ্বীপে নিয়ে যেতে চায়?
- "অবজ্ঞার তাপে শুষ্ক নিরানন্দ মরুভূমি"। এখানে "মরুভূমি" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্যের সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ করো।
- ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' কার রচনা?
- শুনহ মানুষ ভাইসবার উপর মানুষ সত্যতাহার উপরে নাই।উদ্দীপকটিতে 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন ভাবটিপ্রকট হয়ে উঠেছে?
- কোনটি সমাজবিজ্ঞানের মৌল প্রত্যয় নয়?
- ১৭৫৩ সালে কোনটি প্রতিষ্ঠিত হয়?
- "সেখানে বরুণ কর্ণফুলী, ধলেশ্বরী, পদ্মা, জলাঙ্গীরে দেয় জল অবিরল?"- বলতে কী বোঝ?
- 'উদবারি' অর্থ কী?
- “সেই অস্ত্র” কবিতায় কোন প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছে?
- গাহি সাম্যের গান -মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়াননাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্ম জাতি,সব দেশে, সব কালে, ঘরে ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।— উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতারসংগতিপূর্ণ চরণ—তোমার হৃদয় বিশ্ব-দেউল সকলের দেবতারযেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম ক্রিশ্চানএই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির-কাবা নাইনিচের কোনটি সঠিক?
- চার্বাক ছিলেন একজন—
- "মানচিত্র' নাটকটির রচয়িতা কে?
- কোন কবিতায় মানব মুক্তির উদাত্ত বাণী ধ্বনিত হয়েছে?
- 'গাজী মিয়ার বস্তানী' বইয়ের লেখক কে?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' প্রবন্ধে বর্ণিত কাদের দেহেরতাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত নয়?
- শিক্ষকতার দীর্ঘ জীবনে রহিম সাহেবের কাছে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় কখনো বড়ো হয়ে ওঠেনি। জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি আশপাশের মানুষদের মানবতাবাদে দীক্ষিত করা ছিল তাঁর জীবনব্রত। এখন তাঁর অবসর কাটে সামাজিক আর ব্যক্তি মানুষের কল্যাণকর্মে। ধর্মীয় গোঁড়ামি কিংবা অন্ধ সংস্কারের কারণে সমাজে যখন অনাচার দেখা দেয় তখন রহিম সাহেব সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের প্রায়ই চন্ডীদাসের সেই অমর উচ্চারণ মনে করিয়ে দিতেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।"উদ্দীপকের রহিম সাহেবের জীবনানুভূতির সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতায় প্রতিফলিত কবির জীবনদর্শনের তুলনা করো।
- মুনীর চৌধুরীর পেশা কী ছিল?