আবুল মনসুর আহমেদের ‘আয়না’ কোন ধরণের রচনা?
A. উপন্যাস
B. নাটক
C. ব্যাঙ্গরচনা
D. প্রহসন
সঠিক উত্তরঃ
C.
ব্যাঙ্গরচনা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- উদ্দীপকের গাছের সঙ্গে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধটি কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ আলোচনা কর।
- 'শামলা' শব্দটি পাওয়া যায় কোন রচনায় ?
- কবর কবিতায় কোন রস প্রাধান্য পেয়েছে?
- ‘সমাজের ধনবৃদ্ধির অর্থ ধনীর ধনবৃদ্ধি’ উক্তিটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- জীবনানন্দ দাশ লক্ষ্মীপেঁচা ও ধানের গন্ধের মধ্যে মিল খুঁজে পান-
- ‘জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি’ সহ্য করতে পারতেন না-
- 'মানবের মহা-বেদনার ডাক' বলতে কী বোঝায়?
- বৈশাখী উৎসব আমাদের প্রাণের উৎসব। সব পেশা, শ্রেণি ও ধর্মের মানুষ এ উৎসব পালন করে। ঐদিন আপামর বাঙালি তাদের ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও ভেদাভেদ ভুলে একই মাঠে নেচে গেয়ে নতুন বছরকে ধারণ করে। বৈশাখী মেলা, পান্তা-ইলিশ, একতারা, নাগরদোলা, পুতুল নাচ ইত্যাদি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে পুরো জাতি তাদের হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে স্মরণ করে। এ দিনে বাঙালি জাতি সাম্প্রদায়িক চেতনা ভুলে একাকার হয়ে যায়।'এ দিনে বাঙালি জাতি সাম্প্রদায়িক চেতনা ভুলে একাকার হয়ে যায়'-উক্তিটির আলোকে 'সাম্যবাদী' কবিতার মূলভাব আলোচনা করো।
- ’আসমানের তারা সাক্ষী/সাক্ষী এই জমিনের ফুল’ কার পঙ্ক্তি?
- সকল লোকের মাঝে বসেআমার নিজের মুদ্রাদোষেআমি একা হতেছি আলাদা?উদ্দীপকের 'আমি একা হতেছি আলাদা?' 'লোক-লোকান্তর' কবিতার কোন চরণের সাথে তুলনাযোগ্য?
- নসীরানামা কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে?
- "পদ্মা, মেঘনা, যমুনা" উপন্যাসটি কার লেখা?
- শকুন্তলোকে রক্ষা করেছিল
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ অনুযায়ী মানুষের মর্যাদা কীসে?
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' রচনায় গল্প-প্রিয় চরিত্র কোনটি?
- ‘রোহিনী’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
- 'লোক-লোকান্তর' কবিতায় 'লোকান্তরে' শব্দটি কী অর্থপ্রকাশ করছে?
- ঐকতান শব্দের অর্থ কী?
- 'সাম্যবাদী' কবিতায় 'দেউল' শব্দটির অর্থ কী?
- 'একটি ফটোগ্রাফ' কবিতায় ফটোগ্রাফটি কার?
- 'কবর' কবিতায় বৃদ্ধ তাঁর কোন আত্মীয়কে সোনালি উষার সোনামুখের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
- তেলা মাথায় তেল দেওয়া কার রোগ?
- বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘর কত সালে যাত্রা শুরু করে ?
- শিক্ষকতার দীর্ঘ জীবনে রহিম সাহেবের কাছে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় কখনো বড়ো হয়ে ওঠেনি। জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি আশপাশের মানুষদের মানবতাবাদে দীক্ষিত করা ছিল তাঁর জীবনব্রত। এখন তাঁর অবসর কাটে সামাজিক আর ব্যক্তি মানুষের কল্যাণকর্মে। ধর্মীয় গোঁড়ামি কিংবা অন্ধ সংস্কারের কারণে সমাজে যখন অনাচার দেখা দেয় তখন রহিম সাহেব সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের প্রায়ই চন্ডীদাসের সেই অমর উচ্চারণ মনে করিয়ে দিতেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।""উদ্দীপকটি ভাবগত দিক থেকে 'সাম্যবাদী' কবিতাকে ধারণ করেছে।"- মন্তব্যটি বিচার করো।