রবীন্দ্রনাথ এর গীতাঞ্জলী কবে প্রকাশিত হয়?
A. ১৯১০
B. ১৯২৫
C. ১৯১১
D. ১৯১৫
সঠিক উত্তরঃ
A.
১৯১০
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘ব্যক্ত প্রেম’ ও ‘গুপ্ত প্রেম’ কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ৬৫০ খ্রি. থেকে চর্যাপদের কাল ধরেছেন। হাজার বছরের অধিক সময় পূর্বে রচিত হওয়ায় পদকর্তাদের জীবন ইতিহাস বিস্তারিত জানা সম্ভব হয় না। রচয়িতাদের পরিচিতি কালের প্রবাহে ধূসর হয়ে গেলেও তাঁদের রচনাগুলোর ভাষা ও বিষয় নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে সমাদৃত।"উদ্দীপকের পদরচয়িতাগণ এবং 'সোনার তরী' কবিতার কৃষক যেন একই নিয়তির শিকার।"- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কোথায় বসে লেখা?
- 'চারদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।'- ব্যাখ্যা করো।
- ‘সোনার তরী' কবিতায় 'বাঁকা জল' মূলত কীসেরপ্রতীক?
- 'আমি একেলা'- এখানে আমি কে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বনফুল' প্রকাশিত হয় কত সালে?
- "চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা"- চরণটির তাৎপর্য কী?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাজী নজরুল ইসলামকে কোন গ্রন্থটি উৎসর্গ করেন?
- রবীন্দ্রনাথের শেষ কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
- 'আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- এক সময়ের ডাকসাইটে জমিদার নারায়ণ চৌধুরী প্রজ্ঞা ও প্রতিভায় ছিলেন সবার শীর্ষে। তাঁর জীবনের অর্জিত সম্পদের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে সন্তানদের মানুষ করেছেন তিনি। ছেলে-মেয়েরা ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশে ভালো অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু বৃদ্ধ বাবার খোঁজখবর নেওয়ার সময় নেই তাদের কারও। বার্ধক্যের এই সংকটাপন্ন অবস্থায় তিনি বৃদ্ধাশ্রমেও যাননি সন্তানদের সম্মানের কথা ভেবে। এখন তাঁর সময় কাটে নিজের বাড়িতে একেবারে একা একা।উদ্দীপকের নারায়ণ চৌধুরীর সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের কোন দিকটির মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- 'সোনার তরী' কবিতায় 'সোনার ধান' আসলে • কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে-
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন-
- বুদ্ধদেব বসু বাংলা ভাষার কোন কবিকে “নির্জনতম” কবি বলেছেন?
- “সোনার তরী” কবিতায় 'আমি' প্রতীকী অর্থে-
- আমায় নহে গো ভালোবাসো, শুধু ভালোবাসো মোর গান।বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান।চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে।'সোনার তরী কবিতার মূল বক্তব্য উদ্দীপকের শেষ চরণের মধ্যে নিহিত'- তোমার মতামত দাও।
- মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।'সময়ে সব হারিয়ে যায়' কথাটি 'সোনার তরী' কবিতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ তা বিশ্লেষণ কর।
- 'সোনার তরী' কবিতায় “গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে”- কে বলতে কবি কাকে বোঝাতে চেয়েছেন?
- ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোটো সে তরী, আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি'- ব্যাখ্যা করো।
- শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি।' কোন কবিতার চরণ?
- "সোনার তরী" কবিতাভুক্ত 'ভরা পালে চলে যায়’ - এই চরণের পরের চরণ কোনটি?
- জামিল' সাহেব তার সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে নিজগ্রামে দাতব্য। চিকিৎসালয়সহ নানা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। প্রায় দুই 'যুগ আগে তিনি মারা গেলেও মানুষ তাঁর কৃতকর্মের দ্বারা আজ উপকৃত হচ্ছে। উদ্দীপকের জামিল সাহেবের কীর্তি 'সোনার তরী' কবিতার কীসের প্রতীক
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ?