রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়া জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।
উদ্দীপকের কোব্বাদ মেম্বারের সাথে মজিদ চরিত্রের মিল ও অমিল দেখাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এ-এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন, সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য 'ব্যাখ্যা কর।
- হাসুনির মাকে বুড়ো বেধড়ক প্রহার করে কেন?
- লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রটি সন্তান ধারণের উদ্দেশ্য পীর সাহেবের নিকট থেকে পানিপড়া খেতে চায়?
- 'শুধু ওই একটি পথেই আমরা উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।' কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।
- "ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?" উক্তিটি কার?
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারীসমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালের মাঝে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার - পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্না ছাড়া তাদের আর কোনো অধিকার ছিল না।'লালসালু' উপন্যাসের রহিমা উদ্দীপকে উল্লিখিত মুসলিম নারী সমাজেরই প্রতিনিধিত্ব করে।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
- ‘সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে।’ - লালসালু উপন্যাসের কার সম্পর্কে এ কথা বলা হয়েছে?
- ফতেহপুর গ্রামের আলাল কবিরাজ। দশ গ্রামে তার খ্যাতি। সাপে কাটা, পেটে ব্যথ্যা, পা ভাঙ্গা, সন্তান লাভসহ সকল সমস্যার সমাধান কবিরাজ মশাইয়ের ফুঁ দেয়া এক গ্লাস পানিতে। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মানুষজন তার টার্গেট গ্রুপ। দশ বছরের ব্যবধানে ঝুপড়ি ঘর থেকে বিল্ডিং করেছেন। আর কি কি করা যায় ভেবে মাঝে মাঝেই তার চোখ চকচকে হয়ে ওঠে।উদ্দীপকে বর্ণিত ফতেহপুর গ্রাম যেন 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামেরই প্রতিনিধি- ব্যাখ্যা কর।
- মমতাজ প্রভুত্ব করার চেয়ে নির্ভর করিতেই ভালোবাসে বেশি, আদর পাওয়াটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্য। কুলসুমের গৃহিণীপনার ভিত্তিও ওইখানেই। মমতাজকে সে নয়নের মণি করিয়া রাখিয়াছে। কে বলিবে মমতাজ তাহার সতীন? স্নেহ-যত্নে মমতাজের দিনগুলিকে সে ভরাট করিয়া রাখে।- সতীনের সংসারেও তাই এখানে কলহ-বিবাদ, মান-অভিমান, মন-কষাকষি নাই।"উদ্দীপকের কুলসুম ও মমতাজের চেয়ে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা অধিকতর প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী।"- বিশ্লেষণ করো।
- 'লালসালু' প্রথম কত সালে প্রকাশিত হয়?
- রসুলপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের দুরন্ত মেয়ে নাসরিন। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটোছুটি করা, অবাধ সাঁতার কাটা তার আনন্দের কাজ। নাসরিনের বিয়ে হয় পাশের গ্রামের, মাতব্বরের সাথে। গ্রামের সকলেই তাঁকে মানলেও নাসরিন তাঁকে মানে না।"উদ্দীপকের মাতব্বর 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সামগ্রিক দিক ধারণ করেনি।- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- তেভাগা আন্দোলনকেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
- 'লালসালু' উপন্যাসে অবিশ্রান্ত ঢোলক বেজে চলে কোথায়?
- 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'কদর্য এশীয়’ বইটির লেখক কে?
- আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত যুবক এমদাদ। ধর্ম-খোদা-রসুল কিছুই বিশ্বাস করে না। খেলাফত আন্দোলনে যোগ দিয়ে একেবারে বদলে গেল। পীরের মুরিদ হয়েছে এবং নিয়মিত নামাজ পড়ছে। পীরের ভণ্ডামি ও লোলুপ দৃষ্টি এমদাদের কাছে ধরা পড়ল। মুরিদের সুন্দরী বউ কলিমনকে জোরপূর্বক তালাক পড়িয়ে নিজে বিয়ে করেছে। এমদাদ এতে ক্রুদ্ধ হয়ে পীরের মেহেদি রঞ্জিত দাড়ি ধরে হেঁচকা টানে মাটিতে ফেলে দিল।"উদ্দীপকের পীর ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের ক্ষমতার উৎস এক"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- খালেক ব্যাপারীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হলো, সে-দুর্বলচিত্তধর্মভীরুব্যক্তিত্বহীননিচের কোনটি সঠিক?
- গৌরিপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে আরিফ হোসেন। এলাকার উন্নয়ন, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলার লক্ষ্যে সে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ও প্রতিপত্তি বজায় রাখার জন্য মাতব্বর আনসার আলী ও তার লোকেরা আরিফকে অপমানিত করে গ্রাম ছাড়া করে।'গ্রামের অনগ্ররতার ক্ষেত্রে আনসার আলী ও তাঁর অনুসারীদের মতো লোকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- 'চার সতীনের ঘর' চলচ্চিত্রে দেখেছিলাম নায়ক একজনধনাঢ্য ব্যক্তি। তার ঘরে তিন স্ত্রী। অথচ কোনো সন্তাননেই। তাই সন্তানের আশায় নায়ক আবারও শাবনূরকেচতুর্থ স্ত্রী হিসেবে ঘরে আনে।উদ্দীপকের নায়ক 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'লালসালু' উপন্যাসটি প্রথম কত সালে প্রকাশিত হয়?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- রিকশাচালক সাহেব আলির মেয়ে সালেহা। প্রাইমারির পর পড়া হয়নি তার। বয়স হয়তো ১২ কি ১৩। বড়োই চঞ্চলা। তিন বোনের মধ্যে সে-ই বড়ো। এক আত্মীয়ের মাধ্যমে একদিন বিয়ের প্রস্তাব আসে সালেহার। ছেলে থাকে বিদেশে, দালানবাড়ি, অনেক টাকার মালিক। তবে শর্ত একটা, "আপাতত মোবাইল ফোনে বিয়ে; ছেলে দেশে ফিরলে বউকে তুলে নেবে। যত দিন না ফিরবে তত দিন বউয়ের খরচপত্র বাবদ টাকা পাঠিয়ে দেবে।" এমন প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার উপায় ছিল না দরিদ্র সাহেব আলির। নিয়ম মেনে বিয়ে। তারপর কয়েক বছর পর দেশে ফিরল ছেলে। ছেলের বয়স এখন পঞ্চাশ।"উদ্দীপকের সালেহার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের 'জমিলা' চরিত্রের বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচনা নয়?
- ওনারে কন, খোদায় জানি আমার মওত দেয়।'- কে কার উদ্দেশ্যে উক্তিটি করে?