'চার সতীনের ঘর' চলচ্চিত্রে দেখেছিলাম নায়ক একজন
ধনাঢ্য ব্যক্তি। তার ঘরে তিন স্ত্রী। অথচ কোনো সন্তান
নেই। তাই সন্তানের আশায় নায়ক আবারও শাবনূরকে
চতুর্থ স্ত্রী হিসেবে ঘরে আনে।
উদ্দীপকের নায়ক 'লালসালু' উপন্যাসের কোন
চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
A.
ধলা মিয়া
B.
খালেক ব্যাপারী
C.
মজিদ
D.
মোদাব্বের মিয়া
সঠিক উত্তরঃ
C.
মজিদ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মজিদের মন অন্ধকার হয়ে আসে কেন?
- বাড়িতে দুইজন স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও রহিম গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্ক স্ত্রীকে রহিম কারও সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে স্ত্রীকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে শীতের রাতে তাকে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম স্ত্রী খুব কষ্ট পায়। সাহস করে কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নিয়ে আসে।উদ্দীপক??র প্রথম স্ত্রীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিম্য চরিত্রের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।
- দেশটা কেমন মরার দেশ'- এখানে কোন অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে, কেন?
- মতিয়ার হঠাৎ ধার্মিক হয়ে উঠেছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সে মসজিদে জামাতের সঙ্গে পড়ে। পোশাকের পরিবর্তন হয়েছে। সে এখন পাজামা পাঞ্জাবী পরে। মুখ ভর্তি দাড়ি রেখেছে। মসজিদের ইমাম সাহেবের ফতোয়া মোতাবেক একদিন হঠাৎ বাড়ী ফিরে তার দামি টেলিভিশনটি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে ফেলে। স্ত্রী সন্তানরা বাধা দিতে এলে সে ক্ষোভের সংগে উত্তর দেয়, "এগুলো শরিয়ত বিরোধী কাজ। দুনিয়ার জীবন কোনো জীবনই নয়। পরকালের জন্য নিজেকে তৈরি কর।"উদ্দীপকের মতিয়ার 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর অন্য সংস্করণ- পক্ষে-বিপক্ষে তোমার মতামত দাও।
- খুলনা জেলার চুকনগরে রুথিত পির বাবার নাম আঃ লতিফ। চুকনগর হাইস্কুল রোডের একটি ঘরে তার আস্তানা। প্রতিদিন শত শত ভক্ত ও রোগী পানি, তেল, কলার মোচা পড়াসহ নানা তদবির নিতে আসে পির বাবার সান্নিধ্যে। তার আস্তানায় গিয়ে দেখা যায় টেবিলের উপর পানি, তেল ও দুধের বোতল, কলার মোচা, মাটি মাদুনিসহ নানা তদবিরের সামগ্রী। আর বাইরে অসংখ্যা মহিলাদের লাইন। সবার হাতে পানি ও তেলের বোতল। একেক জনকে একেকভাবে চিকিৎসা করছেন তিনি। তার আস্তানায় ৪টি সাইনবোর্ড আছে। যার একটিতে লেখা শিক্ষাগত যোগ্যতা, একটিতে রোগের চিকিৎসা ফি। সাপে কাটা ফি ৫০০ টাকা, কুকুরে কামড়ানো ফি ২৫০ টাকা, বিড়ালে কামড়ানো ফি ১৫০ টাকা, অর্শরোগী ২০০ টাকা, জিনে ধরা ফি ৩০০ টাকা, প্রয়োজনে বারণ ফি ১০০ টাকা, বাড়ি বন্ধ করা ফি ৩০০ টাকা। বহু রোগী তাদের রোগ নিরাময়ের জন্য হুজুরের দরবারে আসে। আশপাশের অনেকেই যুজুরের পানি পড়াতে সুস্থ হয়ে গেছে এই গুজব শুনে এসেছে তারা।উদ্দীপকের আঃ লতিফ এবং লালসালু' উপন্যাসের মজিদ ভিন্ন প্রেক্ষাপট তৈরি করলেও তাদের উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন'- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে শ্যামলছায়া গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটছে দূর-দূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিড়ম্বিত এমনই এক যুবক শফিকের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব- প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।"উদ্দীপকের শফিক এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়ের মধ্যেই অস্তিত্ববাদী চেতনা প্রতিফলিত।"- তোমার মতামত দাও।
- সালামতপুর গ্রামের বেশির ভাগ মানুষই নিরক্ষর, কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও ধর্মান্ধ। গ্রামে বাস করে এক শিক্ষিত যুবক নাম তার কামাল।। সে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ ডিগ্রি লাভ করে গ্রামে ফিরে এসেছে গ্রামের উন্নয়ন করার জন্য। গ্রামের মানুষকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে গ্রামে সে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সে উদ্দেশ্যে গ্রামের লোকজনকে ডেকে সভা আহ্বান করলে গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি বাদল মাতব্বর কামালের স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে মক্তব গড়ার পক্ষে মতামত দেন। কামাল এর প্রতিবাদ করলে কামালকে বাদল মাতব্বর তার সাঙ্গোপাঙ্গদের সহযোগিতায় সুকৌশলে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য করেন।"উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের খণ্ডচিত্র মাত্র, সামগ্রিক চিত্র নয়"- বিশ্লেষণ করো।
- মজিদকে দেখে প্রথম জমিলার কী মনে হয়েছিল?
- উদয়পুর গ্রামের মোড়ল সাহেবের ভৃত্য গফুর মিয়ার সন্তান সাফল্যের সঙ্গে পিএসসি পাশ করে। দূরবর্তী গ্রামে সন্তানকে পাঠিয়ে হাই স্কুলে পড়ানোর সামর্থ্য নেই বিধায় গফুর মোড়লের আর্থিক সাহায্য ও পরামর্শ চায়। কিন্তু মোড়ল তার সন্তানকে লেখাপড়ায় নিরুৎসাহিত করে এবং বলে গরিবের লেখাপড়া করে কী হবে? বরং আর্থিক সচ্ছলতার জন্য গফুরের সন্তানকে ঋণের মাধ্যমে অটোরিকশা কিনে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। ভৃত্য গফুর মোড়লের এই পরামর্শ মেনে নিতে বাধ্য হয়। ফলে সন্তানের লেখাপড়ার ইতি ঘটে।প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের সমাজবাস্তবতাই যেন 'লালসালু' উপন্যাসে প্রতিফলিত হয়েছে? মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা?' সংলাপটি বলেছে—
- রাহী গ্রামের এক দুরন্ত মেয়ে। তার আনন্দের কাজ বন্ধুদের সাথে ছোটাছুটি করা, সাঁতার কাটা। অভাবের তাড়নায় তার বাবা একদিন পাশের গ্রামের এক বুড়ো লোকের সাথে তার বিয়ে দিয়ে দিলেন। লোকটি গ্রামের মাতব্বর। সকলে তাকে 'মুন্সি' বলে ডাকে। মুন্সির কথা গ্রামের সবাই মেনে চলে। কিন্তু চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা রাহী তার কথা মানে না।"উদ্দীপকের বুড়ো লোকটি 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সামগ্রিক দিক ধারণ করেনি।"- মুল্যায়ন করো।
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।'- ব্যাখ্যা করো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ সর্বশেষ কর্মস্থল কোথায় ছিল?
- 'যেন বিশাল সূর্যোদয় হয়েছে, আর সে আলোয় প্রদীপের আলো নিশ্চিত হয়ে গেছে।'- 'ব্যাখ্যা করো।
- নয়ন গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য একতাবদ্ধ করে। কিন্তু মৌলবি সাহেব এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা ধূলিসাৎ করে দেয়।মৌলবির কর্মকান্ড 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের যে দিকটা ইঙ্গিত করে-ধর্মীয় গোঁড়ামিআধিপত্য রক্ষার চেষ্টাপশ্চাৎপদতানিচের কোনটি সঠিক?
- নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
- বেলতলী গ্রামে বেলায়েতের বাস। গ্রামের মানুষ কুসংস্কার আচ্ছন্ন। গ্রামবাসী বিশ্বাস করে 'কাক ডাকলে দুঃখ আসে' পিছন থেকে ডাকলে বিপদ আসে। 'শিয়াল দেখলে অমঙ্গল হয়' ইত্যাদি। বেলায়েত দেখেছে গ্রামের সহজ-সরল মানুষের এই সংস্কার কাজে লাগিয়ে এক পির ব্যবসা করে যাচ্ছে। পিরের কবল থেকে গ্রামের মানুষকে উদ্ধারের জন্য, বিজ্ঞানমনস্ক করার তাগিদে একটি আধুনিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর হয়ে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।উদ্দীপকের চরিত্রের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রাসঙ্গিক চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা নাটক কোনটি?
- ‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
- ‘তানি বুঝি দুলার বাপ।’- 'লালসালু' উপন্যাসে জমিলার এই উক্তি কার প্রসঙ্গে।
- 'আমি ভাবলাম, তিনি বুঝি দুলার বাপ।' কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- শনির হাওরের পারে গোটা কয়েক বাড়ি নিয়ে গিয়াসের গ্রাম। ঘর হতে দু'পা ফেলতেই হাওরের শুরু, শেষটা চোখে আন্দাজ করা যায় না। ধান আর মাছ নিয়ে তাদের জীবন। বানের পানিতে ধান তলিয়ে গেলে তারা চোখে অন্ধকার দেখে। অসুখ-বিসুখে ওপাড়ার পিরের পানি আর তেল পড়াই তাদের ভরসা। গত বছর গিয়াস তার নিঃসন্তান স্ত্রীকে নিয়ে শহরে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিল। বেপর্দাভাবে স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ায় পিরের বাড়িতে ডাক পড়ল গিয়াসের। তখন আতরের সুবাস আর আগরের ধোঁয়ায় পির সাহেবের মুখ দেখাই যাচ্ছিল না। যেনো অদৃশ্য কণ্ঠের ঘোষণা হলো গিয়াসকে গ্রাম ছাড়তে হবে। পিরের ঘোষণাপত্র তার সাগরেদরা তা বাস্তবায়ন করল।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে?
- আফজাল মিয়ার স্ত্রী হালিমা পরপর তিনটি কন্যা সন্তান জন্মদেয়। পূত্র সন্তান লাভের আশায় খ্যাতিমান পির জুনাইদ আলীকুতুবশাহীর দরবারে গমন করে। পির কুতুবশাহী এক বোতল'পড়া পানি' দিয়ে বলেন যে, এই 'পড়া পানি' খেয়ে তার যদিপুত্র সন্তান না হয় তবে বুঝতে হবে সে পাপী। হালিমা যথারীতিচতুর্থ কন্যার জন্ম দেয় এবং স্বামীর রোষানলে পড়ে।উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসে প্রকাশিত ভাব— অন্ধবিশ্বাস ধর্মীয় গোঁড়ামিপির প্রথানিচের কোনটি সঠিক?
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় কেমনে' উক্তিটি কার?
- 'লালসালু' উপন্যাসে ঝড় এলে হৈ হৈ করারঅভ্যাস কার?