'যেন বিশাল সূর্যোদয় হয়েছে, আর সে আলোয় প্রদীপের আলো নিশ্চিত হয়ে গেছে।'- 'ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কোন্টি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ লিখিত নাটকের নাম?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- বুঝিয়ে লেখো।
- "তারপর কতক্ষণ সে বজ্রাহতের মতো বসে থাকে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে।'- উক্তিটি কার?
- ছোটোবেলায় নাকে নোলক পরে হলদে শাড়িপেঁচিয়ে ছোটাছুটি করত কে?
- দেশে দেশে পিরদের সফর শুরু হয় কখন ?
- হাসুনির মাকে তার বাপ পিটিয়েছিল কেন?
- 'নিরাক পড়া' কী?
- 'ওনারে কন, আমার মওতের জন্য জানি দোয়া করে'— উক্তিটি কার?
- 'লালসালু' উপন্যাস কত সালে প্রকাশিত হয়?
- বহিপীর: ……বিবি সাহেব-তাহেরা: (বাধা দিয়ে উচ্চস্বরে) আমাকে বিবি ডাকবেন না। বিয়েতে আমি মত দিই নাই। আপনার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়নি।বহিপীর: (একটু রেগে) আপনি মত না দিলেও আপনার বাপজান দিয়েছেন। তাহা ছাড়া সাক্ষী সাবুদ সমেত কাবিননামাও হইয়া গিয়াছে। এখন সেকথা বলিলে চলবেকেন। (সুর বদলিয়ে) দেখুন মন দিয়া আমার কথা শুনুন।তাহেরা: (আবার বাধা দিয়ে) আমি আপনার কোনো কথা শুনতে চাই না। আমার বাপজান আর সৎমা আপনাকে খুশি করার জন্য আপনার সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন। আমি যেন কোরবানির বকরি। আপনি পুলিশে খবর দিতে পারেন, আপনি আমার বাপজানকে ডেকে পাঠাতে পারেন, আমার ওপর জুলুম করতে পারেন। কিন্তু আমি আপনার সঙ্গে যাব না।উদ্দীপকটিতে 'লালসালু' উপন্যাসের একটি খন্ডাংশের ইঙ্গিত রয়েছে- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা- চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়েসের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।"টুনি ও 'লালসালু' উপন্যাসের উদ্দিষ্ট চরিত্র সামাজিক কুসংস্কারের শিকার।"- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে এ-উক্তিটির সত্যতা নিরূপণ কর।
- ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের যুবক-শিক্ষকের নাম-
- গারো পাহাড় মধুপুরগড় থেকে কত দিনের পথ?
- ‘সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে।’ - লালসালু উপন্যাসের কার সম্পর্কে এ কথা বলা হয়েছে?
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে?'- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
- ফকির মুন্সীর স্ত্রী মরিয়ম সহজ-সরল মেয়ে। স্বামীর প্রতি তারঅগাধ অটল বিশ্বাস। তার বিবেচনায় ফকির মুন্সী একজনকামেল ও পরহেজগার লোক। অথচ গ্রামের অশিক্ষিতসহজ-সরল মানুষের খোদাভীতিকে কাজে লাগিয়ে ফকিরমুন্সী নানা ফতোয়া জারি করে সাধারণ মানুষকে ঠকায় । 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সঙ্গে উদ্দীপকেরমরিয়মের সাদৃশ্য রয়েছে?
- 'দলিল-দস্তাবেজ জাল হয়, কিন্তু খোদাতালার কালাম জাল হয় না'- একথার তাৎপর্য কী?
- মজিদ কখন এবং কেন বিস্ময়করভাবে নিঃসঙ্গবোধ করে?'
- দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত কামাল কমলাপুর রেলস্টেশনে আশি টাকার বিনিময়ে একজন যাত্রীর মালামাল মাথায় নিতে দেখেই অন্য কুলিরা তাকে ধাক্কা দিয়ে, ফেলে দেয়। জীবন ও জীবিকার তাগিদেই সে তার অবস্থান সুসংহত করার চেষ্টা করে। এক সময় সে কুলিদের নেতা হয়। শ্রমিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে সে অনেক প্রভাব বিস্তার করে। এর মাধ্যমে সে বিত্তশালী হয়ে ওঠে।উদ্দীপকের কামালের কার্যক্রম 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- গ্রামের মানুষের চিকিৎসাহীনতার কথা বিবেচনা করে প্রবাসীবিত্তবান তরুণ স্বপন একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য সকলেরসাথে যোগাযোগ শুরু করলে গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তার আরকবিরাজ কটকৌশলে স্বপনকে নানাভাবে হেনস্থা করে।উদ্দীপকে প্রকাশিত হয়েছে 'লালসালু' উপন্যাসের-
- ‘যেখানে সাপ জাগে, সেখানে আবার কোমলতারফুল ফোটে।'- লালসালু উপন্যাসের এই বাক্যে'সাপ' কী অর্থ প্রকাশ করে?
- 'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্কারণ।'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- মুহিম ভাদ্র মাসের এক বিকেলে দেখল বিলের পানি, ধানগাছ ও অন্যান্য ফসল একেবারে স্তব্ধ হয়ে আছে। মুহিম যে অবস্থাটি দেখেছে তা 'লালসালু' উপন্যাসেরআলোকে কী বলা যায়?
- সুবেদ আলি গ্রামের একজন অবস্থাসম্পন্ন মানুষ। সাদা মনের মানুষ হিসেবে গ্রামে তার একটা সুনাম আছে। পরোপকারী এবং সুখী বলেই সবাই তাকে জানে। প্রকৃতপক্ষে, ভেতরে তিনি সুখী ছিলেন না। বিয়ের বয়স দেড় যুগ গড়ালেও সন্তানের মুখ দেখেননি। বহুজনের কাছে স্বামী-স্ত্রী দুজনই চিকিৎসা নিয়েও ব্যর্থ হন। সুবেদ আলি একদিন শুনতে পান পাশের গ্রামের ফকির বাবার কেরামতির কথা। উপঢৌকনসহ সস্ত্রীক ছুটে যান তার কাছে। তাদের বিশ্বাস, ফকির বাবার ঝাড়ফুঁক পেলেই মনের আশা পূরণ হবে।উদ্দীপকের সুবেদ আলি চরিত্রের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ? বিশ্লেষণ করো।