নার্গিস বিদেশে গৃহকর্মীর কাজ করে। বিদেশে কাজ
করার বিষয়টি তার এলাকার মানুষ পছন্দ করে না। তিন
বছর পর নার্গিস বাড়ি ফিরে এলে গ্রামবাসী তার নামে
বিচার বসায় এবং তাকে গ্রামছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয়।
নার্গিস প্রতিবাদী কণ্ঠে বলে ‘অসুস্থ মাকে রেখে কিছুতেই
আমি কোথাও যাব না ।'
উদ্দীপকের বিষয়টি বিবেচনায় নার্গিস ও বিলাসী উভয়ে
কেমন প্রকৃতির নারী?
A.
প্রতিবাদহীন
B.
প্ৰতিবাদী
C.
আত্মকেন্দ্রিক
D.
কুসংস্কার পন্থী
সঠিক উত্তরঃ
B.
প্ৰতিবাদী
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'কাগজতাে ইঁদুরেও আনতে পারে’ ---- বিলাসী গল্পে কথাটা কে বলেছে?
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন, না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গেছে বটে, কিন্তু পণ্যের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে, সেই জন্যই তাড়া।উদ্দীপকে যে সামাজিক প্রথা বর্ণিত হয়েছে তা 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- 'বিলাসী' গল্পে 'বাঙালির বিষ' কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- বিলাসী গল্পে বিলাসী কিসের প্রতীক?
- ’বিলাসী’ গল্পটি কার জবানিতে রচিত-
- নিম্নের কে কবি নন?
- মহুয়া শহরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। তার শহরে কাজ করার বিষয়টি গ্রামের কিছু মানুষ পছন্দ করে না। উপরন্তু তার নামে দুর্নাম রটনা করে। ঈদের ছুটিতে বাড়ি এলে গ্রামের মানুষগুলো মহুয়ার নামে বিচার বসায়। তারা মহুয়াকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু মহুয়া তাতে প্রতিবাদ করে। অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই কোথাও যাবে না।'বিলাসী ও মহুয়া পরস্পর বিপরীত চরিত্রের মানুষ।'- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- ’বিলাসী’ গল্পে উনিশ শতকের যে সমাজ সংস্কারকের উল্লেখ আছে তাঁর নাম-
- পার্বতী সাপুড়ের মেয়ে, সাপ ধরা, শিকড়-তাবিজ বিক্রি করা তাদের পারিবারিক পেশা। পার্বতীর রূপ-গুণে মুগ্ধ হয়ে জমিদার পুত্র চন্দ্রসিং তাকে বিয়ে করে, তাদের সংসার বেশ সুখের হয়। কিন্তু সমাজ চন্দ্রসিংকে মেনে নেয়নি, পার্বতীকেও সাপুড়ে সমাজ জাতিচ্যুত করে। উভয়ে সমাজ ছেড়ে দূরবর্তী সোনাপুর গ্রামে নতুন জীবন শুরু করে।উদ্দীপকে চন্দ্রসিংয়ের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কার সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো।
- স্নেহ ও কচ্ছ দেশের কথা বলা হয়েছে কোন দু’টি রচনায়?
- কোনটি শরন্দ্রের রচনা নয়?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যয় 'বিলাসী' গল্পে যে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে- কুসাংস্কারাচ্ছন্ন সমাজব্যবস্থা নারী নির্যাতনের চিত্রগ্রামীণ বিচার-ব্যবস্থানিচের কোনটি সঠিক?
- শরৎচন্দ্রের 'মহেশ' গল্পে গফুরের প্রিয় গরুটির নাম মহেশ। দরিদ্র গফুর নিরীহ পশুটিকে ঠিকমতো খাবারের জোগান দিতে পারে না। ফসল নষ্ট করার জন্য তাকে জমিদারের শাস্তিও পেতে হয়েছে। একদিন তৃষ্ণার্ত মহেশ পানির জন্য গফুরের মেয়ে আমিনার মাটির পাত্র ভেঙে ফেলে। রাগান্বিত গফুর লাঙলের ফলা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মহেশ মারা যায়। গোহত্যার প্রায়শ্চিত্ত করতে গফুর রাতের আঁধারে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।উদ্দীপকের 'গোহত্যা' এবং গল্পের 'অন্নপাপ' একই সূত্রে গাঁথা"-তোমার মতামত' আলোচনা করো।
- 'বিলাসী' গল্পে কে মৃত্যুঞ্জয়ের চিকিৎসা করে ?
- নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ রাজিব চক্রবর্তীর পুত্র রাতুল চাকুরি নিয়ে শহরে আসে। কিছুদিন পর রাতুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পাশের বাড়ির নিম্নবর্ণের মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা রমা দাস তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখায় এবং সেবাযত্নের জন্য গ্রামের এক দরিদ্র মসিকে নিয়োগ করে। রমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত সেবা ও 'চিকিৎসা পেয়ে রাতুল সুস্থ হয়ে ওঠে। রমার মার্জিত রুচি, ব্যক্তিত্ব, মানবতাবোধে মুগ্ধ হয়ে জাতভেদ ভুলে যাবার অমতে তাকে বিয়ে করে রাতুল। প্রথাগত সংস্কারের বিপরীতে জয় হয় মনুষ্যত্বের।'বিলাসী' গল্পের বিলাসী চরিত্রের সাথে উদ্দীপকের রমা দাস চরিত্রের বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসে চেঙা বুড়ো কার কথায় বিভ্রান্ত হয়?
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'উদ্দীপকের আলেয়া খাতুনের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়ে ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো। হাত দিয়া এতোটুক স্পর্শ করিলে , এতোটুকু নাড়াচাড়া করিতে গেলেই ঝরিয়া পড়িবে।' এ উক্তি কোন গল্পে আছে ?
- অসুস্থ সুমন মিয়ার দুর্দিনে তার সব আত্মীয়স্বজন দূরে চলে যায়। তার স্ত্রী নিজের গয়না বিক্রি করে এবং সমস্ত সঞ্চয় নষ্ট করে সুমন মিয়ার ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। স্ত্রী সেবা ও ডাক্তারদের প্রচেষ্টায় সুমন মিয়া সুস্থ হয়ে তার সব সম্পত্তি স্ত্রীর নামে লিখে দেয়। এতে তার আত্মীয়স্বজনেরা সুমন মিয়াকে কটাক্ষ করে বিভিন্ন অপবাদ প্রচার করতে থাকলে সুমন মিয়া তার স্ত্রীর ত্যাগ আর দয়ার্দ্র আচরণের কথা মনে করিয়ে দেয়।উদ্দীপকের সুমন মিয়ার স্ত্রীর সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- উপরের আদালতের হুকুমে' বোঝানো হয়েছে? বলতে কোনটিকে
- "বিলাসী" গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- মৃত্যুঞ্জয় বিলাসীর হাতে কি খেইয়ে ঘোরতর অপরাধ করেছে ?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম দৃশ্যের স্থান কোথায় ছিল?
- শহরের গৃহকর্মী মায়ের সন্তান আরিফ দুজনের বন্ধুত্ব অত্যন্ত সুদৃঢ় হলেও আসিফের বাবা আরিফের মেলামেশা, বাসায় আসা এবং ড্রয়িং রুমে আপ্যায়ন মেনে নিতে পারেন না। আরিফকে বাসায় আসতে তিনি নিষেধ করেছেন। এমনকি অকথ্য ভাষায় বকাবকি করে বাড়ি থেকে তাড়িয়েও দিয়েছেন। সম্প্রতি ডেঙ্গু আক্রান্ত সংকটাপন্ন বন্ধু আসিফকে আরিফই রক্ত দিয়েছে, জীবন বাঁচিয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত রেখেছে।উদ্দীপকের বাবা চরিত্রটি 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের মানসিকতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি?