'বিলাসী' গল্পে কে মৃত্যুঞ্জয়ের চিকিৎসা করে ?
A.
বিষহরি
B.
ন্যাড়া
C.
জ্ঞাতি খুড়া
D.
বড়ো মালো
সঠিক উত্তরঃ
D.
বড়ো মালো
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'বিলাসী' গল্পে উল্লিখিত ভূদেব বাবু কে ?
- বিলাসী' গল্পে ফুটে উঠেছে-বিশ শতকের সমাজচিত্ররক্ষণশীল মুসলিম সমাজচিত্ররক্ষণশীল হিন্দু সমাজচিত্রনিচের কোনটি সঠিক?
- সৌদামিনী মালোর পালিত পুত্র হরিদাসকে নিয়ে মনোরঞ্জন মালো গ্রামময় প্রচার করে দিলো। যে সৌদামিনী ভয়ানক শাস্ত্রবিরুদ্ধ পাপ কর্ম করেছে। ব্রাহ্মণের জাত মেরেছে সে। সৌদামিনী মালোর সাথে মনোরঞ্জন মালোর শত্রুতা আগে ছিল ব্যক্তিগত এখন তা সমাজগত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু একা মনোরঞ্জন মালো নয় সমস্ত গ্রাম সৌদামিনী মালোর বিরুদ্ধে জুলুম শুরু করল।উদ্দীপকের সৌদামিনী মালোর, সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসী চরিত্রের কী মিল খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানী জমি, বসতবাড়ি, পুকুরসহ ক??েক একর সম্পত্তির মালিক ।এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্যাতি দেবর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একদিন এক শিশুকে দুর্ভিক্ষের কবল থেকে প্রাণে বাঁচিয়ে তুলে এনে লালনপালন করতে থাকে নিজ সন্তানের মতো। শিশুটি বড়ো হতে থাকে কিন্তু সম্পত্তির লোভে সৌদামিনীয় দেখর। দবর অভিযোগ তোলে রাস্তা। থেকে একটা অস্পৃশ্য সন্তানকে তুলে এনে নিজ ঘরে আশ্রয় নিয়েছে সৌদামিনী। সে জাতের দ্বিধান লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে। যে- সে যা করছে তা মহাপাপ, হিন্দু সমাজের জাত ধর্ম শেষ হলে গেল।(কাহিনি সূত্র: সৌদামিনী মালো- শওকত ওসমান)"মনোরঞ্জন যেন 'বিলাসী' গল্পের খুড়ারই প্রতিচ্ছবি।"- বিষয়টি মূল্যায়ন করো।
- স্নেহ ও কচ্ছ দেশের কথা বলা হয়েছে কোন দু’টি রচনায়?
- মুখে দেয় জল, সুধায় কুশল, শিরে দেয় মোর হাত,দাঁড়ায়ে নিঝুম, চোখে নাই ঘুম, মুখে নাই তার ভাত।বলে বার বার, 'কর্তা, তোমার কোনো ভয় নাই, শুন-যাবে দেশে ফিরে, মা ঠাকুরাণীরে দেখিতে পাইবে পুন।'লভিয়া আরাম আমি উঠিলাম, তাহারে ধরিল জ্বরে,নিল সে আমার কালব্যাধিভার আপনার দেহ'পরে।"উদ্দীপকের পরিণতি থেকে 'বিলাসী' গল্পের পরিণতি ভয়াবহ।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক কে?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কোন ছন্দে লেখা?
- ’বিলাসী’ গল্পটি কার জবানিতে রচিত-
- ‘শ্রীকান্ত’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-
- মরিয়ম শহরের একটি হাসপাতালে চাকরি করেন। হাসপাতালের দায়িত্ব শেষ করে গ্রামে ফিরতে প্রায়ই তার রাত হয়, এমনকি রোগীর দেখাশোনার জন্য মাঝে মাঝে। তাকে রাতে হাসপাতালে থাকতে হয়। গ্রামের কিছু মানুষ রাত করে বাড়ি ফেরা এবং বাড়ির বাইরে রাতে থাকার বিষয়টি মেনে নিতে পারে না'। তারা গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মরিয়মকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু মরিয়ম তার প্রতিবাদ করেন, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই গ্রাম ছেড়ে যাবেন না। এই অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বলা যায় যে মরিয়ম ও বিলাসী উভয়েই- প্রতিবাদী নারী সভা কুসংস্কারের শিকারকরুণ পরিণতির শিকার নিচের কোনটি সঠিক?
- নার্গিস বিদেশে গৃহকর্মীর কাজ করে। বিদেশে কাজকরার বিষয়টি তার এলাকার মানুষ পছন্দ করে না। তিনবছর পর নার্গিস বাড়ি ফিরে এলে গ্রামবাসী তার নামেবিচার বসায় এবং তাকে গ্রামছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয়।নার্গিস প্রতিবাদী কণ্ঠে বলে ‘অসুস্থ মাকে রেখে কিছুতেইআমি কোথাও যাব না ।'উদ্দীপকের বিষয়টি বিবেচনায় নার্গিস ও বিলাসী উভয়েকেমন প্রকৃতির নারী?
- কবি জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম কি?
- মতিগঞ্জের সড়কের কাছে এসে পড়ে কাদের নৌকা?
- কোন কাজটি মৃত্যুঞ্জয়ের বড় অপরাধ ছিল?
- 'সহমরণ' প্রসঙ্গ কোন রচনার অন্তর্গত ?
- রহিমাকে প্রথম দেখে জমিলা কী ভেবেছিল?
- 'আমাদের তো খাবারের ভাবনা নাই আমরা কেন মিছামিছি লোক ঠকাতে যাই'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- শরৎচন্দ্রের 'আধারে আলো' কী ধরনের রচনা?
- ‘পথের দাবি’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে ?
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'উদ্দীপকের আলেয়া খাতুনের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- 'কাব্য নয়, চিত্র নয়, প্রতিমূর্তি নয়, ধরণি চাহিছে শুধু হৃদয়-হৃদয়।'রিলাসী' গল্পে কোন ঘটনাটি উদ্দীপকের মূলভাবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ রাজিব চক্রবর্তীর পুত্র রাতুল চাকুরি নিয়ে শহরে আসে। কিছুদিন পর রাতুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পাশের বাড়ির নিম্নবর্ণের মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা রমা দাস তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখায় এবং সেবাযত্নের জন্য গ্রামের এক দরিদ্র মসিকে নিয়োগ করে। রমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত সেবা ও 'চিকিৎসা পেয়ে রাতুল সুস্থ হয়ে ওঠে। রমার মার্জিত রুচি, ব্যক্তিত্ব, মানবতাবোধে মুগ্ধ হয়ে জাতভেদ ভুলে যাবার অমতে তাকে বিয়ে করে রাতুল। প্রথাগত সংস্কারের বিপরীতে জয় হয় মনুষ্যত্বের।"উদ্দীপকটিতে 'বিলাসী' গল্পে সমাজবাস্তবতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে"- উত্তরের পক্ষে তোমার যুক্তি দেখাও।
- ‘ঘন জঙ্গলের পথ, একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো।' কে কাকে বলেছে?
- 'যে বস্তুটি এই অসাধ্য সাধন করিয়া তুলিয়াছিল তাহারপরিচয় যদিও সেদিন পাই নাই, কিন্তু আর একদিন-পাইয়াছিলাম।'— এখানে 'বস্তুটি' বলতে 'বিলাসী'গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?