'আহ্বান' গল্পে বুড়ির বাড়ি থেকে ফিরে আসার সময় গল্পকথক
বুড়ির পাতানো মেয়েটির হাতে কিছু দিয়ে এসেছিল, কী জন্য?
A.
চিকিৎসার
B.
পথ্য ও ফলের
C.
খাদ্য ও ফলের
D.
পথ্য ও ওষুধের
সঠিক উত্তরঃ
B.
পথ্য ও ফলের
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'আহ্বান' গল্পে বুড়ি লেখকের জন্য কী এনেছিলেন?
- পরিবারের ব্যয় নির্বাহে অমানুষিক পরিশ্রম করেওরিকশাচালক রতন প্রতিমাসে একদিন এতিমখানায় কিছুখাবার দেয় ।উদ্দীপকের রতন 'আহ্বান' গল্পের কোন চরিত্রেরসাথে তুলনীয়?
- ‘ওর স্নেহাতুর আত্মা বহুদূর থেকে আমায় আহ্বানকরে এনেছে। আমার মন হয়ত ওর ডাক এবারআর তাচ্ছিল্য করতে পারেনি।'- উক্তিটিতে কোনপ্রসঙ্গের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে?গভীর মানবিক সম্পর্কেরবুড়ির কাফনের কাপড় কিনে দেবার আবদার অহংকারীর আত্মদম্ভনিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্ট রচনা?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- 'চিনবে না। আমি অনেকদিন গাঁয়ে আসিনি"- উক্তিটি কে, কেন করেছে?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর 'পথের পাঁচালী' উপন্যাস অবলম্বনে চলচিত্র নির্মাণ করেন কে?
- ’দৃষ্টিপ্রদীপ' উপন্যাসের লেখক কে?
- নিচের কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ নয়?
- বুড়ি কেন প্রায়ই লেখকের জন্য এটা-সেটা নিয়ে আসত?
- ‘পুতুলনাচের ইতিকথা' কার লেখা?
- কোন উপন্যাসটি বিভূতিভূষণের লেখা নয়?
- পরিবারের ব্যয় নির্বাহে অমানুষিক পরিশ্রম করেওরিকশাচালক রতন প্রতিমাসে একদিন এতিমখানায় কিছুখাবার দেয় ।উদ্দীপকটি কোন বিবেচনায় 'আহ্বান' গল্পের সাথেসংগতিপূর্ণ?
- আহ্বান ছোট গল্পে ‘তিত্তিরাজ’ কী?
- লেখিকা শামীমা আখতারের স্বামী ফারুক চৌধুরী ও তাঁর একমাত্র সন্তান বিজয় মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। এরপর শামীমা আখতার স্বাধীনতা যুদ্ধে বাবা-মা হারানো এতিম প্রশান্তকে পুত্রবাৎসল্যে লালনপালন করে বড়ো করে তোলেন। মৃত্যুর আগে শামীমা আখতার তাঁর ১৮টি প্রকাশিত গ্রন্থের স্বত্ব প্রশান্তকে দান করেন। প্রশান্ত তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তানবিজয়ের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।“প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে ভাবগত ঐক্য রয়েছে।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- 'আহ্বান' গল্পে বুড়িকে কে মা বলে সম্বোধন করে?
- 'আহ্বান গল্পের বৃদ্ধা মারা গেছেন কোন ঋতুতে?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আহ্বান' গল্পে যে বিষয়টিফুটে উঠেছে—
- মানুষের মধ্যে স্নেহ প্রীতির বন্ধন রচিত হয়-
- মন্বন্তরের সময় নিঃসন্তান হরিদাসী আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে ধানক্ষেতের পাশে পরিত্যক্ত একটি শিশু দেখতে পায়। পরম স্নেহে অসহায় শিশুকে কোলে তুলে নেয় সে এবং মাতৃত্বের মমতায় তাকে বড় করে তোলে। কিন্তু বাদ সাধে সমাজ। তাদের মতে হরিদাসীর কুড়িয়ে পাওয়া ছেলেটি মুসলমানের ছেলে, তাকে কাছে রাখলে ব্রাহ্মণ সমাজের অশুচি হবে। কিন্তু হরিদাসী এত কিছু ভাবতে চায় না। তার কাছে মাতৃত্বের দাবিদারই বড় বিষয়।প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও বুড়ি ও হরিদাসীর মধ্যে প্রাধান্য পেয়েছে মাতৃত্বের হাহাকার- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘জড়িমা' শব্দের অর্থ কী?
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।উদ্দীপকের সৌদামিনী মালো 'আহ্বান' গল্পের কার সঙ্গে তুলনীয়? আলোচনা কর।
- ‘আহ্বান' গল্পে বর্ণনাকারীর জন্য বুড়ির চাটাই বোনারকারণ কী?
- 'আহ্বান' গল্পের বুড়িকে কে মা বলে ডাকে?
- গোপাল কোন মাসে বুড়ির সঙ্গে হাজরার বউকেদেখেছিলেন?