‘আহ্বান' গল্পে বর্ণনাকারীর জন্য বুড়ির চাটাই বোনার
কারণ কী?
A.
বর্ণনাকারী খেজুরের চাটাই পছন্দ করেন
B.
বুড়ি এটি বর্ণনাকারীর কাছে বিক্রি করবে
C.
বর্ণনাকারীর প্রতি বুড়ির সন্তান স্নেহ
D.
বুড়ি বর্ণনাকারীকে খেজুরের চাটাই উপহার দেবে
সঠিক উত্তরঃ
C.
বর্ণনাকারীর প্রতি বুড়ির সন্তান স্নেহ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'আহ্বান' গল্পে ‘ওখানা পুরনো হয়ে ভেঙে যাচ্ছে' —কী ?
- গ্রামীণ লোকায়ত জীবনধারা শাস্ত্রীয় কঠোরতা থেকে যে অনেকটা মুক্ত তা কোন গল্পে প্রতীয়মান?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আহ্বান' গল্পে যে বিষয়টিফুটে উঠেছে—
- আহ্বান ছোট গল্পে ‘তিত্তিরাজ’ কী?
- ‘আহবান' গল্পে বৃদ্ধা কোথায় দাঁড়িয়ে ছিল ?
- বিভুতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'পথের পাঁচালী' - অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন কে?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- 'পথের পঁচালি' উপন্যাসের লেখক-
- “পরদিন কলকাতা চলে গেলাম।" “আহ্বান’' গল্পভুক্ত এই বাক্যে কার সম্পর্কে বলা হচ্ছে?
- 'আহ্বান' গল্পে লেখক বুড়িকে প্রথম কোথায় দেখেছিলেন?
- কোন উপন্যাসটি বিভূতিভূষণের লেখা নয়?
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।"উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে অপত্য স্নেহের নিকট সাম্প্রদায়িক চেতনা পরাজিত হয়েছে।"- আলোচনা কর।
- বিভূতিভূষণের 'আহবান' গল্পে লেখকের সহপাঠি ছিল-
- ‘অপরাজিত’ উপন্যাসের লেখক–
- বুড়ি কেন বারবার গোপালের কাছে যেতেন?
- 'আহ্বান' গল্পে কোন ভাববস্তু প্রতিফলিত হয়েছে?
- মানুষের মধ্যে স্নেহ প্রীতির বন্ধন রচিত হয়-
- কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়?
- বিপত্নীক রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠিত পুত্র কন্যারা সকলেই প্রবাসীহওয়ায় বিপদে-আপদে প্রতিবেশীদের উপরই তার নির্ভরশীলতা।স্ত্রী-সন্তানসহ যৌবনের আনন্দময় দিনগুলো মনে পড়লে বৃদ্ধআবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।উদ্দীপকটিতে এবং 'আহ্বান' গল্পে যুগপৎ প্রকাশ পেয়েছে— স্মৃতিকাতরতাবার্ধক্যজনিত নিঃসঙ্গতা বৃহত্তর জীবনের আহ্বানে সম্পর্কের শৈথিল্যনিচের কোনটি সঠিক?
- 'আহ্বান' গল্পে বুড়ির বাড়ি থেকে ফিরে আসার সময় গল্পকথকবুড়ির পাতানো মেয়েটির হাতে কিছু দিয়ে এসেছিল, কী জন্য?
- দুই বন্ধু উত্তম চক্রবর্তী ও রতন মুখার্জি অচিন গাঁয়ে এক মরাবৃদ্ধকে দেখতে পেল। উত্তম মৃত মানুষটিকে সৎকারেরউদ্দেশ্যে কাঁধে তুলে নিতেই রতন জাত-পাতের প্রশ্ন তুলেবাদ সাধল। উত্তম বলল, “মরার আবার জাত কী?”উত্তম চক্রবর্তীর সঙ্গে 'আহ্বান' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র-
- লেখিকা রত্না চৌধুরীর স্বামী সমর ও একমাত্র সন্তান দীপঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। মুক্তিযুদ্ধে মা-বাবা হারানো এতিম সুজাউদ্দিনকে রত্না চৌধুরী পুত্র বাৎসল্যে বড়ো করেন। মৃত্যুর আগে রত্না চৌধুরী তার প্রকাশিত ১৮টি বইয়ের স্বত্ব সুজাউদ্দিনকে দান করেন। সুজাউদ্দিন তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তান দীপঙ্করের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।উদ্দীপকের স্নেহাতুর সম্পর্কের সাথে 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি ও গোপালের সম্পর্কের তুলনা করো।
- নিঃসন্তান সৌদামিনী মালো দুর্ভিক্ষে মৃত এক মুসলমান কৃষক পরিবারের অসহায় শিশু পুত্রকে মাতৃস্নেহে বুকে তুলে নেয়। শিশুর নাম দেয় হরিদাস। বড় হয়ে হরিদাস যখন ???ানতে পারে সে মুসলমানের ছেলে তখন সে সৌদামিনীকে ছেড়ে পালিয়ে যায়। হরিদাসকে হারিয়ে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয় হাহাকার করে ওঠে। ধর্ম, বর্ণ, অর্থ এসব কিছুর ঊর্ধ্বে মাতৃত্ব। শওকত ওসমানের' সৌদামিনী মালো' ছোটগল্পটিতে এভাবে মানবতার জয়গান ধ্বনিত হয়েছে।'সৌদামিনী মালো' গল্পটির সাথে 'আহ্বান' গল্পের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- মোবারক নিঃসন্তান দরিদ্র কৃষক। সে শীতের কোনো এক সন্ধ্যায় কাজ শেষে ব্যস্তভাবে বাড়ি ফিরছিলো। হঠাৎ বড় আম বাগানের ভিতর থেকে এক শিশুর কান্নার শব্দ তার কানে এলো। সে একটু এগিয়ে দেখলো, এক রুগ্ন শিশু শুকনো পাতার ভিতর নড়ছে। শিশুটিকে মোবারক বাড়ি নিয়ে এলো এবং স্ত্রী ফরিদাকে ডেকে বললো, "এই নাও, আমাদের শূন্য ঘরের আনন্দ।" দুজনে মিলে শিশুটির নাম রাখল রহমত। শিশুটিকে মোবারক ও ফরিদা সন্তান স্নেহে লালন-পালন করতে লাগলো।"উদ্দীপকের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ও 'আহ্বান' গল্পের মূল বক্তব্য একই সূত্রে গাঁথা।"- মূল্যায়ন করো।
- বুড়ি কেন প্রায়ই লেখকের জন্য এটা-সেটা নিয়ে আসত?