মৃত্যুঞ্জয়' রান্না করে খেত কেন?
A.
মৃত্যুঞ্জয় নিজে কাজ করতে পছন্দ করত
B.
মৃত্যুঞ্জয়ের আপন বলতে কেউ ছিল না
C.
অন্যের হাতে খাবার মৃত্যুঞ্জয়ের অপছন্দ ছিল
D.
পাচকের রান্না খাওয়া নিষিদ্ধ ছিল
সঠিক উত্তরঃ
B.
মৃত্যুঞ্জয়ের আপন বলতে কেউ ছিল না
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- শরৎচন্দ্রের "শ্রীকান্ত" উপন্যাসটি কয় পর্বে বিভক্ত?
- 'একলা যেতে ভয় করবে না তো?'- কে, কাকে এবং কেন এই উক্তিটি করেছিল? বুঝিয়ে লেখো।
- উপরের আদালতের হুকুমে' বোঝানো হয়েছে? বলতে কোনটিকে
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'উদ্দীপকের আলেয়া খাতুনের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।সৌদামিনী চরিত্রের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পে বিলাসীর সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- দিবা রাত্রির কাব্য' কী?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানী জমি, বসতবাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক ।এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্যাতি দেবর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একদিন এক শিশুকে দুর্ভিক্ষের কবল থেকে প্রাণে বাঁচিয়ে তুলে এনে লালনপালন করতে থাকে নিজ সন্তানের মতো। শিশুটি বড়ো হতে থাকে কিন্তু সম্পত্তির লোভে সৌদামিনীয় দেখর। দবর অভিযোগ তোলে রাস্তা। থেকে একটা অস্পৃশ্য সন্তানকে তুলে এনে নিজ ঘরে আশ্রয় নিয়েছে সৌদামিনী। সে জাতের দ্বিধান লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে। যে- সে যা করছে তা মহাপাপ, হিন্দু সমাজের জাত ধর্ম শেষ হলে গেল। (কাহিনি সূত্র: সৌদামিনী মালো- শওকত ওসমান)সৌদামিনী চরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্যটি বিলাসীর চরিত্রের সাথে মিলে যায়? আলোচনা করো।
- পার্বতী সাপুড়ের মেয়ে, সাপ ধরা, শিকড়-তাবিজ বিক্রি করা তাদের পারিবারিক পেশা। পার্বতীর রূপ-গুণে মুগ্ধ হয়ে জমিদার পুত্র চন্দ্রসিং তাকে বিয়ে করে, তাদের সংসার বেশ সুখের হয়। কিন্তু সমাজ চন্দ্রসিংকে মেনে নেয়নি, পার্বতীকেও সাপুড়ে সমাজ জাতিচ্যুত করে। উভয়ে সমাজ ছেড়ে দূরবর্তী সোনাপুর গ্রামে নতুন জীবন শুরু করে।পার্বতী ও বিলাসী চরিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
- শরৎ সাহিত্যে সমাজের নিচু তলার মানুষ কীভাবে চিত্রিত হয়েছে?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।"উদ্দীপকের মূলভাব 'বিলাসী' গল্পের আংশিক প্রতিচ্ছবি।"- মূল্যায়ন করো।
- "বিলাসী” গল্পে কাকে গালিগালাজ করে দেশ উদ্ধারেরকথা বলা হয়েছে?
- ‘মনসা দেবী আমার মা' কোন গল্পে বলা হয়েছে?
- 'ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়া ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো।' বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- 'বিলাসী' গল্পে মৃত্যুঞ্জয় প্রসঙ্গে 'সুনাম' কথাটি দ্বারাকী প্রকাশ পেয়েছে?
- পার্বতী সাপুড়ের মেয়ে, সাপ ধরা, শিকড়-তাবিজ বিক্রি করা তাদের পারিবারিক পেশা। পার্বতীর রূপ-গুণে মুগ্ধ হয়ে জমিদার পুত্র চন্দ্রসিং তাকে বিয়ে করে, তাদের সংসার বেশ সুখের হয়। কিন্তু সমাজ চন্দ্রসিংকে মেনে নেয়নি, পার্বতীকেও সাপুড়ে সমাজ জাতিচ্যুত করে। উভয়ে সমাজ ছেড়ে দূরবর্তী সোনাপুর গ্রামে নতুন জীবন শুরু করে।উদ্দীপকে চন্দ্রসিংয়ের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কার সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো।
- ‘রাজলক্ষ্মী’ চরিত্রের স্রষ্টা ঔপন্যাসিক-
- নূরলদিন যে পূর্ণিমায় মায় ডাক দিবে সে পূর্ণিমা কেমন?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে ডিগ্রি প্রদান করে তার নাম-
- কার অপর নাম সৌমিত্রি ?
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক কে?
- শহরের গৃহকর্মী মায়ের সন্তান আরিফ দুজনের বন্ধুত্ব অত্যন্ত সুদৃঢ় হলেও আসিফের বাবা আরিফের মেলামেশা, বাসায় আসা এবং ড্রয়িং রুমে আপ্যায়ন মেনে নিতে পারেন না। আরিফকে বাসায় আসতে তিনি নিষেধ করেছেন। এমনকি অকথ্য ভাষায় বকাবকি করে বাড়ি থেকে তাড়িয়েও দিয়েছেন। সম্প্রতি ডেঙ্গু আক্রান্ত সংকটাপন্ন বন্ধু আসিফকে আরিফই রক্ত দিয়েছে, জীবন বাঁচিয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত রেখেছে।উদ্দীপকের বাবা চরিত্রটি 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের মানসিকতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ?
- 'কাগজ তো ইঁদুরেও আনতে পারে।' বিলাসী গল্পে এ উক্তি কার?
- এই কান্নাকাটিতে অধর অত্যন্ত বিরক্ত হইলেন। ছোঁড়াটা মরা ছুঁইয়া আসিয়াছে, কি জানি এখানকার কিছু ছুঁইয়া ফেলিল নাকি। ধম দিয়া বলিলেন, মা মরেচে ত যা নিচে নেবে দাঁড়া। ... কি জাতের ছেলেরে তুই? কাঙালী সভয়ে প্রাঙ্গণে নামিয়া দাঁড়াইয়া কহিল, আমরা দুলে।উদ্দীপকের অধর বাবুর মনোভাব 'বিলাসী গল্পের যে প্রসঙ্গের সাথে সংগতিপূর্ণ তা হলো-সংকীর্ণতাজাতি বৈষম্যঅস্পৃশ্যতানিচের কোনটি সঠিক?
- বিলাসী' গল্পে আশ্চর্য করার মতো কোন কাজটি মৃত্যুঞ্জয় করেছে?
- প্রেমিক আশিকুরের ভালোবাসার টানে মালয়েশিয়া থেকেছুটে এসেছেন অভিজাত বংশের কন্যা ফাতেমা বিনতে আব্দুররহমান। তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর স্ত্রীকেবাড়িতে সসম্মানে নিয়ে গেছেন তিনি। এখন তারা আটপৌরেজীবন-যাপন করছেন।উদ্দীপকে 'বিলাসী' গল্পের কোন সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিতহয়েছে?