‘রাজলক্ষ্মী’ চরিত্রের স্রষ্টা ঔপন্যাসিক-
A. বঙ্কিমচন্দ্র
B. শরৎচন্দ্র
C. তারাশংকর
D. নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তরঃ
B.
শরৎচন্দ্র
Explanation: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস ‘শ্রীকান্ত’ ৪ খণ্ডে প্রকাশিত হয়। প্রথম ৩ খণ্ড মাসিক ‘ভারতবর্ষ’ পত্রিকায় এবং ৪র্থ খণ্ডটি ‘বিচিত্রা’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এর বিখ্যাত চরিত্রসমূহ হলো- শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, অন্নদাদিদি, অভয়া, রাজলক্ষ্মী।
Related Questions (Any University/Year)
- ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়ে ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো। হাত দিয়া এতোটুক স্পর্শ করিলে , এতোটুকু নাড়াচাড়া করিতে গেলেই ঝরিয়া পড়িবে।' এ উক্তি কোন গল্পে আছে ?
- কার আত্মহত্যা অনেকের কাছে পরিহাসের বিষয় হয়ে দেখা দিল?
- শরৎচন্দ্রের "শ্রীকান্ত" উপন্যাসটি কয় পর্বে বিভক্ত?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'জগত্তারিণী' স্বর্ণপদক লাভ করেন?
- 'ঘন জঙ্গলের পথ। একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো।" - উক্তিটি কার?
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক কে?
- ভূদেব বাবু হলেন-
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'উদ্দীপকের আলেয়া খাতুনের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- এডন কীসের জন্য বিখ্যাত?
- শরৎ সাহিত্যে সমাজের নিচু তলার মানুষ কীভাবে চিত্রিত হয়েছে?
- বলিলাম, 'পৌঁছে দিতে হবে না, শুধু আলোটা'দাও।'- উক্তিটিতে ন্যাড়ার যে মনোভাব প্রকাশপেয়েছে—
- 'মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে'। এখানে মহত্ত্ব কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ভারতের অভিজাত এলাকায় অবস্থিত গ্লোরি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রায় সব ছাত্রছাত্রীই ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের। হঠাৎ একদিন বেশ কয়েকজন অভিভাবক স্কুলে এসে চিৎকার করে বলা শুরু করল যে তাদের জাত চলে গেছে, কারণ স্কুলের রান্নার মাসি নিম্ন সম্প্রদায়ের। তার হাতের রান্না খেয়ে তাদের সন্তানদের পাশাপাশি, তাদেরও মহাপাপ হয়েছে। তাই তাদের দাবি অবিলম্বে রান্নার মাসিকে চাকরিচ্যুত করতে হবে। কিন্তু স্কুলের প্রধান শিক্ষক অভিভাবকদের পক্ষ না নিয়ে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করলেন সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে ভালোবাসাই প্রকৃত ধর্ম।উদ্দীপকের অভিভাবকদের ভাবনার মধ্য দিয়ে 'বিলাসী' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?- আলোচনা করো।
- কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়তাইতে কী জাত ভিন্ন বলায়,যাওয়া কিংবা আসার বেলায়জাতের চিহ্ন রয় কার রে।উদ্দীপকটিতে 'বিলাসী' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বুঝিয়ে লেখো।
- ব্রাহ্মণের শিক্ষিত ছেলে সমীর ভালোবেসে বিয়ে করে গ্রামেরজেলে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত মেয়ে নীলিমাকে। রাশভারী বাবাউপেন্দ্রনাথ তাতে রাজি না হয়ে সমীরকে সম্পত্তি থেকেবঞ্চিত করে। সমীর ও নীলিমা আত্মনির্ভরশীল হয়ে এখনসুখে আছে।উদ্দীপকের উপেন্দ্রনাথ চরিত্রের মধ্যে 'বিলাসী'গল্পের যে সামাজিক সমস্যাটি নিহিত তা হলো-
- উচ্চবংশীয় শিক্ষিত যুবক নীলাদ্রি ভালোবেসে বিয়েকরে নীচ বংশজাত মেয়ে শোভনাকে। রাসভারী বাবাভূপেন্দ্রনাথ এ বিয়ে মেনে নেয়নি। বরং নীলাদ্রিকেসম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছে।উদ্দীপকের ভূপেন্দ্রনাথের সাথে ‘বিলাসী' গল্পেরকোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- বিলাসী' গল্পে 'মহত্ত্বের কাহিনি' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- করোনাকালীন দুর্যোগে জনাব শিমুল চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। চরম আর্থিক সংকট এবং মানসিক চাপে তিনি শারীরিকভাবেও ভেঙে পড়েন। ফলে দুই সন্তানের লেখাপড়াসহ সংসারের খরচ চালানো তাঁর জন্য কঠিন-হয়ে যায়। এই সময়ে তাঁর স্ত্রী পারুল আক্তার সেলাইয়ের কাজ করে সংসারের হাল ধরেন। পাশাপাশি অসুস্থ স্বামীর সেবা করেন পরম মমতায়।পারুল আক্তারের সঙ্গে বিলাসী চরিত্রের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- নিম্নের কে কবি নন?
- পার্বতী সাপুড়ের মেয়ে, সাপ ধরা, শিকড়-তাবিজ বিক্রি করা তাদের পারিবারিক পেশা। পার্বতীর রূপ-গুণে মুগ্ধ হয়ে জমিদার পুত্র চন্দ্রসিং তাকে বিয়ে করে, তাদের সংসার বেশ সুখের হয়। কিন্তু সমাজ চন্দ্রসিংকে মেনে নেয়নি, পার্বতীকেও সাপুড়ে সমাজ জাতিচ্যুত করে। উভয়ে সমাজ ছেড়ে দূরবর্তী সোনাপুর গ্রামে নতুন জীবন শুরু করে।পার্বতী ও বিলাসী চরিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
- বিলাসীর আত্মহত্যা পরিহাসের বিষয় হলো কেন?
- নার্গিস বিদেশে গৃহকর্মীর কাজ করে। বিদেশে কাজকরার বিষয়টি তার এলাকার মানুষ পছন্দ করে না। তিনবছর পর নার্গিস বাড়ি ফিরে এলে গ্রামবাসী তার নামেবিচার বসায় এবং তাকে গ্রামছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয়।নার্গিস প্রতিবাদী কণ্ঠে বলে ‘অসুস্থ মাকে রেখে কিছুতেইআমি কোথাও যাব না ।'উদ্দীপকের বিষয়টি বিবেচনায় নার্গিস ও বিলাসী উভয়েকেমন প্রকৃতির নারী?
- 'বিলাসী' গল্পের ন্যাড়া কত ক্রোশ পথ হেঁটে স্কুলে যেত?
- পার্বতী সাপুড়ের মেয়ে, সাপ ধরা, শিকড়-তাবিজ বিক্রি করা তাদের পারিবারিক পেশা। পার্বতীর রূপ-গুণে মুগ্ধ হয়ে জমিদার পুত্র চন্দ্রসিং তাকে বিয়ে করে, তাদের সংসার বেশ সুখের হয়। কিন্তু সমাজ চন্দ্রসিংকে মেনে নেয়নি, পার্বতীকেও সাপুড়ে সমাজ জাতিচ্যুত করে। উভয়ে সমাজ ছেড়ে দূরবর্তী সোনাপুর গ্রামে নতুন জীবন শুরু করে।উদ্দীপকে চন্দ্রসিংয়ের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কার সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো।
- কে কবি নন?