"বাংলাদেশ-ধ্বংস-কাব্যে জানে না পৌঁছল জাহান্নামে এ জন্মেই
বাংলাদেশ অনন্ত অক্ষত মূর্তি জাগে৷”
উদ্দীপক ও 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতার মর্মবাণী—
A.
জাতিসত্তার অস্তিত্ব
B.
আবহমান বাংলাদেশ
C.
বাংলাদেশের বন্দনা
D.
বিদেশিদের আগ্রাসন
সঠিক উত্তরঃ
C.
বাংলাদেশের বন্দনা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘পদ্মা নদীর মাঝি' কোন ধরনের উপন্যাস?
- একটি ফটোগ্রাফ কবিতার ছোট ছেলেটি কত আগে ডুবে মারা গিয়েছিল ?
- ‘সুবচন নির্বাসনে’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- চোরকে ফাঁসি দেওয়ার পূর্বে বিচারককে কয়দিন উপবাস থাকতে বলেছে বিড়াল?
- 'দোকানে কেন এ দর কষাকষি? পথে ফোটে তাজা ফুল।'- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- বহুদিন ধরে বহু ক্রোশ দূরেবহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরেদেখিতে গিয়াছি পর্বতমালাদেখিতে গিয়াছি সিন্ধু।দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দু'পা ফেলিয়াএকটি ধানের শিষের উপরএকটি শিশির বিন্দু।উদ্দীপকের সাথে 'ঐকতান' কবিতার কী বৈসাদৃশ্য আছে লেখ।
- ‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- কেরোসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে,ভাই বলে ডাক যদি দেব গলা টিপে।হেনকালে গগনেতে উঠিলেন চাঁদা,কেরোসিন বলি উঠে, এসো মোর দাদা। -পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ‘জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে।’ কবিতাংশটুকুর রচিয়তা কে?
- 'ঐকতান' কবিতার কবি অক্ষয় উৎসাহে কী পড়েন?
- হৈরব আর ভৈরব দুই ভাই। চিন্তা-চেতনায় স্বার্থে পরার্থেযোজন দূরের বাসিন্দা তারা; কিন্তু তাদের মা দুরারোগ্যব্যধিতে আক্রান্ত হলে বিভেদ ভুলে হৈরব ভৈরবকে মায়েরচিকিৎসায় তার পাশে থাকার অনুরোধ জানায়। ভৈরব স্বার্থচিন্তা ত্যাগ করে বিনা দ্বিধায় বড় ভাইয়ের পাশে দাঁড়ায়।উদ্দীপকের ভৈরব ও মিরজাফর চরিত্রে যুগপৎপ্রতিফলিত—
- চার্বাক ছিলেন একজন—
- ক্ষীরের পুতুল' কার রচনা?
- "নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিত্য-চন্ডালপ্রভু, ক্রীতদাস!সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;সমগ্রে প্রকাশ!নমি কৃষি-তন্তজীবী, স্থপতি, তক্ষক,কর্ম চর্মকার! কতরাজ্য কত রাজ গড়িছ নীরবেহে পূজ্য, হে প্রিয়!একত্বে বরেণ্য তুমি, শরণ্য এককে-আত্মার আত্মীয়।"উদ্দীপকটি 'ঐকতান' কবিতার কোন বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আলোচনা করো।
- 'সাহিত্য পাঠ' বইয়ের কবিতা অংশে প্রথম কবিতাটি কার?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ অনুসারে আত্মার পরিপুষ্টিরজন্য প্রয়োজন—বিচিত্র অভিজ্ঞতাউচ্চশিক্ষাগভীর সহানুভূতিনিচের কোনটি সঠিক?
- 'নিষেধের বিড়ম্বনা' কার লেখা?
- ছনু মিয়া তার বড়ো পরিবারের ভরণপোষণ করতে না পেরেমিথ্যার আশ্রয় নেয়। একদিন রাতে সে তার বাড়ির সামনেএকটি সাইনবোর্ড টাঙ্গায়। সেখানে লেখা থাকে যে, সেস্বপ্নে অলৌকিক ক্ষমতা পেয়েছে এবং এর দ্বারা যাবতীয়সমস্যার সমাধান করা হয়। এই সাদৃশ্যের কারণ হলো- মিথ্যার আশ্রয়ধর্ম ব্যাবসাযাপিত জীবনের ভার সইতে না পারানিচের কোনটি সঠিক?
- শিক্ষকতার দীর্ঘ জীবনে রহিম সাহেবের কাছে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় কখনো বড়ো হয়ে ওঠেনি। জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি আশপাশের মানুষদের মানবতাবাদে দীক্ষিত করা ছিল তাঁর জীবনব্রত। এখন তাঁর অবসর কাটে সামাজিক আর ব্যক্তি মানুষের কল্যাণকর্মে। ধর্মীয় গোঁড়ামি কিংবা অন্ধ সংস্কারের কারণে সমাজে যখন অনাচার দেখা দেয় তখন রহিম সাহেব সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের প্রায়ই চন্ডীদাসের সেই অমর উচ্চারণ মনে করিয়ে দিতেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।"উদ্দীপকের রহিম সাহেবের জীবনানুভূতির সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতায় প্রতিফলিত কবির জীবনদর্শনের তুলনা করো।
- চন্ডিগড় শহরের উপকণ্ঠে বাড়ি ভাড়া নেয় সুরেশ ও কল্যাণী ব্যানার্জী। তাদের এক সন্তান শান্ত। স্বামী-স্ত্রী চাকুরিজীবী হওয়ায় শান্তাকে দেখাশোনার জন্য গ্রাম থেকে আনা হয় আট বছর বয়সী দরিদ্র অনিতাকে। সারাদিনের খাটুনিতে অনিতার শ্রান্ত শরীরে ঘুম চলে আসে সন্ধ্যারাতে। কল্যাণীর ধারণা অনিতার খাবারের পরিমাণ আরও কমালে ওর ঘুম আসবে না। তাই অনিতার খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেয় কল্যাণী। কম খেতে খেতে অনিতা শীর্ণকায় হয়ে পড়ে। শান্তর উচ্ছিষ্ট সে চুরি করে খায়। এটা জানতে পেরে কল্যাণী অনিতার উপর নির্যাতন চালায়, তওবা করায় এবং উপদেশ দেয় যে চুরি করে খাওয়া পাপ। ফ্রিজে ভর্তি করা খাবার, শান্ত খাওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়ায় আর অনিতা শান্তর উচ্ছিষ্টের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'বিড়াল' প্রবন্ধের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- বাঘ-ময়ুর-সিংহ ও সাপের কথা উল্লেখ আছে কোন কবিতায়?
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী অনুদিত 'Civilization' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ’হুলিয়া’ কবিতাটি কে লিখেছেন?
- ‘বিশাল বিশ্বের আয়োজন; মন মোর জুড়ে থাকে অতি ক্ষুদ্র তারি এক কোণ।’ চরণটি কোন কবিতার?
- চার্বাক কে?