‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'– বলতে বোঝানো
হয়েছে—
A.
অধিকার আদায়ে রক্তদান
B.
স্বাধীনতার জন্য রক্তদান
C.
দেশের জন্য রক্তদান
D.
শুভ কল্যাণ ও সুন্দরের জন্য রক্তদান
সঠিক উত্তরঃ
D.
শুভ কল্যাণ ও সুন্দরের জন্য রক্তদান
Explanation:
দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য যুগে যুগে আঠারো বছর বয়সের মানুষই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি। দেশ ও জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের জন্য প্রাণ দিতেও দ্বিধাবোধ করেনি। উল্লিখিত উত্তি দ্বারা এ বয়স সুন্দর, শুভ ও কল্যাণের জন্য রক্তমূল্য দিতে জানে বোঝানো হয়েছে।
Related Questions (Any University/Year)
- কলেজে ওঠার পর রাতুল ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে, রাত জেগে স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে। বাবা-মায়ের সঙ্গেও বাজে আচরণ করে। অবশেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় রাতুল কিছু বাজে বন্ধুর পাল্লায় পড়েছে। রাতুল বুঝতে পারছে সে যা করছে ভুল করছে, কিন্তু এসব থেকে বেরিয়েও আসতে পারছে না।'অসৎ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে তরুণরা ভুল পথে পা বাড়াতে পারে" উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে তোমার মতামত দাও।
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'-পরের চরণ কোনটি?
- তারুণ্য হলো মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ বয়সে অনেক তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা থাকে। পড়াশোনা শেষ করে চাকরির জন্য ছোটা, অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করা; আবার যেকোনো অসৎ সঙ্গে নষ্ট হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। এসকল প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে একজন তরুণকে পথ চলতে হয়। অর্থাৎ একজন তরুণকে বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়।" 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উদ্দীপকের বিষয়গত ভাবের ইঙ্গিত আছে।"- যুক্তিসহ মূল্যায়ন করো।
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'- সপ্রসঙ্গ পঙ্ক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'-কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছেন?
- " এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে" এ বাক্যে 'আঠারো' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।"উদ্দীপকের প্রাণধর্ম ও যৌবন-ধর্ম 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় পরিলক্ষিত হয়"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ ‘আকাল’ সম্পাদনা করেন কে?
- পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে'- লাইনটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ফ্যাসিবিরোধী লেখক শিল্পী সংঘেরপক্ষে কোন কাব্যগ্রন্থটি সম্পাদনা করেন?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।''তারুণ্য শক্তিই পারে আগামী জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে।'- উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- দুরন্ত পথিক দুর্বার তারুণ্যের প্রতীক। সে বিপ্লবের অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত মুক্তি সৈনিক। মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে সে দুর্গম পথে এগিয়ে চলে। তার শক্তি অবিনশ্বর। পথ চলতে সে কখনো থেমে যায় না। তার চেতনা দুর্বারকে জয় করে।উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার চেতনা সর্বজন কর্তৃক অনুকরণীয়- বিশ্লেষণ কর।
- ‘এ বয়স জেনো ভীরু কাপুরুষ নয় - পঙক্তিতে কত বছরবয়সের কথা বলা হয়েছে?
- নিশান নামের ছেলেটির সম্ভাবনাময় জীবন আজ মাদকের নীল ছোবলে বিধ্বস্ত। নিশানের স্বপ্ন ছিল একদিন সে চিত্রশিল্পী হয়ে উঠবে। অথচ রংতুলির বদলে আজ তার আঙুলের ফাঁকে সিগারেট। এতদিনের স্বপ্নের ভুবন দুঃস্বপ্নের কালো ছায়ার অতল গহ্বরে বিলীন।উদ্দীপকে নিশান চরিত্রের যে চিত্রায়ণ তা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কীভাবে বর্ণিত? আলোচনা করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্য গ্রন্থ কোনটি?
- প্রাণ দেয়া নেওয়ার ঝুলিটা থাকে না শূণ্য - পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- " আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা" -কারণ এই বয়সে মানুষ
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে। কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি এই প্রত্যাশা করেছেন?
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।"উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আংশিক ভাব ধারণ করেছে।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- আমি গাই তারি গান-
- বাংলাদেশের সড়ক পথে হতাহতের ঘটনা কেন্দ্র করে ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল নয় দিনের একটি আন্দোলন 'নিরাপদ সড়ক চাই।' এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী। আন্দোলনের রেশ ছড়িয়ে পড়েছিল সারা দেশে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার 'পথে-প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান' চরণটি কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?