'হিমালয়ের তিনি যেন মিতা।' - কার প্রসঙেগ বলা হয়েছে?
A. গৌরীপ্রসন্ন
B. গৌরীশঙ্কর
C. মৃত্যুঞ্জয়
D. ভূদেব বাবু
E. বনমালী বাবু
সঠিক উত্তরঃ
B.
গৌরীশঙ্কর
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সেলিম আল দীন এর নাট্যরীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
- 'মৃত্যুক্ষুধা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের গ্রন্থ?
- সকল মহামানবই চেয়েছেন হিংসা-দ্বেষ ও হানাহানিমুক্ত একটি বাসযোগ্য নির্মল পৃথিবী। হিংসা আর স্বার্থপরতার বিষবাষ্পে ছেয়ে গেছে বর্তমান বিশ্ব। ভালোবাসাহীন, স্বার্থান্ধ ও মানবিকতাশূন্য এমন পৃথিবীর কথা মহামানবেরা চিন্তাও করেননি। সর্বত্র বিরাজমান সকল অশুভ শক্তির শিকড়কে উপড়ে ফেলে ভালোবাসা ও মানবিকতার ছায়া ছড়িয়ে দিতে পারলেই বাসযোগ্য একটি নির্মল পৃথিবীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।উদ্দীপকের মহামানবদের চাওয়ার সাথে 'সেই অস্ত্র' কবিতার কবির চাওয়ার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- কোন নদীর পলিতে 'গলিতে হেম' আছে?
- 'আমাদের জীবনটা ছিল যান্ত্রিক' কোন গল্প থেকে নেওয়া?
- কমলাকান্ত কোন মামলার স্বাক্ষী?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।
- তুলসী গাছটি প্রথমে কার চোখে পড়েছিল?
- গাছের একটি শসা চুরির অপরাধে দরিদ্র বালক ফজলকে নির্দয়ভাবে প্রহার করেন ধনী গৃহস্থ কোবাদ আলী। বালকটি আর্তনাদ করে বলে আর সে কখনো কিছু চুরি করবে না। ঘটনাটি দেখে মনু মাস্টারের প্রাণ কেঁদে ওঠে। দরিদ্র বালক ক্ষুধার জ্বালায় চুরি করেছে। নগণ্য একটি অপরাধে এমন অমানবিক শান্তি। অথচ অন্যায়ভাবে কত মানুষের জমি দখল করে ধনী হয়েছেন কোবাদ আলী। মন খারাপ হলেও চোরের পক্ষ নিয়ে কথা বলার অবকাশ পান না মনু মাস্টার।'উদ্দীপকের মনু মাস্টারের অসহায়ত্বই প্রতিফলিত হয়েছে কমলাকান্তের কথা ও আচরণে'- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- ‘আনন্দের ধর্ম এই যে তা সংক্রামক’- উদ্ধৃতিটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- “অর্ধাঙ্গী' রচনায় উল্লেখিত ভগিনীদের রোগের নাম কি?
- রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকটির রচয়িতা কে?
- একটি মাত্র কোষবিশিষ্ট প্রাণীকে কী বলা হয়?
- মীর মশাররফ হোসেনের কোন গ্রন্হের উপজীব্য হিন্দু মুসলমানের বিরোধ?
- নুসরাত শাহের আশরাফপুর শিলালিপি কোন হরফেলেখা?
- ‘সেই অস্ত্র' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- "নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়" কাব্যনাট্যাংশে 'নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়' চরণটি ব্যবহৃত হয়েছে-
- ”রঙ্গিন সাঁঝেরে ধুয়ে মুছে দিত মোদের চোখের ধারা।” পঙ্গক্তিটির আগের পঙ্গক্তি
- 'কালাপানি' হল -
- "তরুতলে বসে পান্থ শ্রান্তি করে দূরফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুরবিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়,তরু তবু অকাতর, কিছু নাহি কয়।দুর্লভ মানব জন্ম পেয়েছো যখনতরুর আদর্শ কর জীবনে গ্রহণপরার্থে আপন সুখ দিয়ে বিসর্জনতুমিও হওগো ধন্য তরুর মতন।"উদ্দীপকের সঙ্গে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধটি কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
- 'উঁকি দিয়ে দিগন্ত' কোন ধরনের সাহিত্য?
- 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের উপজীব্য বিষয়-
- রোকেয়া সাখওয়াত হোসেন ’নাকের দড়ি’ বলতে বুঝিয়েছেন-
- প্রমথ চৌধুরীর মতে সাহিত্যের উদ্দেশ্য কী?
- নাইকো এখানে কালা ও ধলার আলাদা গির্জা-ঘর,নাইকো পাইক-বরকন্দাজ নাই পুলিশের ডর।এই সেই স্বর্গ, এই সেই বেহেস্ত, এখানে বিভেদ নাই,যত হাতাহাতি হাতে হাত রেখে মিলিয়াছে ভাই ভাই!নাইকো এখানে ধর্মের ভেদ শাস্ত্রের কোলাহল,পাদরি-পুরুত-মোল্লা-ভিক্ষু এক গ্লাসে খায় জল।"পাদরি-পুরুত-মোল্লা-ভিক্ষু এক গ্লাসে খায় জল।"- এই উক্তির আলোকে 'সাম্যবাদী' কবিতার নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।