নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।
উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'সম্প্রতি পল্লিগ্রামের দুর্দশার প্রতি দেশবন্ধু নেতৃবৃন্দেরদৃষ্টি পড়িয়াছে' বলতে বোঝানো হয়েছে—
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' কোন যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত?
- অমিয় চক্রবর্তীর ‘বাংলাদেশ’ কবিতায় উল্লেখিত হয়েছে-
- 'আগুইনা চিতা' কি?
- ‘জ্ঞানের দীনতা এই আপনার মনে’ ঐকতান কবিতায় এর পরের লাইন-
- বাংলাদেশ' কবিতায় কোন ধানের উল্লেখ আছে ?
- 'নিষেধের বিড়ম্বনা' কার লেখা?
- ‘বিড়াল’ রচনায় বিড়াল কোন চেতনার প্রকাশ?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কার উপমা নেই?
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।উদ্দীপকের 'কীত্তনখোলা' নাটকের চরিত্রগুলো 'ঐকতান' কবিতার কোন চরিত্রগুলো কী প্রসঙ্গে তুলনীয়?
- কমলাকান্তের ভাবনায় কে আফিম ভিক্ষা করতে এসেছে?
- 'নদী কভু পান নাহি করে নিজ জলতরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফলগাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দানসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরহিত তরে।'উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিকটির ইঙ্গিত করে—
- 'কবর' কবিতায় বৃদ্ধ তাঁর কোন আত্মীয়কে সোনালি উষার সোনামুখের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
- 'বঙ্গভাষা' কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
- জীবন-বন্দনা’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।"উদ্দীপকে বিধৃত 'কীত্তনখোলা' নাটকে নাট্যকারের যে কীর্তি তা-ই অন্বিষ্ট ছিল 'ঐকতান' কবিতার কবির।"- আলোচনা করো।
- 'সাক্ষী বড় সেরকশা' - কার উক্তি ?
- নূরলদীনের ব???ড়ি কোথায়?
- 'তুমি তো সব জান।' উক্তিটি কার?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কত সালে ফোর্ট ইউলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগে হেড পণ্ডিত হিসেবে যোগ দান করেন?
- ‘বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের নায়ক—
- ঘরের মেঝেতে সপটি বিছায়ে বাছা শোও '-এর পরের পঙক্তি --
- পদ্মা নদীর মাঝি কে ?
- মার্জার শব্দের অর্থ কী?
- নিচের কোন জাদুঘরটি চট্টগ্রামে অবস্থিত?