টেলিফোন, টেলিগ্রাফ, অপারেশন, ইনজেকশন ইত্যাদিকে যে সভ্যতার নিদর্শন বলে না সে রোকেয়া সাখাওয়াত
হোসেন এর বিবেচনায়-
A.
অসভ্য
B.
মিথ্যাবাদী
C.
কুসংস্কারাচ্ছন্ন
D.
নিমকহারাম
সঠিক উত্তরঃ
D.
নিমকহারাম
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় কোনঘাসের উল্লেখ পাওয়া যায়?
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের মতে সভ্যতার সঙ্গেদারিদ্র্য বৃদ্ধির কারণ কী?
- 'নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়' কবিতায় নূরলদীনকাদের জেগে ওঠার আশায় ডাক দিবেন?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ অনুযায়ী মানুষের মর্যাদা কীসে?
- “কলিমদ্দি দফাদার” গল্পটি-
- কোন গ্রন্থটি মোতাহের হোসেন চৌধুরী রচিত?
- জীবনানন্দ দাশ লক্ষ্মীপেঁচা ও ধানের গন্ধের মধ্যে মিল খুঁজে পান-
- 'যৌবনের গান' হল লেখকের............প্রদত্ত ভাষণ-
- “আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- কাশবনের কন্যা' কোন জাতীয় রচনা?
- ‘মসজিদ এই, মন্দির এই, গির্জা____’ সাম্যবাদী কবিতার এই চরণের শূন্যস্থানে কী বসবে?
- শেষ পর্যন্ত এক কৃষজীবী পরিবারেই বিয়ে হয় ছবি রাণীর। স্বামী ধনপতির একটি উন্নত জাতের গাভি আছে; গাভির একটি ছোট্ট বাছুর আছে। সেই বাছুরকে মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত করে দুই বেলা গাভির সবটুকু দুধ দোহন করে নেয় ধনপতি। বাছুরকে জোরপূর্বক আটকে রেখে স্বামীকে সহায়তা করে ছবি রাণী। গাভি যেন সামান্য দুধও বাছুরের জন্য রাখতে না পারে, সেদিকে কড়া নজর তাদের। ক'দিন আগে ছবি রাণীর কোল জুড়ে আসে নবজাত ফুটফুটে এক শিশু সন্তান। এই শিশু যখন ক্ষুধায় কান্না করে, ছবি রাণী তখন পরিবারের সব কাজ ফেলে পরম মমতায় সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে তৃপ্ত করে। একদিন তার শিশু সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে পরিতৃপ্ত করতে গিয়ে সে অনুভব করে, মাতৃদুগ্ধ-বঞ্চিত রেখে কী নির্মম আচরণ করে যাচ্ছে তারা গাভির অসহায় বাছুরের ওপর। তারপর থেকে সে স্বামীকে এই কা???ে আর সহায়তা করে না।উদ্দীপকের ছবি রাণী কোন দিক দিয়ে কমলাকান্তের সঙ্গে তুলনীয়?
- “যে ঘৃণা বিদ্বেষ অহংকার এবং জাত্যাভিমান কে করে বার বার পরাজিত” -তোমার পঠিত কোন কবিতার অংশ ?
- 'মেঘ' শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবে কোনটি সমর্থনযোগ্য।
- 'এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির-কাবা নাই।'- বুঝিয়ে লেখো।
- কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ‘যৌবণের গান’ রচনাটি প্রথম পাঠ করেন-
- ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি’ কবিতায় কবি তাঁর স্বপ্নকে কোথায় রেখেছেন?
- গ্রন্থাগার জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডার। এটা জাতীয় ইতিহাস,ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক বলে মানুষের মনকেজাগিয়ে তুলতে সাহায্য করে।উদ্দীপক ও 'যাদুঘরে কেন যাব' রচনায় মিল রয়েছেকোনদিক থেকে?
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্যের সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ করো।
- পদ্মা নদীর মাঝি কে?
- 'কত ঊর্ণজাল বুনে/ কেটেছে' -- 'একটি ফটোগ্রাফ' কবিতায় চরণাংশটিতে প্রকাশ পেয়েছে-
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের পটভূমি কী?
- “সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।" - চরণ ??ুটি কার লেখা?
- "তরুতলে বসে পান্থ শ্রান্তি করে দূরফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুর।বিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়,তবু তবু অকাতর, কিছু নাহি কয়।দুর্লভ মানব জন্ম পেয়েছো যখনতরুর আদর্শ কর জীবনে গ্রহণপরার্থে আপন সুখ দিয়ে বিসর্জনতুমিও হওগো ধন্য তরুর মতন।""জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বিকাশ ও দানের কথা বর্ণিত হলেও উদ্দীপকে শুধুই ত্যাগের মহিমা কীর্তন করা হয়েছে।"- বিশ্লেষণ কর।
- 'মুগ্ধ মরণ বাঁকে বাঁকে' বলতে বোঝানো হয়েছে— নদীর বাঁকে মৃত্যুর ফাঁদ জীবন মরণের সম্পৃক্তিসত্যিকারে মৃত্যু বাধাহীননিচের কোনটি সঠিক?