কাশবনের কন্যা' কোন জাতীয় রচনা?
A. নাটক
B. উপন্যাস
C. কাব্য
D. ছোটগল্প
সঠিক উত্তরঃ
B.
উপন্যাস
Explanation: কাশবনের কন্যা ঔপন্যাসিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত অন্যতম উপন্যাস ।
Related Questions (Any University/Year)
- ব্রিটিশ শাসনামলে নীলকর সাহেবরা কৃষকদের অগ্রিম টাকা (দাদন) প্রদান করে নীল চাষ করতে বাধ্য করত। নগদ টাকা পেয়ে কৃষকরা কিছুদিন আরাম আয়েশে কাটাত। উৎপাদিত নীল যখন ইংরেজরা অতি স্বল্প মূল্যে নিয়ে যেতো তখন খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে উঠত। ক্ষুধায় কাতর মানুষগুলো আর দাদন নেবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলেও নগদ টাকার লোভ সামলাতে পারত না। বাধ্য হয়ে তারা অল্প অল্প জমি বিক্রি করত। ক্রমশ জমি কমতে থাকায় অভাব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠত। এভাবেই তারা অভাব-চক্রের মাঝে আবর্তিত হত।উদ্দীপকের কৃষকের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের চাষার যাপিত-জীবনের কতটুকু মিল রয়েছে- আলোচনা কর।
- ইশান একজন এম.এ পাস যুবক। প্রচলিত ধ্যান-ধারণার সাথে কখনই সে একমত হতে পারে না। তাই তার বন্ধুরা যখন আচার সর্বস্ব ধর্মের আনুষ্ঠানিকতা পালন করে তখন সে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখে। সে নিজের অন্তরধর্ম থেকে অনুভব করেছে সৃষ্টিকর্তা সর্বত্র বিরাজমান। আকাশে খুঁজে তাঁকে পাওয়া যায় না। মানুষের মাঝে তাঁকে খুঁ???তে হবে।"উদ্দীপকের 'ইশানের' তুলনায় 'সাম্যবাদী' কবিতার কবির চেতনা আরও বেশি গভীরে নিহিত।" আলোচনা কর।
- ’এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে’ শীর্ষক কবিতায় বর্ণিত স্থানটি কেমন?
- ’নদী ও নারী’ এর রচয়িতা কে?
- 'বাংলাদেশ' কবিতায় "সহস্রের একটি কাহিনী" র অর্থ
- 'ঐকতান' কবিতাটি প্রথমে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- শাস্ত্রকারেরা গাহস্থ্য ব্যাপারটিকে কী হিসেবে কল্পনা করেছ??ন?
- ধন-রত্ন সুখৈশ্বর্য কিছুতেই সুখ নাই,সুখ পর-উপকারে, তারি মাঝে খোঁজ ভাই।'আমিত্ব'কে বলি দিয়া স্বার্থ ত্যাগ কর যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি।নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি।উদ্দীপক এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- 'সকল দুশ্চিন্তা পরিত্যাগ করিয়া ধর্মাচরণে মন দাও'- কে, কেন বলেছিল?
- 'আবেস্তা' কী?
- সাধনার ব্যাপারে বড়ো জিনিস কী?
- পরিশীলিত বাগবৈদগ্ধময় রম্য রচনায় সিদ্ধ হস্ত কে?
- সাম্প্রতিক সময়ে হংকং অশান্ত হওয়ার প্রধান কারণ-
- নিচের কোনটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য কর্মেরউল্লেখ করা হয়েছে?
- ড. আনিসুজ্জামানের লেখা গ্রন্থ কোনটি?
- আজ উদ্যান লতা সৌন্দর্য গুণে বনলতার নিকট পরাজিত হইল।' এ বাক্যটি কোন লেখকের ?
- 'বিড়াল' প্রবন্ধে কার কথা ভারি সোশিয়ালিস্টিক?
- নিচের কোন কবির জন্ম বৃহত্তম ঢাকা জেলায়-
- "জেন্দা" কী?
- ‘বনি আদম’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- 'মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।'- ব্যাখ্যা করো।
- চিরকাল গলার স্বর আমার কাছে বড়ো সত্য। রূপ জিনিসটি বড়ো কম নয়, কিন্তু মানুষের মধ্যে যাহা অন্তরতম এবং অনির্বচনীয়, আমার মনে হয় কণ্ঠস্বর যেন তারই চেহারা। আমি তাড়াতাড়ি গাড়িতে জানালা খুলিয়া বাহিরে মুখ বাড়াইয়া দিলাম, কিছুই দেখিলাম না। প্লাটফর্মের অন্ধকারে দাঁড়াইয়া গার্ড তাহার একচক্ষু লণ্ঠন নাড়িয়া দিল, গাড়ি চলিল: আমি জানালার কাছে বসিয়া রহিলাম। আমার চোখের সামনে কোন মূর্তি ছিল না, কিন্তু হৃদয়ের মধ্যে আমি একটি হৃদয়ের রূপ দেখিতে লাগিলাম। সে যেন এই তারাময়ী রাত্রির মতো, আবৃত করিয়া ধরে কিন্তু তাহাকে ধরিতে পারা যায় না। গুগো সুর, অচেনা কন্ঠের সুর, এক নিমেষে তুমি যে আমার চিরপরিচয়ের আসনটির উপরে আসিয়া বসিয়াছ। কী আশ্চর্য পরিপূর্ণ তুমি- চঞ্চল কালোর ক্ষুদ্র হৃদয়ের উপরে ফুলটির মতো ফুটিয়াছ, অথচ তার ঢেউ লাগিয়া একটি পাপড়িও টলে নাই, অপরিমেয় কোমলতায় এতটুকু দাগ পড়ে নাই ।খ) 'একচক্ষু নন্ঠন' বলতে কী বোখানো হয়েছে? ঘ) কখন কাকে 'তুমি' সম্বোধন করেছে?
- হৈরব আর ভৈরব দুই ভাই। চিন্তা-চেতনায় স্বার্থে পরার্থেযোজন দূরের বাসিন্দা তারা; কিন্তু তাদের মা দুরারোগ্যব্যধিতে আক্রান্ত হলে বিভেদ ভুলে হৈরব ভৈরবকে মায়েরচিকিৎসায় তার পাশে থাকার অনুরোধ জানায়। ভৈরব স্বার্থচিন্তা ত্যাগ করে বিনা দ্বিধায় বড় ভাইয়ের পাশে দাঁড়ায়।উদ্দীপকের ভৈরব ও মিরজাফর চরিত্রে যুগপৎপ্রতিফলিত—
- সন্ধ্যার বাতাসে ঘরে ফেরার মধ্য দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- জাদুঘর একটি-