"যা চিরস্থায়ী নয়"-
A. পরস্থায়ী
B. অস্থাবর
C. অবিনশ্বর
D. নশ্বর
সঠিক উত্তরঃ
D.
নশ্বর
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন-
- 'আঠারো বছর বয়স মাথা নোয়াবার নয়'- কেন?
- ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য তার 'আঠার বছর বয়স' কবিতায় পদাঘাতে কী ভাঙ্গতে চেয়েছেন?
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ 'ছাত্রপত্র' কত সালে প্রকাশিত?
- গ্রামের রাস্তা হচ্ছে। কিন্তু মতিব্বর শ্রেণি ঠিকাদারদের সাথে আঁতাত করে নিম্নমানের রাস্তা করছে। গ্রামের যুবকেরা এটি বু???তে পেরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ল। তারা একত্রিত হয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলো। শেষ পর্যন্ত ঠিকাদারেরা ঠিকমতো কাজ করতে বাধ্য হলো।"উদ্দীপকটি পরিপূর্ণরূপে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাব ধারণ করতে পারেনি।"- মন্তব্যটি প্রমাণ করো।
- "ছাড়পত্র " কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- কবির এ প্রত্যাশার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ‘রক্তদানের পুণ্য' বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় 'পদাঘাতে' কী ভাঙতে চায়?
- ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ 'আকাল' সম্পাদনা করেন কে?
- ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর? প্রলয় নতুন সৃজন বেদন।আসছে নবীন জীবন হারা অসুন্দরে করতে ছেদন।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত আঠারো বছরবয়সের কোন বৈশিষ্ট্যটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে?
- দেশ ও জাতির কল্যাণে তারুণ্যশক্তি এগিয়ে যায় কেন?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- " জ্বলে- পুড়ে মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়। " কবিতাংশটি-
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই যাহার শক্তি অপরমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়; বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।"এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'-পাঠ্য কবিতায় এ সুর থাকলেও উদ্দীপকে তা প্রতিধ্বনিত হয়নি।"- যুক্তি দিয়ে বিচার করো।
- বাংলাদেশের সড়ক পথে হতাহতের ঘটনা কেন্দ্র করে ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল নয় দিনের একটি আন্দোলন 'নিরাপদ সড়ক চাই।' এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী। আন্দোলনের রেশ ছড়িয়ে পড়েছিল সারা দেশে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার 'পথে-প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান' চরণটি কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- তারুণ্য হলো মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ বয়সে অনেক তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা থাকে। পড়াশোনা শেষ করে চাকরির জন্য ছোটা, অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করা; আবার যেকোনো অসৎ সঙ্গে নষ্ট হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। এসকল প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে একজন তরুণকে পথ চলতে হয়। অর্থাৎ একজন তরুণকে বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়।" 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উদ্দীপকের বিষয়গত ভাবের ইঙ্গিত আছে।"- যুক্তিসহ মূল্যায়ন করো।
- তারুণ্য হলো মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ বয়সে অনেক তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা থাকে। পড়াশোনা শেষ করে চাকরির জন্য ছোটা, অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করা; আবার যেকোনো অসৎ সঙ্গে নষ্ট হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। এসকল প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে একজন তরুণকে পথ চলতে হয়। অর্থাৎ একজন তরুণকে বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়।উদ্দীপকে উল্লিখিত 'তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা' 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বুঝিয়ে লেখো।
- আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?
- তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই, যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা,মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
- এক সময়ে শহরের পাড়ায় পাড়ায় ছিল মাঠ। খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে কেটে যেত পলাশ ও কাজলের শৈশব কৈশোরের দূরন্ত দিনগুলো। লেখাপড়ার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের সুযোগ ছিল বরে তারা অসৎ সঙ্গে পড়ে বিপথে, যাননি। আজ বৃদ্ধ বয়সেও তাদের বন্ধুত্ব অটুট। একসঙ্গে প্রাতভ্রমণের সময়ে বিশ্রাম নেওয়া এবং খবরের কাগজ পড়া তাদের নিত্যদিনের অভ্যাস। একদিন 'খবরের একটি শিরোনামে দুজনারই চোখ আটকে যায়- 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ নগরবাসী।'উদ্দীপকের 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডব'- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি নির্দেশ করে? বর্ণনা করো।