‘পদ্মানদীর মাঝি’ কার লেখা?
A. মুনীর চৌধুরী
B. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
C. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
D. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তরঃ
B.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation: ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ ঔপন্যাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুমুল জনপ্রিয় উপন্যাস। এটি মূলত আঞ্চলিক উপন্যাস। এটি বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে। জননী, দিবারাত্রির কাব্য, অহিংসা, পুতুল নাচের ইতিকথা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম।
Related Questions (Any University/Year)
- আহ্লাদিকে স্বামীর ঘর ছেড়ে চলে যেতে হয় কেন?
- কৃৎ-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ নয় কোনটি?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- কারণে-অকারণে বউকে প্রহার করা তাহেরের অভ্যাস।নির্যাতন সইতে না পেরে তার বউ অবশেষে আত্মহত্যা করে।তাহের পুনরায় বিয়ে করে এবং আবারও স্ত্রীর ওপর অত্যাচারশুরু করে।উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক হলো-
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ নামক উপন্যাসের উপজীব্য-
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।'- কেন?
- বহুত্ববাচক শব্দ
- মাসির দাম্পত্য জীবনের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি ঠিক?মাসির স্বামী ভালো ছিলমাসির স্বামী মদ্যপ ছিলমাসির শাশুড়ি-ননদ বাঘ ছিলনিচের কোনটি সঠিক?
- গার্ড: রেলের প্ল্যাটফর্মে ঘুমিয়ে পরিবেশ নোংরা করছকেন? সরে যাও, না হয় জেলে পাঠাব।সবুরা: 'জেলেরে ভয়ে পাই না, ছেলেমেয়ে সবসহ নিয়েযাও। ওখানে দুমুঠ খেতে দিবা। আগে বাঁচি, তারপর দেখব সুন্দর।উদ্দীপকের সবুরার মধ্যে রয়েছে মাসি-পিসি' গল্পেরমাসি-পিসির —দুঃসাহসিকতাতেজবাকপটুতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে 'বজ্জাত হোক, খুনে হোক জামাইতো।'— বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- 'সে যেন অনুভব করে, সে-ই এখানকার কর্তা, সে-ই সর্বেসর্বা।'- উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে বক্তার-
- মাসি -পিসি গল্পে চৌকিদারের নাম কি ছিল
- "শুনি রাজা কহে, “বাপু, জান তো হে, করেছি বাগানখানাপেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দীঘে সমান হইবে টানা ওটাদিতে হবে।"উদ্দীপকের রাজার সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যচরিত্র কোনটি?
- মাসি-পিসির পেশা কী ছিল?
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।"মাসি-পিসি' গল্পের 'মাসি-পিসি'র মতো অভিভাবক থাকলে উদ্দীপকের সাফিয়ার পরিণতি এমন হতো না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'মাঝখানে গুটিসুটি হয়ে বসে আছে অল্পবয়সি একটিবৌ'– বৌটি কে?
- "মাসি-পিসি" গল্পে আহ্লাদি নামক তরুণীটি কার নির্যাতনের শিকার?
- সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার-আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।উদ্দীপকের চাচা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পটির লেখক কে?
- 'উপ' উপসর্গযোগে গঠিত কোন শব্দটি ক্ষুদ্রার্থে ব্যবহৃত হয়?
- আমি, তুমি ও সে - আমরা ---- এটি কোন সমাসের উদাহরণ?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর পিতাপ্রদত্ত নাম কী?
- 'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়'- উক্তিটি কার?
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।উদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্য দেখাও।
- বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা :