বুড়িকে মা বলে ডাকে কে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মানুষের মধ্যে স্নেহ প্রীতির বন্ধন রচিত হয়-
- ’দৃষ্টিপ্রদীপ' উপন্যাসের লেখক কে?
- ‘আহ্বান’ গল্পে গল্পকথক বুড়ির কাছ থেকে পেত-
- ‘অপরাজিত’ উপন্যাসের লেখক–
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আহ্বান' গল্পে যে বিষয়টিফুটে উঠেছে—
- বিভুতিভূষণের কোন উপন্যাসটির চলচ্চিত্রায়ন এখনও হয়নি?
- 'আহ্বান' গল্পের মূল ভাববস্তু কী?
- "আমার মন হয়তো ওর ডাক এবার আর তাচ্ছিল্য করতে পারেনি"- ব্যাখ্যা করো।
- ‘আহ্বান' গল্পে বর্ণনাকারীর জন্য বুড়ির চাটাই বোনারকারণ কী?
- পাথালিয়া একটি আদর্শ গ্রাম। এখানে বিভিন্ন ধর্মেরলোকদের মধ্যে রয়েছে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ। ধনীনির্ধন নির্বিশেষে পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করেতারা সাধ্যমতো । উদ্দীপকে 'আহ্বান' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
- 'আহ্বান' গল্পে বুড়ি লেখকের জন্য কী এনেছিলেন?
- নিঃসন্তান সৌদামিনী মালো দুর্ভিক্ষে মৃত এক মুসলমান কৃষক পরিবারের অসহায় শিশু পুত্রকে মাতৃস্নেহে বুকে তুলে নেয়। শিশুর নাম দেয় হরিদাস। বড় হয়ে হরিদাস যখন ???ানতে পারে সে মুসলমানের ছেলে তখন সে সৌদামিনীকে ছেড়ে পালিয়ে যায়। হরিদাসকে হারিয়ে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয় হাহাকার করে ওঠে। ধর্ম, বর্ণ, অর্থ এসব কিছুর ঊর্ধ্বে মাতৃত্ব। শওকত ওসমানের' সৌদামিনী মালো' ছোটগল্পটিতে এভাবে মানবতার জয়গান ধ্বনিত হয়েছে।'সৌদামিনী মালো' গল্পটির সাথে 'আহ্বান' গল্পের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'আহ্বান' গল্পে গোপালকে দেওয়ার জন্য হাজরা ব্যাটারবউ বুড়িকে কী দিয়েছিল?
- 'আহবান' গল্পে গল্পকথক বুড়ির কাছ থেকে পেত-
- বুড়ি কাকে তার কাফনের কাপড় কিনতে অনুরোধকরেছিল?
- 'আহ্বান' গল্পে ‘ওখানা পুরনো হয়ে ভেঙে যাচ্ছে' —কী ?
- মোবারক নিঃসন্তান দরিদ্র কৃষক। সে শীতের কোনো এক সন্ধ্যায় কাজ শেষে ব্যস্তভাবে বাড়ি ফিরছিলো। হঠাৎ বড় আম বাগানের ভিতর থেকে এক শিশুর কান্নার শব্দ তার কানে এলো। সে একটু এগিয়ে দেখলো, এক রুগ্ন শিশু শুকনো পাতার ভিতর নড়ছে। শিশুটিকে মোবারক বাড়ি নিয়ে এলো এবং স্ত্রী ফরিদাকে ডেকে বললো, "এই নাও, আমাদের শূন্য ঘরের আনন্দ।" দুজনে মিলে শিশুটির নাম রাখল রহমত। শিশুটিকে মোবারক ও ফরিদা সন্তান স্নেহে লালন-পালন করতে লাগলো।উদ্দীপকের মোবারক দম্পতির মাধ্যমে 'আহ্বান' গল্পের কোন দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? আলোচনা করো।
- সেই বাংলাদেশে ছিল সহস্রের একটি কাহিনিকোরানে-পূরাণে, শিল্পে, পালা-পার্বণে ঢাকে-ঢোলে,আউল-বাউল নাচে; পুণ্যাহের সানাই রঞ্জিতরোদ্দুরে আকাশতলে দেখ কারা হাটে যায়, মাঝিপাল তোলে, তাঁতি বোনে, খড় ছাওয়া ঘরের আগুনেমাঠে ঘাটে-শ্রমসঙ্গী নানা জাতি ধর্মের বসতিচিরদিন বাংলাদেশ-"উদ্দীপকের অসাম্প্রদায়িক মনোভাব 'আহ্বান' গল্পের গল্প কথকের মনোজগতে ধরা পড়েছে"- উক্তিটির যথার্থতা প্রতিপন্ন করো।
- 'আহ্বান' গল্পের বুড়িকে কে মা বলে ডাকে?
- আহ্বান' গল্পের স্নেহময়ী বৃদ্ধার স্বামীর নাম কী?
- ‘কতকাল পরে বাবা মনে পড়ল দেশের কথা' - 'আহ্বান' গল্পে এ উক্তি কে করেছিলেন ?
- 'আহ্বান' গল্পের নামকরণের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি অধিকগুরুত্ব পেয়েছে?
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।উদ্দীপকের সৌদামিনী মালো 'আহ্বান' গল্পের কার সঙ্গে তুলনীয়? আলোচনা কর।
- 'আহ্বান গল্পের বৃদ্ধা মারা গেছেন কোন ঋতুতে?
- মন্বন্তরের সময় নিঃসন্তান হরিদাসী আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে ধানক্ষেতের পাশে পরিত্যক্ত একটি শিশু দেখতে পায়। পরম স্নেহে অসহায় শিশুকে কোলে তুলে নেয় সে এবং মাতৃত্বের মমতায় তাকে বড় করে তোলে। কিন্তু বাদ সাধে সমাজ। তাদের মতে হরিদাসীর কুড়িয়ে পাওয়া ছেলেটি মুসলমানের ছেলে, তাকে কাছে রাখলে ব্রাহ্মণ সমাজের অশুচি হবে। কিন্তু হরিদাসী এত কিছু ভাবতে চায় না। তার কাছে মাতৃত্বের দাবিদারই বড় বিষয়।প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও বুড়ি ও হরিদাসীর মধ্যে প্রাধান্য পেয়েছে মাতৃত্বের হাহাকার- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।