শফিক মিয়ার মেয়ে আমেনাকে বিয়ে দেয় অপেক্ষাকৃত দরিদ্র জমিরের সাথে। জমির সৎ, হৃদয়বানব, এবং স্ত্রীকে সে প্রাণাধিক ভালোবাসে কিন্তু আমেনা দরিদ্র জমিরের ঘর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসে।
"উদ্দীপকের আমেনা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির স্বামীর ঘর ছাড়ার কারণ এক নয়।" মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- শফিক মিয়ার মেয়ে আমেনাকে বিয়ে দেয় অপেক্ষাকৃত দরিদ্র জমিরের সাথে। জমির সৎ, হৃদয়বানব, এবং স্ত্রীকে সে প্রাণাধিক ভালোবাসে কিন্তু আমেনা দরিদ্র জমিরের ঘর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসে।উদ্দীপকের জমিরের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের জগুর বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- এইখানে তোর বুজির কবর পরীর মতন মেয়ে, বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।এত আদরের বুজিরে যে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের মূলভাব কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতামত দাও।
- আহ্লাদিকে তার স্বামী যেভাবে নিয়ে যাবে বলে কৈলাশকেজানায়—
- মাসি -পিসি গল্পে চৌকিদারের নাম কি ছিল
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।"মাসি-পিসি' গল্পের 'মাসি-পিসি'র মতো অভিভাবক থাকলে উদ্দীপকের সাফিয়ার পরিণতি এমন হতো না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- আহ্লাদিকে দেখে বুড়ো রহমানের চোখ ছলছল করে ওঠে কেন?
- 'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মূল উপজীব্য হলো-
- 'মাসি-পিসি' গল্পটির লেখক কে?
- মাসি-পিসি' গল্পটি 'পূর্বাশা' পত্রিকায় কত বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়?
- দশম শ্রেণির ছাত্রী আসমা এক দরিদ্র পিতার সন্তান। গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি গওহর মণ্ডল জোরপূর্বক আসমাকে পুত্রবধু বানাতে চায়। হুমকি দেয় তুলে নিয়ে যাওয়ার। এই, পরিস্থিতিতে আসমার বান্ধবীরা পাশে এসে দাঁড়ায়। মন্ডলের বখাটে ছেলের হাতে পড়ে মেধাবী ছাত্রী আসমার লেখাপড়া ধ্বংস হোক তারা চায় না। বান্ধবীরা বিষয়টি স্থায়ীয় সাংবাদিক ও কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে জানায়। তারা দলবেধে স্কুলে যায় এবং পালা করে আসমার বাড়ি পাহারা দেয়। এতে দমে যায় গওহর মণ্ডল। জয় হয় সম্মিলিত প্রতিরোধের।উদ্দীপকের গওহর মণ্ডল 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- 'মোরা নয় মরব'। পিসির এ উক্তি কীসের ইঙ্গিত বহনকারী? বুঝিয়ে দাও।
- ছুটি রাণী বিধবা ও নিঃসন্তান। এ বিধবার নিকট-সম্পর্কের কেউ নেই। একদিন বাড়ির আঙিনার মন্দিরের পাশে বিশ-ঊর্ধ্ব একটি মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। সমস্ত ঘটনা শুনে মেয়েটিকে ঘরে নিয়ে আসেন। স্বামীর নির্দয়তায় ক্ষত-বিক্ষত মেয়েটিকে মায়ের স্নেহে আশ্রয় দেন। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোক সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চান। মেয়েটি কোনোভাবেই ফিরে যেতে রাজি নয়। ছুটি রাণীও মেয়েটিকে যেতে দেননি। এজন্য ছুটি রাণীকে সামাজিক নেতিবাচকতার মুখোমুখি হতে হয়। ছুটি রাণী মেয়েটিকে তার স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত ধন-সম্পত্তি উইল করে দেন।উদ্দীপকে উল্লিখিত মেয়েটি 'মাসি-পিসি' গল্পের 'আহ্লাদি'র সাথে কীভাবে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- কানাই চৌকিদার চরিত্র কোন গল্পের ?
- ‘প্রাগৌতিহসিক’ গল্পটি কার রচনা?
- গার্ড: রেলের প্ল্যাটফর্মে ঘুমিয়ে পরিবেশ নোংরা করছকেন? সরে যাও, না হয় জেলে পাঠাব।সবুরা: 'জেলেরে ভয়ে পাই না, ছেলেমেয়ে সবসহ নিয়েযাও। ওখানে দুমুঠ খেতে দিবা। আগে বাঁচি, তারপর দেখব সুন্দর।উদ্দীপকের সুবরার উক্তির সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পেরকোন বাক্যের মিল আছে?
- হঠাৎ দাওয়া থেকে ছুটে এসে মুহূর্তে হালিমার চুলের গোছাটা ধরলআবুল। তারপর কোনো চিন্তা না করে সজোরে একটা লাথি বসিয়েদিল ওর তলপেটে। উহ্! মাগো বলে পেটটা চেপে ধরে মাটিতেবসে পড়ল হালিমা।উদ্দীপকের আবুলের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে চরিত্রেরসাদৃশ্য রয়েছে—
- কে বাহকের মাথায় খড় চাপাতে ব্যস্ত ছিল?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ?
- আহ্লাদির বাবা-মা মারা গিয়েছিল কীভাবে?
- 'বেঁধে নিয়ে যাবার হুকুম আছে।'- 'মাসি-পিসি' গল্পে উক্তিটি কার?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে 'বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাই তো।'-বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- নিচের কোন লেখক মার্কসবাদী লেখক হিসেবে পরিচিত?
- “গবেষণা” (গো+এষণা) কোন ধরনের শব্দ?
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।"উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'মাসি-পিসি' গল্পের বক্তব্য ধারণ করে- তোমার মতামত দাও।
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?