আশফাক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজসচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজে বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছেন, যারা ছাত্র অবস্থায় তাঁর সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এর পরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা তাঁর সমালোচনা করে। এসব শুনে আশফাক ??াহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'
'সমালোচনাকে যারা উপেক্ষা করতে পারে, তারাই সামনে এগিয়ে যেতে পারে।'- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস?
- তন্ময় আজাদ ছোটবেলা থেকে লেখালেখি করে। সে সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'লেখার অন্ধভক্ত। লেখনির মাধ্যমে সে দেবদাসের মতো চরিত্র সৃষ্টি করতে চায়। তার লেখা পড়লে মনে হবে এগুলো শরৎচন্দ্রেরই লেখা। তবুও সে সাহিত্যিক হিসেবে জনপ্রিয়তা পায়নি। 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন জিনিসটি উদ্দীপকের তন্ময় আজাদের লেখক সত্তাকে বাধাগ্রস্ত করেছে?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম' ব্যাখ্যা করো।
- 'তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসটি প্রথম কোন্ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- আলম একজন সংগঠক। এলাকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে তিনি 'কবি সুকান্ত পাঠাগার ও সংগীত বিদ্যালয়' নামে সংগঠন গড়ে তোলেন। তিনি মিথ্যাকে উড়িয়ে দিয়ে, সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে সংগঠনের 'রজত জয়ন্তী'র আয়োজন করেছেন। তিনি দমে যাওয়ার মানুষ নন। তার সংগঠনের ছেলেমেয়েরা আজ গুণী শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসাবিদ আরও কত সফল মানুষ। তিনি আলোকিত মানুষ হিসেবে সকলের মন আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছেন।'মনুষ্যত্ব মানুষকে আলোর পথ দেখাতে পারে' উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তির যথার্থতা বিচার করো।
- ‘স্বল্পপ্রাণ স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসারপরিপূর্ণ। তাদের কাজ-ভালো কাজে সহায়তা করাভালো কাজে অন্তরায় সৃষ্টি করাঅপরের নিন্দা রটানোনিচের কোনটি সঠিক?
- “রাজবন্দীর জবানবন্দী" নজরুল ইসলামের কী ধরনের রচনা?
- কোনটি কাব্য নয়?
- আলম একজন সংগঠক। এলাকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে তিনি 'কবি সুকান্ত পাঠাগার ও সংগীত বিদ্যালয়' নামে সংগঠন গড়ে তোলেন। তিনি মিথ্যাকে উড়িয়ে দিয়ে, সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে সংগঠনের রজতজয়ন্তী আয়োজন করেছেন। তিনি দমে যাওয়া মানুষ নন। তার সংগঠনের ছেলেমেয়েরা আজ গুণী শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসাবিদ আরও কত সফল মানুষ। তিনি আলোকিত মানুষ হিসেবে সকলের মন আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছেন।উদ্দীপকে আলমের নেতৃত্বের স্বরূপ 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।
- আগুনের ঝান্ডা দুলিয়ে লেখক কেন পথে বের হলেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুযায়ী আত্মাকে চিনলেই কী আসে?
- রক্তের অক্ষরে দেখিলামআপনার রূপচিনিলাম আপনাকেআঘাতে আঘাতে;সত্য যে কঠিনকঠিনেরে ভালোবাসিলামসে কখনো করে না বঞ্চনা।'সত্য যে কঠিন; কঠিনেরে ভালোবাসিলাম' এই চরণ দুটির আলোকে 'আমার পথ' প্রবন্ধটি বিশ্লেষণ করো।
- শফিক চৌধুরী সারাটি জীবন শিক্ষকতা করেছেন, গড়েছেন আলোকিত মানুষ। অবসরগ্রহণের পর তিনি গড়ে তুলেছেন "পরোপকার" নামে সেবা-সংগঠন। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি পথশিশুদের শিক্ষাদান, দুর্নীতি-বিরোধী অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করেন তিনি। অনেকে তাঁর কাজের প্রশংসা করেন, আবার নিন্দা এবং কটূক্তি করতেও ছাড়েন না কেউ কেউ। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন-মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।"উদ্দীপকের কবিতাংশের অনুভূতি চেতনায় ধারণ করে আলোকিত পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব।"- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
- জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে 'বিশ্বাস' অর্থাৎ 'আত্মবিশ্বাস' শব্দটি মানবমনের এম শক্তির প্রতীক, যার কোনো যৌক্তিক সীমানা নেই। তবুও আত্মবিশ্বাসের ভালো উদাহরণ হিসেবে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ নাট্যকার 'জর্জ বার্নার্ডশ' এর নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি মাত্র ৫ বছর স্কুলে লেখাপড়া করেছেন। দারিদ্র্যের কারণে মাত্র ১৫ (পনেরো) বছর বয়সে মাসে ৪০ টাকা বেতনে কেরানির কাজ নেন। কিন্তু তিনি লেখক হতে চেয়েছিলেন এবং বিশ্বাস করতেন একদিন বড়ো লেখক হবেন। তাই' তিনি নিয়মিত লেখা শুরু করেন। লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে তাঁর নয় বছর সময় লেগেছিল। লেখক জীবনের প্রথম নয় বছরে তাঁর লেখা থেকে আয় হয়েছিল মাত্র ৩০০ টাকা। কিন্তু তাঁর বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। লেখক হিসেবেই পরবর্তীতে উপার্জন করেছেন প্রচুর টাকা।উদ্দীপকের জর্জ বার্নার্ড শ-এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাথে 'আমার পথ' রচনার প্রাবন্ধিকের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাদৃশ্য বিচার করো।
- কোন গুচ্ছটি ঠিক?
- 'কিন্তু আমরা তাঁর কথা বুঝলাম না।'— 'আমারপথ' প্রবন্ধে কার সম্পর্কে আলোচ্য কথাটি বলাহয়েছে?
- 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?'-কথাটি কার?
- স্বার্থ-সুখ চাহি না কো, আত্মনিষ্ঠ কেহ মোরা নয়;পরার্থে কবির বিশ্বে সর্ব বিসর্জনআমাদের আত্মত্যাগে প্রতিগৃহে নামিবে অভয়মর্ত্যের মাটিতে হবে স্বর্গের সৃজন।উদ্দীপকের সঙ্গে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- 'মানুষ- ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম।' উক্তিটি কোন প্রবন্ধিকের-
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে নজরুলের মতে পরাবলম্বনআমাদের কী করে তুলেছে?নিষ্ক্রিয়বিনাসীদাসনিচের কোনটি সঠিক?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক নিজের পরিচয় দিয়েছেনকী হিসেবে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে বর্ণিত সত্য অন্তরে ধারণ করলে একজন মানুষ কী হবে?
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে'- কোন লেখকের উক্ত?
- বর্তমান কালের যুবক-যুবতিদের মধ্যে পরনির্ভরশীলতা বাড়ছে। নিজের শক্তি সম্পর্কেও পার্বতী ও বিলাসী চরিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। তারা অবগত নয়। নিজের অপরিসীম শক্তি সম্পর্কে জানলে তারা অনেক সমস্যা থেকেই মুক্তি পেত। পরের দিকে চেয়ে থাকার জন্য তাদের মন আজ মানসিক দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের বক্তব্য কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- সজল জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছে। কত রাত্রি অনুশোচনায় তার ঘুম হয়নি। এখন তার আত্মোপলব্ধি হয়েছে। সে ভাবে আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোটো হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মযন্ত্রণা ভোগ করব না।"ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের খণ্ডচিত্র।" আলোচনা করো।