'অপরিচিতা' গল্পের শীর্ষ-মুহূর্ত কোনটি?
A.
শম্ভুনাথ সেনের কন্যা সম্প্রদানে অসম্মতির কারণ
B.
ট্রেনে কল্যাণীর সাক্ষাৎ মুহূর্ত
C.
সেকরা কর্তৃক গহনা পরীক্ষার মূহূর্ত
D.
গায়েহলুদে অতিরিক্ত মানুষ যাওয়ার মুহূর্ত
সঠিক উত্তরঃ
A.
শম্ভুনাথ সেনের কন্যা সম্প্রদানে অসম্মতির কারণ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বিয়ে না করার সিদ্ধান্তেরকারণ কী ছিল?
- 'কুশপুত্তলি' শব্দের আভিধানিক অর্থ-
- "সোনার তরী" কবিতাটি কোন ছন্দে র??িত?
- 'ঘরে-বাইরে' গ্রন্থের রচয়িতা-
- শ, ষ, স এ তিনটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি কী?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'অপরিচিতা' গল্পটি কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?
- 'এককালে ইহাদের বংশে লক্ষ্মীর মঙ্গলঘট ভরা ছিল।' উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস নয়?
- ’অতিকায় হন্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে। কার উক্তি?
- রবীন্দ্রনাথের 'শেষের কবিতা' একটি-
- 'স্বয়ংবরা' কী?
- “যে গাছে সে ফুটিয়াছে সে গাছকে সে একেবারেঅতিক্রম করিয়া উঠিয়াছে।''— এই বর্ণনায় কল্যাণীরকোন বিশেষ দিকের কথা বলা হয়েছে?
- আদিব ও শাফিক দুই বন্ধু। আদিব অহংকারী, নির্জীব,পৌরুষশূন্য। অন্যদিকে শাফিক উচ্ছল, রসিক। শাফিকযেকোনো পরিবেশে দ্রুত নিজেকে মানিয়ে নেয়। সে হয়েওঠে আলোচনার মধ্যমণি। কোন কারণে উদ্দীপকের আদিব ও 'অপরিচিতা' গল্পেঅনুপম সাদৃশ্যপূর্ণ?অহমিকায়নিস্পৃহতায়মেরুদণ্ডহীনতায়নিচের কোনটি সঠিক?
- এম.এ. পাস রফিক বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথাবার্তা বলার সময় বলে নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে বিয়ে নয়। কিন্তু পিতৃহীন রফিক চাচার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে না। পর সম্পদ লোভী চাচার আদেশে তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। নিজের মতামত প্রকাশের মানসিক দৃঢ়তা না থাকার কারণে বিয়ে বাড়ীতে যৌতুকের মালামাল নিয়ে লোভী চাচার প্রশ্নের কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। রফিকও চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিয়ে বাড়ী থেকে অসহায়ের মত চলে আসে।দৃঢ়তার অভাবে রফিক নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে চাচার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে- 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে এ সিদ্ধান্তের সাথে তুমি কি একমত?
- “সংস্কৃতির সংকট" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- কোনটি সঙ্গতিপূর্ণ জোড় নয়?
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না ।' বাক্যটি-
- 'এটা আপনাদের জিনিস, আপনাদের কাছেই থাক।'-এরূপ মন্তব্যের কারণ কী?
- এম.এ. পাস রফিক বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথাবার্তা বলার সময় বলে নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে বিয়ে নয়। কিন্তু পিতৃহীন রফিক চাচার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে না। পর সম্পদ লোভী চাচার আদেশে তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। নিজের মতামত প্রকাশের মানসিক দৃঢ়তা না থাকার কারণে বিয়ে বাড়ীতে যৌতুকের মালামাল নিয়ে লোভী চাচার প্রশ্নের কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। রফিকও চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিয়ে বাড়ী থেকে অসহায়ের মত চলে আসে।উদ্দীপকে বর্ণিত রফিক চরিত্রের সাথে 'অপরিচিতা'- গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।
- 'চির উন্নত মম শির'- কথাটি কীসের পরিচায়ক?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারলাভ করেন?
- 'জলধি' কোন প্রকারের শব্দ ?
- অপাদমস্তক স্বার্থন্ধ মানুষ সমীরণ বাবু। নিজের স্বার্থ আদায়ে তিনি সিদ্ধহস্ত। একমাত্র ছেলের বিয়েতে তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি তার শিক্ষিত ও যোগ্য ছেলের বিয়েতে কন্যাপক্ষের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের যৌতুক চান। সবকিছুই ঠিক ছিল- সুন্দরী কনে, কনের গহনা, পণের টাকা, নিমন্ত্রণ করা। কিন্তু গোল বাধল বিয়ের সভাতে। অর্থলোভী সমীরণ বাবু যৌতুক নিয়ে বাড়াবাড়ি এবং আপত্তিকর কিছু আচরণ করে বিয়ে ভেঙে দিতে চায়। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে তাঁর আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলে টিটন বেঁকে বসে। আজন্ম বাধ্যগত ছেলে টিটন তখন বাবার হীনমানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বলে, সে কেনাবেচা করতে আসেনি; কাউকে অপমান করতেও আসেনি; একজনকে জীবনসঙ্গী করতে এসেছে। তাই বিয়ে করে তাকে নিয়েই বাড়ি ফিরবে।উদ্দীপকটি 'অপরিচিতা' গল্পের বক্তব্যকে কতটা ধারণ করতে পেরেছে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- প্রজাপতির দুই পক্ষ। বরপক্ষ এবং কন্যাপক্ষ। বরপক্ষ কন্যাপক্ষের কাছে নগদ পঞ্চাশ হাজার। টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার চেয়ে বসল। নিত্যানন্দ রায় কোনো কিছু বিবেচনা না না করে তাতেই মেয়ের বিয়ে দিতে সম্মত হয়ে গেল। তার মতে, এমন শিক্ষিত। ছেলে আর বনেদি পরিবার কিছুতেই হাতছাড়া করা যায় না। তার ইচ্ছায় যথারীতি আশীর্বাদ পর্ব শেষে শুভ বিবাহের দিন ধার্য হয়ে গেল। নিত্যানন্দ অনেক কষ্ট স্বীকার করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করার পরও নিতান্ত এক তুচ্ছ কারণে বিয়ের আসরেই এই বিয়ে ভেঙে যায়।উদ্দীপকের নিত্যানন্দ রায়ের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের শুম্ভুনাথের সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- হরিশের সরস রসনার গুণ আছে। এখানে রসনা বলতে কোন বিষয়টিকে বোঝানো হয়েছে?